নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর ওপর হামলা, কী বললেন হাসনাত-সারজিস

হাসনাত আবদুল্লাহ ও সারজিস আলম - সংগৃহীত ছবি
ঝিনাইদহে হামলার ঘটনা ঘটেছে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সংগঠক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর ওপর। শুক্রবার দুপুরে শহরের পুরাতন ডিসি কোর্ট জামে মসজিদে জুমার নামাজ শেষে বের হওয়ার সময় এ ঘটনা ঘটে। এ সময় নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীকে লক্ষ্য করে ডিম নিক্ষেপ করা হয়।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, জুমার নামাজ শেষে মসজিদ থেকে বের হওয়ার পর একটি পক্ষ ‘ভুয়া ভুয়া’ স্লোগান দিতে শুরু করলে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে এলাকায়। একপর্যায়ে দুপক্ষের মধ্যে পাল্টাপাল্টি ধাওয়া ও হামলার ঘটনা ঘটে। এ সময় ডিম নিক্ষেপ করা হয় নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীকে লক্ষ্য করে।
ঘটনার পর এনসিপির নেতারা অভিযোগ করেন, এ হামলা চালিয়েছেন ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা। হামলার ঘটনায় উত্তেজনা বিরাজ করছে এলাকায়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে তৎপরতা দেখা গেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের।
এনসিপির নেতা ও কুমিল্লা-৪ আসনের সংসদ সদস্য হাসনাত আব্দুল্লাহ ফেসবুক পোস্টে দাবি করেছেন, ‘ঝিনাইদহে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী, তারেক রেজাসহ এনসিপি নেতাদের ওপর বিএনপির সন্ত্রাসীরা হামলা চালিয়েছে।’
অন্যদিকে এনসিপির আরেক নেতা সারজিস আলম সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে দাবি করেন, ‘ঝিনাইদহে জুমার নামাজ শেষে ছাত্রদলের সন্ত্রাসীরা নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর ওপর অতর্কিত হামলা চালিয়েছে।’ তিনি জানান, হামলায় কয়েকজন রক্তাক্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।
হাসনাত-সারজিসের পোস্টের আগে হামলার বর্ণনা দিয়ে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী ফেসবুক পোস্টে জানান, ঝিনাইদহে পূর্বনির্ধারিত কর্মসূচি অনুযায়ী জেলা প্রশাসকের বাসভবনের বিপরীতে পৌর কালেক্টর জামে মসজিদে জুমার নামাজ আদায় শেষে বের হওয়ার পরপরই ছাত্রদল ও যুবদলের নেতাকর্মীরা হামলা শুরু করে পুলিশের উপস্থিতিতেই। প্রথমে ডিম ও ইট-পাটকেল নিক্ষেপ করা হয়, পরে হকিস্টিক দিয়ে অতর্কিতভাবে আঘাত করা হয়। এতে তিনজনের মাথা ফেটে যায় এবং আহত হন আরও বেশ কয়েকজন।
নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর অভিযোগ, তাকেও লক্ষ্য করে কিলঘুসি মারা হয়। এ সময় হামলাকারীরা মোবাইল ফোন, ক্যামেরা ও মানিব্যাগ ছিনিয়ে নেয়।
পাটওয়ারী লেখেন, ‘আমরা বর্তমানে থানায় অবস্থান করছি এবং মামলা দায়েরের প্রস্তুতি নিচ্ছি। ছাত্রদল, যুবদল ও বিএনপির নেতাকর্মীরা আবারও থানার সামনে হামলার প্রস্তুতি নিচ্ছে।’




