Agamir Somoy E-Paper
বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই, ২০২৬
আগামীর সময়
৫ হাজার ব্যাগ রক্ত জোগাড় করে দিয়েছেন তৌফিক
বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই, ২০২৬
আগামীর সময়
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • বিচিত্রা
  • চাকরি
  • ছবি
  • সাহিত্য
  • বিবিধ
  • ধর্ম
  • প্রবাস
  • ফ্যাক্টচেক
  • সোশ্যাল মিডিয়া
  • ধন্যবাদ
  • বিশেষ সংখ্যা
  • সর্বজনের গল্প
  • বিশেষ লেখা
EN
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • ইপেপার
  • EN
লোড হচ্ছে…

প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : আবদুস সাত্তার মিয়াজী

সম্পাদক : মোস্তফা মামুন

আগামীর সময়
আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগশর্তাবলিগোপনীয়তাআমরা

ইডিবি ট্রেড সেন্টার (লেভেল-৬ ও ৭), ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ানবাজার, ঢাকা-১২১৫

যোগাযোগ: ০৯৬৬৬ ৭৭১০১০

বিজ্ঞাপন: ০১৭৫৫ ৬৫১১৬৪

info@agamirsomoy.com

স্বত্ব © ২০২৬ | দৈনিক আগামীর সময়

আগামীর সময় কলাম

গভীর হচ্ছে বেলুচিস্তানের জটিলতা

এম হুমায়ুন কবির
agamir somoy
প্রকাশ: ২৩ জুলাই ২০২৬, ০৫:৪০
গভীর হচ্ছে বেলুচিস্তানের জটিলতা

গ্রাফিকস: আগামীর সময়

সাম্প্রতিক বিশ্বরাজনীতি ও ভূরাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে পাকিস্তান আজ এক অদ্ভুত দ্বিমুখী অবস্থানের মুখোমুখি। এক আন্তর্জাতিক মঞ্চে ইসলামাবাদ চেষ্টা করছে মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মতো পরাশক্তিগুলোর উত্তেজনা প্রশমনে কিংবা মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকায় নিজেদের প্রাসঙ্গিক রাখতে। অন্যদিকে, দেশের অভ্যন্তরে, বিশেষ করে আয়তনে বৃহত্তম প্রদেশ বেলুচিস্তানে দেখা দিয়েছে তীব্র রাজনৈতিক ও সামরিক অস্থিতিশীলতা। সাম্প্রতিক সময়ে অনলাইনে বেলুচিস্তানের স্বাধীনতা ঘোষণার মতো দাবির ব্যাপক প্রচার বিশ্ব জুড়ে আলোচনার জন্ম দিয়েছে। যদিও আন্তর্জাতিক মূলধারার সংবাদমাধ্যম বা কূটনীতিতে এই ঘোষণার কোনো আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি বা ভিত্তি তৈরি হয়নি। তবু এটি একটি সংকেত দেয় যে বেলুচিস্তানের ক্ষোভ ও জটিলতা নতুন করে গভীরতর হচ্ছে।

প্রশ্ন উঠছে, অভ্যন্তরীণ সংকট ও নিরাপত্তাহীনতা কাটিয়ে পাকিস্তান কি আন্তর্জাতিক অঙ্গনে এক নির্ভরযোগ্য ‘ডিপ্লোম্যাটিক প্লেয়ার’ বা মধ্যস্থতাকারী হিসেবে নিজের গ্রহণযোগ্যতা ধরে রাখতে পারবে?

কোনো দেশ মধ্যস্থতাকারী হিসেবে কতটা সফল হবে, তা কেবল সেই দেশের ইচ্ছার ওপর নির্ভর করে না; এটি নির্ভর করে সংঘাতরত পক্ষগুলোর— এক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্র, ইরান বা ইসরায়েলের— সদিচ্ছা ও আগ্রহের ওপর। সম্প্রতি ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে পাল্টাপাল্টি সামরিক পদক্ষেপ এবং যুদ্ধবিরতি চুক্তির অকার্যকারিতা সম্পর্কে ইরানের মন্তব্যের পর দেখা যাচ্ছে, শান্তি আলোচনার সেই পরিবেশ এখন অনেকটাই ব্যাকফুটে। পাকিস্তান বা কাতারের মতো দেশগুলো যুদ্ধবিরতির প্রক্রিয়া পুনরুজ্জীবিত করার চেষ্টা করলেও বর্তমান উত্তপ্ত পরিস্থিতিতে মধ্যস্থতাকারী হিসেবে পাকিস্তানের ভূমিকার পরিসর সীমিত।

