Agamir Somoy E-Paper
শুক্রবার, ৬ নভেম্বর, ২০২৬
আগামীর সময়
জলবায়ুকর্মী অপু বিদেশের মঞ্চে
শুক্রবার, ৬ নভেম্বর, ২০২৬
আগামীর সময়
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • বিচিত্রা
  • চাকরি
  • ছবি
  • সাহিত্য
  • বিবিধ
  • ধর্ম
  • প্রবাস
  • ফ্যাক্টচেক
  • সোশ্যাল মিডিয়া
  • ধন্যবাদ
  • বিশেষ সংখ্যা
  • সর্বজনের গল্প
  • বিশেষ লেখা
EN
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • ইপেপার
  • EN
লোড হচ্ছে…

প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : আবদুস সাত্তার মিয়াজী

সম্পাদক : মোস্তফা মামুন

আগামীর সময়
আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগশর্তাবলিগোপনীয়তাআমরা

ইডিবি ট্রেড সেন্টার (লেভেল-৬ ও ৭), ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ানবাজার, ঢাকা-১২১৫

যোগাযোগ: ০৯৬৬৬ ৭৭১০১০

বিজ্ঞাপন: ০১৭৫৫ ৬৫১১৬৪

[email protected]

স্বত্ব © ২০২৬ | দৈনিক আগামীর সময়

আগামীর সময় রাজনীতি

জনগণের অধিকার হরণ হলেই ফিরে আসবে বিপ্লব : শফিকুর রহমান

আগামীর সময় প্রতিবেদক
agamir somoy
প্রকাশ: ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ১৪:২২
শেয়ার করুন:
জনগণের অধিকার হরণ হলেই ফিরে আসবে বিপ্লব : শফিকুর রহমান

জামায়াতে ইসলামীর আমির ও বিরোধীদলীয় নেতা শফিকুর রহমান। ছবি: জামায়াতের ফেসবুক পেজ থেকে নেওয়া

ফ্যাসিবাদ কোনো নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দলের নাম নয়, বরং এটি একটি ভাইরাস, মত জামায়াতে ইসলামীর আমির ও বিরোধীদলীয় নেতা শফিকুর রহমানের। সমাজ ও রাষ্ট্রের সর্বস্তরে এর লক্ষণ দেখা দিলে জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠার পথ বাধাগ্রস্ত হয় বলে মনে করেন তিনি। আর মানুষের অধিকার নিশ্চিত করা না হলে দেশে বারবার বিপ্লব ফিরে আসবে, মন্তব্য তার।

আজ শুক্রবার জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে রাজধানীর মগবাজারে জামায়াতে ইসলামী আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে দলটির আমির এসব কথা বলেন।

শফিকুর রহমান বললেন, যারা জনগণের মনের ভাষা বুঝতে ব্যর্থ হবেন এবং মানুষের অধিকারকে উপেক্ষা করবেন, তাদের পরিণতিও ৭ নভেম্বরের মতো হতে পারে।

৭ নভেম্বরের মূল শিক্ষা রাজনীতিবিদরা গ্রহণ করতে পারেননি বলে মনে করেন জামায়াতের আমির। বললেন, দীর্ঘ ৫৫ বছর ধরে এ দিবসের তাৎপর্য নিয়ে আলোচনা হলেও রাজনীতিবিদরা এর মূল শিক্ষা গ্রহণ করতে পারেননি। ১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বরের পেছনে সেনাবাহিনীর কর্মকর্তাদের প্রতি অবজ্ঞা, অপমান ও উপেক্ষাসহ নানা কারণ কাজ করেছিল। সেদিনের অভ্যুত্থানের শুরুতে জনগণের সরাসরি সম্পৃক্ততা না থাকলেও পরবর্তী সময়ে সাধারণ মানুষের ব্যাপক সমর্থন তৈরি হয়েছিল।

১৯৭২ সালে ক্ষমতায় আসার পর বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সরকারের বিভিন্ন কর্মকাণ্ডের সমালোচনা করে শফিকুর রহমান। তিনি বললেন, ওই সময় ইসলামী সংগঠনগুলো নিষিদ্ধ করা হয়। অথচ ১৯৭০ সালের নির্বাচনে এসব সংগঠন সক্রিয় ছিল।

