ঘুরে দাঁড়িয়ে সিরিজ জয় বাংলাদেশের

সংগৃহীত ছবি
অবশেষে জিম্বাবুয়ের মাটিতে এলো সিরিজ জয়ের আনন্দ। টেস্টের পর ওয়ানডে সিরিজেও হেরেছিল বাংলাদেশ। টি-টোয়েন্টির শুরুটাও হয়েছিল হার দিয়ে। এরপর দারুণভাবে ঘুরে দাঁড়িয়ে কুড়ি ওভারের সিরিজ জিতে নিল লাল-সবুজের দল।
তৃতীয় ও শেষ টি-টোয়েন্টিতে জিম্বাবুয়েকে ৪ উইকেটে হারিয়েছে বাংলাদেশ। বুলাওয়েতে স্বাগতিকদের দেওয়া ৭ উইকেটে ১৪৩ রানের জবাবে ২ বল আগে জয় নিশ্চিত করে তাওহিদ হৃদয়রা।
জিম্বাবুয়ের কন্ডিশনে ঠিকঠাক মানিয়ে নিতে পারছিলেন না বাংলাদেশের ক্রিকেটাররা। তাছাড়া বাউন্সি উইকেটেও সংগ্রাম করার কথা জানিয়েছিলেন ব্যাটিং কোচ মোহাম্মদ আশরাফুল। সেটিরই প্রতিফলন হলো টি-টোয়েন্টি সিরিজে। লম্বা সময় দেশটিতে থাকায় কন্ডিশন ও উইকেটের সঙ্গে দারুণভাবে মানিয়ে নিয়েছে হৃদয়রা। তাই হার দিয়ে কুড়ি ওভারের সিরিজ শুরু করলেও ঘুরে দাঁড়ায় দারুণভাবে।
শেষ টি-টোয়েন্টিতে স্বাগতিকদের সুবিধা করতে দেয়নি বাংলাদেশ। জিম্বাবুয়ের রান ১৪৩ পর্যন্ত গিয়েছে ডিয়োন মায়ার্সের দুর্দান্ত ব্যাটিংয়ে। তিনে নেমে এই ব্যাটার খেলেছেন ৭৩ রানের ইনিংস। ৫৩ বলের ইনিংসটি সাজান ৭ বাউন্ডারি ও ২ ছক্কায়। এছাড়া ওপেনার ব্রায়ান বেনেট করেন ৩৮ বলে ৪৭ রান।
বাকি কেউ দাঁড়াতে পারেননি বাংলাদেশের বোলারদের সামনে। তাসকিন আহমেদ কোনো উইকেট পাননি, তবে ৪ ওভারে খরচ করেছেন মাত্র ১৬ রান। মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন এই ম্যাচেও আলো ছড়িয়েছেন, ৪ ওভারে ৩৫ রান খরচায় তার শিকার ২ উইকেট।
১৪৪ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে ইনিংসের প্রথম ওভারেই সাইফ হাসানকে (৪) হারিয়ে কিছুটা ধাক্কা খায় বাংলাদেশ। তবে দ্বিতীয় উইকেটে তানজিদ হাসান তামিম ও পারভেজ হোসেন ইমনের ৫৫ রানের জুটি দলকে ম্যাচে ফিরিয়ে আনে। ইমন ২৪ রান করে সিকান্দার রাজার বলে আউট হন। এরপর অধিনায়ক তাওহীদ হৃদয়কে সঙ্গে নিয়ে রানের চাকা সচল রাখেন তানজিদ তামিম।
৪৫ বলে ৩টি ছক্কা ও ১টি চারের সাহায্যে নিজের লড়াকু হাফ-সেঞ্চুরি তুলে নেন এই ওপেনার ।
শেষ ওভারে বাংলাদেশের দরকার ছিলো ৫ রান। পরপর ২ বলে মোসাদ্দেক হোসেন ও মোহাম্মদ সাইফুদ্দিনের উইকেট হারানোর পর চাপে পড়ে বাংলাদেশ। পরে ক্রিজে এসেই শেখ মেহেদির চারে জয় নিশ্চিত হয় টাইগারদের। তানজিদ অপরাজিত
ছিলেন ৬৬ রানে।




