Agamir Somoy E-Paper
বুধবার, ১০ জুন, ২০২৬
আগামীর সময়
মনোতোষের হাত ধরে বদলে গেছে ‘হাটছালা’ গ্রাম
বুধবার, ১০ জুন, ২০২৬
আগামীর সময়
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • বিচিত্রা
  • চাকরি
  • ছবি
  • সাহিত্য
  • বিবিধ
  • ধর্ম
  • প্রবাস
  • ফ্যাক্টচেক
  • সোশ্যাল মিডিয়া
  • ধন্যবাদ
  • বিশেষ সংখ্যা
  • সর্বজনের গল্প
EN
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • ইপেপার
  • EN
লোড হচ্ছে…

প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : আবদুস সাত্তার মিয়াজী

সম্পাদক : মোস্তফা মামুন

আগামীর সময়
আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগশর্তাবলিগোপনীয়তাআমরা

ইডিবি ট্রেড সেন্টার (লেভেল-৬ ও ৭), ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ানবাজার, ঢাকা-১২১৫

যোগাযোগ: ০৯৬৬৬ ৭৭১০১০

বিজ্ঞাপন: ০১৭৫৫ ৬৫১১৬৪

[email protected]

স্বত্ব © ২০২৬ | দৈনিক আগামীর সময়

আগামীর সময় কলাম

অন্তর্বর্তী সরকারের ভুলগুলো কে শোধরাবে

নাজমুল আহসান
agamir somoy
প্রকাশ: ১০ জুন ২০২৬, ০৫:১৩
অন্তর্বর্তী সরকারের ভুলগুলো কে শোধরাবে

গ্রাফিকস: আগামীর সময়

২০২৪ সালের রাজনৈতিক অস্থিরতা ও রাষ্ট্রীয় সংকটের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশ যখন একটি ঐতিহাসিক পরিবর্তনের মুখোমুখি হয়েছিল, তখন দেশের মানুষের সব আশা ও প্রত্যাশা কেন্দ্রীভূত হয়েছিল অন্তর্বর্তী সরকারের ওপর। নির্বাচনী ব্যবস্থায় অসচ্ছতা ও ভঙ্গুরতা, গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলোর দুর্বল হয়ে পড়া, প্রশাসনিক দলীয়করণ ও অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তার প্রেক্ষাপটে জনগণের একটি বড় অংশে ক্ষোভ তৈরি হয়েছিল। মানুষ আশা করেছিল, অন্তর্বর্তী সরকার প্রতিহিংসার রাজনীতির অবসান ঘটাবে, আইনের শাসনের সহায়ক হবে এবং রাষ্ট্র পরিচালনায় জনগণের স্বার্থকেই সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেবে।

কিন্তু সময়ের সঙ্গে সঙ্গে সেই প্রত্যাশা ক্রমে হতাশায় রূপ নিয়েছে। আজ এ কথা বলা অতিরঞ্জন হবে না, অন্তর্বর্তী সরকার জনগণের প্রত্যাশা পূরণে ব্যর্থ হয়েছে। তারা দেশ ও জনগণের বৃহত্তর স্বার্থের চেয়ে নিজেদের রাজনৈতিক অবস্থান ও গোষ্ঠীগত স্বার্থকে বেশি গুরুত্ব দিয়েছে। তারা ধীরে ধীরে প্রতিহিংসামূলক রাজনৈতিক সংস্কৃতির অংশ হয়ে পড়ে। ফলে যে পরিবর্তনের স্বপ্ন মানুষ দেখেছিল, বাস্তবে তার অনেক ক্ষেত্রেই পুরনো রাজনৈতিক সংস্কৃতির পুনরাবৃত্তি ঘটেছে নতুন আঙ্গিকে, কোনো কোনো ক্ষেত্রে নজিরবিহীন চরমপন্থার মাধ্যমে।

এর সরাসরি প্রভাব পড়ে দেশের সামগ্রিক আর্থসামাজিক ও রাজনৈতিক পরিবেশে। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি, একের পর এক মব সহিংসতা, রাজনৈতিক হামলা-মামলা, নারীর প্রতি সহিংসতা, ধর্মীয় উগ্রবাদী গোষ্ঠীর সক্রিয়তা, মাজার ও সংখ্যালঘুদের ওপর হামলা ও প্রশাসনিক দুর্বলতা দেশের সামাজিক স্থিতিশীলতাকে নড়বড়ে করে তোলে। শুধু তাই নয়, অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে বাংলাদেশের অস্তিত্বের ভিত্তিমূল মুক্তিযুদ্ধ ও স্বাধীনতার সংগ্রামকে প্রশ্নবিদ্ধ করার চেষ্টা করা হয়েছে ’২৪-এর মুখোমুখি দাঁড় করিয়ে।

