Agamir Somoy E-Paper
মঙ্গলবার, ৪ আগস্ট, ২০২৬
আগামীর সময়
এক টাকায় রোগী দেখেন ডা. সুমাইয়া
মঙ্গলবার, ৪ আগস্ট, ২০২৬
আগামীর সময়
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • বিচিত্রা
  • চাকরি
  • ছবি
  • সাহিত্য
  • বিবিধ
  • ধর্ম
  • প্রবাস
  • ফ্যাক্টচেক
  • সোশ্যাল মিডিয়া
  • ধন্যবাদ
  • বিশেষ সংখ্যা
  • সর্বজনের গল্প
  • বিশেষ লেখা
EN
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • ইপেপার
  • EN
লোড হচ্ছে…

প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : আবদুস সাত্তার মিয়াজী

সম্পাদক : মোস্তফা মামুন

আগামীর সময়
আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগশর্তাবলিগোপনীয়তাআমরা

ইডিবি ট্রেড সেন্টার (লেভেল-৬ ও ৭), ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ানবাজার, ঢাকা-১২১৫

যোগাযোগ: ০৯৬৬৬ ৭৭১০১০

বিজ্ঞাপন: ০১৭৫৫ ৬৫১১৬৪

[email protected]

স্বত্ব © ২০২৬ | দৈনিক আগামীর সময়

আগামীর সময় রাজনীতি

‘রাজনৈতিক দলগুলো হয় ক্যান্টনমেন্টমুখী’

  • জুলাই অভ্যুত্থান
আমজাদ হোসেন হৃদয়
আমজাদ হোসেন হৃদয়
agamir somoy
প্রকাশ: ০৪ আগস্ট ২০২৬, ০৫:১৩
‘রাজনৈতিক দলগুলো হয় ক্যান্টনমেন্টমুখী’

২০২৪ সালের ৫ আগস্ট শেখ হাসিনা সরকারের পতনের দিনটি ছিল বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসের সবচেয়ে নাটকীয় দিনগুলোর একটি। সারা দেশে তখন রাজপথে আন্দোলনকারীদের সঙ্গে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সংঘর্ষ চলছে, রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় গুলিতে প্রাণ হারাচ্ছেন আন্দোলনকারীরা। ঠিক সে সময়ই দেশের প্রধান রাজনৈতিক দলগুলোর শীর্ষ নেতারা সেনানিবাসে গিয়ে সেনাপ্রধানের সঙ্গে বৈঠকে বসেন। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতাদের দাবি, সেই বৈঠকে তাদের কেউ উপস্থিত ছিলেন না; বরং ছাত্রদের বাদ দিয়েই সরকার গঠনের প্রাথমিক উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল।

ছাত্রনেতারা বলছেন, রাজনৈতিক দলগুলো তখন গণঅভ্যুত্থানের নেতৃত্বের সঙ্গে সমন্বয় করার পরিবর্তে ক্যান্টনমেন্টকেই ক্ষমতার কেন্দ্র হিসেবে বেছে নিয়েছিল। অন্যদিকে বিএনপি বলছে, তারা সেনাপ্রধানের আমন্ত্রণে আলোচনায় গেলেও জাতীয় সরকারের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করে অন্তর্বর্তী সরকারের পক্ষেই অবস্থান নিয়েছিল।

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের অন্যতম সমন্বয়ক ও সংসদ সদস্য আব্দুল হান্নান মাসুদের ভাষ্য, ৫ আগস্ট যখন আন্দোলনকারীরা রাজপথে গুলির মুখে ছিলেন, তখন রাজনৈতিক দলগুলোর নেতারা সেনানিবাসে সরকার গঠনের আলোচনা করছিলেন।

