Agamir Somoy E-Paper
রবিবার, ২৪ মে, ২০২৬
আগামীর সময়
সচেতন করতে জহিরের দেয়াল লিখন
রবিবার, ২৪ মে, ২০২৬
আগামীর সময়
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • চট্টগ্রাম
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • বিচিত্রা
  • চাকরি
  • ছবি
  • সাহিত্য
  • বিবিধ
  • ধর্ম
  • প্রবাস
  • ফ্যাক্টচেক
  • সোশ্যাল মিডিয়া
  • ধন্যবাদ
  • বিশেষ সংখ্যা
EN
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • চট্টগ্রাম
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • ইপেপার
  • EN
লোড হচ্ছে…

প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : আবদুস সাত্তার মিয়াজী

সম্পাদক : মোস্তফা মামুন

আগামীর সময়
আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগশর্তাবলিগোপনীয়তাআমরা

ইডিবি ট্রেড সেন্টার (লেভেল-৬ ও ৭), ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ানবাজার, ঢাকা-১২১৫

যোগাযোগ: ০৯৬৬৬ ৭৭১০১০

বিজ্ঞাপন: ০১৭৫৫ ৬৫১১৬৪

[email protected]

স্বত্ব © ২০২৬ | দৈনিক আগামীর সময়

advertiseadvertise
আগামীর সময় সম্পাদকীয়

সম্পাদকীয়

মামাবাড়ির আবদার রাখা যাবে না

agamir somoy
প্রকাশ: ২৩ মে ২০২৬, ০৭:০৫
মামাবাড়ির আবদার রাখা যাবে না

দেশের বিদ্যুৎ খাতের ‘উদোর পিণ্ডি বুধোর ঘাড়ে’ চাপানোর স্বভাব আর গেল না! এবারও তাদের অপকাণ্ডে জাতি হতাশ বলেই অনুমেয়। যুগ যুগ ধরে বিদ্যুৎ খাতের সীমাহীন অনিয়ম-দুর্নীতির ফল ভোগ করছে ভোক্তাসাধারণ। ভোক্তাদের পকেট কেটেই এ খাতের লোকসান মেটানো হয়। এ এক অদ্ভুত ব্যাপার! আরব্য রজনীর সিন্দবাদের ভূতের মতো দেশবাসীর ঘাড়ে যেন চেপেই বসে আছে বিদ্যুতের দুর্নীতি। ভোক্তাসাধারণের অর্থের বিনিময়ে চাহিদা না মিটিয়ে বরং নিজেদের অপকর্মের দায় চাপিয়ে এক তুঘলকি কাণ্ড প্রায় প্রতি বছরই চালিয়ে যায়। সামন্ত যুগের রাজা-জমিদারদের মতো সীমাহীন নির্লজ্জ স্বেচ্ছাচারী এ খাত। ফসল হোক বা না হোক, কৃষক বা প্রজাকুলকে খাজনা দিতেই হবে, নইলে শাস্তিভোগ। ভোক্তা বিদ্যুৎ ব্যবহার করুক বা না করুক, মাস গেলে নানা ধরনের বিল পরিশোধ করতেই হয়। এবারও গণশুনানিতে বিদ্যুতের মূল্য বাড়ানোর প্রস্তাব দৃঢ়ভাবে প্রত্যাখ্যাত হয়েছে। বিদ্যুৎ খাতের বশংবদ ছয়টি বিদ্যুৎ বিতরণ কোম্পানি আবারও খুচরা পর্যায়ে বিদ্যুতের দাম বাড়ানোর প্রস্তাব পেশ করেছে। এ যেন মামাবাড়ির আবদার! সেখানে জন-আকাঙ্ক্ষা সম্পূর্ণ উপেক্ষিত। কোম্পানিগুলোর খুচরা বিদ্যুতের দাম বৃদ্ধির অন্যায্য প্রস্তাবই বলে দিচ্ছে দুর্নীতির আরেকটি মহোৎসব সমাগত।

