ছাত্রশক্তির প্রথম কাউন্সিল ১২ সেপ্টেম্বর, শীর্ষ পদে আলোচনায় যারা

সংগৃহীত ছবি
জাতীয় ছাত্রশক্তির প্রথম কেন্দ্রীয় ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার কাউন্সিল আগামী ১২ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠিত হবে। প্রথমবারের মতো এই কাউন্সিলের মাধ্যমে সংগঠনটির কেন্দ্রীয় ও ঢাবি শাখার নতুন নেতৃত্ব নির্বাচিত হবে। কাউন্সিল ঘিরে এরই মধ্যে শুরু হয়েছে প্রস্তুতি, আর শীর্ষ পদে সম্ভাব্য প্রার্থীদের নাম নিয়ে চলছে জোরালো আলোচনা।
জাতীয় ছাত্রশক্তির পঞ্চম সাধারণ সভায় গৃহীত সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ১২ সেপ্টেম্বর সংগঠনটির প্রথম কেন্দ্রীয় কাউন্সিল অনুষ্ঠিত হবে। কাউন্সিল সফল করতে গঠিত প্রস্তুতি কমিটির প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক (দক্ষিণাঞ্চল) মহির আলম।
অন্যদিকে, বার্ষিক সাধারণ সভায় জাতীয় ছাত্রশক্তি, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সংসদও তাদের প্রথম কাউন্সিলের ঘোষণা দিয়েছে। একই দিনে অনুষ্ঠিতব্য এ কাউন্সিলের নির্বাচন কমিশন ও প্রস্তুতি কমিটির প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সাধারণ সম্পাদক আল আমিন সরকার।
কেন্দ্রীয় নেতৃত্বে আলোচনায় যারা
কাউন্সিলকে সামনে রেখে সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকসহ শীর্ষ নেতৃত্বের সম্ভাব্য প্রার্থীদের নিয়ে সংগঠনের অভ্যন্তরে আলোচনা তীব্র হয়েছে। সভাপতি পদে আলোচনায় রয়েছেন বর্তমান কমিটির সাধারণ সম্পাদক আবু বাকের মজুমদার এবং কেন্দ্রীয় সহসভাপতি লিমন মাহমুদ হাসান। এ ছাড়া সাধারণ সম্পাদক পদে আলোচনায় আছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার বর্তমান সভাপতি তাহমিদ আল মুদ্দাসসির চৌধুরী। এ ছাড়া সাংগঠনিক সম্পাদক পদে আলোচনায় রয়েছেন এনসিপি নেতা ও নোয়াখালী-৬ আসনের সংসদ সদস্য আব্দুল হান্নান মাসুদের স্ত্রী শ্যামলী সুলতানা জেদনি।
ঢাবি শাখায় সম্ভাব্য নেতৃত্ব
সংগঠনটির ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার শীর্ষ নেতৃত্বেও কয়েকজন নেতার নাম আলোচনায় রয়েছে। সভাপতি পদে আলোচনায় রয়েছেন কেন্দ্রীয় সিনিয়র সহসভাপতি হাসিব আল ইসলাম, ঢাবি শাখার সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ মহিউদ্দিন, সূর্য সেন হলের আহ্বায়ক ও ঢাবি শাখার যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সাকিবুল হাসান।
সাধারণ সম্পাদক পদে সম্ভাব্য প্রার্থীদের মধ্যে রয়েছেন ঢাবি শাখার সাংগঠনিক সম্পাদক মোহাম্মদ সাকিব, সাংগঠনিক সম্পাদক মোহাম্মদ সাইফুল্লাহ ও মো. ফেরদৌস আইয়াম (রাইয়ান)।
সংগঠনটির নেতারা বলছেন, প্রথম কাউন্সিলের মাধ্যমে জাতীয় ছাত্রশক্তি কেন্দ্রীয় ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়— উভয় পর্যায়েই পূর্ণাঙ্গ, নির্বাচিত নেতৃত্ব প্রতিষ্ঠার পথে এগোবে। তাদের প্রত্যাশা, এ কাউন্সিল দলের সাংগঠনিক ভিত্তিকে আরও প্রাতিষ্ঠানিক ও গণতান্ত্রিক রূপ দেবে।