হান্নান মাসুদ বলছিলেন, ‘আমরা তখন গুলি খাচ্ছিলাম, বাসা থেকে বের হতে পারছিলাম না। চানখাঁরপুলে লাশ পড়ে ছিল, ঢাকা মেডিকেলে লাশের সারি। সেসময় সেনানিবাসে রাজনৈতিক দলগুলোর নেতারা বৈঠক করছিলেন। অথচ আসিফ মাহমুদ, নাহিদ ইসলাম তখনো গুলির মধ্যেই ছিলেন। তাদের খোঁজ কেউ নেয়নি।’ তার অভিযোগ, সেনানিবাসের বৈঠকের পর বঙ্গভবনের আলোচনায় বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের প্রকৃত সমন্বয়কদের বাইরে তিনজনকে ছাত্র প্রতিনিধি হিসেবে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। পরে আন্দোলনের নেতৃত্ব আপত্তি জানালে দীর্ঘ আলোচনা শেষে ড. মুহাম্মদ ইউনূস এবং নাহিদ ইসলাম ও আসিফ মাহমুদকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়। পরে মাহফুজ আবদুল্লাহও যুক্ত হন।

মাসুদের ভাষায়, ‘সেদিন আমাদের মাইনাস করেই গভর্নমেন্ট ফরমেশনের চেষ্টা হয়েছিল। আমরা আন্দোলনের স্টেকহোল্ডার হিসেবে আমাদের প্রতিনিধিদের অন্তর্ভুক্ত করতে বাধ্য করি। রাজনৈতিক দলগুলোর কারণে আমরা আরও কয়েকজনকে যুক্ত করতে পারিনি।’

তিনি আরও অভিযোগ করলেন, ‘৫ আগস্ট রাজনৈতিক দলগুলো বৈষম্যবিরোধী ছাত্রদের রক্তের সঙ্গে বেইমানি করেছিল। তারা আন্দোলনের প্ল্যাটফর্মের সঙ্গেও প্রতারণা করেছিল।’

একই প্রসঙ্গ তুলে অন্তর্বর্তী সরকারের সাবেক উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ বলছিলেন, ‘জুলাইয়ের পর প্রথম বড় রাজনৈতিক বিচ্যুতি ঘটে তখনই, যখন আন্দোলনের নেতৃত্বের সঙ্গে আলোচনা না করে রাজনৈতিক দলগুলো ক্যান্টনমেন্টমুখী হয়।’

তার ভাষ্য, শেখ হাসিনা দেশ ছাড়ার আগেই বেলা ১১টার দিকে সেনাপ্রধান রাজনৈতিক দলগুলোকে আলোচনার জন্য আমন্ত্রণ জানিয়েছিলেন। সে সময়ও শেখ হাসিনা আনুষ্ঠানিকভাবে ক্ষমতায় ছিলেন। ছাত্রদের প্রত্যাশা ছিল, রাজনৈতিক দলগুলো আন্দোলনের নেতৃত্ব ও জনগণের প্রতিনিধিদের সঙ্গে বসে ভবিষ্যৎ রাষ্ট্রব্যবস্থা নিয়ে আলোচনা করবে।

আসিফ মাহমুদ বললেন, ‘আমরা মনে করি, সেসময়ে গণঅভ্যুত্থানের নেতৃত্ব ও রাজনৈতিক দলগুলো একসঙ্গে একটি জাতীয় সরকার গঠন করতে পারলে সংস্কারের পথ অনেক সহজ হতো। তখন অন্তর্বর্তী সরকারের ওপর এককভাবে এত চাপ পড়ত না এবং পরবর্তী রাজনৈতিক বিতর্কও অনেকাংশে এড়ানো যেত।’