একটি ইংরেজি প্রবাদ আছে— ‘Morning shows the day.’ সব অবস্থায় এই প্রবাদ পুরোপুরি সত্য নয়, তবে বাংলাদেশের বাস্তবতায় কখনোই যেন সকাল হয় না; এখানে রাত যেন অনন্ত

আইন ও সালিশ কেন্দ্রের তথ্যমতে, ১৭ মাসে মব সন্ত্রাসে নিহত হয়েছে ২৮০ জন। অন্যদিকে মানবাধিকার সংগঠন অধিকারের তথ্যমতে, অন্তর্বর্তী সরকারের সময় বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডের শিকার হন অন্তত ৪৫ জন। মব ও অন্যান্য সহিংসতার ক্ষেত্রে একধরনের রাষ্ট্রীয় নীরবতা বা পৃষ্ঠপোষকতা লক্ষ্য করা গেছে ‘ছাত্র-জনতা’ ও ‘তৌহিদী জনতা’র নাম দিয়ে। একের পর এক নতুন রাজনৈতিক বয়ান তৈরি করা হয়েছে, যার মূল ভিত্তি ছিল ঘৃণা, প্রতিহিংসা ও রাজনৈতিক বিদ্বেষ ছড়ানো।

বাংলাদেশ প্রতিদিনের এক প্রতিবেদন অনুযায়ী অন্তর্বর্তী সরকারের সময় তিন হাজার শিক্ষক মবের শিকার হয়েছেন। মবের শিকার হওয়া শিক্ষকদের সংগঠন ‘পদবঞ্চিত প্রতিষ্ঠানপ্রধান ও শিক্ষক জোট’-এর তথ্যমতে, ৫ আগস্টের পর মব-সন্ত্রাসের শিকার হয়েছেন প্রায় সাড়ে চার হাজার শিক্ষক। এই ধরনের মবের স্থায়ী নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের মধ্যকার চিরায়ত সম্পর্কে, শিক্ষার পরিবেশ, শিক্ষার মান ও সর্বোপরি শিক্ষার উদ্দেশ্যের ওপর। অন্যদিকে, এই সময়ে প্রধান প্রধান বিশ্ববিদ্যালয়ে উদার ও মুক্তচিন্তার পরিবেশের পরিবর্তে একটি নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দল সংশ্লিষ্ট ধর্মতত্ত্বের চর্চাকেন্দ্র হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করার প্রবণতা ছিল।

শুধু তাই নয়, সাংস্কৃতিক পরিমণ্ডলেও একধরনের সংকীর্ণতা ও গোড়ামির বিস্তার লক্ষ করা যায়। সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে ‘রাজনৈতিক ট্যাগ’ দিয়ে হামলা করা হয়, দমিয়ে রাখা হয়। যার ফলে মুক্তচিন্তা, ভিন্নমত ও সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্য ক্রমে চাপে পড়ে। একের পর এক ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক গোষ্ঠী আক্রমণের শিকার হয়। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও জনপরিসরে অসহিষ্ণুতা বাড়তে থাকে।

একইভাবে স্বাস্থ্য খাতেও সরকারের দুর্বলতা প্রকটভাবে সামনে আসে। ইউনিসেফের তথ্যমতে, বারবার তাগাদা দেওয়া সত্ত্বেও টিকাদান কার্যক্রমে শৈথিল্য ও স্বাস্থ্য ব্যবস্থাপনায় সমন্বয়হীনতার কারণে হাজার হাজার শিশু হাম রোগে আক্রান্ত হয় এবং হাম ও হামের লক্ষণ নিয়ে শত শত শিশুর মৃত্যু ঘটে। শুধু হামের টিকা নয়, সরকারের রোষানলে পড়ে সার্বিকভাবে প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা-সংক্রান্ত বিভিন্ন পর্যায়ের কাঠামো ভেঙে পড়ে। প্রথম আলোর এক প্রতিবেদন অনুযায়ী এ সময় ভিটামিন-এ ক্যাম্পেইনও বন্ধ হয়ে যায়। শুধু প্রশাসনিক পশ্চাৎপদতা নয়; মানবিকতাও ধাক্কা খায় মাইলস্টোন কলেজে বিমান দুর্ঘটনার আহতদের চিকিৎসাসেবা প্রদানে চিকিৎসকের রাজনৈতিক পরিচয়কে প্রাধান্য দেওয়ার দৃষ্টান্ত থেকে, এমনটাই জানিয়েছেন সরকারদলীয় একজন সংসদ সদস্য।

