Agamir Somoy E-Paper
শুক্রবার, ১০ জুলাই, ২০২৬
আগামীর সময়
অরক্ষিত রেলক্রসিংয়ে প্রহরী জরিনা
শুক্রবার, ১০ জুলাই, ২০২৬
আগামীর সময়
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • বিচিত্রা
  • চাকরি
  • ছবি
  • সাহিত্য
  • বিবিধ
  • ধর্ম
  • প্রবাস
  • ফ্যাক্টচেক
  • সোশ্যাল মিডিয়া
  • ধন্যবাদ
  • বিশেষ সংখ্যা
  • সর্বজনের গল্প
  • বিশেষ লেখা
EN
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • ইপেপার
  • EN
লোড হচ্ছে…

প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : আবদুস সাত্তার মিয়াজী

সম্পাদক : মোস্তফা মামুন

আগামীর সময়
আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগশর্তাবলিগোপনীয়তাআমরা

ইডিবি ট্রেড সেন্টার (লেভেল-৬ ও ৭), ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ানবাজার, ঢাকা-১২১৫

যোগাযোগ: ০৯৬৬৬ ৭৭১০১০

বিজ্ঞাপন: ০১৭৫৫ ৬৫১১৬৪

info@agamirsomoy.com

স্বত্ব © ২০২৬ | দৈনিক আগামীর সময়

আগামীর সময় কলাম

ফেনী থেকে বান্দরবান

দুর্যোগ, মব এবং ভেঙে পড়া নাগরিক সংহতি

শরৎ চৌধুরী
agamir somoy
প্রকাশ: ১০ জুলাই ২০২৬, ১২:৫৮
দুর্যোগ, মব এবং ভেঙে পড়া নাগরিক সংহতি

বাংলাদেশে বন্যা কোনো আকস্মিক অতিথি নয়। নদী এখানে জমি ভাঙে, আবার পলি ফেলে জমি তৈরি করে। রূপক অর্থে পুরো দেশটিই যেন একটি বৃহৎ চর—স্থায়ী বলে মনে হলেও পানি, পলি, বাঁধ এবং মানুষের পারস্পরিক নির্ভরতার ওপর দাঁড়িয়ে থাকা চলমান ভূখণ্ড। তাই আমাদের বহুল প্রশংসিত “রেজিলিয়েন্স” শুধু সহ্য করার ক্ষমতা নয়; এটি প্রতিবেশীর শিশুকে নৌকায় তোলা, শুকনো খাবার ভাগ করা, স্কুল-মসজিদ-মন্দিরকে আশ্রয়কেন্দ্রে বদলে দেওয়া এবং অপরিচিত মানুষের বিপদকে নিজের বিপদ হিসেবে চিনতে পারার বহু প্রজন্মের সামাজিক প্রযুক্তি।

কিন্তু একটি ডেল্টার সবচেয়ে বড় বিপদ শুধু নদীভাঙন নয়; তার সামাজিক বাঁধ ভেঙে যাওয়া।
বাংলাদেশের জন্মের ইতিহাসে এই সত্য গভীরভাবে লেখা আছে। ১৯৭০ সালের ভোলা ঘূর্ণিঝড় স্বাধীনতার একমাত্র কারণ ছিল না। ভাষা, অর্থনৈতিক বৈষম্য, রাজনৈতিক বঞ্চনা ও স্বায়ত্তশাসনের সংগ্রাম তার বহু আগে থেকেই চলছিল। কিন্তু বিপুল প্রাণহানির পর পাকিস্তানি রাষ্ট্রের বিলম্বিত ও অপ্রতুল প্রতিক্রিয়া পূর্ব পাকিস্তানের মানুষের কাছে পুরোনো বৈষম্যকে নির্মমভাবে দৃশ্যমান করেছিল। ঘূর্ণিঝড় জাতীয়তাবাদ সৃষ্টি করেনি; রাষ্ট্রীয় পরিত্যাগের অভিজ্ঞতাকে মৃত্যু ও ধ্বংসের মধ্যে স্পষ্ট করেছিল। দুর্যোগ তখন রাষ্ট্রের বৈধতার পরীক্ষায় পরিণত হয়েছিল।