জাতীয় নাগরিক পার্টির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলামও একই ধরনের অভিযোগ তুলে বললেন, আন্দোলনের কৃতিত্ব দাবি করলেও বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলো সবার আগে ক্যান্টনমেন্টে চলে গিয়েছিল। তিনি আরও বললেন, ‘জুলাই আন্দোলন কোনো রাজনৈতিক দলের আন্দোলন ছিল না। এটি বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ব্যানারে শিক্ষার্থী ও সাধারণ মানুষের আন্দোলন ছিল। কিন্তু রাজনৈতিক দল ও ছাত্রসংগঠনগুলো চলে গেল ক্যান্টনমেন্টে। তারাই ঠিক করে নিল গণতান্ত্রিক ক্ষমতার কেন্দ্রবিন্দু হবে ক্যান্টনমেন্ট।’ তার মতে, এর ফলে গণঅভ্যুত্থানের নেতৃত্বের হাত থেকে অনেক কিছুই বেরিয়ে যায়। ‘আমাদের ক্ষমতার ভরকেন্দ্র ক্যান্টনমেন্ট থেকে বঙ্গভবন পর্যন্ত আনতে হয়েছে’— বললেন তিনি।

তবে ৫ আগস্টের সেনানিবাসের বৈঠক নিয়ে ভিন্ন ব্যাখ্যা দিয়েছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। গণমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি জানালেন, সেদিন সেনাপ্রধানের আমন্ত্রণেই রাজনৈতিক দলগুলোর নেতারা সেনাসদরে যান।

মির্জা ফখরুলের ভাষ্য অনুযায়ী, বেলা ১১টার দিকে সেনাপ্রধান তাকে ফোন করে জানালেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পদত্যাগ করতে চান এবং এ বিষয়ে রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে আলোচনা প্রয়োজন। রাস্তায় জনতার ঢল থাকায় সেনাপ্রধান তার জন্য গাড়িও পাঠান। বৈঠকে যাওয়ার আগে তিনি বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সঙ্গে আলোচনা করে দলের অবস্থান চূড়ান্ত করেন।

সেনাসদরে গিয়ে তিনি তিন বাহিনীর প্রধান, জাতীয় পার্টি, জামায়াতে ইসলামী, গণঅধিকার, নাগরিক ঐক্যসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাদের উপস্থিত দেখতে পান। তবে তখন পর্যন্ত আন্দোলনের ছাত্রনেতাদের কেউ সেখানে ছিলেন না।

মির্জা ফখরুল বলেন, বৈঠকে জাতীয় সরকার গঠনের প্রস্তাব উঠেছিল। তবে বিএনপি আগে থেকেই সিদ্ধান্ত নিয়েছিল তারা জাতীয় সরকারের অংশ হবে না; বরং একটি অন্তর্বর্তী সরকারের পক্ষেই থাকবে। জাতীয় সরকারের প্রস্তাব কে দিয়েছিলেন, তা তার স্পষ্ট মনে না থাকলেও মাহমুদুর রহমান মান্না বা অন্য কোনো নেতা বিষয়টি উত্থাপন করে থাকতে পারেন বলে জানালেন তিনি। তার দাবি, রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে আলোচনা শেষ হওয়ার পরই সেনাপ্রধান জাতির উদ্দেশে ভাষণে অন্তর্বর্তী সরকারের কথা ঘোষণা করেন। সেনাপ্রধান রাজনৈতিক নেতাদের পাশে রাখতে চাইলেও বিএনপি মনে করেছিল, ওই পরিস্থিতিতে সেনাপ্রধানের একাই জাতির উদ্দেশে বক্তব্য দেওয়া উচিত।

ক্যান্টনমেন্টজুলাই আন্দোলনসেনানিবাস
    শেয়ার করুন:
    advertisement
    advertisement
    হরমুজ প্রণালি থেকে কোনো ফি আদায় করতে পারবে না ইরান

