রাশেদ খাঁন
জামায়াতের ফাঁদে পা দিয়ে নাহিদ বিপথগামী হয়েছেন

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খানঁ। ছবি: ভিডিও থেকে
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খান বলেছেন, ‘জামায়াত আমির ডা. শফিকুর রহমানকে আমি পছন্দ করতাম। কিন্তু তিনি যে মুখোশধারী ছিলেন সেটি গণঅভ্যুত্থানের পরে আমরা দেখলাম। তিনি সর্বপ্রথম বাংলাদেশে আওয়ামী লীগকে সাধারণ ক্ষমা ঘোষণা করেছেন। অর্থাৎ গণঅভ্যুত্থানের সঙ্গে সর্বপ্রথম বেইমানি করেছেন শফিকুর রহমান। এই শফিকুর রহমান সাহেবকে নিয়ে কী বলব? তিনি নাকি বিএনপির পতন ঘটিয়ে দেবেন। তিনি তো জীবিতই ছিলেন। তার নেতৃত্বে তো মগবাজারের তালাটা পর্যন্ত খোলা যায়নি।’
আজ শনিবার সকালে ঝিনাইদহ সদরের মুরারীদহ এলাকায় ঐতিহ্যবাহী মিয়ার দালান পরিদর্শনকালে সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা বলেছেন।
জামায়াতকে মোনাফেক আখ্যা দিয়ে রাশেদ খাঁন বললেন, ‘আমি এসব কথা বলি, চোখে আঙুল দিয়ে মানুষের সামনে তাদের মোনাফেকি রাজনীতি ধরিয়ে দেই।’ তাদের একজন প্রভাবশালী নেতা আব্দুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের। তিনি বিদেশিদের সঙ্গে বৈঠক করে বললেন, ‘আমরা শরিয়াহ আইন কায়েম করব— এমনটি কোথাও বলিনি।’ এমনকি তাদের নির্বাচনী ইশতেহারেও কোথাও উল্লেখ করা নেই যে তারা ক্ষমতায় গেলে শরিয়াহ আইন কায়েম করবে। এই মোনাফেক রাজনৈতিক দল এখন সংসদে মানুষকে আইওয়াশ করে বলছে, আমরা কোরআনের আইন চাই, শরিয়াহ আইন চাই। তারা ক্ষমতায় আসার জন্য জান্নাতের টিকিট পর্যন্ত বিক্রি করেছে। এমন কোনো অপকর্ম, ভণ্ডামি অপরাধ নাই যেটা তারা করেনি।
দেশের পরিবর্তন বিএনপির হাত ধরেই উল্লেখ করে রাশেদ খাঁন বলেছেন, ‘জনগণ বুঝেছে, এই দেশে যতটুক পরিবর্তন সেটা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ও বেগম খালেদা জিয়ার হাত ধরে। বর্তমানে যদি কোনো পরিবর্তন হয় সেটা হবে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে।’
এনসিপি নিয়েও বিস্ফোরক মন্তব্য করলেন প্রধানমন্ত্রীর এই রাজনৈতিক সহকারী। তিনি বললেন, ‘নাহিদ ইসলাম গণঅভ্যুত্থান পর্যন্ত সঠিক পথেই ছিলেন। কিন্তু যখনই জামায়াতের ফাঁদে পা দিলেন, তখনই বিপথগামী হয়েছেন। এনসিপি জামায়াতের কাছে বিক্রি হয়ে গেছে। গণঅভ্যুত্থান নিয়ে সর্বপ্রথম বাংলাদেশে ক্রেডিটবাজি করেছে এনসিপি। তাদের নতুন বন্দোবস্তের রাজনীতিও প্রায় শেষের দিকে। শুরুতে ডা. জারাদের (তাসনিম জারা) মতো অনেকে যুক্ত হয়েছিলেন। কিন্তু যখন জামায়াতের সঙ্গে জোটে যায় তখন প্রগতিশীল ও গণতন্ত্রমনা যারা ছিলেন মোটামুটি সবাই এনসিপি বয়কট করেছে। তার মানে এনসিপি এখন জামায়াতের একটি শিশু সংগঠন।’





