Agamir Somoy E-Paper
রবিবার, ১১ অক্টোবর, ২০২৬
আগামীর সময়
অবহেলিত প্রবীণদের ঠিকানা সাজুর বৃদ্ধাশ্রম
রবিবার, ১১ অক্টোবর, ২০২৬
আগামীর সময়
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • বিচিত্রা
  • চাকরি
  • ছবি
  • সাহিত্য
  • বিবিধ
  • ধর্ম
  • প্রবাস
  • ফ্যাক্টচেক
  • সোশ্যাল মিডিয়া
  • ধন্যবাদ
  • বিশেষ সংখ্যা
  • সর্বজনের গল্প
  • বিশেষ লেখা
EN
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • ইপেপার
  • EN
লোড হচ্ছে…

প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : আবদুস সাত্তার মিয়াজী

সম্পাদক : মোস্তফা মামুন

আগামীর সময়
আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগশর্তাবলিগোপনীয়তাআমরা

ইডিবি ট্রেড সেন্টার (লেভেল-৬ ও ৭), ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ানবাজার, ঢাকা-১২১৫

যোগাযোগ: ০৯৬৬৬ ৭৭১০১০

বিজ্ঞাপন: ০১৭৫৫ ৬৫১১৬৪

[email protected]

স্বত্ব © ২০২৬ | দৈনিক আগামীর সময়

আগামীর সময় কলাম

শ্রম আইনই এখন আমাদের বাণিজ্য-পাসপোর্ট

মো. হাবিবুর রহমান সাগর
agamir somoy
প্রকাশ: ১১ অক্টোবর ২০২৬, ০৪:৫৮
শ্রম আইনই এখন আমাদের বাণিজ্য-পাসপোর্ট

বাংলাদেশ স্বল্পোন্নত দেশের তালিকা ছাড়ছে। শ্রম আইন এখন আর শুধু শ্রম মন্ত্রণালয়ের বিষয় নয়, এটি দেশের বাণিজ্যনীতির প্রশ্ন। জাতিসংঘের সূচি অনুযায়ী, ২০২৬ সালের ২৪ নভেম্বর বাংলাদেশ এলডিসি তালিকা থেকে বেরিয়ে যাবে। সেদিন কূটনীতির ভাষায় অনেক বক্তৃতায় ‘উত্তরণের’ গল্প বলা হবে। কিন্তু ইউরোপের কোনো ফ্যাশন ক্রেতার ডেস্কে যে প্রশ্নটি নীরবে ঘুরবে তা হলো— ঢাকার কারখানায় সেলাই মেশিনের পাশে যে নারী বসে আছেন, তার অধিকার কাগজে যতটা আছে, বাস্তবে কি ততটাই আছে?

বাংলাদেশের শ্রম আইন সংস্কারকে আমরা এতদিন দেখেছি ‘চাপের ফল’ হিসেবে, ক্রেতা বা আইএলওর দাবি মেটানোর দায় হিসেবে। এখন সময় এসেছে এটিকে নিজেদের সবচেয়ে বড় অর্থনৈতিক সম্পদ হিসেবে দেখার, যার নাম আস্থা। আর আস্থার একটি দামও আছে, যা শুল্কের মতোই হিসাব করা যায়।

বাংলাদেশের অর্থনীতি এক পায়ে দাঁড়িয়ে আছে। বিজিএমইএর হিসাবে, ২০২৫-২৬ অর্থবছরে তৈরি পোশাক রপ্তানি হয়েছে ৩৮ দশমিক ৭০ বিলিয়ন ডলারের, যা মোট রপ্তানির ৮০ দশমিক ৬২ শতাংশ। আগের অর্থবছরে (২০২৪-২৫) পোশাক রপ্তানি ছিল ৩৯ হাজার ৩৪৬ দশমিক ৯৭ মিলিয়ন ডলার আর ২০২৫-২৬-এ তা নেমেছে ৩৮ হাজার  ৭০১ দশমিক ১৫ মিলিয়নে। অর্থাৎ প্রায় ১ দশমিক ৬ শতাংশ কমেছে। যে খাত বছরের পর বছর দুই অঙ্কের প্রবৃদ্ধিতে অভ্যস্ত ছিল, সে এখন স্থবির হওয়ার লক্ষণ দেখাচ্ছে, ঠিক এমন সময়ে, যখন শুল্কসুবিধা হারানোর ধাক্কা আসছে।

