Agamir Somoy E-Paper
বুধবার, ৭ অক্টোবর, ২০২৬
আগামীর সময়
দেশে-বিদেশে মানুষের পাশে জিয়াউল হক
বুধবার, ৭ অক্টোবর, ২০২৬
আগামীর সময়
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • বিচিত্রা
  • চাকরি
  • ছবি
  • সাহিত্য
  • বিবিধ
  • ধর্ম
  • প্রবাস
  • ফ্যাক্টচেক
  • সোশ্যাল মিডিয়া
  • ধন্যবাদ
  • বিশেষ সংখ্যা
  • সর্বজনের গল্প
  • বিশেষ লেখা
EN
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • ইপেপার
  • EN
লোড হচ্ছে…

প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : আবদুস সাত্তার মিয়াজী

সম্পাদক : মোস্তফা মামুন

আগামীর সময়
আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগশর্তাবলিগোপনীয়তাআমরা

ইডিবি ট্রেড সেন্টার (লেভেল-৬ ও ৭), ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ানবাজার, ঢাকা-১২১৫

যোগাযোগ: ০৯৬৬৬ ৭৭১০১০

বিজ্ঞাপন: ০১৭৫৫ ৬৫১১৬৪

[email protected]

স্বত্ব © ২০২৬ | দৈনিক আগামীর সময়

আগামীর সময় কলাম

গাজা ধ্বংসস্তূপে আটকে ট্রাম্প-নেতানিয়াহু

এম হুমায়ুন কবির
agamir somoy
প্রকাশ: ০৭ অক্টোবর ২০২৬, ০৩:৩৯
গাজা ধ্বংসস্তূপে আটকে ট্রাম্প-নেতানিয়াহু

গ্রাফিকস: আগামীর সময়

অক্টোবর ২০২৩-এর পর থেকে গাজায় ইসরায়েলের নজিরবিহীন বর্বরতা, মানবতাবিরোধী কর্মকাণ্ড এবং নারী-শিশুসহ সাধারণ মানুষের ওপর নির্বিচার হত্যাকাণ্ড বৈশ্বিক রাজনীতিতে এক নতুন মোড় ঘুরিয়ে দিয়েছে। দীর্ঘ সময় ধরে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় নিগৃহীত হওয়ার কারণে ইহুদি রাষ্ট্র ইসরায়েলের প্রতি পশ্চিমা বিশ্বের মানুষের যে একটি অন্ধ ও সহানুভূতিশীল দৃষ্টিভঙ্গি ছিল, বর্তমান প্রেক্ষাপটে তা নৈতিক ভিত্তির ওপর বড় ধরনের প্রশ্নের মুখে পড়েছে। ইসরায়েল এখন আর পশ্চিমা জনগণের কাছে কোনো নিগৃহীত রাষ্ট্র নয়; বরং মধ্যপ্রাচ্যে সংঘাত সৃষ্টিকারী এবং মানবতাবিরোধী এক উগ্র শক্তি হিসেবে চিহ্নিত হচ্ছে।

এ পরিবর্তনের সবচেয়ে বড় এবং দৃশ্যমান প্রভাব দেখা যাচ্ছে পশ্চিমের নতুন প্রজন্মের মধ্যে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র থেকে শুরু করে ইউরোপের বিভিন্ন দেশের বিশ্ববিদ্যালয় ও রাজপথে তরুণরা ইসরায়েলের এই আগ্রাসনের বিরুদ্ধে সরাসরি অবস্থান নিয়েছে। বিভিন্ন জনমত জরিপেও স্পষ্ট হয়ে উঠেছে, সংখ্যাগরিষ্ঠ জনগোষ্ঠী এখন আর ইসরায়েলি নীতির সমর্থক নয়। এ তরুণ প্রজন্মই আগামী দিনে রাজনীতি, ব্যবসা ও মিডিয়ার মতো গুরুত্বপূর্ণ খাতগুলোর নেতৃত্বে আসবে। ফলে ইসরায়েলবিরোধী এ মনস্তাত্ত্বিক অবস্থান শুধু সাময়িক কোনো ক্ষোভ নয়; বরং এটি দীর্ঘমেয়াদি এক ভূরাজনৈতিক পরিবর্তনের সূচনা।