অর্থনৈতিক ক্ষেত্রেও পরিস্থিতি আশানুরূপ ছিল না। রাজনৈতিক অনিশ্চয়তা ও প্রশাসনিক দুর্বলতার কারণে ব্যবসা ও বিনিয়োগ পরিবেশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়। ব্যবসায়ী সংগঠনগুলোর বরাতে বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, চাঁদাবাজি ২০ থেকে ৫০ শতাংশ পর্যন্ত বৃদ্ধি পায়। শিল্পকারখানা ও ক্ষুদ্র ব্যবসার ওপর এর নেতিবাচক প্রভাব পড়ে। মূল্যস্ফীতি, বেকারত্ব বৃদ্ধি এবং বাজার ব্যবস্থাপনায় দুর্বলতা সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রাকে আরও কঠিন করে তোলে। এখানেই শেষ নয়, জাতীয় স্বার্থ নিয়ে যথেষ্ট বিতর্ক থাকা সত্ত্বেও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সম্পাদিত বাণিজ্য চুক্তিকে অনেকে কফিনের শেষ পেরেক হিসেবে দেখছেন।

এই আর্থসামাজিক বাস্তবতার পরিপ্রেক্ষিতেই নতুন সরকার গঠিত হয়েছে। স্বাভাবিকভাবেই এই সরকারের কাছে সাধারণ মানুষের প্রত্যাশা হচ্ছে— দেশকে স্থিতিশীলতার পথে ফিরিয়ে আনা ও অন্তর্বর্তী সরকারের ভুলগুলো শুধরে নেওয়া। অন্তর্বর্তী সরকার আর্থসামাজিক ও রাজনৈতিক ক্ষেত্রে দেশ ও জাতিকে যেভাবে খাদে ফেলেছে, সেই খাদ থেকে জাতিকে টেনে তুলতে হবে। ভুলের সংশোধন আগে। কারণ, পঙ্কিলতায় আটকে রেখে সেখান থেকে জাতির মুক্তির পথ খুঁজে নেওয়া অসম্ভব।

সেই পরিপ্রেক্ষিতে বর্তমান সরকারের সফলতার প্রধান মানদণ্ড হবে— অন্তর্বর্তী সরকারের সময়কার অপচর্চা, অপসংস্কৃতি, অপরাজনীতি, অপশাসন ও সামাজিক-অর্থনৈতিক অস্থিরতা থেকে দেশকে বের করে একটি ভারসাম্যপূর্ণ অবস্থায় নিয়ে আসা। পূর্ববর্তী রাজনৈতিক ধারা ও সংস্কৃতি থেকে নিজেদের বিচ্ছিন্ন করা। এই বিচ্ছিন্নতা কেবল বক্তব্যে নয়, বাস্তব পদক্ষেপেও দৃশ্যমান হতে হবে।

তাই এই সরকারের সামনে এখন ন্যূনতম দ্বিমুখী চ্যালেঞ্জ। প্রথমত, সমাজে আইনের শাসন, মানবিক মর্যাদা, সংস্কৃতিক বৈচিত্র্যের পুনঃপ্রতিষ্ঠা করা। দ্বিতীয়ত, অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে এনে উন্নয়নের নতুন ভিত্তি তৈরি করা। প্রথম ধাপের সংস্কার ছাড়া দ্বিতীয় ধাপে উত্তরণ সম্ভব নয়।

এ কারণে সরকারকে রাজনৈতিক প্রতিহিংসার ঊর্ধ্বে উঠে একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক রাষ্ট্রব্যবস্থা গড়ে তুলতে হবে। বিরোধী মতকে দমন নয়, বরং গণতান্ত্রিক সহাবস্থানের অংশ হিসেবে গ্রহণ করতে হবে। একই সঙ্গে সরকার বা সরকারি দলের ছত্রছায়ায় যারা সন্ত্রাস, মববাজি, চাঁদাবাজি বা দুর্নীতির সঙ্গে জড়িত, তাদের বিরুদ্ধে দৃশ্যমান ব্যবস্থা নিতে হবে। জনগণ এখন শুধু বক্তব্য নয়, কার্যকর পদক্ষেপ দেখতে চায়।

এরই মধ্যে নতুন সরকারের তিন মাস অতিক্রান্ত হয়েছে। তাই জনগণের পক্ষ থেকে একধরনের প্রত্যাশা তৈরি হয়েছে এবং জনগণও সরকারের পারফরম্যান্স পর্যালোচনা করছে। একটি ইংরেজি প্রবাদ আছে— ‘Morning shows the day.’ সব অবস্থায় এই প্রবাদ পুরোপুরি সত্য নয়, তবে বাংলাদেশের বাস্তবতায় কখনোই যেন সকাল হয় না; এখানে রাত যেন অনন্ত। পুরনো রাজনৈতিক টেমপ্লেট, ক্ষমতার অপব্যবহার, দলীয়করণ ও প্রতিহিংসার রাজনীতির মধ্যে ভবিষ্যৎ নিয়ে আশাবাদী হওয়া কঠিন হয়ে পড়ে।

