Agamir Somoy E-Paper
রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
আগামীর সময়
মানুষের জীবন বাঁচাতে সড়কে শফিকুল
রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
আগামীর সময়
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • বিচিত্রা
  • চাকরি
  • ছবি
  • সাহিত্য
  • বিবিধ
  • ধর্ম
  • প্রবাস
  • ফ্যাক্টচেক
  • সোশ্যাল মিডিয়া
  • ধন্যবাদ
  • বিশেষ সংখ্যা
  • সর্বজনের গল্প
  • বিশেষ লেখা
EN
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • ইপেপার
  • EN
লোড হচ্ছে…

প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : আবদুস সাত্তার মিয়াজী

সম্পাদক : মোস্তফা মামুন

আগামীর সময়
আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগশর্তাবলিগোপনীয়তাআমরা

ইডিবি ট্রেড সেন্টার (লেভেল-৬ ও ৭), ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ানবাজার, ঢাকা-১২১৫

যোগাযোগ: ০৯৬৬৬ ৭৭১০১০

বিজ্ঞাপন: ০১৭৫৫ ৬৫১১৬৪

[email protected]

স্বত্ব © ২০২৬ | দৈনিক আগামীর সময়

আগামীর সময় কলাম

শত্রু নিধন মানেও তো মানুষকেই হত্যা

মামুনুর রশীদ
agamir somoy
প্রকাশ: ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৭:২৮
শত্রু নিধন মানেও তো মানুষকেই হত্যা

ছবি: তারেক মাসুদ ও ক্যাথরিন মাসুদ পরিচালিত মুক্তির গান চলচ্চিত্র থেকে সংগৃহীত

সম্প্রতি নেপালের গুর্খাদের নিয়ে একটি মঞ্চনাটক নির্মাণের কারণে আমি নেপাল গিয়েছিলাম। আমার এক বন্ধু বহু বছর ধরে নেপালের সাথে একটি সাংস্কৃতিক সম্পর্ক গড়ে তুলেছেন। তার দীর্ঘ অভিজ্ঞতার আলোকে একটি নাটক লিখেছেন ইংরেজিতে। কিন্তু নাটকটি অভিনিত হবে নেপালী ভাষায়। কাজটি খুবই দূরুহ। কারণ নাট্যকার এবং আমি কেউই নেপালী ভাষা জানি না। এটি নেপালী ভাষায় অনুবাদ করা হলো, এবং অভিনেতা-অভিনেত্রীরা নেপালী ভাষায় সংলাপ তৈরী করলেন, অভিনয়টা শুরু হয়ে গেল। সুবিধা হলো, পৃথিবীর যে কোনো ভাষার দেহের ভাষাটি  প্রায় কাছাকাছি। তাই কয়েকদিনের মধ্যেই বুঝতে শুরু করলাম দেহের ভাষা দিয়ে কথ্য ভাষাকে বোঝার সুযোগ আছে। এই কাজটি যখন করছিলাম, তখনই নেপালে স্মরণকালের সবচাইতে বড় প্রাকৃতিক দুর্যোগ নেমে এল। হিমবাহের প্রচন্ড বিস্ফোরণে শহর-গ্রাম প্লাবিত হয়ে গেল। হাজার হাজার মানুষ নিখোঁজ হলেন, ঘর-বাড়ি-অফিস-আদালত ভেসে গেল; প্রকৃতির শক্তিকে নতুন করে মানুষ আবিস্কার করল। প্রতিদিনই মানুষের মৃতদেহ খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে এবং নিখোঁজ মানুষদের আত্মীয়স্বজনদের আহাজারিতে বাতাস ভারি হয়ে উঠল। সারা উপমহাদেশে শুধু নয়, দক্ষিণ এশিয়া ছাড়িয়ে সারা বিশ্বেই এক মানবিক বিপর্যয় প্রত্যক্ষ কর গেল। একটা ভারি হৃদয় নিয়ে আমাদের কাজটিকেও এগিয়ে নিতে হলো। অর্থাৎ এটাই নিয়ম। পৃথিবীর কোথাও দুর্যোগ বা কোনো ধরনের প্রাকৃতিক বিপর্যয় হলেও জীবন থেমে থাকে না।