তবে আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে পাকিস্তানের এই বাহ্যিক তৎপরতার বিপরীতে সবচেয়ে বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে তাদের ভেতরের সুসংহত কাঠামোর অভাব। ঐতিহাসিক ও কাঠামোগতভাবে বেলুচিস্তানে তিনটি গভীর সংকট বিদ্যমান:

জাতিগত বৈষম্য ও জাতীয় সংহতির অভাব: পাকিস্তান সৃষ্টির পর থেকেই পাঞ্জাবি, সিন্ধি, পাঠান ও বেলুচদের নিয়ে একটি সুসংহত ও অন্তর্ভুক্তিমূলক রাষ্ট্রীয় কাঠামো গড়ে তুলতে ব্যর্থ হয়েছে। গণতান্ত্রিক ও গভর্ন্যান্সের দুর্বলতা: দুর্বল শাসনব্যবস্থা এবং রাষ্ট্রীয় পরিচালনায় সামরিক বাহিনীর অতিরিক্ত প্রভাব সবসময়ই রাজনৈতিক গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়াকে ব্যাহত করেছে। অর্থনৈতিক বৈষম্য: পাকিস্তানের ভূখণ্ডের প্রায় ৪৪ শতাংশ জুড়ে থাকা বেলুচিস্তান খনিজসম্পদ ও প্রাকৃতিক গ্যাসে সমৃদ্ধ এবং সেখানে কৌশলগত গুরুত্বপূর্ণ গোয়াদর বন্দর অবস্থিত। কিন্তু সেখানকার স্থানীয় জনগণ নিজেদের সম্পদের সুষম বণ্টন থেকে ধারাবাহিকভাবে বঞ্চিত। এই তীব্র বঞ্চনাবোধ থেকেই জন্ম নিয়েছে প্রতিরোধ ও অসন্তোষ।

পাকিস্তান বরাবরের মতোই বেলুচিস্তানের রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক স্বায়ত্তশাসনের দাবিকে সামরিক উপায়ে দমন করতে চেয়েছে। কিন্তু ইতিহাস সাক্ষী দেয়, বলপ্রয়োগ করে সাময়িক নিয়ন্ত্রণ আনা গেলেও টেকসই সমাধান কখনো সম্ভব নয়

ঐতিহাসিকভাবে বেলুচিস্তানের সংগ্রাম ছিল মূলত জাতিগত আত্মনিয়ন্ত্রণাধিকার ও জাতীয়তাবাদী চেতনার ওপর প্রতিষ্ঠিত। তবে বর্তমানে দেখা যাচ্ছে, বেলুচ লিবারেশন আর্মির (BLA) পাশাপাশি তেহরিক-ই-তালেবান পাকিস্তান (TTP), আইএস (ISIS)-এর মতো সুন্নি জিহাদি গোষ্ঠী এবং ইরানের প্রভাবাধীন সশস্ত্র শক্তিগুলোও সক্রিয় হয়ে উঠেছে।

যেকোনো অঞ্চলে যখন সুদীর্ঘ বঞ্চনা ও বিক্ষোভ দানা বাঁধে, তখন সেখানে একাধিক উগ্র মতাদর্শিক গোষ্ঠী নিজেদের এজেন্ডা বাস্তবায়নে সুযোগ খোঁজে। ফলে এটি আর কেবল জাতিগত সংগ্রামে সীমাবদ্ধ থাকছে না; জাতীয়তাবাদ এবং চরম সাম্প্রদায়িকতার এক বিপজ্জনক মিশ্রণ তৈরি হচ্ছে, যা বেলুচিস্তানের পুরো সংকটকে বহুমাত্রিক ও অত্যন্ত জটিল করে তুলেছে।