বাজারের চিত্রও একমুখী। বিজিএমইএ বলছে, বাংলাদেশের মোট রপ্তানির ৫৮ এবং পোশাক চালানের ৬৪ শতাংশের বেশি যায় ইউরোপীয় ইউনিয়নে। ২০২৪-২৫ অর্থবছরে ইইউতে রপ্তানি ছিল ১৯ দশমিক ৭১ বিলিয়ন, যুক্তরাষ্ট্রে ৭ দশমিক ৫৪ বিলিয়ন ডলার। ইউরোপের ক্রেতারা শুধু দাম দেখেন না। তাদের আইন, সাংবাদিক আর ভোক্তারা জানতে চান, এ পোশাক কীভাবে বানানো হলো।

স্বল্পোন্নত দেশের সুবিধায় (ইবিএ) আমরা এতদিন ইউরোপে শুল্কমুক্ত প্রবেশাধিকার পেয়েছি। উত্তরণের পর ইইউ তিন বছরের বাড়তি সময় দিচ্ছে, যার অর্থ ২০২৯ সালের নভেম্বর পর্যন্ত এলডিসি-সুবিধা বহাল থাকবে। তারপর দুটি পথ আছে। একটি হলো জিএসপি প্লাস। অন্যটি হলো সাধারণ শুল্ক, যার হিসাব নিয়ে গবেষকরা সতর্ক করেছেন, ইইউতে পোশাকের গড় শুল্ক বর্তমানের শূন্য থেকে প্রায় ১২ শতাংশে উঠতে পারে।

গত অর্থবছরের ইইউ-রপ্তানির অঙ্ক (প্রায় ১৯ দশমিক ৭ বিলিয়ন ডলার) ধরে ১২ শতাংশ শুল্ক বসালে বছরে প্রায় ২ দশমিক ৪ বিলিয়ন ডলারের বাড়তি বোঝা সৃষ্টি হয়। এটি আমার নিজের আনুমানিক হিসাব, সরকারি প্রাক্কলন নয়। তবু এর সঙ্গে তুলনা করলে বোঝা যায়, শ্রম আইনের সংস্কার একটা ‘খরচ’ নয়, একটা ‘বীমা’।

জিএসপি প্লাসের পথও সহজ নয়। এ সুবিধা পেতে ২৭টি আন্তর্জাতিক কনভেনশন, যার মধ্যে শ্রম অধিকার, মানবাধিকার ও পরিবেশ রয়েছে, বাস্তবে প্রয়োগ করতে হয়। তার ওপর একটি কাঠামোগত বাধা আছে। ডেইলি স্টারের বিশ্লেষণ অনুযায়ী, ইইউর একটি পণ্যশ্রেণির ২২ শতাংশ এবং মোট আমদানির প্রায় ৫৮ শতাংশ বাংলাদেশি পোশাক, ফলে সাধারণ মানদণ্ডে আমরা যোগ্যতার সীমা ছাড়িয়ে গেছি। সহজ কথায়, আমরা এত সফল যে, নিয়মিত পথে জিএসপি প্লাসে ঢোকাই কঠিন। তাই ইইউর কাছে বিশেষ বিবেচনা চাইতে হবে। এ ধরনের বিশেষ বিবেচনা পাওয়া যায় একটি মুদ্রায়, যার নাম বিশ্বাসযোগ্যতা।

আমরা আইন বদলাই তখনই, যখন আগুন লাগে। বড় সংশোধনগুলো এসেছে কোনো না কোনো সংকটের পর— ২০১৩ সালে রানা প্লাজার ধ্বংসস্তূপের পর, ২০২৬ সালে গণঅভ্যুত্থান-পরবর্তী সংস্কার আর আইএলওর সময়সীমার চাপে

২০০৬ সালের শ্রম আইনের সংশোধনের ইতিহাস প্রায় একটি ঘটনাক্রমের মতো পড়া যায়। আমরা আইন বদলাই তখনই, যখন আগুন লাগে। আইনটি পাঁচবার সংশোধিত হয়েছে— ২০০৯ সালে ৮টি ধারা, ২০১০ সালে ৩টি, ২০১৩ সালে ৮৭টি, ২০১৮ সালে ৫০টি এবং ২০২৬ সালে ৯৩টি ধারায়। বড় সংশোধনগুলো এসেছে কোনো না কোনো সংকটের পর— ২০১৩ সালে রানা প্লাজার ধ্বংসস্তূপের পর, ২০২৬ সালে গণঅভ্যুত্থান-পরবর্তী সংস্কার আর আইএলওর সময়সীমার চাপে।