‘নির্বাচনের আগে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় গেলে কোরআন-সুন্নাহবিরোধী কোনো কাজ করবে না বলে আশ্বাস দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু ক্ষমতায় যাওয়ার পর সেই অবস্থান থেকে সরে আসা হয়।’

জামায়াত আমিরের ভাষ্য, বিপুল জনসমর্থন নিয়ে ক্ষমতায় আসার পরও অল্প সময়ের মধ্যে তৎকালীন সরকার জনগণের আস্থা হারিয়ে ফেলে। সেনাবাহিনী, পুলিশ, আনসার ও গণমাধ্যম থাকার পরও নিজেদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে রক্ষীবাহিনী গঠন করা হয়।

‘বাহিনীটিকে ব্যাপক ক্ষমতা দেওয়া হয়েছিল, যার ফলে সাধারণ মানুষের ওপর নির্যাতন, বিনা বিচারে হত্যা ও মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনা ঘটেছে’, দাবি জামায়াত আমিরের।

রক্ষীবাহিনীর কার্যক্রমের বর্ণনা দিতে গিয়ে জামায়াত আমির বললেন, এ বাহিনীর হাতে ৩৪ হাজার মানুষ বিনা বিচারে নিহত হয়েছিলেন। এদের মধ্যে অন্তত ১০ হাজার ছিলেন মুক্তিযোদ্ধা।

মুক্তিযোদ্ধা সিরাজ সিকদার হত্যাকাণ্ডের প্রসঙ্গ টেনে জামায়াত আমির বললেন, তাকে হত্যার পর তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী সংসদে দাঁড়িয়ে ‘কোথায় সে?’ বলে মন্তব্য করেছিলেন। এ ধরনের বক্তব্য বিচারব্যবস্থার প্রতি অবজ্ঞা এবং বিচারহীনতাকে প্রশ্রয় দেওয়ার শামিল।

বক্তব্যে তৎকালীন শাসনব্যবস্থার কঠোর সমালোচনা করেন শফিকুর রহমান। ‘১৯৭৫ সালের ২৫ জানুয়ারি বাকশাল প্রতিষ্ঠার মধ্য দিয়ে দেশে বহুদলীয় গণতন্ত্রের পরিবর্তে একদলীয় শাসনব্যবস্থা চালু করা হয়। রাষ্ট্র পরিচালনায় এক ব্যক্তির কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠার প্রবণতা তৈরি হয়েছিল। বাকশালের সাংবিধানিক ব্যবস্থায় বঙ্গবন্ধু জীবিত থাকা পর্যন্ত রাষ্ট্রপ্রধান থাকার বিধান রাখা হয়েছিল।’

সেই সময়ের অর্থনৈতিক দুরবস্থা, দুর্নীতি ও লুটপাটের চিত্র তুলে ধরে শফিকুর রহমান বললেন, দেশের সম্পদ পাচার এবং ত্রাণসামগ্রী বিতরণে অনিয়মের কারণে সাধারণ মানুষ চরম দুর্ভোগে পড়েছিল। সাড়ে সাত কোটি মানুষের জন্য আট কোটি কম্বল আসার কথা থাকলেও মানুষ কম্বল পায়নি। এ পরিস্থিতিতে বঙ্গবন্ধু নিজেও একবার বলেছিলেন, অন্য দেশের নেতারা স্বাধীনতার পর সোনার খনি পেয়েছেন, আর তিনি পেয়েছেন চোরের খনি।