বেলুচিস্তানের এই সংকটকে পাকিস্তান ও তার প্রতিবেশীদের ত্রিমুখী কৌশলগত কাঠামোর মধ্য দিয়ে দেখতে হবে:

ভারত-পাকিস্তান বৈরিতা: পাকিস্তানের একটি বহুল প্রচারিত অভিযোগ হলো, বিএলএ (BLA) বা বিচ্ছিন্নতাবাদীরা ভারত থেকে সমর্থন পায়। সাম্প্রতিক সময়ে দুই দেশের পারস্পরিক কূটনৈতিক ও সামরিক সম্পর্কের যে চরম তিক্ততা তৈরি হয়েছে, তা এখনো অব্যাহত। ফলে ভারতের দিক থেকে আসা ভূরাজনৈতিক বৈরিতা বেলুচিস্তান ইস্যুতে কোনো না কোনো মাত্রায় ভূমিকা রাখতে পারে— এমনটি ধারণা করা অসম্ভব নয়।

চীন-পাকিস্তান অর্থনৈতিক করিডর (CPEC): চীন প্রায় ৬০ বিলিয়ন ডলার ব্যয়ে সিপেক (CPEC) প্রকল্পের মাধ্যমে গোয়াদর বন্দর থেকে চীনের মূল ভূখণ্ড পর্যন্ত যোগাযোগব্যবস্থা, রেলপথ ও অবকাঠামো তৈরি করছে। বেলুচিস্তান যদি অস্থিতিশীল হয়, তবে সরাসরি চীনা বিনিয়োগ ও পাকিস্তানের সঙ্গে তাদের অর্থনৈতিক স্বার্থ আঘাতপ্রাপ্ত হবে। ফলে বিচ্ছিন্নতাবাদী আন্দোলন চীন-পাকিস্তান কৌশলগত অক্ষের জন্য এক বড় চ্যালেঞ্জ।

ইরান-পাকিস্তান সীমান্ত রসায়ন: ৯০০ কিলোমিটার দীর্ঘ পাকিস্তান-ইরান সীমান্তে অতীত জুড়ে সীমান্তসংলগ্ন গোষ্ঠীগুলোর কারণে দুদেশের মধ্যে একধরনের অবিশ্বাস ছিল। সম্প্রতি ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ইরানের সংঘাতের পর পাকিস্তানের মধ্যস্থতার উদ্যোগ দুটি দেশের সম্পর্ককে কিছুটা ইতিবাচক মোড়ে এনেছে। পাকিস্তানের জন্য পূর্ব সীমান্ত (ভারত) উত্তপ্ত থাকলেও পশ্চিম সীমান্তে (ইরান) সম্পর্ক স্বাভাবিক রাখা ভূরাজনৈতিক দিক থেকে অত্যন্ত লাভজনক।

পাকিস্তান রাষ্ট্র বরাবরের মতোই বেলুচিস্তানের রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক স্বায়ত্তশাসনের দাবিকে সামরিক উপায়ে দমন করতে চেয়েছে। কিন্তু ইতিহাস সাক্ষী দেয়, বলপ্রয়োগ করে সাময়িক নিয়ন্ত্রণ আনা গেলেও টেকসই সমাধান কখনো সম্ভব নয়।

