Agamir Somoy E-Paper
শনিবার, ২৪ অক্টোবর, ২০২৬
আগামীর সময়
অরক্ষিত রেলক্রসিং পাহারায় ইসলাম
শনিবার, ২৪ অক্টোবর, ২০২৬
আগামীর সময়
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • বিচিত্রা
  • চাকরি
  • ছবি
  • সাহিত্য
  • বিবিধ
  • ধর্ম
  • প্রবাস
  • ফ্যাক্টচেক
  • সোশ্যাল মিডিয়া
  • ধন্যবাদ
  • বিশেষ সংখ্যা
  • সর্বজনের গল্প
  • বিশেষ লেখা
EN
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • ইপেপার
  • EN
লোড হচ্ছে…

প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : আবদুস সাত্তার মিয়াজী

সম্পাদক : মোস্তফা মামুন

আগামীর সময়
আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগশর্তাবলিগোপনীয়তাআমরা

ইডিবি ট্রেড সেন্টার (লেভেল-৬ ও ৭), ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ানবাজার, ঢাকা-১২১৫

যোগাযোগ: ০৯৬৬৬ ৭৭১০১০

বিজ্ঞাপন: ০১৭৫৫ ৬৫১১৬৪

[email protected]

স্বত্ব © ২০২৬ | দৈনিক আগামীর সময়

আগামীর সময় সম্পাদকীয়

কর্মঘণ্টার নতুন বিন্যাস

agamir somoy
প্রকাশ: ২১ জুলাই ২০২৬, ০৩:৪১
কর্মঘণ্টার নতুন বিন্যাস

গ্রাফিকস: আগামীর সময়

বাংলাদেশের শ্রমবাজারের ৮৮-৮৯ শতাংশ এখনো অপ্রাতিষ্ঠানিক খাতের ওপর টিকে রয়েছে। এর অর্থ হলো, কর্মক্ষম প্রায় সাড়ে সাত কোটি মানুষের মধ্যে একটি বড় অংশের নিয়মিত কাজের নিশ্চয়তা নেই। এই নির্মম বাস্তবতার মধ্যেও রাজনৈতিক অস্থিরতা, বন্যা ও ঘূর্ণিঝড়ের মতো প্রাকৃতিক দুর্যোগে শ্রমজীবী মানুষরাই সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হন।

দেশের শ্রমিকের এই অনিশ্চিত জীবনকে আরও জটিল করে তুলতে পারে জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে সৃষ্ট প্রচণ্ড তাপপ্রবাহ। জার্মানিভিত্তিক আন্তর্জাতিক গবেষণা প্রতিষ্ঠান অ্যাডেলফি গ্লোবালের ‘হিট, হেলথ অ্যান্ড ইনক্রিজিং কস্টস অব লিভিং-আ কল ফর অ্যাকশন’ শীর্ষক প্রতিবেদনে দেশের শ্রমিকদের জন্য উঠে এসেছে তাপপ্রবাহজনিত নতুন সতর্কবার্তা।

গবেষণা প্রতিবেদনের তথ্য বলছে, ২০৩০ সালের মধ্যে তাপপ্রবাহ বৃদ্ধির কারণে বছরে গড়ে ২৩ দশমিক ৭৫ কর্মদিবস হারাতে পারেন বাংলাদেশের কৃষি ও নির্মাণ খাতের শ্রমিকরা। বিশেষ করে অনানুষ্ঠানিক খাতের শ্রমিকরা, যাদের অসুস্থতার ছুটি, স্বাস্থ্যবীমা বা আয় সুরক্ষার সুযোগ নেই, সবচেয়ে বেশি ক্ষতির মুখে পড়বেন তারা। কৃষি খাতে কর্মরত প্রায় সব নারীই অনানুষ্ঠানিকভাবে নিয়োজিত। এ ছাড়াও নির্মাণসহ অন্য তাপঝুঁকিপূর্ণ খাতেও অনানুষ্ঠানিক কর্মসংস্থানের হার অত্যন্ত বেশি। ফলে অসুস্থতার কারণে কর্মঘণ্টা কমে গেলে তাদের আয়ও সরাসরি কমে যাবে এবং চিকিৎসার খরচ বেড়ে যাবে।