এবারের সংশোধনের কিছু উল্লেখযোগ্য বিষয়— ট্রেড ইউনিয়ন নিবন্ধনের সীমা এখন আর শতাংশে নয়, নির্দিষ্ট সংখ্যায়। আগে ছিল ৩০ শতাংশ (২০১৮ সালে ২০ শতাংশ), এখন কাঠামোটি স্তরভিত্তিক নির্দিষ্ট সংখ্যার। শ্রমিকদের কালো তালিকাভুক্ত করা এবং মালিকের নিয়ন্ত্রিত ‘হলুদ ইউনিয়ন’ গঠন এখন অসদাচরণ হিসেবে নিষিদ্ধ।

ঝুঁকিপূর্ণ কাজ প্রত্যাখ্যানের আইনি অধিকার এবং কর্মস্থলে আঘাতের ক্ষতিপূরণ ব্যবস্থা যুক্ত হয়েছে। অধ্যাদেশে একটি প্রতিষ্ঠানে পাঁচটি ইউনিয়নের সুযোগ থাকলেও আইনে তা তিনটিতে নামানো হয়েছে। তবে সব খবর ভালো নয়। আইনটি কাগজে এগিয়েছে; কিন্তু রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ অঞ্চলের (ইপিজেড) শ্রমিকরা এখনো ইপিজেড শ্রম আইন ২০১৯-এর অধীনে ট্রেড ইউনিয়ন গঠন করতে পারেন না। আইএলওর জেনেভাভিত্তিক দাবির তালিকায় এটি এখনো বড় একটি ফাঁক।

শ্রম আইনের আলোচনায় একটি প্রশ্ন প্রায়ই চাপা পড়ে যায়— মজুরি। গার্মেন্টস শ্রমিকদের বর্তমান ন্যূনতম মজুরি মাসে ১২ হাজার ৫০০ টাকা। এটি ২০২৩ সালের ১ ডিসেম্বর থেকে কার্যকর, ২০১৮ সালের ৮ হাজার টাকার তুলনায় ৫৬ শতাংশ বেশি। শ্রমিকদের দাবি ছিল ২৩ হাজার টাকা। এখন বাজারের দিকে তাকানো যাক। সিপিডির সমীক্ষা বলছে, ২০২৬ সালের এপ্রিলে মূল্যস্ফীতি ছিল ৮ দশমিক ৫৯ আর মজুরি প্রবৃদ্ধি ৮ দশমিক ১০ শতাংশ, ফলে পরিবারগুলোর প্রকৃত আয় ক্ষয় হচ্ছে। অর্থাৎ শ্রমিকের হাতে টাকার অঙ্ক বাড়লেও কেনার ক্ষমতা কমছে।

আইনের সফলতা মাপার জন্য আমি তিনটি বাস্তব সূচক প্রস্তাব করি, যা কারখানার গেটে দেখা যাবে।

প্রথম পরীক্ষা: রানা প্লাজা ধসের পর নিবন্ধন সহজ করা হয়েছিল। আইএলওর তথ্য অনুযায়ী, ২০২৩ সালের ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত পোশাক খাতে নিবন্ধিত ট্রেড ইউনিয়ন ছিল প্রায় ১ হাজার ২০১টি, যার ৯৭ শতাংশ সক্রিয়। সংখ্যা উৎসাহব্যঞ্জক। কিন্তু মনে রাখা দরকার, দেশে কারখানার সংখ্যা সাড়ে চার হাজারের বেশি। কতগুলো ইউনিয়ন নিবন্ধিত হলো তার চেয়ে বড় প্রশ্ন, কতগুলোর নেতা এক বছর পর চাকরিতে আছেন?