    হরমুজ প্রণালি থেকে কোনো ফি আদায় করতে পারবে না ইরান

    ০৪ আগস্ট ২০২৬, ০৪:০৬

    হোটেলে নিয়ে ধর্ষণচেষ্টার মামলার জেরে ববি শিক্ষক বরখাস্ত

    হোটেলে নিয়ে ধর্ষণচেষ্টার মামলার জেরে ববি শিক্ষক বরখাস্ত

    ০৪ আগস্ট ২০২৬, ০০:১০

    বেরোবিতে ছাত্রদল-শিবির সংঘর্ষে আহত ২০

    বেরোবিতে ছাত্রদল-শিবির সংঘর্ষে আহত ২০

    ০৪ আগস্ট ২০২৬, ০০:২৬

    ‘আমি আর পারছি না’ বলে ফেসবুক লাইভে কান্নায় ভেঙে পড়লেন অভিনেত্রী

    ‘আমি আর পারছি না’ বলে ফেসবুক লাইভে কান্নায় ভেঙে পড়লেন অভিনেত্রী

    ০৪ আগস্ট ২০২৬, ০১:১৭

    নতুন শুল্কের জেরে ট্রাম্প প্রশাসনের বিরুদ্ধে ২৫ অঙ্গরাজ্যের মামলা

    নতুন শুল্কের জেরে ট্রাম্প প্রশাসনের বিরুদ্ধে ২৫ অঙ্গরাজ্যের মামলা

    ০৪ আগস্ট ২০২৬, ০৫:৪৭

    ১৪ বছরের শিক্ষার্থীকে প্রাপ্তবয়স্ক দেখিয়ে মামলা, পাঠানো হলো কারাগারে

    ১৪ বছরের শিক্ষার্থীকে প্রাপ্তবয়স্ক দেখিয়ে মামলা, পাঠানো হলো কারাগারে

    ০৪ আগস্ট ২০২৬, ০৫:২৫

    দেশের অর্ধেক হাসপাতাল আগুন ঝুঁকিতে

    দেশের অর্ধেক হাসপাতাল আগুন ঝুঁকিতে

    ০৪ আগস্ট ২০২৬, ০৫:২৭

    বাড়তি বিদ্যুৎ বিল নিয়ে সমালোচনায় তাসনিম জারা

    বাড়তি বিদ্যুৎ বিল নিয়ে সমালোচনায় তাসনিম জারা

    ০৪ আগস্ট ২০২৬, ০১:২৯

    ফুঁসছে আজাদ-কাশ্মীর

    ফুঁসছে আজাদ-কাশ্মীর

    ০৪ আগস্ট ২০২৬, ০৫:২৬

    ঢাবিতে নতুন ‘উইচ-হান্টিং’ ও ক্ষমতার রাজনীতি

    ঢাবিতে নতুন ‘উইচ-হান্টিং’ ও ক্ষমতার রাজনীতি

    ০৪ আগস্ট ২০২৬, ০৫:২৫

    প্রশাসকের ওপর হামলার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই সড়ক কাটল ডিএনসিসি

    প্রশাসকের ওপর হামলার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই সড়ক কাটল ডিএনসিসি

    ০৪ আগস্ট ২০২৬, ০২:৩৩

    জামিনে ফিরে ফের

    জামিনে ফিরে ফের

    ০৪ আগস্ট ২০২৬, ০৫:০৮

    রাবিতে প্রতিবাদের মুখে সরল যুদ্ধাপরাধীদের ছবি

    রাবিতে প্রতিবাদের মুখে সরল যুদ্ধাপরাধীদের ছবি

    ০৪ আগস্ট ২০২৬, ০৫:২১

    ‘রাজনৈতিক দলগুলো হয় ক্যান্টনমেন্টমুখী’

    ‘রাজনৈতিক দলগুলো হয় ক্যান্টনমেন্টমুখী’

    ০৪ আগস্ট ২০২৬, ০৫:১৩

    হামের চিকিৎসা করাতে ৮৯% পরিবার ঋণগ্রস্ত

    হামের চিকিৎসা করাতে ৮৯% পরিবার ঋণগ্রস্ত

    ০৪ আগস্ট ২০২৬, ০৫:০৭

    advertiseadvertise