দেশের সাধারণ মানুষ যখন নিত্যপণ্যের লাগামহীন ঊর্ধ্বগতিতে দিশাহারা, ঠিক তখনই জনমনে নতুন এক আঘাত হানার প্রস্তুতি চলছে বললে অত্যুক্তি হবে না। বিদ্যুৎ খাতের লোকসান সমন্বয়ের অজুহাতে এ প্রস্তাব দেওয়া হলেও, এর পেছনে লুকিয়ে থাকা চরম অব্যবস্থাপনা, নীতিহীনতা এবং সীমাহীন দুর্নীতি নিয়ে জনমনে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।

বিদ্যুৎ উৎপাদন বৃদ্ধির ঢাকঢোল পিটিয়ে গত দেড় দশকে যে মহাপরিকল্পনা নেওয়া হয়েছিল, আজ তা দেশের অর্থনীতির জন্য গলার কাঁটা হয়ে দাঁড়িয়েছে। এর পেছনে রয়েছে সুপরিকল্পিত দুর্নীতি ও মুষ্টিমেয় কিছু মানুষের পকেট ভারী করার আয়োজন।

জরুরি প্রয়োজনের কথা বলে নিয়ে আসা রেন্টাল ও কুইক রেন্টাল পাওয়ার প্ল্যান্টগুলোকে বছরের পর বছর টিকিয়ে রাখা হয়েছে। সবচেয়ে বড় সমস্যা হলো, ‘বিদ্যুৎ ও জ্বালানির দ্রুত সরবরাহ বৃদ্ধি (বিশেষ বিধান) আইন’-এর মাধ্যমে এ খাতের চুক্তিগুলোকে আইনি জবাবদিহি ও আদালতের আওতার বাইরে রাখা হয়েছিল। এমন ইনডেমনিটি বা দায়মুক্তি সংস্কৃতির কারণেই বিদ্যুৎ খাতে লুটপাটের এক অভয়ারণ্য সৃষ্টি হয়।

বিদ্যুতের খুচরা দাম বাড়লে তা শুধু একটি একক সেবার মূল্যবৃদ্ধি হিসেবে সীমাবদ্ধ থাকে না। এর প্রভাব পড়ে পুরো অর্থনীতিতে। উৎপাদন খরচ বাড়লে দেশজ পণ্যের আন্তর্জাতিক বাজারে প্রতিযোগিতা করার ক্ষমতা হ্রাস পাবে। সেচ ও কৃষি খাতে খরচ বাড়বে। খাদ্যপণ্যের দাম আরও বাড়বে। পরিবহন, হিমাগার ও খুচরা ব্যবসা— সবখানেই এর নেতিবাচক প্রতিক্রিয়া দেখা দেবে, যা সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রাকে আরও দুর্বিষহ করে তুলবে।

বিদ্যুতের দাম বাড়ানো সংকটের সমাধান নয়। প্রয়োজন আমূল সংস্কার এবং দুর্নীতির মূলোৎপাটন। পাশাপাশি নবায়নযোগ্য ও দেশীয় জ্বালানির ওপর জোর দেওয়া যেতে পারে বিকল্প হিসেবে। আমদানিনির্ভরতা কমিয়ে দেশীয় গ্যাস অনুসন্ধান এবং সৌর ও বায়ুবিদ্যুতের মতো নবায়নযোগ্য জ্বালানির উৎপাদন বাড়ানো যেতে পারে। বিতরণব্যবস্থারও আমূল পরিবর্তন জরুরি। বিদ্যুৎ চুরি শূন্যের কোঠায় নামিয়ে
আনতে হবে।

ছয় কোম্পানির খুচরা বিদ্যুতের দাম
বৃদ্ধির এ প্রস্তাব সম্পূর্ণ অযৌক্তিক ও গণবিরোধী। সরকারকে জনগণের ওপর এটা চাপিয়ে না দিয়ে বিদ্যুৎ খাতের প্রাতিষ্ঠানিক দুর্নীতি, অপচয় ও লুটপাট বন্ধে কঠোর পদক্ষেপ নিতে হবে।