এ কারণেই দুর্যোগ কখনো শুধু প্রকৃতির ঘটনা নয়। বৃষ্টি প্রাকৃতিক; কিন্তু কার বসতি ঝুঁকিপূর্ণ পাহাড়ে থাকবে, কোন বাঁধ মেরামত হবে, কার কাছে আগাম খবর পৌঁছাবে, কোন খাল দখলমুক্ত হবে, কে পুনর্বাসনের জমি পাবে—এসব রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক সিদ্ধান্ত। দুর্নীতি শুধু ত্রাণের চাল বা অর্থের গতিপথ বদলায় না; বদ্বীপে দুর্নীতি পানির গতিপথও বদলায়।

২০২৪ সালের আগস্টে ফেনীসহ পূর্বাঞ্চলের ভয়াবহ বন্যা জুলাই-পরবর্তী বাংলাদেশের নাগরিক শক্তির এক বিরল প্রকাশ ঘটিয়েছিল। প্রায় ৫৮ লাখ মানুষ আক্রান্ত হয়েছিল। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসি অস্থায়ী জাতীয় ত্রাণকেন্দ্রে পরিণত হয়। শিশু মাটির ব্যাংক ভেঙেছে, শ্রমজীবী মানুষ দিনের আয় দিয়েছেন, শিক্ষার্থীরা রাত জেগে খাবার প্যাকেট করেছেন, স্বেচ্ছাসেবীরা নৌকা ও ট্রাক নিয়ে দুর্গত এলাকায় ছুটে গেছেন।

এটি শুধু ত্রাণ ছিল না। রাজপথে যে মানুষ নিজেকে রাষ্ট্রের মালিক হিসেবে আবিষ্কার করেছিল, বন্যার মধ্যে সে নিজেকে অন্য নাগরিকের রক্ষক হিসেবেও দেখেছিল। টাকা তখন ব্যক্তিগত ভোগের মাধ্যমমাত্র ছিল না; হয়ে উঠেছিল যৌথ নৈতিকতার ভাষা। বিচ্ছিন্ন পকেটগুলো কয়েক দিনের জন্য যেন একটি জাতীয় পকেটে পরিণত হয়েছিল। একে বলা যায় আর্থিক নাগরিকত্ব—নিজের সীমিত আয় থেকে অংশ দিয়ে বলা: দেশটি শুধু সরকারের নয়, আমারও; তাই বিপদে থাকা মানুষটিও আমার।
তবে সেই সংহতির আরেকটি স্তর ছিল। সামাজিক মাধ্যমে দ্রুত ছড়িয়ে পড়েছিল—ভারত বাঁধ খুলে বাংলাদেশকে ডুবিয়ে দিয়েছে। অভিযোগটি নিশ্চিতভাবে প্রমাণিত হয়নি; প্রবল বৃষ্টি, নদীর পানি বৃদ্ধি ও উজানের প্রবাহের সম্মিলিত ভূমিকাই বেশি প্রতিষ্ঠিত। কিন্তু এই বয়ান একটি জটিল জল ও প্রশাসনিক সংকটকে সহজ নৈতিক গল্পে পরিণত করেছিল: “তারা” আমাদের ক্ষতি করছে, তাই “আমাদের” এক হতে হবে।

এটি শত্রু-নির্ভর সংহতি। এর ভিত্তি পুরোপুরি কল্পিত নয়। বাংলাদেশ ভাটির দেশ; আন্তঃসীমান্ত নদী, আগাম তথ্য, পানিবণ্টন এবং উজান-ভাটির ক্ষমতার অসমতা বাস্তব। কিন্তু বহিঃশত্রুকে সব ব্যর্থতার একমাত্র ব্যাখ্যা বানালে নিজেদের খাল দখল, দুর্বল বাঁধ, অপরিকল্পিত উন্নয়ন, দুর্নীতি ও প্রস্তুতির ঘাটতি আড়ালে যায়। আরও গভীর প্রশ্ন হলো: কোনো দৃশ্যমান শত্রু না থাকলে আমরা কি একই তীব্রতায় এক হতে পারি?

