Agamir Somoy E-Paper
মঙ্গলবার, ৬ অক্টোবর, ২০২৬
আগামীর সময়
সুলতানার উঠানের বীজ ছড়িয়েছে ১৩ গ্রামে
মঙ্গলবার, ৬ অক্টোবর, ২০২৬
আগামীর সময়
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • বিচিত্রা
  • চাকরি
  • ছবি
  • সাহিত্য
  • বিবিধ
  • ধর্ম
  • প্রবাস
  • ফ্যাক্টচেক
  • সোশ্যাল মিডিয়া
  • ধন্যবাদ
  • বিশেষ সংখ্যা
  • সর্বজনের গল্প
  • বিশেষ লেখা
EN
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • ইপেপার
  • EN
লোড হচ্ছে…

প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : আবদুস সাত্তার মিয়াজী

সম্পাদক : মোস্তফা মামুন

আগামীর সময়
আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগশর্তাবলিগোপনীয়তাআমরা

ইডিবি ট্রেড সেন্টার (লেভেল-৬ ও ৭), ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ানবাজার, ঢাকা-১২১৫

যোগাযোগ: ০৯৬৬৬ ৭৭১০১০

বিজ্ঞাপন: ০১৭৫৫ ৬৫১১৬৪

[email protected]

স্বত্ব © ২০২৬ | দৈনিক আগামীর সময়

আগামীর সময় সম্পাদকীয়

সম্পাদকীয়

বাম্পারে দুঃস্বপ্ন

agamir somoy
প্রকাশ: ০৬ অক্টোবর ২০২৬, ০৩:৩১
বাম্পারে দুঃস্বপ্ন

গ্রাফিকস: আগামীর সময়

দেশের উত্তরাঞ্চলের মাঠে এবার আউশ ধানের বাম্পার ফলন। কৃষকের চোখে ছিল স্বপ্ন— ফলন ভালো হয়েছে, এবার হয়তো আগের মৌসুমের লোকসান কিছুটা পুষিয়ে নেওয়া যাবে। কিন্তু ধান ঘরে তোলার পর সেই স্বপ্নই যেন দুঃস্বপ্নে পরিণত হয়েছে। কারণ উৎপাদন খরচ যেখানে মণপ্রতি প্রায় ১ হাজার থেকে ১ হাজার ১৫০ টাকা, সেখানে কৃষককে ধান বিক্রি করতে হচ্ছে মাত্র ৬৫০ থেকে ৭৫০ টাকায়। গতকাল সোমবারের আগামীর সময়ে প্রকাশিত এ বিষয়ের সংবাদটি শুধু বাজারদরের খবর নয়; এটি কৃষকের জন্য বাজারব্যবস্থার ব্যর্থতার প্রতিচ্ছবি। কৃষকের এমন বঞ্চনা যেন অনাদিকাল থেকে তাদের নিয়তির লিখন।

যে কৃষক উৎপাদনের জন্য সার, সেচ, কীটনাশক, শ্রমিক, জমি প্রস্তুত সবকিছুর খরচ বহন করলেন, সেই কৃষকই কেন ফসল বিক্রির সময় নিজের উৎপাদন খরচের চেয়েও কম দাম পাবেন? লাভ তো দূরের কথা, নিজের ঘাম-শ্রমের মূল্যটুকুও যদি তিনি ফেরত না পান, তাহলে এ উৎপাদনব্যবস্থা কার জন্য?

কৃষক জাতীয় অর্থনীতির মেরুদণ্ড। তিনি জাতির মুখে অন্ন জোগানদাতাও। চাল উৎপাদনের পেছনে যে কৃষকের দিন-রাতের পরিশ্রম, ঋণের বোঝা, অনিশ্চয়তা ও প্রকৃতির সঙ্গে লড়াই— তার মূল্য আমরা প্রায়ই ভুলে যাই। কৃষকের উন্নতি না হলে খাদ্যনিরাপত্তা পড়বে হুমকিতে, থাকবে না বাজার, অর্থনীতির একটি বড় ভিত্তিই দুর্বল হয়ে পড়বে।

এবার ফলন ভালো হওয়ার পরও কৃষকের লাভ হচ্ছে না। অর্থাৎ কৃষকের সমস্যা শুধু উৎপাদন নয়; সমস্যা উৎপাদনের পর বাজারে। নওগাঁ, রাজশাহী ও বগুড়ার কৃষকরা জানিয়েছেন— সার, সেচ, কীটনাশক ও শ্রমের খরচ বেড়েছে। অথচ ধানের দাম পড়ে গেছে। এর সঙ্গে যোগ হয়েছে মিলমালিকদের সেই পুরনো টালবাহানা বা অজুহাত। তাদের কারসাজিতে কৃষকবঞ্চনা আর দুর্দশা বাড়ে বৈ কমে না। বাজারে চাহিদা কম, মিলাররা ধান কিনছেন না, গুদামে চাল পড়ে আছে— এসব খোঁড়া যুক্তিতে কৃষকসহ সাধারণ মানুষও নাকাল। কিন্তু প্রশ্ন হচ্ছে, বাজারের সব ঝুঁকি কি শুধু কৃষকই বহন করবেন? ব্যবসায়ী লোকসান করলে বাজারব্যবস্থা নিয়ে আলোচনা হয়, শিল্পপতি ক্ষতিগ্রস্ত হলে প্রণোদনার কথা ওঠে, কিন্তু কৃষক লোকসান করলে তাকে বলা হয়— পরের মৌসুমে ভালো দাম পাবেন! এই দায়সারা নীতি আর কতদিন?