তবে এ পুরো ভূরাজনৈতিক ঝড়ের সবচেয়ে বড় ধাক্কাটি এসে লেগেছে যুক্তরাষ্ট্রের ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং ইসরায়েলের বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর আসন্ন রাজনৈতিক ভাগ্যের ওপর। আসন্ন নির্বাচন সামনে রেখে এ দুই শীর্ষ নেতা এখন গাজা ও মধ্যপ্রাচ্য সংঘাতের ফাঁদে পড়ে অভূতপূর্ব এক রাজনৈতিক সংকটের মুখোমুখি।

ঐতিহাসিকভাবে ইসরায়েল দুটি প্রধান অঞ্চলের ওপর সবচেয়ে বেশি নির্ভরশীল ছিল— যুক্তরাষ্ট্র এবং ইউরোপের জার্মানিসহ কয়েকটি দেশ। কিন্তু বর্তমান পরিস্থিতিতে তাদের সেই পরীক্ষিত বন্ধুরাও আজ দূরত্ব বজায় রাখতে বাধ্য হচ্ছে। ইউরোপের যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স এবং বিশেষ করে স্পেন এখন ইসরায়েলের ওপর অস্ত্র রপ্তানি বন্ধ এবং তাদের আগ্রাসনের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিচ্ছে।

এই পুরো ভূরাজনৈতিক ঝড়ের সবচেয়ে বড় ধাক্কাটি এসে লেগেছে যুক্তরাষ্ট্রের ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং ইসরায়েলের বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর আসন্ন রাজনৈতিক ভাগ্যের ওপর। আসন্ন নির্বাচন সামনে রেখে এ দুই শীর্ষ নেতা এখন গাজা ও মধ্যপ্রাচ্য সংঘাতের ফাঁদে পড়ে রাজনৈতিক সংকটের মুখোমুখি

আমেরিকার রাজনৈতিক অঙ্গনেও এর ব্যাপক প্রভাব পড়ছে। জাতিসংঘের সাধারণ অধিবেশনে প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর সফর কেন্দ্র করে যে দৃশ্যগুলো দেখা গেছে, তা অভূতপূর্ব। তাকে কংগ্রেসে ভাষণ দেওয়ার আমন্ত্রণ জানানো হয়নি, এমনকি ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গেও সাক্ষাৎ করার সুযোগ পাননি তিনি। তদুপরি, নিউ ইয়র্কের মেয়রের অনাকাঙ্ক্ষিত ঘোষণা এবং জনরোষের ভয়ে নেতানিয়াহুকে প্রায় এক ধরনের বাধ্য হয়ে দ্রুততম সময়ে যুক্তরাষ্ট্রে তার সফর শেষ করে দেশে ফিরতে হয়েছে। ইসরায়েলের সাবেক কূটনীতিকদের মতে, কোনো ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী যুক্তরাষ্ট্রে এসে প্রেসিডেন্টের সঙ্গে দেখা করতে পারেননি— এমন ঘটনা অতীতে ঘটেনি।

আমেরিকান পলিটিক্যাল সিস্টেমে দীর্ঘদিন ধরে প্রভাব বিস্তার করে আসা ইসরায়েলপন্থী লবি ‘এআইপ্যাক’ (AIPAC)-এর যে একচ্ছত্র নিয়ন্ত্রণ ছিল, তাতেও ঘাটতি দেখা যাচ্ছে। বর্তমানে রিপাবলিকান কিংবা ডেমোক্র্যাট উভয় দলের প্রার্থীরাই নির্বাচনে স্পষ্ট করে বলছেন, তারা ‘এআইপ্যাক’-এর থেকে কোনো অর্থ নেননি, যাতে ভোটারদের ক্ষোভ থেকে রক্ষা পাওয়া যায়। আমেরিকার রাজনীতিতে এটি একটি বড় ধরনের মোড় পরিবর্তন। নভেম্বরের মধ্যবর্তী নির্বাচনে যে আসনগুলোতে হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে, সেখানে তরুণদের এই ইসরায়েলবিরোধী মনোভাব ফলাফলকে ব্যাপকভাবে প্রভাবিত করতে পারে।