৭ নভেম্বরের ঘটনাপ্রবাহ বর্ণনা করতে গিয়ে তিনি বলেন, ১৯৭৫ সালের ৩ নভেম্বর ব্রিগেডিয়ার খালেদ মোশাররফের নেতৃত্বে পাল্টা অভ্যুত্থান হয়। ৩ থেকে ৬ নভেম্বর পর্যন্ত জিয়াউর রহমান বন্দি ছিলেন। পরে সিপাহিরা সংগঠিত হয়ে তাকে মুক্ত করেন। ভোররাতে ট্যাংক ও পদাতিক বাহিনী নিয়ে সিপাহিরা রাস্তায় নামলে সাধারণ মানুষ তাদের স্বাগত জানান। মসজিদ থেকে নামাজ পড়ে বের হওয়া মানুষ তাকবির দেন এবং ফুল ছিটিয়ে অভ্যুত্থানকারীদের প্রতি সমর্থন জানান।

নিজের স্মৃতিচারণ করে জামায়াত আমির বললেন, ওই সময় তিনি সিলেটের এমসি কলেজের ছাত্র ছিলেন। ৭ নভেম্বরের পরদিন শুক্রবার কারফিউ জারি থাকলেও জুমার নামাজের জন্য তিন ঘণ্টা তা শিথিল করা হয়েছিল। নামাজে যাওয়ার পথে মসজিদ, বাড়ির ছাদ ও রাস্তায় শিশু থেকে বৃদ্ধ পর্যন্ত নানা বয়সী মানুষের উপস্থিতি দেখেছিলেন তিনি। মানুষের মধ্যে ব্যাপক উচ্ছ্বাস ছিল।

তার মতে, কারফিউর কারণে মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত প্রতিক্রিয়া পুরোপুরি প্রকাশের সুযোগ না হলেও ওই দিনের উপস্থিতি জনসমর্থনের একটি চিত্র তুলে ধরেছিল।

জামায়াত আমিরের ভাষ্য, সিপাহিরা বিপ্লবের সূচনা করলেও জনগণের সমর্থনই ঘটনাটিকে ব্যাপক তাৎপর্য দিয়েছিল। এ কারণেই দিনটি বিপ্লব ও সংহতি দিবস হিসেবে পরিচিতি পেয়েছে।

জিয়াউর রহমানের রাজনৈতিক ভূমিকা প্রসঙ্গে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, ৭ নভেম্বরের পর তিনি পর্যায়ক্রমে প্রশাসক ও রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করেন এবং পরে বিএনপি গঠন করেন। তবে ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধে তার ভূমিকা এবং ১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বরের ঘটনাকে পৃথকভাবে মূল্যায়ন করা প্রয়োজন।

স্বাধীনতার ইতিহাসে সব অবদানকে যথাযথ স্বীকৃতি দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, ইতিহাসে কাউকে ছোট করার প্রয়োজন নেই। স্বাধীনতার ঘোষণা যিনি দিয়েছেন, তার অবদান যেমন স্বীকার করতে হবে, তেমনি স্বাধীনতার পতাকা উত্তোলনকারী তরুণ নেতার ভূমিকাও আলোচনায় রাখতে হবে। মুক্তিযুদ্ধের সফল নেতৃত্ব দেওয়া জেনারেল এম এ জি ওসমানীর অবদানও যথাযথভাবে মূল্যায়ন করা উচিত। নিজের বা নিজ দলের নেতৃত্বের বাইরে অন্যদের অবদান স্বীকার না করার মানসিকতা থেকে রাজনৈতিক দলগুলোকে বেরিয়ে আসতে হবে।

১৫ আগস্ট ও ৭ নভেম্বরের ঘটনাকে তৎকালীন দুঃশাসন, একদলীয় শাসন এবং কর্তৃত্ববাদী ব্যবস্থার বিরুদ্ধে মানুষের আকাঙ্ক্ষার বহিঃপ্রকাশ হিসেবে উল্লেখ করেন জামায়াত আমির। তিনি বলেন, মানুষ স্বাধীন দেশের নাগরিক হিসেবে মর্যাদা নিয়ে বাঁচতে চেয়েছিল। তাদের প্রত্যাশা ছিল কথা বলার স্বাধীনতা, জীবনের নিরাপত্তা, কর্মসংস্থান, ন্যায়বিচার এবং নারী-পুরুষের সমান নাগরিক অধিকার।