১৯৭১ সালের ঐতিহাসিক মুক্তিযুদ্ধ এবং বাংলাদেশের মহান স্বাধীনতা অর্জনের প্রসঙ্গটি কোনোভাবেই উপেক্ষা করার সুযোগ নেই। বিশেষ করে যখন পাকিস্তানের প্রশাসনিক ব্যর্থতা, শাসনতান্ত্রিক বৈষম্য এবং বলপ্রয়োগের মাধ্যমে জনদাবি দমনের কৌশল নিয়ে আলোচনা করা হয়, তখন আমাদের মুক্তিযুদ্ধের শিক্ষাটি ইতিহাসের এক উজ্জ্বল দলিল হিসেবেই সামনে চলে আসে। ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের মানুষ তাদের রাজনৈতিক, সামাজিক ও অর্থনৈতিক সুষম অধিকার এবং আত্মনিয়ন্ত্রণাধিকার চেয়েছিল। কিন্তু তৎকালীন পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠী রাজনৈতিকভাবে সেই ন্যায়সংগত দাবির মীমাংসা না করে সামরিক শক্তি প্রয়োগের পথ বেছে নিয়েছিল। ইতিহাস আমাদের স্পষ্ট বার্তা দেয়, অস্ত্রের মুখে সাময়িকভাবে হয়তো অসন্তোষ চেপে রাখা যায়; কিন্তু জাতিগত আত্মনিয়ন্ত্রণাধিকার ও অধিকার আদায়ের স্পৃহাকে বুলেটের জোরে চিরতরে নিশ্চিহ্ন করা যায় না। ভৌগোলিক দূরত্ব এবং রাজনৈতিক চেতনার ধারাবাহিকতায় বীর বাঙালি তার রক্তের বিনিময়ে আত্মনিয়ন্ত্রণ অধিকার প্রতিষ্ঠা করে স্বাধীন ভূখণ্ড অর্জন করেছে। বেলুচিস্তানের বর্তমান বাস্তবতার সঙ্গে বাংলাদেশের ভূরাজনৈতিক সাদৃশ্য ও বৈসাদৃশ্য দুটিই রয়েছে। কিন্তু এই মূল সত্যটি অপরিবর্তিত থাকে যে, সুশাসন ও অধিকার না দিয়ে শুধু রাষ্ট্রীয় দমনপীড়নের মাধ্যমে শাসন করার পরিণতি কখনোই শুভ হয় না।

পাকিস্তান তাদের অভ্যন্তরের যেকোনো অস্থিতিশীলতার জন্য প্রায়ই প্রতিবেশীদের, বিশেষ করে আফগানিস্তানের দিকে আঙুল তুলে থাকে। ২০২১ সালে তালেবান ক্ষমতায় আসার পর প্রথম দিকে ইসলামাবাদের সম্পর্ক ভালো মনে হলেও বর্তমানে সীমান্ত সংঘাত ও বিমান হামলার মতো ঘটনায় দুই দেশের সম্পর্ক আবার অত্যন্ত উত্তপ্ত। আফগান সীমান্তের এই দ্বিপক্ষীয় উত্তেজনা অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা ব্যর্থতা থেকে মনোযোগ সরানোর একটি কৌশল হলেও বাস্তবতায় তা সীমান্ত সুরক্ষাকে আরও নাজুক করে তুলছে।

বেলুচিস্তানের ক্রমবর্ধমান সংকট কেবল পাকিস্তানের একার অভ্যন্তরীণ বিষয় নয়; এটি গোটা দক্ষিণ এশিয়ার ভূরাজনৈতিক নিরাপত্তার সঙ্গে যুক্ত। যদি বেলুচিস্তান দীর্ঘ মেয়াদে অস্থিতিশীল থাকে, তবে তা চীন-পাকিস্তান অর্থনৈতিক করিডর ব্যাহত করবে, প্রতিবেশী দেশগুলোর নিরাপত্তা ঝুঁকি বাড়াবে এবং দক্ষিণ এশিয়ার অর্থনৈতিক স্থায়িত্বকে হুমকির মুখে ফেলবে।

দক্ষিণ এশিয়ায় শান্তি ও স্থিতিশীলতার স্বার্থে সামরিক শক্তির মোহ ত্যাগ করে পাকিস্তানের উচিত অন্তর্ভুক্তিমূলক রাজনীতি ও ন্যায়বিচারের দিকে হাঁটা। অন্যথায়, একদিকে আন্তর্জাতিক মধ্যস্থতাকারী হওয়ার আকাঙ্ক্ষা আর অন্যদিকে নিজ গৃহের রক্তক্ষরণ— এ দুইয়ের টানাপড়েনে পাকিস্তান শুধু আন্তর্জাতিক গ্রহণযোগ্যতাই হারাবে না; বরং আরও গভীর আঞ্চলিক সংকটে নিপতিত হবে।

 