যুক্তরাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতে ইসরায়েল-ফিলিস্তিন ইস্যু আগে কখনো এত ভয়াবহভাবে প্রভাব ফেলতে পারেনি, যা এখন স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। আমেরিকার নভেম্বরের নির্বাচন সামনে রেখে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প কোণঠাসা অবস্থায় পড়েছেন। জনমত জরিপগুলোতে তার জনপ্রিয়তা দ্রুত হ্রাস পাওয়ার পেছনে মধ্যপ্রাচ্যের চলমান ধ্বংসাত্মক যুদ্ধ এবং বিশেষ করে ইরানের বিরুদ্ধে উসকানিমূলক সংঘাত এক বিশাল উপাদান হিসেবে কাজ করছে।

ইসরায়েলের ভেতরের রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট এখন অত্যন্ত জটিল। অনেকে প্রশ্ন তোলেন, সামগ্রিক এ সংকটের সব দায় কি শুধু নেতানিয়াহুর ওপর চাপিয়ে পশ্চিমা বিশ্ব নিজেদের দায়মুক্ত করতে চাইছে? এখানে স্পষ্ট দুটি দিক রয়েছে— একটি প্রত্যক্ষ এবং অন্যটি পরোক্ষ।

ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহু এবং তার উগ্র ডানপন্থী সরকার সরাসরি এ ধ্বংসযজ্ঞের জন্য দায়ী। তিনি নিজের বিচার ও কারাদণ্ড এড়াতেই যুদ্ধ টেনে নিয়ে যাচ্ছেন। গাজা, লেবানন কিংবা ইরানের ওপর উসকানিমূলক আক্রমণ চালানোর পেছনে তার অন্যতম প্রধান অনুপ্রেরণা ছিল নিজ দেশের দুর্নীতির মামলায় সাজা পাওয়া এড়ানো। যতক্ষণ তিনি ক্ষমতায় আছেন এবং যুদ্ধ পরিস্থিতি বজায় রাখতে পারছেন, ততক্ষণ পর্যন্ত তাকে জেলে যেতে হচ্ছে না। ফলে নেতানিয়াহুকে ক্ষমতাচ্যুত করতে বাইরের কারও প্রয়োজন নেই, নিজ দেশের কর্মফল ও জনগণই তাকে পদচ্যুত করার জন্য যথেষ্ট। নেতানিয়াহুর জন্য এ নির্বাচনটি শুধু ক্ষমতা টিকিয়ে রাখার লড়াই নয়; বরং তার জন্য এটি কারাদণ্ড এড়ানোর শেষ চেষ্টা। তিনি গাজায় সংঘাত দীর্ঘায়িত করে দেশে জরুরি অবস্থা জারি রাখতে চেয়েছেন, যাতে তার সরকারের পতন না ঘটে এবং নির্বাচন পিছিয়ে দেওয়া যায়। কিন্তু ইসরায়েলি ভোটারদের কাছে এখন সত্যটি স্পষ্ট।

অন্যদিকে, পরোক্ষ দায় ইউরোপ ও আমেরিকার ওপর রয়েই যায়। তবে ইতিহাসসচেতন তরুণ প্রজন্ম এখন আর ইসরায়েলের ‘আত্মরক্ষা’ বা ‘নিরাপত্তা’র কথিত যুক্তি মানতে রাজি নয়। তারা নৈতিক প্রশ্ন তুলছে, নিজের নিরাপত্তার অজুহাতে কোনো রাষ্ট্র অন্য একটি অঞ্চলের ৭০ হাজার নিরপরাধ মানুষকে হত্যা করতে বা পুরো একটি ভূখণ্ড ধ্বংস করতে পারে না।