দ্বিতীয় পরীক্ষা: রানা প্লাজার পর কলকারখানা অধিদপ্তরের পরিদর্শক সংখ্যা ৯২ থেকে বেড়ে ৩৯৩ হয়েছে, আর ফায়ার সার্ভিসের পরিদর্শক ৫৫ থেকে ৩৬৫। এটি অগ্রগতি। কিন্তু এ জনবল এখনো সীমিত। সংখ্যার চেয়ে বড় বিষয় হলো, পরিদর্শন কতটা অপ্রত্যাশিত, স্বাধীন এবং ফলোআপসহ হচ্ছে।

তৃতীয় পরীক্ষা: আইএলওর দীর্ঘদিনের অভিযোগের কেন্দ্রেই ছিল এ প্রশ্ন— শ্রমিক নালিশ করলে কতদিনে বিচার পান? আদালতনির্ভর দীর্ঘ প্রক্রিয়ার বদলে বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তি এর একটি সমাধান হতে পারে। তবে তার সফলতা নির্ভর করবে নিরপেক্ষতা ও গতির ওপর।

আইএলও এরই মধ্যে জানিয়েছে, ২০২৫ সালের নভেম্বরে তিনটি কনভেনশন অনুমোদন করে বাংলাদেশ এশিয়ার প্রথম দেশ হয়েছে, যে আইএলওর ১০টি মৌলিক কনভেনশন অনুমোদন করেছে আর ২০২৬ সালের এপ্রিলে শ্রম আইন সংশোধন করা হয়েছে। একই সূত্রমতে, দীর্ঘদিনের অভিযোগ ২০২৭ সালের মার্চে আইএলও গভর্নিং বডির আলোচ্যসূচিতে ফিরে আসবে। তার মানে, ২৪ নভেম্বর ২০২৬— এলডিসি উত্তরণ। মার্চ ২০২৭— আইএলও গভর্নিং বডিতে পর্যালোচনা। নভেম্বর ২০২৯— ইউরোপে ইবিএ সুবিধার সমাপ্তি, জিএসপি প্লাস বা সাধারণ শুল্কের পথ। তিনটি তারিখই একই সুতোয় বাঁধা। প্রথমটি আমাদের বিশ্বের সামনে ‘উন্নয়নের গল্প’ বলার সুযোগ দেয়, দ্বিতীয়টি বলে দেয় সেই গল্পের পেছনে শ্রমিকের অভিজ্ঞতা কেমন, আর তৃতীয়টি নির্ধারণ করে গল্পটির অর্থনৈতিক মূল্য কত।

এ পরিস্থিতিতে যা করণীয় হতে পারে— ১. ইউনিয়নবিরোধী প্রতিশোধের ঘটনা প্রকাশ্য তালিকায় আনা। কালো তালিকা নিষিদ্ধ হয়েছে, এবার প্রতিটি অভিযোগ ও নিষ্পত্তির তথ্য ত্রৈমাসিকভাবে সরকারি ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হোক। ২. ইপিজেডে ইউনিয়নের অধিকারের সময়সূচি ঘোষণা। একটি স্পষ্ট সময়সীমা দরকার। জিএসপি প্লাস আলোচনায় এ ফাঁক আমাদের সবচেয়ে বড় দুর্বলতা হবে। ৩. মজুরিকে মূল্যস্ফীতির সঙ্গে যুক্ত করা। মূল্যস্ফীতির সূচকের সঙ্গে সংযুক্ত করার বিষয়টি ত্রিপক্ষীয় আলোচনায় তোলা উচিত। ৪. পরিদর্শকদের জন্য স্বাধীন মূল্যায়ন। পাশাপাশি তাদের প্রতিবেদন ও সুপারিশ কতটা বাস্তবায়িত হচ্ছে, তার একটি স্বাধীন নিরীক্ষা করা হোক। ৫. মালিকপক্ষকে ‘সহযাত্রী’ হিসেবে ডাকা। যে কারখানা আজ ইউনিয়নের সঙ্গে সংলাপ শেখে, ২০২৯ সালে সে-ই হবে ক্রেতার প্রথম পছন্দ।

রানা প্লাজা ট্র্যাজেডি আমাদের শিখিয়েছিল, অবহেলার দাম মানুষের প্রাণ দিয়ে শোধ করতে হয়। এখন আমরা শিখছি, অবহেলার দাম বাজার দিয়েও শোধ করতে হয়। আমরা কি আইনকে কাগজে রেখে দেব, নাকি কারখানার মেঝেতে নামাব? উত্তরটা যদি ‘মেঝেতে’ হয়, তাহলে ইউরোপের শুল্কপ্রাচীর পেরোনোর সবচেয়ে বিশ্বস্ত পাসপোর্টটি আমাদের হাতেই থাকবে।