যাহোক, ফিরে আসি নাটকে। হিমালয়ের পাদদেশে এই গোর্খা জাতি বসবাস করে। নেপাল থেকে শুরু করে ভারতের একটি অঞ্চলে তাদের বসবাস। একদা কৃষিই ছিল একমাত্র জীবিকা। দারিদ্র্য, অভাব-অনটন তাদরে নিত্য সঙ্গী। রাজা এবং তাদরে সামন্তদের দুঃশাসনে গুর্খারদের জীবনযাপন ছিল দুঃসহ। সেই অবস্থায় বৃটিশদের সাথে রাজার সুসম্পর্কের কারণে প্রথম বিশ্বযুদ্ধের সময় অনুভূত হয় হিমালয়ের পাদদেশের এই সাহসী জনগোষ্ঠিকে যোদ্ধায় পরিণত করা সম্ভব। বিভিন্ন গ্রামে-গঞ্জে ব্রিটিশ সেনাবাহিনীতে নিয়োগের কার্যক্রম শুরু হয়। শত শত গুর্খাদের সেনাবাহিনীতে নিয়োগের পর পাঠিয়ে দেওয়া হয় বিভিন্ন ফ্রন্টে; বিশেষ করে যেখানে জার্মান বাহিনীর সাথে ব্রিটিশদের লড়াই চলছিল। সেই লড়াইয়ে অসাধারণ বীরত্ব দেখিয়ে গুর্খাদের সেনাবাহিনীতে নিয়োগের কার্যক্রম বাড়তে থাকে। শত শত গুর্খা এই যুদ্ধে জীবন দেয় আবার বীরত্বের কারণে নানারকম পুরষ্কারেও ভূষিত হয়।

মামুনুর রশীদ

একই ভাবে দ্বিতীয় মহাযুদ্ধের সময় আবারও গুর্খারা সেনাবাহিনীতে যোগ দেয় এবং মিত্র বাহিনীর হয়ে জার্মানীর বিরুদ্ধে মরণপণ লড়াইয়ে সামিল হয়। তাদের বীরত্বগাঁথা চারদিকে ছড়িয়ে পড়ে। ভারতের ব্রিটিশ শাসনের সময় গুর্খা রেজিমেন্ট দুর্ধর্ষসব অভিযানে যুক্ত হয়। এখানেও তাদের প্রচুর প্রাণহানী ঘটে, কিন্তু ক্ষতিপুরণের বেলায় গুর্খারা সব সময়ই বঞ্চিত হয়। পেনশনের ব্যবস্থা থাকলেও তাও একেবারে নগণ্য। দুটি মহাযুদ্ধে তাদরে অসাধারণ ভূমিকা থাকা সত্বেও তাদের জীবনে শান্তি ফিরে আসে না। এরপর ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক শাসনের বিরুদ্ধে এশিয়া-আফ্রিকার দেশগুলি দ্বিতীয় মহাযুদ্ধের পরে স্বাধীনতা চায়। এই স্বাধীনতা যেন যুদ্ধ শেষের পাওনা। নাট্যকার গুর্খাদের এই যে জীবন মরণের লড়াই এবং শান্তির অন্বেষা নিয়ে নাটকটি লিখেছেন। তাদের ব্রিটিশ নাগরিকত্ব দেওয়ার কথা ছিল, কিন্তু অধিকাংশই তা পায়নি। তারা পড়ে আছে হংকংয়ে অথবা ইংল্যান্ডের যে কোনো অবহেলিত স্থানে। ভারতীয় সেনাবাহিনীতে গুর্খা সৈন্যরা এখনো রয়েছে। মূল কথা হলো, যে ভাবেই বর্ণনা করা হলো তাতে গুর্খারা শান্তির কাজে ব্যবহৃত হয়নি। তারা ব্যবহৃত হয়েছে মানুষকে হত্যার কাজে। তাই নাটকের নাম ‘আয়ো গুর্খালি ফর পিস’।

শত্রু নিধন মানে মানুষকে হত্যা। এ বিষয়টি নাটকে খুবই দক্ষতার সঙ্গে নিয়ে আসার চেষ্টা করা হচ্ছে। গত ১০০ বছর ধরে সারা বিশ্বই যুদ্ধবিরোধী নাটক, গান, শিল্পকলা, কালজয়ী সাহিত্য এবং চলচ্চিত্র নির্মাণ করে আসছে। কিন্তু যুদ্ধ থামছে না। শুধু তাই নয়, প্রতিদিনই নতুন নতুন মারণাস্ত্র যুদ্ধক্ষেত্রে ব্যবহৃত হচ্ছে। এইসব মারণাস্ত্রের মহড়া দেওয়ার ফলে আমাদের বায়ুমন্ডলটিও দূষিত হয়ে পড়ছে। যার ফলাফলে পৃথিবীতে অনেক দুরারোগ্য ব্যাধি জন্ম নিচ্ছে। শান্তি তো দূরের কথা, মানুষের জীবন প্রতিদিনই এক বিপন্ন প্রজাতি হিসেবে এগিয়ে যাচ্ছে।