নেতানিয়াহু এবং ট্রাম্পের এ যৌথ বিপর্যয়ের মুখে পশ্চিমা মিত্ররা এখন এক নতুন মেরূকরণের চেষ্টা করছে। যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স, কানাডা এবং স্পেনের মতো পশ্চিমা দেশগুলো গাজা ও পশ্চিম তীরে ইসরায়েলি কর্মকাণ্ডের ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করছে। যুক্তরাজ্যের নতুন সরকার এমনকি পশ্চিম তীরে ইসরায়েলের আচরণকে প্রকাশ্যে ‘জাতিগত নিধন’ (Ethnic Cleansing) হিসেবে আখ্যা দিয়েছে।

তবে পশ্চিমা নেতাদের এ দরদ ফিলিস্তিনিদের প্রতি ভালোবাসার কারণে নয়; বরং নিজেদের ডুবতে থাকা রাজনৈতিক গ্রহণযোগ্যতা বা ইমেজ বাঁচানোর জন্য। পশ্চিমা বিশ্ব খুব ভালো করেই জানে, তারা কয়েক বছর ধরে গাজা গণহত্যায় ইসরায়েলকে গোলাবারুদ ও কূটনৈতিক সহায়তা দিয়ে প্রত্যক্ষ অংশীদার ছিল। তাই নিজেদের হাত থেকে রক্তের দাগ মুছতে এবং নিজেদের দেশের জনগণের ক্ষোভ প্রশমিত করতে এমন একটি গল্প বা ‘ন্যারেটিভ’ দাঁড় করাতে চাইছে যে, গাজার সব বর্বরতা এবং পশ্চিম তীরের উগ্র সন্ত্রাসী বসতি স্থাপনকারীদের সব অপরাধ নাকি নেতানিয়াহু একার সৃষ্টি! নেতানিয়াহু সরে গেলে যেন সব ঠিক হয়ে যাবে।

সাম্প্রতিককালে ইরান আক্রমণ এ অঞ্চলটিকে একটি ভয়াবহ সংকটের দিকে ঠেলে দিয়েছে। ওয়াশিংটন এবং ইসরায়েল ভেবেছিল ইরানকে কাবু করতে পারলে বা পারমাণবিক সক্ষমতা ধ্বংস করতে পারলে পুরো অঞ্চলে একক আধিপত্য বজায় রাখা যাবে; কিন্তু বাস্তবতা সম্পূর্ণ উল্টো প্রমাণিত হয়েছে।

ইরান এবং ইয়েমেনের আনসারুল্লাহর শক্তি বিশ্ববাজারের জ্বালানি সরবরাহের ক্ষেত্রে— বিশেষ করে হরমুজ ও বাব আল-মান্দেব প্রণালিতে কতটা নির্ণায়ক ভূমিকা রাখতে পারে, তা এ যুদ্ধের মধ্য দিয়ে ফুটে উঠেছে। আন্তর্জাতিক তেলের বাজারের এ অস্থিরতা যুক্তরাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ অর্থনীতিতে তীব্র পেট্রলের মূল্যবৃদ্ধি ঘটিয়েছে, যা ট্রাম্প প্রশাসনের জন্য রাজনৈতিক বিপর্যয় ডেকে আনছে। তা ছাড়া, যুক্তরাষ্ট্র যেসব সামরিক শক্তি থাকা সত্ত্বেও মধ্যপ্রাচ্যে তার মিত্রদের রক্ষা করতে সক্ষম নয়, তা উপসাগরীয় সুন্নি আরব দেশগুলোর সামনেও তা স্পষ্ট হয়ে গেছে।

