কুয়েতে মার্কিন হিমার্স মিসাইল লঞ্চারে ইরানের হামলা

মার্কিন হিমার্স মিসাইল লঞ্চারে হামলা চালিয়েছে ইরান। ছবি: ফক্স নিউজ
কুয়েতে উচ্চগতিসম্পন্ন মার্কিন ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ ব্যবস্থা (হিমার্স) এবং এর গোলাবারুদ সংরক্ষণাগার লক্ষ্য করে ড্রোন হামলা চালিয়েছে ইরান।
ইরানি বার্তা সংস্থা ফার্স নিউজ এজেন্সির বরাতে এ তথ্য জানিয়েছে আল-জাজিরা।
এর কয়েক ঘণ্টা আগে কুয়েতের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের এক মুখপাত্র জানান, একটি ‘অপরাধমূলক হামলায়’ দেশটির সীমান্তের তিনটি কেন্দ্র এবং উপকূলের একটি তেল খনন প্ল্যাটফর্ম ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এতে আহত হয়েছেন তাদের এক কর্মী।
এদিকে ইরানের সরকারি বার্তা সংস্থা আইআরএনএ জানিয়েছে, হরমোজগান প্রদেশে সর্বশেষ হামলায় দায়িত্ব পালনরত এক রক্ষণাবেক্ষণকর্মী নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন আরও দুজন।
গত কয়েক ঘণ্টায় হরমোজগান প্রদেশের বন্দর আব্বাস, কেশম দ্বীপ এবং হাজ্জিয়াবাদ এলাকায় একাধিক বিস্ফোরণের খবর দিয়েছে ইরানের গণমাধ্যম।
কেশমের গভর্নর হোসেইন আমির তেইমুরি জানান, কেশম দ্বীপে ১০ থেকে ১১টি ‘শত্রুপক্ষের ক্ষেপণাস্ত্র’ আঘাত হেনেছে। তার ভাষ্য, সব হামলার লক্ষ্য ছিল সামরিক স্থাপনা এবং সেখানে কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি।
আইআরএনএ আরও জানিয়েছে, বন্দর আব্বাস ও হাজ্জিয়াবাদেও বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে। সরকারি সূত্রের বরাতে সংস্থাটি জানায়, হামলার শিকার সব স্থানই সামরিক এলাকা এবং ঘটনাগুলোর তদন্ত চলছে।
অন্যদিকে ইরানের সাম্প্রতিক হামলার নিন্দা জানিয়েছে ইসলামিক কো-অপারেশন (ওআইসি)। সংস্থাটির বিবৃতিতে বলা হয়েছে, কুয়েত, বাহরাইন, সংযুক্ত আরব আমিরাত, কাতার, ওমান ও জর্ডানে চালানো হামলা সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর সার্বভৌমত্বের ‘স্পষ্ট ও ধারাবাহিক লঙ্ঘন’।
বিবৃতিতে আরও উল্লেখ করা হয়, জাহাজের ওপর চলমান হামলা এবং আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে বাধা সৃষ্টি আন্তর্জাতিক আইন, জাতিসংঘ সনদ এবং ইসলামী সহযোগিতা সংস্থার সনদের সুস্পষ্ট লঙ্ঘন।