চট্টগ্রাম ও বান্দরবানের সাম্প্রতিক বন্যা ও ভূমিধস এই প্রশ্নের কঠিন পরীক্ষা। এটি শুধু বান্দরবানের জাতিগত জনগোষ্ঠীর দুর্ভোগ নয়; চট্টগ্রাম মহানগরের জলাবদ্ধতা, দক্ষিণ চট্টগ্রামের গ্রামীণ বন্যা, পাহাড়ঘেঁষা দরিদ্র বসতির ভূমিধস-ঝুঁকি, বান্দরবানের বিচ্ছিন্ন পাড়া এবং কক্সবাজারের বিপন্ন জনগোষ্ঠী—সব মিলিয়ে একটি দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলীয় দুর্যোগ।

তবু একই দুর্যোগে দৃশ্যমানতা সমান নয়। চট্টগ্রাম অর্থনৈতিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ বলে দ্রুত সংবাদ হয়, আবার তার পুনরাবৃত্ত জলাবদ্ধতা এত পরিচিত যে তা অনেক সময় “স্বাভাবিক দুর্ভোগ” হিসেবে অবমূল্যায়িত হয়। বান্দরবান জাতীয় কল্পনায় দূরবর্তী প্রান্ত বলে তার বহু জনপদ মনোযোগে পৌঁছানোর আগেই অদৃশ্য হয়ে যায়। একটি অঞ্চল অতিরিক্ত পরিচিত বলে অবমূল্যায়িত; অন্যটি অপরিচিত বলে অদৃশ্য। আমাদের রাষ্ট্রীয় মানচিত্র আছে, কিন্তু সমান নৈতিক মানচিত্র নেই।

এই বৈষম্য এখন প্রযুক্তির মাধ্যমেও তৈরি হয়। আমাদের বদ্বীপ শুধু নদী ও পলির নয়; তথ্য, মোবাইল ব্যাংকিং এবং অ্যালগরিদমেরও বদ্বীপ। ফেনীর সময় সামাজিক মাধ্যম আটকে পড়া মানুষের অবস্থান জানানো, নৌকা সংগ্রহ, অর্থ তোলা ও স্বেচ্ছাসেবক সমন্বয়ের অসাধারণ অবকাঠামো হয়েছিল। একই প্রযুক্তি যাচাইহীন তথ্য, রাজনৈতিক সন্দেহ ও বহিঃশত্রুর সহজ বয়ানও ছড়িয়েছে। প্রযুক্তি নিজে সংহতি তৈরি করে না; আমাদের আবেগের সবচেয়ে তীব্র অংশটিকেই বহুগুণ বাড়ায়। যে দুর্ভোগ অ্যালগরিদমে দৃশ্যমান নয়, তা জাতীয় বিবেকেও সহজে প্রবেশ করে না।

এর সঙ্গে ভেঙে পড়েছে আমাদের যৌথ আর্থিক পরিচয়। শুধু টাকার অভাব নয়, আস্থার অভাবও মানুষকে হাত গুটাতে শেখায়। অর্থ কার হাতে যাবে, হিসাব প্রকাশিত হবে কি না, দলীয় প্রচারে ব্যবহৃত হবে কি না—এই সন্দেহ জাতীয় পকেটকে আবার অসংখ্য ব্যক্তিগত পকেটে ভেঙে দেয়। ফলে সহায়তা নাগরিক দায়িত্বের বদলে পছন্দের পরিচয়ের প্রতি নির্বাচিত দানে পরিণত হয়।

আমরা তাই গড়ে তুলেছি ঘটনাভিত্তিক নাগরিকত্ব: বড় আবেগে জেগে উঠি, অর্থ দিই, পোস্ট করি, কয়েক দিন কাজ করি; তারপর নেটওয়ার্ক, দক্ষতা ও বিশ্বাস ছড়িয়ে যায়। ফেনীতে তৈরি জনআস্থা, স্বেচ্ছাসেবক, পরিবহন ও স্থানীয় যোগাযোগকে স্থায়ী দুর্যোগ অবকাঠামোয় রূপ দেওয়া হয়নি। স্মৃতি প্রতিষ্ঠান না হলে একসময় নস্টালজিয়া হয়ে যায়।

এই ভাঙন শুধু বন্যার সময় আমাদের নিষ্ক্রিয়তায় ধরা পড়ে না। মাজারে হামলা, ভাঙচুর এবং মবের হাতে বিশ্বাস ও সংস্কৃতির স্থান ধ্বংস হওয়ার মধ্যেও একই সামাজিক ব্যাকরণ কাজ করে। মাজারের ধর্মতাত্ত্বিক গ্রহণযোগ্যতা নিয়ে মতভেদ থাকতেই পারে। কিন্তু কোনো মব যখন নিজেকে সত্যের একমাত্র মালিক ঘোষণা করে অন্যের বিশ্বাসের স্থান ভেঙে দেয়, তখন সে শুধু একটি স্থাপনা ধ্বংস করে না; আইন, নাগরিক অধিকার এবং পাশাপাশি বসবাসের নীতিকেও অস্বীকার করে।