ফলে যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যপ্রাচ্যে এতদিন যে সুদৃঢ় অবস্থান ছিল, তা নড়বড়ে হয়ে পড়েছে। দেশটি বাধ্য হয়ে বহু সামরিক ঘাঁটি গুটিয়ে নিচ্ছে এবং সেই জায়গায় একটি নতুন আঞ্চলিক ভূরাজনৈতিক বাস্তবতার সৃষ্টি হচ্ছে। ইরান এবং সৌদি আরবসহ উপসাগরীয় দেশগুলো নিজেদের অভ্যন্তরীণ ব্যবস্থাপনা ও নিরাপত্তার জন্য একটি নতুন অক্ষ বা আঞ্চলিক সমঝোতার দিকে অগ্রসর হচ্ছে।

মধ্যপ্রাচ্যের শতাব্দীপ্রাচীন যে জটিলতা এবং সংঘাত, তার কেন্দ্রে সবসময়ই থেকেছে ফিলিস্তিন ইস্যু। তৎকালীন ট্রাম্প প্রশাসনের ‘আব্রাহাম একর্ডস’-এর মাধ্যমে ফিলিস্তিন ইস্যুকে পাশ কাটিয়ে আরব দেশগুলোর সঙ্গে ইসরায়েলের সম্পর্ক স্বাভাবিক করার যে পরিকল্পনা ছিল, ৭ অক্টোবরের ঘটনার পর তা পুরোপুরি ভেস্তে গেছে।

আগামী দিনে মধ্যপ্রাচ্যের সমস্যার স্থায়ী সমাধানের জন্য মূলত চারটি নতুন রাজনৈতিক সমীকরণ তৈরি হওয়া প্রয়োজন:

১. যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের সমীকরণ: দুই দেশের মধ্যকার উত্তাপ কমিয়ে এনে কূটনীতির নতুন পথ তৈরি করা।

২. ইরান ও উপসাগরীয় আরব দেশগুলোর সমীকরণ: বিশেষ করে সৌদি আরব ও ইরানের মধ্যকার দ্বিপক্ষীয় ও আঞ্চলিক নিরাপত্তা সমঝোতা জোরদার করা।

৩. ইসরায়েল ও ফিলিস্তিন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার সমীকরণ: ১৯৯৩ সালের অসলো চুক্তির ওপর ভিত্তি করে অবিলম্বে ‘দুই-রাষ্ট্র’ (Two-State Solution) সমাধান বাস্তবায়ন করা।

৪. ইসরায়েল ও সমগ্র মুসলিম বিশ্ব সমীকরণ: ফিলিস্তিনকে স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়ার পর ইসরায়েলের সঙ্গে মুসলিম বিশ্বের সম্পর্কের নতুন মেরূকরণ।

আজ গাজার রক্ত ও ধ্বংসাবশেষের ওপর দাঁড়িয়ে ট্রাম্প ও নেতানিয়াহু— এ দুই নেতাই নিজেদের তৈরি ফাঁদে আটকা পড়েছেন। আসন্ন নির্বাচনগুলোতে ট্রাম্প এবং নেতানিয়াহুর এ সম্ভাব্য রাজনৈতিক পরাজয় শুধু তাদের ব্যক্তিগত রাজনীতির সমাপ্তি ঘটাবে না; বরং এটি প্রমাণ করবে, পশ্চিমা বিশ্বের অন্ধ সমর্থনের জোর দিয়ে কোনো রাষ্ট্র চিরকাল আন্তর্জাতিক আইন ও নৈতিকতাকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে টিকিয়ে রাখতে পারে না। নেতানিয়াহু ও ট্রাম্পের এ সংকট আসলে মধ্যপ্রাচ্যের রাজনীতিতে এক নতুন ভোরের ইঙ্গিত দিচ্ছে।

 

লেখক: সাবেক রাষ্ট্রদূত ও ভূরাজনীতির বিশ্লেষক

 

