Agamir Somoy E-Paper
শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর, ২০২৬
আগামীর সময়
চা শ্রমিকদের ভরসা খাইরুন
শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর, ২০২৬
আগামীর সময়
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • বিচিত্রা
  • চাকরি
  • ছবি
  • সাহিত্য
  • বিবিধ
  • ধর্ম
  • প্রবাস
  • ফ্যাক্টচেক
  • সোশ্যাল মিডিয়া
  • ধন্যবাদ
  • বিশেষ সংখ্যা
  • সর্বজনের গল্প
  • বিশেষ লেখা
EN
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • ইপেপার
  • EN
লোড হচ্ছে…

প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : আবদুস সাত্তার মিয়াজী

সম্পাদক : মোস্তফা মামুন

আগামীর সময়
আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগশর্তাবলিগোপনীয়তাআমরা

ইডিবি ট্রেড সেন্টার (লেভেল-৬ ও ৭), ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ানবাজার, ঢাকা-১২১৫

যোগাযোগ: ০৯৬৬৬ ৭৭১০১০

বিজ্ঞাপন: ০১৭৫৫ ৬৫১১৬৪

[email protected]

স্বত্ব © ২০২৬ | দৈনিক আগামীর সময়

আগামীর সময় সম্পাদকীয়

সম্পাদকীয়

পৌষমাস ও সর্বনাশ

agamir somoy
প্রকাশ: ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৫:৫৬
পৌষমাস ও সর্বনাশ

গ্রাফিকস: আগামীর সময়

সরকার নতুন জাতীয় পে স্কেল ঘোষণা করেছে। সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন উল্লেখযোগ্য হারে বৃদ্ধি পেয়েছে। এবারই সর্বোচ্চ ১৪২ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। মূল্যস্ফীতি, জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধি এবং কর্মচারীদের ক্রয়ক্ষমতার অবনতির বাস্তবতায় এ সিদ্ধান্ত নিঃসন্দেহে স্বস্তিদায়ক। এ কথা অনস্বীকার্য, দ্রব্যমূল্য, বাসাভাড়া, শিক্ষা, চিকিৎসা ও যাতায়াত ব্যয় এমনভাবে বেড়েছে যে, পুরনো বেতন কাঠামো বাস্তবতার সঙ্গে অনেকটাই বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছিল। সেই বিচারে নতুন পে স্কেল সময়োপযোগী একটি পদক্ষেপ। কিন্তু প্রশ্ন হলো, এই বেতন বৃদ্ধি কি সত্যিই বাজারের সঙ্গে সমন্বয় ঘটাতে পারবে? সরকার ১ লাখ ৫ হাজার কোটি টাকার চাপে পড়বে এটা বাস্তবায়ন করতে গিয়ে।

মূল্যস্ফীতি নিয়ে উদ্বেগের কারণেই বেতন বৃদ্ধি একবারে না করে দুই বছরের মধ্যে ধাপে ধাপে করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।  অর্থনীতিবিদ ও পর্যবেক্ষকরা বলছেন, টাকা ছাপিয়ে অর্থায়ন না করে যদি ঋণ নিয়ে তা করা হয়, তবে তাৎক্ষণিক মূল্যস্ফীতি না হলেও ভবিষ্যতে বাজেটের ওপর এটি প্রভাব ফেলবে। কারণ এই ঋণ স্থায়ী ও বারবার নিতে হবে, ফলে সুদের ওপর সুদ দিতে গিয়ে ভবিষ্যতে একটি চক্রবৃদ্ধি হারে ব্যয় বৃদ্ধির জায়গা সৃষ্টি হবে।

দেশের বর্তমান অর্থনৈতিক বাস্তবতায় উত্তরটি সহজ নয়। কয়েক বছর ধরে দেশের সাধারণ মানুষ উচ্চ মূল্যস্ফীতির চাপ বহন করছে। প্রায় সব নিত্যপণ্যের দাম বেড়েছে। সরকারি পরিসংখ্যান ও বাস্তব বাজারের মধ্যে ব্যবধান নিয়েও প্রশ্ন রয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে কাগজ-কলমে বেতন দ্বিগুণ বা আড়াই গুণ হলেও প্রকৃত ক্রয়ক্ষমতা কতটা বাড়বে, সেটিও বিবেচ্য বিষয়।

সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য নতুন পে স্কেলের ঘোষণা আসতেই দেশের একটি বিশেষ শ্রেণির মুখে যখন হাসির ঝিলিক, ঠিক বিপরীতে অন্য এক বিশাল জনগোষ্ঠীর কপালে চিন্তার ভাঁজ। দেশের শ্রমবাজারের সিংহভাগ জুড়ে থাকা বেসরকারি খাতের চাকরিজীবীদের ক্ষেত্রে এই পে স্কেল পূর্বাভাস দিচ্ছে জীবনযাত্রার অতিরিক্ত ব্যয়ের। নির্দিষ্ট ও সীমিত আয়ে চলা এসব চাকরিজীবীর আশঙ্কা— সরকারি বেতন বাড়ার প্রভাবে বাজার থেকে শুরু করে বাড়িভাড়া পর্যন্ত সব খরচ লাফিয়ে বাড়বে অথচ তাদের আয়ে কোনো পরিবর্তন আসবে না। ফলে সামাজিক-অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে যে  বিশাল বৈষম্য বাড়বে, তা কি সহজে ঘুচবে? প্রজাতন্ত্রের সেবকদের তুষ্ট করতে গিয়ে মালিকদের পকেট শূন্য করা কতটা ন্যায়সংগত?