লেখক: সাবেক কূটনীতিক ও ভূরাজনীতি বিশ্লেষক

বিশ্বরাজনীতিভূরাজনৈতিকপাকিস্তানঅস্থিতিশীলতাকলাম
    শেয়ার করুন:
    advertisement
    advertisement
    জাপানের প্রযুক্তি খাতে বাংলাদেশিদের কর্মসংস্থানের নতুন সম্ভাবনা

    জাপানের প্রযুক্তি খাতে বাংলাদেশিদের কর্মসংস্থানের নতুন সম্ভাবনা

    ২৩ জুলাই ২০২৬, ০০:০৯

    দিল্লির আন্দোলনে জামায়াতের সংহতিপত্রের দাবিটি সত্য নয়

    দিল্লির আন্দোলনে জামায়াতের সংহতিপত্রের দাবিটি সত্য নয়

    ২৩ জুলাই ২০২৬, ০০:০০

    ঢাকা-সিলেট মহাসড়কে ১০ কি.মি. যানজট, চরম ভোগান্তি

    ঢাকা-সিলেট মহাসড়কে ১০ কি.মি. যানজট, চরম ভোগান্তি

    ২৩ জুলাই ২০২৬, ০০:২৭

    ৫ হাজার ব্যাগ রক্ত জোগাড় করে দিয়েছেন তৌফিক

    ৫ হাজার ব্যাগ রক্ত জোগাড় করে দিয়েছেন তৌফিক

    ২৩ জুলাই ২০২৬, ০১:৪৮

    প্রশ্নফাঁসের প্রতিবাদী ছাত্রনেতা ধর্মেন্দ্রই আজ প্রশ্নফাঁসের নায়ক

    প্রশ্নফাঁসের প্রতিবাদী ছাত্রনেতা ধর্মেন্দ্রই আজ প্রশ্নফাঁসের নায়ক

    ২৩ জুলাই ২০২৬, ০১:০৫

    প্রথম সপ্তাহেই বাস ভাড়া কমানোর বার্তা বার্নহ্যামের

    প্রথম সপ্তাহেই বাস ভাড়া কমানোর বার্তা বার্নহ্যামের

    ২৩ জুলাই ২০২৬, ০১:০৮

    রাত বাড়তেই উত্তপ্ত দিল্লির যন্তর-মন্তর

    রাত বাড়তেই উত্তপ্ত দিল্লির যন্তর-মন্তর

    ২৩ জুলাই ২০২৬, ০১:৫১

    ‘ভুতুড়ে’ সিরিজ খেলে ফিরল বাংলাদেশ

    ‘ভুতুড়ে’ সিরিজ খেলে ফিরল বাংলাদেশ

    ২৩ জুলাই ২০২৬, ০১:৪৫

    মর্নিং স্টার

    মর্নিং স্টার

    ২৩ জুলাই ২০২৬, ০১:৪২

    নেই সিমন-ইয়ামাল

    নেই সিমন-ইয়ামাল

    ২৩ জুলাই ২০২৬, ০১:৪৫

    ওফেলিয়া: মঞ্চনাটক, চিত্রকলা ও চলচ্চিত্রে

    ওফেলিয়া: মঞ্চনাটক, চিত্রকলা ও চলচ্চিত্রে

    ২৩ জুলাই ২০২৬, ০২:১৪

    গৌতম ঘোষের মাস্টারক্লাস

    গৌতম ঘোষের মাস্টারক্লাস

    ২৩ জুলাই ২০২৬, ০২:৪১

    ১৩ বছরের জোবাইদের ওজন ৫

    ১৩ বছরের জোবাইদের ওজন ৫

    ২৩ জুলাই ২০২৬, ০২:৫৬

    যেকোনো সময় রাষ্ট্রপতির পদত্যাগ

    যেকোনো সময় রাষ্ট্রপতির পদত্যাগ

    ২৩ জুলাই ২০২৬, ০৩:৩০

    রক্তাক্ত শিশুকে জড়িয়ে ধরে কান্নায় ভেঙে পড়লেন মা

    রক্তাক্ত শিশুকে জড়িয়ে ধরে কান্নায় ভেঙে পড়লেন মা

    ২৩ জুলাই ২০২৬, ০২:৩৯

    advertiseadvertise