আজকের পৃথিবীতে একই পরিস্থিতি বিরাজ করছে। যুদ্ধরত দেশগুলো কৃতিত্ব যেন শত্রু পক্ষের কতজনকে হত্যা করা তার উপর। আজকের বিশ্বের প্রতিটি নাগরিক যুদ্ধের দ্বারা আক্রান্ত। আমরাও প্রতি মুহুর্তে টের পাই, যুদ্ধ আমাদের প্রতিদিনের জীবন যাপনকে কিভাবে দুঃহসহ করে তুলেছে। জ্বালানী তেলের সহজ প্রবাহ বন্ধ করে দিয়ে দ্রব্যমূল্যের ওপর চাপ সৃষ্টি করছে। পৃথিবী এক অশান্তি এবং অনিশ্চয়তার দিকে ধাবিত হচ্ছে। এখানে মজার ব্যপার হলো, গুর্খা জাতি খুবই শান্তিপ্রিয়। কিন্তু যুদ্ধক্ষেত্রে তারা ভীষণ সাহসি এবং শত্রু নিধনে খুবই দক্ষ। শত্রু নিধন মানে মানুষকে হত্যা। এ বিষয়টি নাটকে খুবই দক্ষতার সঙ্গে নিয়ে আসার চেষ্টা করা হচ্ছে। গত ১০০ বছর ধরে সারা বিশ্বই যুদ্ধবিরোধী নাটক, গান, শিল্পকলা, কালজয়ী সাহিত্য এবং চলচ্চিত্র নির্মাণ করে আসছে। কিন্তু যুদ্ধ থামছে না। শুধু তাই নয়, প্রতিদিনই নতুন নতুন মারণাস্ত্র যুদ্ধক্ষেত্রে ব্যবহৃত হচ্ছে। এইসব মারণাস্ত্রের মহড়া দেওয়ার ফলে আমাদের বায়ুমন্ডলটিও দূষিত হয়ে পড়ছে। যার ফলাফলে পৃথিবীতে অনেক দুরারোগ্য ব্যাধি জন্ম নিচ্ছে। শান্তি তো দূরের কথা, মানুষের জীবন প্রতিদিনই এক বিপন্ন প্রজাতি হিসেবে এগিয়ে যাচ্ছে।