এখানেই সরকারের নীতিগত দুর্বলতা স্পষ্ট। বেতন বাড়ানো হয়েছে; কিন্তু বাজার নিয়ন্ত্রণ, সিন্ডিকেট ভাঙা, সরবরাহব্যবস্থার সংস্কার এবং দুর্নীতি কমানোর কার্যকর উদ্যোগের খবর খুব কমই দেখা যায়। জনগণের একটি বড় অংশ— কৃষক, শ্রমিক, বেসরকারি চাকরিজীবী, ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী ও অনানুষ্ঠানিক খাতের কর্মীরা এ সুবিধার বাইরে রয়ে গেছেন। ফলে সমাজে নতুন বৈষম্যের অনুভূতিও সৃষ্টি হতে পারে।

সরকারের সামনে যেসব বড় চ্যালেঞ্জ রয়েছে তার মধ্যে অন্যতম প্রশাসন থেকে ঘুষ-দুর্নীতির মূলোৎপাটন। অনেকে মনে করেন, বেতন বাড়ালে ঘুষ-দুর্নীতি কমবে। কিন্তু অতীতে এ কথা বারবার ভুল প্রমাণিত হয়েছে।

সরকারের উচিত পে স্কেলকে চূড়ান্ত সমাধান হিসেবে না দেখে বৃহত্তর অর্থনৈতিক সংস্কারের অংশ হিসেবে বিবেচনা করা। দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণ, রাজস্বব্যবস্থার আধুনিকীকরণ, দুর্নীতি দমন, উৎপাদন বৃদ্ধি এবং কর্মসংস্থান সম্প্রসারণের মতো ক্ষেত্রগুলোতে সমান গুরুত্ব দিতে হবে। শুধু সরকারি কর্মচারীর বেতন বাড়লেই দেশের সামগ্রিক জীবনমান উন্নত হবে না।

সরকারকর্মকর্তাকর্মচারীমূল্যস্ফীতিসম্পাদকীয়
    আগামীর সময় ইপেপার
    শেয়ার করুন:
    সরকারি সফরের নামে স্ত্রীকে নিয়ে ‘ভ্রমণ’ রেল সচিবের

    সরকারি সফরের নামে স্ত্রীকে নিয়ে ‘ভ্রমণ’ রেল সচিবের

    কবি ও অনুবাদক রথো রাফি মারা গেছেন

    কবি ও অনুবাদক রথো রাফি মারা গেছেন

    খেলাপি আদায়ে চমক কৃষি ব্যাংকের

    খেলাপি আদায়ে চমক কৃষি ব্যাংকের

    সাজেকে সেনাবাহিনীর সঙ্গে সশস্ত্র সন্ত্রাসীদের গোলাগুলি

    সাজেকে সেনাবাহিনীর সঙ্গে সশস্ত্র সন্ত্রাসীদের গোলাগুলি

    চুয়েটে অচলাবস্থার এক মাস:  বাতিল ৩৩ পরীক্ষা ও ৮৬৪ ক্লাস

    চুয়েটে অচলাবস্থার এক মাস: বাতিল ৩৩ পরীক্ষা ও ৮৬৪ ক্লাস

    প্রধানমন্ত্রীর রাজশাহী সফরে ফেসবুকে ‘হুমকি’, বাবা-ছেলে ডিবি হেফাজতে

    প্রধানমন্ত্রীর রাজশাহী সফরে ফেসবুকে ‘হুমকি’, বাবা-ছেলে ডিবি হেফাজতে

    হেফাজতের উদ্যোগে নতুন প্ল্যাটফর্ম, ভিড়েছে জামায়াত জোটের দুটি দল

    হেফাজতের উদ্যোগে নতুন প্ল্যাটফর্ম, ভিড়েছে জামায়াত জোটের দুটি দল

    জীবনানন্দ হয়ে সংসারে আজও আমি...

    জীবনানন্দ হয়ে সংসারে আজও আমি...

    সড়কে মৃত্যুতে বিশ্বে দ্বিতীয় বাংলাদেশ

    সড়কে মৃত্যুতে বিশ্বে দ্বিতীয় বাংলাদেশ

    গ্লোব শপিং সেন্টারের দোকানে হামলা ও দখলের অভিযোগ ঢাকা কলেজ ছাত্রদল নেতাদের বিরুদ্ধে

    গ্লোব শপিং সেন্টারের দোকানে হামলা ও দখলের অভিযোগ ঢাকা কলেজ ছাত্রদল নেতাদের বিরুদ্ধে

    কালীগঞ্জে শিশুকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ, আটক ৩ প্রতিবেশী

    কালীগঞ্জে শিশুকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ, আটক ৩ প্রতিবেশী

    সৌদিতে দুই বাংলাদেশির শিরশ্ছেদ যা বললেন শ্রীলেখা

    সৌদিতে দুই বাংলাদেশির শিরশ্ছেদ যা বললেন শ্রীলেখা

    সাজেকে গোলাগুলির জন্য ইউপিডিএফকে দায়ী করল পুলিশ

    সাজেকে গোলাগুলির জন্য ইউপিডিএফকে দায়ী করল পুলিশ

    দেবীর কপালে সিঁদুর পরানোর সময় হৃদ্‌রোগে প্রাণ গেল নববধূর

    দেবীর কপালে সিঁদুর পরানোর সময় হৃদ্‌রোগে প্রাণ গেল নববধূর

    চাঁদা উঠত মিরপুরে, পাঠানো হতো বিদেশে

    চাঁদা উঠত মিরপুরে, পাঠানো হতো বিদেশে