দুর্নীতিবিদ্যুৎদেশবাসীসম্পাদকীয়আবদার
    শেয়ার করুন:
    মন্ত্রণালয়ের নির্দেশও মানে না আরইবি

    মন্ত্রণালয়ের নির্দেশও মানে না আরইবি

    ২৪ মে ২০২৬, ০০:০০

    সাগরে তেল-গ্যাসে নতুন আশা দরপত্র আহ্বান আজ

    সাগরে তেল-গ্যাসে নতুন আশা দরপত্র আহ্বান আজ

    ২৩ মে ২০২৬, ২৩:২৪

    ধানমন্ডি লেকে সাংস্কৃতিক কেন্দ্র : ক্ষমতার খপ্পরে সংস্কৃতি!

    ধানমন্ডি লেকে সাংস্কৃতিক কেন্দ্র : ক্ষমতার খপ্পরে সংস্কৃতি!

    ২৪ মে ২০২৬, ০১:০২

    ঝাঁক বেঁধে বড় আন্দোলনের পথে তেলাপোকা

    ঝাঁক বেঁধে বড় আন্দোলনের পথে তেলাপোকা

    ২৪ মে ২০২৬, ০০:৩৮

    সচেতন করতে জহিরের দেয়াল লিখন

    সচেতন করতে জহিরের দেয়াল লিখন

    ২৩ মে ২০২৬, ০৫:০৭

    কোয়াডের তিন দিন আগেই ভারতে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী

    কোয়াডের তিন দিন আগেই ভারতে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী

    ২৩ মে ২০২৬, ২৩:১৮

    ত্রিশালে ‘নজরুল মেলা’ পরিদর্শনে প্রধানমন্ত্রী

    ত্রিশালে ‘নজরুল মেলা’ পরিদর্শনে প্রধানমন্ত্রী

    ২৩ মে ২০২৬, ২২:৫৬

    সিনেমা দেখে দীর্ঘ সময়ের করতালি, গুরুত্ব কতটা?

    সিনেমা দেখে দীর্ঘ সময়ের করতালি, গুরুত্ব কতটা?

    ২৪ মে ২০২৬, ০০:২৯

    ২ হাজার কোটি টাকার কম মূলধনের ব্যাংক নগদ লভ্যাংশ দিতে পারবে না

    ২ হাজার কোটি টাকার কম মূলধনের ব্যাংক নগদ লভ্যাংশ দিতে পারবে না

    ২৪ মে ২০২৬, ০১:১৯

    প্রতীকী ‘শিশুমর্গে’ প্রাচ্যনাটের প্রতিবাদ

    প্রতীকী ‘শিশুমর্গে’ প্রাচ্যনাটের প্রতিবাদ

    ২৩ মে ২০২৬, ২২:৫৬

    ফের কমল উড়োজাহাজের জ্বালানির দাম

    ফের কমল উড়োজাহাজের জ্বালানির দাম

    ২৪ মে ২০২৬, ০০:২১

    স্বর্ণপাম জিতলো রোমানিয়ান সিনেমা

    স্বর্ণপাম জিতলো রোমানিয়ান সিনেমা

    ২৪ মে ২০২৬, ০১:৫৬

    চুক্তির ‘অনেক কাছাকাছি’ যুক্তরাষ্ট্র-ইরান

    চুক্তির ‘অনেক কাছাকাছি’ যুক্তরাষ্ট্র-ইরান

    ২৩ মে ২০২৬, ২২:৫০

    যুদ্ধবিরতি চুক্তির ইঙ্গিত ট্রাম্পের, খুলতে পারে হরমুজ প্রণালি

    যুদ্ধবিরতি চুক্তির ইঙ্গিত ট্রাম্পের, খুলতে পারে হরমুজ প্রণালি

    ২৪ মে ২০২৬, ০৩:৪৪

    একেক সময় একেক কথা ট্রাম্পের

    একেক সময় একেক কথা ট্রাম্পের

    ২৪ মে ২০২৬, ০২:২৭

    advertiseadvertise