বাংলাদেশের লোকায়ত জীবন বহুদিন ধরে মত, বিশ্বাস, আচার ও পরিচয়ের ভিন্নতা নিয়ে পাশাপাশি থাকার অনুশীলন তৈরি করেছে। মাজার, মেলা, গান, মানত, দান এবং স্থানীয় আচার সেই সহাবস্থানের অংশ। মব এই লোকায়ত সহাবস্থানের বিপরীত দর্শন। তার ভাষা হলো: আমার মতো না হলে তুমি “তারা”। একই বর্জনের ব্যাকরণে কখনো পাহাড়ের মানুষ দূরের হয়ে যায়, কখনো মাজারের অনুসারী “অশুদ্ধ”, কখনো ভিন্নমতের নাগরিক “শত্রু”।

সব দায় সরকারের—এই ধারণাও অসম্পূর্ণ। আগাম সতর্কতা, উদ্ধার, আশ্রয়, বাঁধ, নিরাপদ ভূমি ও পুনর্বাসন রাষ্ট্রের দায়িত্ব; নাগরিক উদ্যোগ দিয়ে রাষ্ট্রীয় ব্যর্থতা ঢাকা যায় না। আবার সরকারই সব করবে বলে নাগরিক নিজেকে দর্শকে পরিণত করলেও গণতন্ত্র ফাঁপা হয়। রাষ্ট্রকে জবাবদিহিতার মধ্যে আনা এবং নিজের অর্থ, সময়, দক্ষতা ও মনোযোগ দিয়ে যৌথ দায়িত্ব নেওয়া—দুটিই নাগরিকতার অংশ।

বাংলাদেশের প্রয়োজন তাই বদ্বীপীয় নাগরিকত্ব: এমন এক নাগরিক কল্পনা, যার ভিত্তি অভিন্ন শত্রু নয়, অভিন্ন নির্ভরতা; যার অর্থনীতি শুধু ব্যক্তিগত আয় নয়, সামাজিক আস্থা; যার প্রযুক্তি শুধু ভাইরাল ক্ষোভ নয়, যাচাইকৃত তথ্য ও দ্রুত সহযোগিতা; যার “আমরা” কোনো দল, ধর্ম, জাতিগোষ্ঠী বা অঞ্চলের সীমানায় শেষ হয় না।

১৯৭০ দেখিয়েছিল দুর্যোগে রাষ্ট্রের নৈতিক চরিত্র প্রকাশিত হয়। ফেনী দেখিয়েছিল আমরা শ্রম, অর্থ ও প্রযুক্তি একত্র করে অসাধারণ একটি “আমরা” তৈরি করতে পারি। চট্টগ্রাম–বান্দরবান এবং মাজারে হামলা এখন জিজ্ঞেস করছে—কোনো বহিঃশত্রু, স্লোগান বা শুদ্ধতার দাবি ছাড়াই আমরা কি ভিন্ন মানুষকে সঙ্গে নিয়ে সেই “আমরা” হয়ে থাকতে পারি?

একটি ডেল্টা শুধু কংক্রিটের বাঁধে টিকে থাকে না। এটি টিকে থাকে আস্থার বাঁধে, আইনের বাঁধে, স্মৃতির বাঁধে এবং পার্থক্যসহ পাশাপাশি থাকার লোকায়ত অভ্যাসে।

আজ মব যে মাজারটি ভাঙে, কাল সে ভাঙতে আসে আমাদের যৌথ “আমরা”-কে।

আর সেই “আমরা” ভেঙে গেলে পাহাড়ে, শহরে, চরে, উপকূলে কিংবা শিবিরে বিপদে থাকা মানুষটিকে আর নিজের মানুষ বলে চিনতে পারি না।

সে তখন “তারা” হয়ে যায়।

একটি বদ্বীপের টিকে থাকার জন্য তাকে আবার “আমরা” করে তোলাই এখন আমাদের সবচেয়ে জরুরি নাগরিক কাজ।