দেশের অনানুষ্ঠানিক খাতের শ্রমিকরা যে মজুরি পান তাতে জীবিকা নির্বাহ এবং চিকিৎসা ব্যয় মেটানো প্রায় অসম্ভব। অধিকাংশ ক্ষেত্রে শ্রমিকরা ঋণের জালে জড়িয়ে পড়েন। এর মধ্যে রয়েছে নারী ও পুরুষ শ্রমিকের মধ্যে মজুরিবৈষম্য। বিশেষত কৃষিতে। সেখানে অনেক ক্ষেত্রে নারী শ্রমিকদের উৎপাদনশীলতা বেশি হওয়ার পরও, তারা গড়ে প্রায় ২৬-৩৫ শতাংশ পার্থক্য বা মজুরিবৈষম্যের শিকার হন। নির্মাণ খাতের পরিস্থিতিও একই।

গত ৫৫ বছরে দেশের অনানুষ্ঠানিক খাতের শ্রমিকদের ন্যায্য মজুরি ও স্বাস্থ্যসেবার বিষয়ে রাষ্ট্রের নীতিনির্ধারকরা খুব বেশি চিন্তিত বা আগ্রহী ছিলেন না। উল্টো শ্রমিকরা ন্যায্য মজুরির দাবিতে আন্দোলন গড়ে তুললে তা ভণ্ডুল করতেই আগ্রহ বেশি দেখা গেছে। অর্থাৎ শ্রমিকের চেয়ে মালিকের স্বার্থ রক্ষা করাই প্রাধান্য পেয়েছে এখানে। অথচ দেশের অর্থনীতির চাকা এই শ্রমিকরাই ঘোরাচ্ছেন। ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক শাসনামলে ইউরোপের আদলে উপমহাদেশে শ্রমিকদের জন্য কর্মঘণ্টা িনর্ধারণ করা হয় ৮ ঘণ্টা। অনেকেই বলেছেন, ইউরোপের মডেল আমাদের উপযোগী নয়।

ঔপনিবেশিক শাসন বিদায় নিলেও তার কাঠামো আজও বহাল রয়েছে, বাংলাদেশও এর বাইরে যেতে পারেনি। অথচ ইউরোপ শ্রমিকদের কর্মঘণ্টা কমিয়ে এনেছে বহুকাল আগে। ইউরোপের অধিকাংশ দেশের শ্রমিকদের কর্মঘণ্টা যেখানে  সপ্তাহে ৩৫-৪০ ঘণ্টা, সেখানে ইউরোপের সঙ্গে তাপমাত্রার যোজন পার্থক্য থাকার পরও বাংলাদেশের শ্রমিকদের সপ্তাহে ৪৮-৬০ ঘণ্টা পর্যন্ত কাজ করতে হয়। জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে প্রচণ্ড তাপপ্রবাহের আশঙ্কা মাথায় রেখেই এ খাতের শ্রমিকদের কর্মঘণ্টা নতুন করে বিন্যাস করা জরুরি বলে আমরা মনে করি। এই শ্রমিকদের জন্য সরকারিভাবে আর্থিক সহায়তা নিশ্চিত করতে হবে। এ ছাড়াও সচেতনতা বৃদ্ধির পাশাপাশি তাদের সুরক্ষা নিশ্চিতে ঠিকাদারদের বাধ্যবাধকতার মধ্যে আনতে হবে। কর্মহীন দিনগুলোতে রেশনের ব্যবস্থাও করা যেতে পারে।

জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে তাপপ্রবাহ বৃদ্ধির সমাধান এককভাবে করা বাংলাদেশের পক্ষে সম্ভব নয়। এটি বৈশ্বিক সংকট। কিন্তু তাপপ্রবাহ বৃদ্ধিতে দেশের শ্রমিকদের কর্মদিবস কমে যাওয়ার সংকট বাংলাদেশের। এ সংকট সমাধানে দেশের নীতিনির্ধারকদেরই মনোযোগী হতে হবে।

