জামায়াতের লংমার্চের কারণে রাষ্ট্রের কোটি কোটি টাকা লোকসান হবে : রাশেদ খাঁন

মো. রাশেদ খাঁন। ফাইল ছবি
জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় ঐক্যের লংমার্চের কারণে রাষ্ট্রের কোটি টাকা ক্ষতি হবে বলে দাবি করেছেন প্রধানমন্ত্রীর সহকারী (রাজনৈতিক) মো. রাশেদ খাঁন।
আজ শনিবার ১১ দলীয় ঐক্যের এই কর্মসূচি শুরুর পর তিনি এক ফেসবুক পোস্টে লিখেছেন, জামায়াত ঘোষিত লংমার্চের কারণে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে যান চলাচল বন্ধ রয়েছে। এতে রাষ্ট্রের কোটি কোটি টাকার লোকসান হবে।
এদিন সকাল ৭টায় রাজধানীর শাপলা চত্বরে উদ্বোধনী সমাবেশ করে চট্টগ্রামের পথে লংমার্চ শুরু করে ১১ দলীয় ঐক্য। জুলাই সনদ অনুসারে গণভোটের রায় বাস্তবায়ন, জুলাই হত্যাকাণ্ডের বিচার এবং গ্যাস-বিদ্যুৎ সংকট নিরসনের দাবিতে তাদের এই কর্মসূচি।
লংমার্চের সমালোচনা করে রাশেদ খাঁন বলেছেন, ‘বিরোধী দলের নেতাদের মুখে হতাশার ছাপ দেখা যাচ্ছে। জামায়াত ঘোষিত লংমার্চে দলের নেতাকর্মীদের বাইরে সাধারণ মানুষের কোনো আগ্রহ ও অংশগ্রহণ নেই।
‘তারা ভেবেছিল, রাস্তার দুই ধারে জনতার ঢল নামবে। জামায়াতের আমিরের গাড়ি জনতার উপচেপড়া ভিড়ে যেতে পারবে না। কিন্তু লংমার্চে দেশি-বিদেশি বিনিয়োগের পরও সাধারণ মানুষকে টানতে পারেনি জামায়াত নেতৃত্বাধীন ৯ দলীয় জোট। এর মধ্যে দুই দল জামায়াতের জোট ছেড়েছে।’
রাশেদ খাঁন বলছিলেন, ‘সাধারণ মানুষ বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও গ্যাস নিয়ে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক সংকট সম্পর্কে যথেষ্ট জ্ঞান রাখে। ছয় মাসের সরকারের ওপর ১৮ থেকে ২০ বছরের সমস্যা, সংকট ও অব্যবস্থাপনার দায় চাপানোর চেষ্টা মূর্খতার শামিল।’
বিরোধীদের দাবি-দাওয়া নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারীর ভাষ্য, ‘স্বাক্ষরিত জুলাই জাতীয় সংসদ বাস্তবায়নের সর্বোচ্চ প্রচেষ্টা সরকার করে যাচ্ছে।’
‘ফলে বিরোধী দলের ছয় দফায় জনগণের কোনো আগ্রহ নেই। বরং এভাবে রাস্তাঘাট বন্ধ রাখায় ও ১ লাখ লিটার তেল অপচয় করার কারণে জনভোগান্তি ও জ্বালানি সংকট আরও বাড়ছে’, পোস্টে যোগ করেন রাশেদ।