লেখক: কবি ও নৃবিজ্ঞানী

দুর্যোগ
    শেয়ার করুন:
    advertisement
    advertisement
    ১০ জুলাই ২০২৬
    রাত ২:০০ টা
    ফ্রান্স
    ২
    মরক্কো
    ০
    ১১ জুলাই ২০২৬
    রাত ১:০০ টা
    স্পেন
    ০
    বেলজিয়াম
    ০
    ১২ জুলাই ২০২৬
    রাত ৩:০০ টা
    নরওয়ে
    ০
    ইংল্যান্ড
    ০
    advertisement
    advertisement
    পরীক্ষা ছাড়াই ট্যালেন্টপুলে বৃত্তি, এবার প্রকাশের আগেই ফল ফাঁস

    পরীক্ষা ছাড়াই ট্যালেন্টপুলে বৃত্তি, এবার প্রকাশের আগেই ফল ফাঁস

    ১০ জুলাই ২০২৬, ০০:১৩

    এমবাপ্পে-দেম্বেলে জাদুতে সেমিফাইনালে ফ্রান্স

    এমবাপ্পে-দেম্বেলে জাদুতে সেমিফাইনালে ফ্রান্স

    ১০ জুলাই ২০২৬, ০১:০৬

    নারীর পরিচয় তার ব্যক্তিত্বে: জয়া আহসান

    নারীর পরিচয় তার ব্যক্তিত্বে: জয়া আহসান

    ১০ জুলাই ২০২৬, ০১:১৭

    পার্বতীপুরে ৩ হোটেল ও এক বেকারিকে ৫ লাখ টাকা জরিমানা

    পার্বতীপুরে ৩ হোটেল ও এক বেকারিকে ৫ লাখ টাকা জরিমানা

    ১০ জুলাই ২০২৬, ০১:৪০

    ইরান হামলার জন্য প্রস্তুত শত শত ইসরায়েলি যুদ্ধবিমান

    ইরান হামলার জন্য প্রস্তুত শত শত ইসরায়েলি যুদ্ধবিমান

    ১০ জুলাই ২০২৬, ০১:১৩

    অরক্ষিত রেলক্রসিংয়ে প্রহরী জরিনা

    অরক্ষিত রেলক্রসিংয়ে প্রহরী জরিনা

    ১০ জুলাই ২০২৬, ০৩:১৯

    আড়াই বছরে ১০৮৩০ ধর্ষণ!

    আড়াই বছরে ১০৮৩০ ধর্ষণ!

    ১০ জুলাই ২০২৬, ০৭:০৪

    দুষ্প্রাপ্য বইয়ের রত্নভাণ্ডার তকমা হারাচ্ছে নীলক্ষেত

    দুষ্প্রাপ্য বইয়ের রত্নভাণ্ডার তকমা হারাচ্ছে নীলক্ষেত

    ১০ জুলাই ২০২৬, ০১:৫৩

    প্রশাসনে বড় পদোন্নতিতেও বঞ্চনার অভিযোগ!

    প্রশাসনে বড় পদোন্নতিতেও বঞ্চনার অভিযোগ!

    ১০ জুলাই ২০২৬, ১০:২০

    বিষাদ ভূমিতে বর্বর হামলা

    বিষাদ ভূমিতে বর্বর হামলা

    ১০ জুলাই ২০২৬, ০২:৩৯

    মাশহাদে খামেনিকে কোটি মানুষের অশ্রুসিক্ত বিদায়

    মাশহাদে খামেনিকে কোটি মানুষের অশ্রুসিক্ত বিদায়

    ১০ জুলাই ২০২৬, ০২:২৩

    জেনে নিন চাল, ডাল ও তেল-মুরগির বর্তমান দাম

    জেনে নিন চাল, ডাল ও তেল-মুরগির বর্তমান দাম

    ১০ জুলাই ২০২৬, ০৭:৩৮

    এডিনবরাতে আইসিসির সভায় যোগ দিলেন তামিম

    এডিনবরাতে আইসিসির সভায় যোগ দিলেন তামিম

    ১০ জুলাই ২০২৬, ০১:১০

    আজকের নামাজের সময়সূচি (১০ জুলাই)

    আজকের নামাজের সময়সূচি (১০ জুলাই)

    ১০ জুলাই ২০২৬, ০৮:০০

    সংস্কৃতিচর্চার প্রয়োজন ও সংকট

    সংস্কৃতিচর্চার প্রয়োজন ও সংকট

    ১০ জুলাই ২০২৬, ০০:৫১

    advertiseadvertise