গাজাধ্বংসস্তূপট্রাম্পনেতানিয়াহুবিশ্বযুদ্ধকলাম
    আগামীর সময় ইপেপার
    শেয়ার করুন:
    ক্যাম্পাসে ঢুকতে না পারলেও ১০৮৭ শিক্ষক-কর্মচারীর বেতন বন্ধ করলেন চুয়েট ভিসি

    ক্যাম্পাসে ঢুকতে না পারলেও ১০৮৭ শিক্ষক-কর্মচারীর বেতন বন্ধ করলেন চুয়েট ভিসি

    শেয়ারবাজারের নজরদারিতে আর অনুমোদন লাগবে না

    শেয়ারবাজারের নজরদারিতে আর অনুমোদন লাগবে না

    মৃত ব্যক্তির সই দেখিয়ে হাসপাতালের ২ কোটি ৩৮ লাখ টাকা আত্মসাৎ

    মৃত ব্যক্তির সই দেখিয়ে হাসপাতালের ২ কোটি ৩৮ লাখ টাকা আত্মসাৎ

    আগামীর সময়ের সাংবাদিকের বাসায় চুরি

    আগামীর সময়ের সাংবাদিকের বাসায় চুরি

    গণমাধ্যমে ছবি-ভিডিও প্রকাশে লাগবে বন্দরের অনুমতি!

    গণমাধ্যমে ছবি-ভিডিও প্রকাশে লাগবে বন্দরের অনুমতি!

    কলেজীয় ব্যবস্থা ছিনতাই করে বিশ্ববিদ্যালয়

    কলেজীয় ব্যবস্থা ছিনতাই করে বিশ্ববিদ্যালয়

    সমঝোতা চাইলে আওয়ামী লীগকে ‘অপরাধ স্বীকার করতে হবে’

    সমঝোতা চাইলে আওয়ামী লীগকে ‘অপরাধ স্বীকার করতে হবে’

    সাড়ে ৫ টায় আমন্ত্রণ জানিয়ে নায়িকা এলেন রাত ৯ টায়

    সাড়ে ৫ টায় আমন্ত্রণ জানিয়ে নায়িকা এলেন রাত ৯ টায়

    ফেসবুকে কমেন্টের জেরে ছাত্রদল নেতার ওপর হামলা

    ফেসবুকে কমেন্টের জেরে ছাত্রদল নেতার ওপর হামলা

    আহসান উল্লাহ মাস্টার হত্যা মামলা, ২২ বছর পর কারামুক্ত যুবদল নেতা

    আহসান উল্লাহ মাস্টার হত্যা মামলা, ২২ বছর পর কারামুক্ত যুবদল নেতা

    সুলতানার উঠানের বীজ ছড়িয়েছে ১৩ গ্রামে

    সুলতানার উঠানের বীজ ছড়িয়েছে ১৩ গ্রামে

    আদর্শ আর নেতৃত্বের দ্বন্দ্বে খণ্ড-বিখণ্ড বাম

    আদর্শ আর নেতৃত্বের দ্বন্দ্বে খণ্ড-বিখণ্ড বাম

    ঢাকা-চট্টগ্রাম উড়াল রেল, দূরত্ব বাঁচবে ৮১ কিলোমিটার

    ঢাকা-চট্টগ্রাম উড়াল রেল, দূরত্ব বাঁচবে ৮১ কিলোমিটার

    বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমানের ভাস্কর্যে জুতার মালা, আটক ১

    বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমানের ভাস্কর্যে জুতার মালা, আটক ১

    বিয়েতে রাজি ছিলেন না নারী, ফ্যামিলি কার্ডের কথা বলে টিপসই নিয়ে ‘ভুয়া কাবিননামা’ তৈরি

    বিয়েতে রাজি ছিলেন না নারী, ফ্যামিলি কার্ডের কথা বলে টিপসই নিয়ে ‘ভুয়া কাবিননামা’ তৈরি