লেখক: শিক্ষার্থী, জার্নালিজম অ্যান্ড মিডিয়া স্টাডিজ বিভাগ, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়

শ্রম আইনপাসপোর্ট
    আগামীর সময় ইপেপার
    শেয়ার করুন:
    ভালোবাসার টানে সরিষাবাড়ীতে ফিনল্যান্ডের যুবক

    ভালোবাসার টানে সরিষাবাড়ীতে ফিনল্যান্ডের যুবক

    উঠানে খেলছিল দুই শিশু, নিখোঁজের পর লাশ পাওয়া গেল পুকুরে

    উঠানে খেলছিল দুই শিশু, নিখোঁজের পর লাশ পাওয়া গেল পুকুরে

    চাঁদা নিয়ে দ্বন্দ্বে বহিষ্কৃত ৫ ছাত্রদল নেতার বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার

    চাঁদা নিয়ে দ্বন্দ্বে বহিষ্কৃত ৫ ছাত্রদল নেতার বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার

    কক্সবাজার থেকে উড্ডয়নের পর চাকায় ত্রুটি, ঢাকায় বিমানের জরুরি অবতরণ

    কক্সবাজার থেকে উড্ডয়নের পর চাকায় ত্রুটি, ঢাকায় বিমানের জরুরি অবতরণ

    অটোরিকশাচালক সুমন ধর্ষণের পর হত্যা করে তাজমিনকে, সংবাদ সম্মেলনে পুলিশ

    অটোরিকশাচালক সুমন ধর্ষণের পর হত্যা করে তাজমিনকে, সংবাদ সম্মেলনে পুলিশ

    ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক রোটন মারা গেছেন

    ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক রোটন মারা গেছেন

    রবীন্দ্রনাথের ছবিতে কালিমা লেপন করলে কী ঘটে?

    রবীন্দ্রনাথের ছবিতে কালিমা লেপন করলে কী ঘটে?

    দিল্লিতে বাড়ির সামনে থেকে আটক মমতা

    দিল্লিতে বাড়ির সামনে থেকে আটক মমতা

    শেয়ার কারসাজিতে ইউনাইটেড গ্রুপের দুই শীর্ষ ব্যক্তি, তদন্তে বিএসইসি

    শেয়ার কারসাজিতে ইউনাইটেড গ্রুপের দুই শীর্ষ ব্যক্তি, তদন্তে বিএসইসি

    জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে সংগীত পরিচালক ইবরার টিপু

    জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে সংগীত পরিচালক ইবরার টিপু

    অভিজিৎ দীপকে দিল্লি বিমানবন্দর থেকে আটক

    অভিজিৎ দীপকে দিল্লি বিমানবন্দর থেকে আটক

    ছেলে সেজে তরুণীকে বিয়ে, ছয় মাস পর সালিশে মারধরের অভিযোগ

    ছেলে সেজে তরুণীকে বিয়ে, ছয় মাস পর সালিশে মারধরের অভিযোগ

    আপনাদের ভয় নাই, আপনারা প্রকাশ্যে নির্বাচন করবেন: আ. লীগ নেতাকর্মীদের বিএনপি নেতা

    আপনাদের ভয় নাই, আপনারা প্রকাশ্যে নির্বাচন করবেন: আ. লীগ নেতাকর্মীদের বিএনপি নেতা

    সাক্ষাৎকার নেওয়ার জন্য সাংবাদিকদের ডাকলেন প্রযোজক, ক্ষিপ্ত নায়িকা

    সাক্ষাৎকার নেওয়ার জন্য সাংবাদিকদের ডাকলেন প্রযোজক, ক্ষিপ্ত নায়িকা

    ফুসফুসের সুরক্ষায় ব্যক্তিগত সচেতনতার পাশাপাশি রাষ্ট্রীয় উদ্যোগ জরুরি : ড্যাব মহাসচিব

    ফুসফুসের সুরক্ষায় ব্যক্তিগত সচেতনতার পাশাপাশি রাষ্ট্রীয় উদ্যোগ জরুরি : ড্যাব মহাসচিব