তৎকালীন সংবাদমাধ্যমের পরিস্থিতি তুলে ধরে তিনি বলেন, চারটি সংবাদমাধ্যম ছাড়া অন্য সব সংবাদমাধ্যম বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল। পরবর্তী সময়ে ওই চারটি সংবাদমাধ্যমও সরকারের নিয়ন্ত্রণে নেওয়া হয়। এর মধ্য দিয়ে মানুষের মতপ্রকাশের স্বাধীনতা সংকুচিত করা হয়েছিল বলে মন্তব্য করেন তিনি।

পরবর্তী রাজনৈতিক ইতিহাসের প্রসঙ্গ টেনে শফিকুর রহমান বলেন, ১৯৯০ সালেও দেশে গণ-অভ্যুত্থান হয়েছিল। জনগণের ভোটে রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হওয়ার পর বিচারপতি সাত্তার গণতন্ত্রের প্রত্যাশা পূরণ করতে পারেননি। একপর্যায়ে তিনি সেনাপ্রধানের হাতে ক্ষমতা তুলে দেন। জনগণের কাছ থেকে পাওয়া ম্যান্ডেট রক্ষা করা তার দায়িত্ব ছিল বলে মন্তব্য করেন জামায়াত আমির।

এরশাদের শাসনামলের সমালোচনা করে তিনি বলেন, ক্ষমতা গ্রহণের পর নয় বছর দেশ শাসন করেন হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ। তার শাসনামলেও মানুষের বাকস্বাধীনতা ও বেঁচে থাকার অধিকার ক্ষুণ্ন হয়েছিল। তবে শেষ পর্যন্ত জনগণের আন্দোলনের মুখে তাকেও ক্ষমতা ছাড়তে হয়।

জিয়াউর রহমানের হত্যাকাণ্ডের প্রসঙ্গ তুলে তিনি বলেন, চট্টগ্রাম সার্কিট হাউসে তার সঙ্গে থাকা ব্যক্তিরা গুলিতে নিহত হলেও আশপাশের অন্যদের শরীরে গুলির আঘাত পাওয়া যায়নি। এ ঘটনা নিয়ে সে সময় নানা বিতর্ক ও প্রশ্ন তৈরি হয়েছিল বলে উল্লেখ করেন তিনি।

বিএনপির সঙ্গে জামায়াতের অতীত রাজনৈতিক সম্পর্কের প্রসঙ্গে শফিকুর রহমান বলেন, বেগম খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে বিএনপি সরকার গঠনের সময় পর্যাপ্ত আসন না থাকায় জামায়াতে ইসলামী ১৮টি আসন নিয়ে সরকারকে সমর্থন দিয়েছিল। তবে তারা সরকারে যোগ দেয়নি কিংবা কোনো রাজনৈতিক জোটেও যায়নি। বিরোধী দলেই থাকার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল দলটি।

তিনি বলেন, সে সময় জামায়াতের পক্ষ থেকে নির্বাচনে জনগণের ভোটের প্রতিফলন নিশ্চিত করার জন্য যে পদ্ধতিতে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছিল, তা সংবিধানে অন্তর্ভুক্ত করার দাবি জানানো হয়। কিন্তু বিএনপি সরকার সেই দাবি বাস্তবায়ন করেনি। পরবর্তী সময়ে ১৯৯৪ সাল থেকে এ দাবিতে আন্দোলন শুরু করে জামায়াত।

রাজনীতিতে সমঝোতা ও নমনীয়তার গুরুত্ব তুলে ধরে তিনি বলেন, গণতান্ত্রিক রাজনীতির অন্যতম ভিত্তি হচ্ছে পারস্পরিক সমঝোতা। রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে এ দুটি বিষয় না থাকলে রাজনীতি জনগণের কল্যাণের পরিবর্তে সংঘাতের দিকে চলে যায়। জনগণের ভোটাধিকার নিশ্চিত করতে তৎকালীন সরকারকে শেষ পর্যন্ত সুযোগ দেওয়া হয়েছিল বলেও দাবি করেন তিনি।

