অসাম্প্রদায়িক জনগণতান্ত্রিক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠায় ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান বকুলের

মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় সামাজিক ন্যায়বিচার ও সমতার ভিত্তিতে অসাম্প্রদায়িক জনগণতান্ত্রিক বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার লড়াইয়ে প্রগতিশীল শক্তিগুলোকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টির ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক নুর আহমদ বকুল।
বুধবার (২৮ অক্টোবর) যুব মৈত্রী নেতা ও ওয়ার্কার্স পার্টির সদস্য শহীদ রাসেল আহমেদ খানের ২০তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ আহ্বান জানান।
নুর আহমদ বকুল বলেন, রাসেল আহমেদ খান ছিলেন সাম্রাজ্যবাদ ও মৌলবাদবিরোধী সংগ্রামের সাহসী সৈনিক। ২০০৬ সালের ২৮ অক্টোবর চরম মৌলবাদী শক্তির বিরুদ্ধে রাজপথের প্রতিরোধ সংগ্রামে গুলিবিদ্ধ হয়ে শহীদ হন তিনি। দেশের গণতন্ত্র, শান্তি ও অসাম্প্রদায়িক রাজনীতির ধারাবাহিকতা রক্ষায় তার আত্মত্যাগ স্মরণ করা জরুরি।
নুর আহমদ বকুল অভিযোগ করেন, দেশে সাম্প্রদায়িকতা, মব সন্ত্রাস, নারীর প্রতি সহিংসতা, সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডে বাধা এবং মুক্তিযুদ্ধের স্মারক ভাঙচুরের ঘটনা বাড়ছে। এ পরিস্থিতি মোকাবিলায় বাম, প্রগতিশীল ও গণতান্ত্রিক শক্তিগুলোর ঐক্য প্রয়োজন। একই সঙ্গে তিনি জননেতা রাশেদ খান মেননের মুক্তি দাবি করেন।
বাংলাদেশ যুব মৈত্রীর সভাপতি তৌহিদুর রহমানের সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক তাপস দাসের সঞ্চালনায় আলোচনা সভাটি অনুষ্ঠিত হয়। রাসেল আহমেদ খান স্মৃতি ভবনে আয়োজিত এ সভায় যুব মৈত্রী ও বিভিন্ন প্রগতিশীল সংগঠনের নেতারা বক্তব্য দেন।
সভাপতির বক্তব্যে তৌহিদুর রহমান বলেন, সাম্প্রদায়িক মৌলবাদী শক্তি বাংলাদেশকে পাকিস্তানি ভাবধারায় ফিরিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করছে। প্রতিবছর ২০ থেকে ২৫ লাখ তরুণ শ্রমবাজারে প্রবেশ করলেও তাঁদের এক-চতুর্থাংশেরও কর্মসংস্থান হচ্ছে না। এ পরিস্থিতিতে যুব মৈত্রী তরুণদের কর্মসংস্থান ও বেকার ভাতার দাবি জানাচ্ছে।
আলোচনা সভার আগে শহীদ রাসেল আহমেদ খানের প্রতিকৃতিতে ওয়ার্কার্স পার্টি, যুব মৈত্রী, ছাত্র মৈত্রীসহ বিভিন্ন সংগঠনের পক্ষ থেকে শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়।