এখন দেখার বিষয়, ভবিষ্যতে বর্তমান সরকার সত্যিই কি পুরনো রাজনৈতিক সংস্কৃতি থেকে বেরিয়ে এসে একটি মানবিক, গণতান্ত্রিক ও জবাবদিহিমূলক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করতে পারবে? শুধু নতুন নতুন সরকারের নয়; বরং প্রয়োজন নতুন রাজনৈতিক সংস্কৃতি, যেখানে রাষ্ট্রের কেন্দ্রবিন্দু হবে মানুষ, ক্ষমতা নয়।

লেখক: কলামিস্ট ও উন্নয়নকর্মী

 

অন্তর্বর্তী সরকারনির্বাচনকলাম
    শেয়ার করুন:
    Advertisement
    ব্রাজিলের পতাকা টানাতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে যুবক নিহত

    ব্রাজিলের পতাকা টানাতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে যুবক নিহত

    ১০ জুন ২০২৬, ০০:০০

    এএপিআই উৎসবে বাংলাদেশের ঐতিহ্য তুলে ধরল মেরিল্যান্ড বাংলা স্কুল

    এএপিআই উৎসবে বাংলাদেশের ঐতিহ্য তুলে ধরল মেরিল্যান্ড বাংলা স্কুল

    ১০ জুন ২০২৬, ০০:০০

    হরমুজে হেলিকপ্টার ভূপাতিত করার অভিযোগ, ইরানকে হুঁশিয়ারি ট্রাম্পের

    হরমুজে হেলিকপ্টার ভূপাতিত করার অভিযোগ, ইরানকে হুঁশিয়ারি ট্রাম্পের

    ১০ জুন ২০২৬, ০১:১৪

    বিডিবিএলে সর্বজনীন পেনশন স্কিমের চাঁদা সংগ্রহ শুরু

    বিডিবিএলে সর্বজনীন পেনশন স্কিমের চাঁদা সংগ্রহ শুরু

    ১০ জুন ২০২৬, ০২:১৭

    ঢাকায় শিশু হাসপাতাল সম্প্রসারণ হচ্ছে ৮ প্রকল্প অনুমোদন

    ঢাকায় শিশু হাসপাতাল সম্প্রসারণ হচ্ছে ৮ প্রকল্প অনুমোদন

    ১০ জুন ২০২৬, ০২:২০

    ঢাকাসহ ১৮ জেলায় সকাল পর্যন্ত ঝড়-বৃষ্টির সতর্কতা

    ঢাকাসহ ১৮ জেলায় সকাল পর্যন্ত ঝড়-বৃষ্টির সতর্কতা

    ১০ জুন ২০২৬, ০১:৩৪

    জ্বালানি নিরাপত্তায় বড় সংস্কার

    জ্বালানি নিরাপত্তায় বড় সংস্কার

    ১০ জুন ২০২৬, ০২:১৬

    যেসব কারণে বাতিল হবে লাইসেন্স

    যেসব কারণে বাতিল হবে লাইসেন্স

    ১০ জুন ২০২৬, ০২:১৬

    পাঁচ জেলায় চালু হচ্ছে ই-হেলথ কার্ড

    পাঁচ জেলায় চালু হচ্ছে ই-হেলথ কার্ড

    ১০ জুন ২০২৬, ০২:১৪

    ইবোলা-হামের আতঙ্ক ফুটবলেও

    ইবোলা-হামের আতঙ্ক ফুটবলেও

    ১০ জুন ২০২৬, ০২:১৩

    নারায়ণগঞ্জে বর্জ্যবাহী ট্রাকের চাপায় ছাত্রদল-যুবদল নেতাসহ নিহত ২

    নারায়ণগঞ্জে বর্জ্যবাহী ট্রাকের চাপায় ছাত্রদল-যুবদল নেতাসহ নিহত ২

    ১০ জুন ২০২৬, ০০:৪৪

    বিশ্বকাপে মেক্সিকান পুলিশের ‘রোবট ডগ’

    বিশ্বকাপে মেক্সিকান পুলিশের ‘রোবট ডগ’

    ১০ জুন ২০২৬, ০২:১৩

    ভিডিও গেমে ফুটবলের তিন দশক

    ভিডিও গেমে ফুটবলের তিন দশক

    ১০ জুন ২০২৬, ০২:১২

    ইরানকে দেওয়া হচ্ছে শক্তিশালী ও কঠোর জবাব : ট্রাম্প

    ইরানকে দেওয়া হচ্ছে শক্তিশালী ও কঠোর জবাব : ট্রাম্প

    ১০ জুন ২০২৬, ০৫:৪৭

    রক্তদানের আগে মানতে হবে নিয়ম

    রক্তদানের আগে মানতে হবে নিয়ম

    ১০ জুন ২০২৬, ০২:০৮

    advertiseadvertise