বক্তব্যের শেষাংশে তিনি বলেন, ইতিহাসের প্রতিটি গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা থেকে রাজনৈতিক দলগুলোর শিক্ষা নেওয়া প্রয়োজন। ক্ষমতা দীর্ঘস্থায়ী করার চেষ্টা, জনগণের অধিকার হরণ কিংবা ভিন্নমত দমনের পরিণতি কখনোই ভালো হয় না। জনগণের আকাঙ্ক্ষা ও অধিকারকে সম্মান করতে না পারলে রাজনৈতিক পরিবর্তন আবারও অনিবার্য হয়ে উঠতে পারে।

জামায়াতে ইসলামীজামায়াত আমির ডা. শফিকুর রহমান
    আগামীর সময় ইপেপার
    শেয়ার করুন:
    ভাগ্য খুলতে পারে দেড়শ কর্মকর্তার

    ভাগ্য খুলতে পারে দেড়শ কর্মকর্তার

    ইপিএসে সবাইকে ছাড়িয়ে পূবালী ব্যাংক

    ইপিএসে সবাইকে ছাড়িয়ে পূবালী ব্যাংক

    চীনা যুদ্ধবিমান আসছে আগামী বছরই

    চীনা যুদ্ধবিমান আসছে আগামী বছরই

    জাহাজে বেতন ১৫ লাখ, মেরিনে লাখের নিচে, মিলছে না শিক্ষক

    জাহাজে বেতন ১৫ লাখ, মেরিনে লাখের নিচে, মিলছে না শিক্ষক

    ইসমাইল জবিউল্লাহ আইসিএপিপির ভাইস চেয়ারপারসন নির্বাচিত

    ইসমাইল জবিউল্লাহ আইসিএপিপির ভাইস চেয়ারপারসন নির্বাচিত

    পাইপলাইনে ছিদ্র করে তেল চুরি, সাবেক ইউপি সদস্যসহ ৫ জনের বিরুদ্ধে মামলা

    পাইপলাইনে ছিদ্র করে তেল চুরি, সাবেক ইউপি সদস্যসহ ৫ জনের বিরুদ্ধে মামলা

    মধ্যরাতে হোম ইকোনমিকস কলেজের অধ্যক্ষকে উদ্ধার, ছাত্রীকে চুল ধরে টেনে নামানোর অভিযোগ পুলিশের বিরুদ্ধে

    মধ্যরাতে হোম ইকোনমিকস কলেজের অধ্যক্ষকে উদ্ধার, ছাত্রীকে চুল ধরে টেনে নামানোর অভিযোগ পুলিশের বিরুদ্ধে

    এনসিপি ছাড়লেন সামান্তা শারমিন

    এনসিপি ছাড়লেন সামান্তা শারমিন

    ক্ষিপ্ত হয়ে সাংবাদিকের ফোন কেড়ে নিলেন পরীমনি

    ক্ষিপ্ত হয়ে সাংবাদিকের ফোন কেড়ে নিলেন পরীমনি

    ৫০০ টাকা মুচলেকায় জামিন পেলেন পরীমনি

    ৫০০ টাকা মুচলেকায় জামিন পেলেন পরীমনি

    সিংগাইরে তিন খুনের দায়ে ৫ জনের মৃত্যুদণ্ড

    সিংগাইরে তিন খুনের দায়ে ৫ জনের মৃত্যুদণ্ড

    ডিএসইর নতুন পরিচালক হুমায়ুন কবির

    ডিএসইর নতুন পরিচালক হুমায়ুন কবির

    ১০০ টাকা চাওয়ায় মায়ের বকুনি, চিরতরে নিভে গেল পিংকির উচ্চশিক্ষার স্বপ্ন

    ১০০ টাকা চাওয়ায় মায়ের বকুনি, চিরতরে নিভে গেল পিংকির উচ্চশিক্ষার স্বপ্ন

    গরু চুরির অভিযোগে চার বাড়িতে হামলা-ভাঙচুর

    গরু চুরির অভিযোগে চার বাড়িতে হামলা-ভাঙচুর

    ক্লাসরুমে জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু স্লোগান দেওয়ায় ৯ শিক্ষার্থীকে টিসি

    ক্লাসরুমে জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু স্লোগান দেওয়ায় ৯ শিক্ষার্থীকে টিসি