এ দায় থেকে আমার বন্ধুটি বহুদিন গুর্খাদের জীবন এবং প্রথম মহাযুদ্ধ থেকে দ্বিতীয় মহাযুদ্ধ, মালয়ে বৃটিশদের দেওয়া জরুরী অবস্থা, বার্মার জঙ্গলে তাদের যুদ্ধ এবং পৃথিবীর বিভিন্ন জায়গায় বিশেষ করে ইংল্যান্ড, হংকং এবং ভারতে বসবাসরত গুর্খাদের নিয়ে প্রচুর গবেষণার কাজ করেছেন। তার ধারণা নাটকটি একটি যুদ্ধবিরোধী বক্তব্য নিয়ে মানুষকে প্রভাবিত করতে পারবে। কিন্তু দুঃখের বিষয় নাটক দিয়ে মানুষকে প্রভাবিত করা যায়, তবে সেটি স্থায়ী হয় না। রাজনীতির মতো একটি শক্তিশালী মাধ্যম প্রতিনিয়ত সমাজের ওপর প্রভাব সৃষ্টি করে চলেছে। মানুষ তার দৈনন্দিন জীবনযাপনের সংকটে নিমজ্জিত থেকে কতটাই বা শিল্পসাহিত্যকে গ্রহণ করতে পারবে। এরমধ্যে এসেছে ইন্টারনেট ভিত্তিক নানা ধরনের প্ল্যাটফর্ম। এই প্ল্যাটফর্মগুলো নানা ভাবে মানুষকে মুহুর্তে মুহুর্তে এমন সব তথ্য দিয়ে যাচ্ছে, যার সত্য-মিথ্যা বিবেচনা করার জন্যে মানুষ একটুখানি অবকাশ পাচ্ছে না। অবশ্য এ কথাও সত্যি, ইউরোপে রেনেসাঁ মানুষের চিন্তার প্রক্রিয়ায় একটা বড় ধরনের প্রভাব ফেলেছিল। রাশিয়ায় সব কালজয়ী সাহিত্যিকরা বিশেষ করে তলস্তয়, ম্যাক্সিম গোর্কি, দস্তয়ভস্কি, চেকভ, নিকোলাই অস্তোভস্কি, মায়াকোভস্কি— তাদের বিশাল সাহিত্য কর্ম দিয়ে রাশিয়ার রাজনীতিতে একটা বড় প্রভাব ফেলে বিপ্লবের দিকে এগিয়ে নিতে সক্ষম হয়েছিল। তার ঢেউ শুধুমাত্র রাশিয়ায় সীমাবদ্ধ থাকেনি। ছড়িয়ে পড়েছিল সারা ইউরোপে এবং পরবর্তীকালে তা তৃতীয় বিশ্বের দেশগুলোতে সমাজ পরিবর্তনের আহ্বান করতে সক্ষম হয়েছিল। চীনে এর প্রভাব এমন ভাবে পড়েছিল যে, এই বিশাল দেশের বিভিন্ন ভাষা ও সংস্কৃতি থাকা সত্ত্বেও ১৯৪৮ সালে সে দেশে সমাজতান্ত্রীক বিপ্লব ঘটে যায়। এই সময়গুলোতে সাংস্কৃতিক বিপ্লবের বিষয়টিও যথার্থ গুরুত্ব পায়।

নাট্যকার গুর্খাদের এই যে জীবন মরণের লড়াই এবং শান্তির অন্বেষা নিয়ে নাটকটি লিখেছেন। তাদের ব্রিটিশ নাগরিকত্ব দেওয়ার কথা ছিল, কিন্তু অধিকাংশই তা পায়নি। তারা পড়ে আছে হংকংয়ে অথবা ইংল্যান্ডের যে কোনো অবহেলিত স্থানে। ভারতীয় সেনাবাহিনীতে গুর্খা সৈন্যরা এখনো রয়েছে। মূল কথা হলো, যে ভাবেই বর্ণনা করা হলো তাতে গুর্খারা শান্তির কাজে ব্যবহৃত হয়নি। তারা ব্যবহৃত হয়েছে মানুষকে হত্যার কাজে। তাই নাটকের নাম ‘আয়ো গুর্খালি ফর পিস’।

ষাটের দশকে চীন এবং সোভিয়েত ইউনিয়নের সাহিত্য আমাদের দেশগুলোতে সুলভ হওয়াতে মানুষের চিন্তার জগতে বড় ধরনের আলোড়ন সৃষ্টি করে। যে কারণে সত্তরের দশক থেকে পৃথিবীর অনেক দেশ সাম্রাজ্যবাদের কবল থেকে মুক্তি পায়। তবে, পুঁজিবাদ এক নিরন্তর প্রক্রিয়ায় এইসব জনগোষ্ঠির চিন্তায় ও মননে ফাটল ধরাতেও সক্ষম হয়। কখনো ধর্ম, কখনো অর্থনৈতিক নানান ধরনের পদক্ষেপ মানুষকে বিভ্রান্ত করতে সক্ষম হয়। মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর হাতে বিপুল পরিমাণ অর্থ থাকায় তারাও এইসব দেশের রাজনীতিতে ধর্মের ব্যবহারের সুযোগ করে দেয়। যেসব দেশে মানুষ ধর্মভিরু, সেসব দেশে তাদের অনুপ্রবেশ সহজ হয়ে পড়ে। সেই প্রক্রিয়া এখনো চলছে। আর আমাদের দেশে আত্ম পরিচয়ের সংকটকে তীব্র করে তোলাই তাদের কাজ। আমরা একটি জাতীরাষ্ট্রের জন্য লড়াই করেছিলাম। এটিকে একটি ধর্মরাষ্ট্র করার জন্যে সাম্রাজ্যবাদ এবং ধর্ম ব্যবসায়ীরা এক মরনপণ সংগ্রামে অবতীর্ণ হয়েছে। তারা ঘরে ঘরে প্রবেশ করছে এবং মানুষের চিন্তার প্রক্রিয়ায় একটি পরিবর্তন আনতেও আংশিক ভাবে সফল হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে একটি সাংস্কৃতিক জাগরণ ছাড়া আমাদের রাষ্ট্রের নির্মাণে ধর্মনিরপেক্ষতার যে প্রশ্নটি ছিল, তাকে পুনরায় শক্তিশালী করা প্রয়োজন। যার জন্যে একটি সাংস্কৃতিক আন্দোলন অত্যন্ত জরুরি।