কর্মঘণ্টাশ্রমবাজারকর্মক্ষম
    আগামীর সময় ইপেপার
    শেয়ার করুন:
    খালে পড়ে ছিল যুবকের দুই হাত রশি দিয়ে বাঁধা মরদেহ, সঙ্গে ইট বাঁধা বস্তা

    খালে পড়ে ছিল যুবকের দুই হাত রশি দিয়ে বাঁধা মরদেহ, সঙ্গে ইট বাঁধা বস্তা

    মাইকিং করে ঘোষণা হলো শেখ হাসিনা ডিসেম্বরে দেশে ফিরবেন

    মাইকিং করে ঘোষণা হলো শেখ হাসিনা ডিসেম্বরে দেশে ফিরবেন

    ওসির সঙ্গে বাদানুবাদ, ‘আপনি বিরাট আওয়ামী লীগ ছিলেন’ বললেন রুমিন ফারহানা

    ওসির সঙ্গে বাদানুবাদ, ‘আপনি বিরাট আওয়ামী লীগ ছিলেন’ বললেন রুমিন ফারহানা

    ভোট টানতে জোট ভাঙছে হেফাজত!

    ভোট টানতে জোট ভাঙছে হেফাজত!

    ওসির বিরুদ্ধে বিকাশে ঘুষ নেওয়ার অভিযোগ

    ওসির বিরুদ্ধে বিকাশে ঘুষ নেওয়ার অভিযোগ

    হাতছাড়া এলাকার নিয়ন্ত্রণ নিতেই সাজেক অস্থির

    হাতছাড়া এলাকার নিয়ন্ত্রণ নিতেই সাজেক অস্থির

    সাংবাদিকদের গাড়ি আটকে চাঁদা আদায়ের চেষ্টা যুবদল নেতার!

    সাংবাদিকদের গাড়ি আটকে চাঁদা আদায়ের চেষ্টা যুবদল নেতার!

    মনে রাখতে হবে আমরা কী মন্ত্রে দেশ স্বাধীন করেছি!

    মনে রাখতে হবে আমরা কী মন্ত্রে দেশ স্বাধীন করেছি!

    শিক্ষার্থীকে যৌন নিপীড়নের অভিযোগে মাদ্রাসা শিক্ষককে মারধর

    শিক্ষার্থীকে যৌন নিপীড়নের অভিযোগে মাদ্রাসা শিক্ষককে মারধর

    রাস্তার পাশে জিজ্ঞাসাবাদ করছিল পুলিশ, কাভার্ড ভ্যানচাপায় এসআইসহ নিহত ২

    রাস্তার পাশে জিজ্ঞাসাবাদ করছিল পুলিশ, কাভার্ড ভ্যানচাপায় এসআইসহ নিহত ২

    বনমালী

    বনমালী

    সন্তানের সামনেই মারধর, ন্যায়বিচার চান মা তানিশা

    সন্তানের সামনেই মারধর, ন্যায়বিচার চান মা তানিশা

    কৃষিপণ্যে হেলায় ক্ষতি বছরে ২৯ হাজার কোটি

    কৃষিপণ্যে হেলায় ক্ষতি বছরে ২৯ হাজার কোটি

    আওয়ামী লীগ ও ভারতের সঙ্গে লিয়াজোঁ করে দেশ চালাচ্ছে সরকার

    আওয়ামী লীগ ও ভারতের সঙ্গে লিয়াজোঁ করে দেশ চালাচ্ছে সরকার

    সৌদি কারাগারে বন্দি সাড়ে ৭ হাজার বাংলাদেশি : শামা ওবায়েদ

    সৌদি কারাগারে বন্দি সাড়ে ৭ হাজার বাংলাদেশি : শামা ওবায়েদ