আসিফ মাহমুদ
দুই সিটির প্রশাসক মেয়র হওয়ার যোগ্য নন

ছবি: আগামীর সময়
জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখপাত্র ও ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের মেয়রপ্রার্থী আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া বলেছেন, ‘সরকারি কোষাগারের টাকা ব্যবহার করে ঢাকার দুই সিটি করপোরেশনের প্রশাসক নির্বাচনী প্রচারণা চালাচ্ছেন।’
মঙ্গলবার বিকালে নাখালপাড়ার হোসেন আলী উচ্চ বিদ্যালয়ে ঢাকা উত্তর সিটিতে এনসিপির মেয়রপ্রার্থী আরিফুল ইসলাম আদীবের উদ্যোগে চলছিল বৃক্ষ বিতরণ কর্মসূচি। সেখানে এমন মন্তব্য করেন তিনি। বিশ্ব পরিবেশ দিবস উপলক্ষে সপ্তাহব্যাপী এই কর্মসূচির আয়োজন করে এনসিপি ঢাকা মহানগর উত্তরের পরিবেশ ও জলবায়ু সেল।
সাবেক উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ বলেছেন, ‘এনসিপির পক্ষ থেকে পাঁচ দফা দাবি দেওয়া হয়েছে। তারা (দুই সিটির প্রশাসক) চেয়ারে বসে নির্বাচন করতে পারবেন না। লাখ লাখ পোস্টার লাগিয়ে নগর দূষিত করছেন। আবাসিক এলাকা, এমনকি মেট্রো স্টেশনেও গরুর হাট বসানো হয়েছে। এই অব্যবস্থাপনাই প্রমাণ করে তারা মেয়র হওয়ার যোগ্য নন।’
‘বিভিন্ন জায়গায় আওয়ামী লীগের মিছিল হচ্ছে। এটি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ব্যর্থতা, কারণ আওয়ামী লীগের সব কার্যক্রম নিষিদ্ধ’, যোগ করেন তিনি।
একই সঙ্গে স্থানীয় সরকার নির্বাচনে এনসিপি এককভাবে অংশ নেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে বলে জানান আসিফ মাহমুদ। তবে জোটগতভাবে নির্বাচনে অংশ নেবে কি না, সে বিষয়ে তফসিল ঘোষণার পর সংশ্লিষ্ট দলগুলোর সঙ্গে আলোচনা করে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে বলে উল্লেখ করেন।
এ সময় ঢাকার দুই প্রশাসক নৈতিকভাবে দায়িত্বে থাকতে পারেন না বলে মন্তব্য করে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) নেতারা। তাদের অভিযোগ, প্রশাসকরা সরকারি অর্থ ও সিটি করপোরেশনের সম্পদ ব্যবহার করে নির্বাচনী প্রচারণা চালাচ্ছেন।
এনসিপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক ও ঢাকা উত্তর সিটির মেয়রপ্রার্থী আরিফুল ইসলাম আদীব মন্তব্য করেন, ঢাকার দুই প্রশাসক দায়িত্ব পালনে ব্যর্থ। কোরবানির পশুর হাট ব্যবস্থাপনা, বর্জ্য অপসারণ এবং নাগরিক ভোগান্তি কমানোর ক্ষেত্রে তারা সফল হতে পারেননি। একই সঙ্গে সিটি করপোরেশনের অর্থ, লোগো ও জনবল ব্যবহার করে নিজেদের মেয়রপ্রার্থী হিসেবে প্রচারণা চালাচ্ছেন। ফলে নৈতিকভাবে তারা কোনোভাবেই দায়িত্বে থাকতে পারেন না।
কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন এনসিপি ঢাকা মহানগর উত্তরের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক সাইফুল ইসলাম ও যুগ্ম আহ্বায়ক ওয়াহিদ আলম। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন যুগ্ম সদস্যসচিব আবু বকর এবং সহসাংগঠনিক সম্পাদক নুর আমিন খান।