লেখক: নাট্যব্যক্তিত্ব, সংগঠক, কলামিস্ট

সাংস্কৃতিক আন্দোলন
    আগামীর সময় ইপেপার
    শেয়ার করুন:
    আটকের কয়েক ঘণ্টা আগে অপ্রতিমকে নিয়ে যে পোস্ট দিয়েছিলেন আনাস

    আটকের কয়েক ঘণ্টা আগে অপ্রতিমকে নিয়ে যে পোস্ট দিয়েছিলেন আনাস

    অডিট টিমের জালে আটকা পড়ল ৪৫ কোটি টাকা

    অডিট টিমের জালে আটকা পড়ল ৪৫ কোটি টাকা

    মেরু কূটনীতিতে ট্রাম্পের ঐতিহাসিক জয়

    মেরু কূটনীতিতে ট্রাম্পের ঐতিহাসিক জয়

    আইফোন দিতে চায়নি অপ্রতিম, খুন করা হয় বাঁশের লাঠি দিয়ে পিটিয়ে

    আইফোন দিতে চায়নি অপ্রতিম, খুন করা হয় বাঁশের লাঠি দিয়ে পিটিয়ে

    মানুষের জীবন বাঁচাতে সড়কে শফিকুল

    মানুষের জীবন বাঁচাতে সড়কে শফিকুল

    ন্যাম ফ্ল্যাটে এমপি গাজী নজরুলের দ্বিতীয় স্ত্রীর মরদেহ উদ্ধার

    ন্যাম ফ্ল্যাটে এমপি গাজী নজরুলের দ্বিতীয় স্ত্রীর মরদেহ উদ্ধার

    বাড়ির পাশেই চিরঘুমে অপ্রতিম

    বাড়ির পাশেই চিরঘুমে অপ্রতিম

    যাত্রাবাড়ী থানার সামনে ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনায় গ্রেপ্তার ৪

    যাত্রাবাড়ী থানার সামনে ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনায় গ্রেপ্তার ৪

    মেঘনায় তলিয়ে যাওয়া দুই ভাইয়ের মরদেহ উদ্ধার, নিখোঁজ বন্ধু

    মেঘনায় তলিয়ে যাওয়া দুই ভাইয়ের মরদেহ উদ্ধার, নিখোঁজ বন্ধু

    শেষ ১২ দিনে ‘পাগলাটে’ কাজে যেন নিজেকেও ছাড়িয়ে গেছেন ট্রাম্প

    শেষ ১২ দিনে ‘পাগলাটে’ কাজে যেন নিজেকেও ছাড়িয়ে গেছেন ট্রাম্প

    ৮ দিন পর উৎপাদনে ফিরল রামপাল বিদ্যুৎকেন্দ্রের দ্বিতীয় ইউনিট

    ৮ দিন পর উৎপাদনে ফিরল রামপাল বিদ্যুৎকেন্দ্রের দ্বিতীয় ইউনিট

    কর্ণফুলী নদীতে নিখোঁজ চবি শিক্ষার্থীর মরদেহ উদ্ধার

    কর্ণফুলী নদীতে নিখোঁজ চবি শিক্ষার্থীর মরদেহ উদ্ধার

    ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় নৌকা বাইচে লাখো মানুষের ঢল

    ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় নৌকা বাইচে লাখো মানুষের ঢল

    বাংলাদেশ-ভারত বাণিজ্য বৃদ্ধিতে টাস্কফোর্স গঠনের আহ্বান

    বাংলাদেশ-ভারত বাণিজ্য বৃদ্ধিতে টাস্কফোর্স গঠনের আহ্বান

    আশুলিয়ায় পোশাক কারখানায় আগুন, জ্যামে আটকা ফায়ার সার্ভিস

    আশুলিয়ায় পোশাক কারখানায় আগুন, জ্যামে আটকা ফায়ার সার্ভিস