কৃষককে উৎপাদনে উৎসাহ দেওয়া হবে, আউশ আবাদ বাড়ানোর কথা বলা হবে, খাদ্যনিরাপত্তার কথা বলা হবে; অথচ ফসল উৎপাদনের পর কৃষককে বাজারের হাতে অসহায়ভাবে ছেড়ে দেওয়া হবে। যেখানে টাউট-বাটপার, ফড়িয়া, দালাল-মধ্যস্বত্বভোগীদের একচেটিয়া রাজত্ব। আমাদের সহজ-সরল, উপায়হীন কৃষক এদের বিরুদ্ধে লড়ে কতক্ষণ টিকে থাকবে? এমন বাস্তবতা টেকসই কৃষিনীতি হতে পারে না।

এ কথা সত্য যে, কৃষকের হাতে ধানসহ অন্যান্য ফসল আছে, কিন্তু দর নির্ধারণের ক্ষমতা নেই। অন্যদিকে যারা দাম নির্ধারণ করেন তাদের প্রভাব বাজারে বেশি। কৃষক যখন ঋণ শোধ করার জন্য দ্রুত ধান বিক্রি করতে বাধ্য হন, তখন তার দরকষাকষির ক্ষমতা আরও কমে যায়। জাতির অন্নদাতা তখন দুর্বল পক্ষ।

এ কাঠামো বদলানো জরুরি। বাজারে কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি, অতিরিক্ত মুনাফা, সিন্ডিকেট বা কারসাজির অভিযোগ থাকলে তা তদন্ত করে দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে হবে। তবে শুধু ‘সিন্ডিকেট’ শব্দটি উচ্চারণ করলেই দায়িত্ব শেষ হয় না; কোথায় কারা কীভাবে বাজারকে প্রভাবিত করছে, তার তথ্যভিত্তিক অনুসন্ধান এবং কার্যকর ব্যবস্থা প্রয়োজন। এসব কিছুর অাগে নিশ্চিত করতে হবে কৃষকের ন্যায্যমূল্য।

উত্তরাঞ্চললোকসানধান বিক্রিকৃষকসম্পাদকীয়
    আগামীর সময় ইপেপার
    শেয়ার করুন:
    ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ে বোমা হামলার হুমকি, থানায় জিডি

    ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ে বোমা হামলার হুমকি, থানায় জিডি

    ৩০ ব্যাংকে এটিএম-অনলাইন সেবা বন্ধ, গভর্নর ক্ষুব্ধ

    ৩০ ব্যাংকে এটিএম-অনলাইন সেবা বন্ধ, গভর্নর ক্ষুব্ধ

    ‘আমার বিরুদ্ধে নিউজ করবেন, আবার বিজ্ঞাপন চাইবেন’ সাংবাদিককে এসিল্যান্ড

    ‘আমার বিরুদ্ধে নিউজ করবেন, আবার বিজ্ঞাপন চাইবেন’ সাংবাদিককে এসিল্যান্ড

    নান্দাইলের দোকানে তৈরি করা হতো ভুয়া এনআইডি

    নান্দাইলের দোকানে তৈরি করা হতো ভুয়া এনআইডি

    চুক্তির সঙ্গে সঙ্গে চট্টগ্রাম বন্দর অচল করে দেওয়ার হুঁশিয়ারি

    চুক্তির সঙ্গে সঙ্গে চট্টগ্রাম বন্দর অচল করে দেওয়ার হুঁশিয়ারি

    কর্ণফুলী টানেল প্রকল্পে গাছ না লাগিয়েই লোপাট ৫০ কোটি টাকা

    কর্ণফুলী টানেল প্রকল্পে গাছ না লাগিয়েই লোপাট ৫০ কোটি টাকা

    দুর্গাপূজায় টানা ৫ দিন ছুটি, তবে আগের শনিবার অফিস খোলা

    দুর্গাপূজায় টানা ৫ দিন ছুটি, তবে আগের শনিবার অফিস খোলা

    বিএনপি ক্ষমতায় থাকতেই শুরু দ্বিতীয় পদ্মা সেতু

    বিএনপি ক্ষমতায় থাকতেই শুরু দ্বিতীয় পদ্মা সেতু

    ইংলিশ চ্যানেল পাড়ির পথে ‘প্রায় সব নারীই ধর্ষণের শিকার’?

    ইংলিশ চ্যানেল পাড়ির পথে ‘প্রায় সব নারীই ধর্ষণের শিকার’?

    শিক্ষক দিবসের ব্যানারে শেখ হাসিনার নাম, প্রধান শিক্ষক আটক

    শিক্ষক দিবসের ব্যানারে শেখ হাসিনার নাম, প্রধান শিক্ষক আটক

    এক বছর ধরে মেয়েকে ধর্ষণ, বাবার যাবজ্জীবন

    এক বছর ধরে মেয়েকে ধর্ষণ, বাবার যাবজ্জীবন

    দুই ভারতীয়কে গুলি করে ফেলে গেল বিএসএফ

    দুই ভারতীয়কে গুলি করে ফেলে গেল বিএসএফ

    এনসিপি আছে শুধু নগর মহানগরে

    এনসিপি আছে শুধু নগর মহানগরে

    নেশার টাকা জোগাড় করতে ৪ মাসের ভাগিনাকে ৪০ হাজার টাকায় বিক্রি, মামা গ্রেপ্তার

    নেশার টাকা জোগাড় করতে ৪ মাসের ভাগিনাকে ৪০ হাজার টাকায় বিক্রি, মামা গ্রেপ্তার

    সৌদি আরবে ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় বাংলাদেশি নিহত

    সৌদি আরবে ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় বাংলাদেশি নিহত