Agamir Somoy E-Paper
সোমবার, ১৭ আগস্ট, ২০২৬
আগামীর সময়
প্রতিবন্ধীদের ভরসা হোসনা আক্তার
সোমবার, ১৭ আগস্ট, ২০২৬
আগামীর সময়
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • বিচিত্রা
  • চাকরি
  • ছবি
  • সাহিত্য
  • বিবিধ
  • ধর্ম
  • প্রবাস
  • ফ্যাক্টচেক
  • সোশ্যাল মিডিয়া
  • ধন্যবাদ
  • বিশেষ সংখ্যা
  • সর্বজনের গল্প
  • বিশেষ লেখা
EN
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • ইপেপার
  • EN
লোড হচ্ছে…

প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : আবদুস সাত্তার মিয়াজী

সম্পাদক : মোস্তফা মামুন

আগামীর সময়
আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগশর্তাবলিগোপনীয়তাআমরা

ইডিবি ট্রেড সেন্টার (লেভেল-৬ ও ৭), ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ানবাজার, ঢাকা-১২১৫

যোগাযোগ: ০৯৬৬৬ ৭৭১০১০

বিজ্ঞাপন: ০১৭৫৫ ৬৫১১৬৪

[email protected]

স্বত্ব © ২০২৬ | দৈনিক আগামীর সময়

advertiseadvertise
আগামীর সময় কলাম

আগামীর সময়ের প্রথম পুরস্কার, আমার ভাবনাগুচ্ছ ও কিছু অপ্রকাশিত কথা

অঞ্জন আচার্য
agamir somoy
প্রকাশ: ১৯ মে ২০২৬, ০৭:৪৩
আগামীর সময়ের প্রথম পুরস্কার, আমার ভাবনাগুচ্ছ ও কিছু অপ্রকাশিত কথা

আগামীর সময়ের সম্পাদক মোস্তফা মামুন ও প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক আবদুস সাত্তার মিয়াজীর থেকে পুরষ্কার নিচ্ছেন লেখক।

প্রথমেই বলে রাখা ভালো, বক্তা হিসেবে আমি খুব একটা পারদর্শী নই। বলার সময় কী বলব, কী বলব না— এসব ভাবতে ভাবতেই তালগোল পাকিয়ে যায়। তাই ভাবনাগুলো লিখে প্রকাশ করা সেই অর্থে অনেক বেশি সহজ। স্বচ্ছন্দও বটে।

শুরুটা দৈনিক আগামীর সময় পত্রিকার গুলশানের ক্যাম্প অফিসে। মার্চের প্রথম দিন জয়েন করি। পূর্ব পরিচিত বলতে পত্রিকার বার্তা সম্পাদক, কবি জুয়েল মোস্তাফিজ ভাই। সদ্য পরিচয় ঘটে কান্ট্রি এডিটর আবুল হাসান হৃদয় ভাইয়ের সঙ্গে। প্রথম দিন কিছু না করেই দিন চলে যায়। এভাবে এক দিন, দুই দিন পার। অফিস চলছে, অথচ আমার কোনো কাজ নেই।

মহাবিপদে পড়া গেল। চাকরিটা সত্যিই হয়েছে তো? কোনো কাজ তো দিচ্ছে না কেউ। বসে বসে আড্ডা দিয়ে মাস শেষে অফিস বেতন দেবে তো? না দিলে চলব কী করে? এমন আকাশ-পাতাল ভাবনা। একদিন জুয়েল ভাই এসে বললেন, ‘মফস্বল পাতায় কী কী করা যায়, এমন কিছু আইডিয়া দিন তো।’ তার মানে রিপোটিং বস আমার কাছে কিছু চাচ্ছেন। যাক নিশ্চিন্ত। চাকরি আছে। বললাম, ‘ঠিক আছে। আমি ভেবে কাল-পরশু দিচ্ছি।’ পর দিন কিছু আইডিয়া লিখে তাকে হোয়াটঅ্যাপে পাঠালাম। তিনি দেখলেন কি না, ঠিক বুঝতে পারলাম না। নিরুত্তর। প্রিন্ট করে তার সামনে রাখি। সেটিও দেখার সময় পাচ্ছেন না নানা ব্যস্ততায়। এর আরও দুই দিন পর আরও কিছু আইডিয়া নিয়ে প্রিন্ট করে তার সামনে রাখি। এভাবে জমা হতে থাকল কাগজের পর কাগজ।

প্রথম দুই-তিন দিনেই বুঝতে পারি, এটা কোনো গতানুগতিক পত্রিকা হচ্ছে না, কোনো স্বপ্নকে ছুতে চাচ্ছেন সম্পাদক মোস্তফা মামুন ভাই। তখনও স্পষ্ট নয়, কী স্বপ্ন? তবে নতুন কিছু হচ্ছে, সেটি দিব্যি আঁচ করতে পারছিলাম। চাচ্ছিলাম, আমার আইডিয়াগুলো সম্পাদক দেখুক, ভালো-মন্দ কিছু বলুক। যদি কিছু কাজে লাগে। চাকরিটা কনফার্ম কিনা, সেটি আরও একবার কনফার্ম হই। ধারণা ছিল, আমার আইডিয়াগুলো নিয়ে মামুন ভাইয়ের সঙ্গে কথা বলবেন জুয়েল ভাই। কিন্তু সেই আশায় গুড়েবালি। আমার ভাবনাগুলো তার টেবিলে গড়ায়, বাতাসে ওড়ে। একদিন দেখি টেবিলের তলে আমার দেওয়া একটি কাগজ চিৎ হয়ে পড়ে আছে। ধুলা ঝেরে ফ্লোর থেকে সেটি তুলে আবার জুয়েল ভাইয়ের টেবিলে এমনভাবে রাখি, যেন চোখে পড়ে। আইডিয়া আর দেখা হয় না তার।

কয়েক দিন পর জুয়েল ভাই আবার হুট করে বলেন, ‘অঞ্জন, আপনাকে না আইডিয়া দিতে বলেছিলাম, সেগুলোর কী অবস্থা?’ আমি তো আকাশ থেকে পড়ি। বলেন কী? তার মানে এই কয় দিন যা যা করেছি, তার সবই গেছে বেনো জলে ভেসে? আবার প্রিন্ট করি। তার সামনে রাখি। তিনি দ্রুত চোখ বোলান। কিছু ভালো লাগে, বেশির ভাগের ক্ষেত্রেই চুপ। মন ভালো থাকলে বলেন, ‘বাহ! এটা খুব ভালো লেগেছে।’ ‘ওটা আরেকটু ভালো হতে পারতো।’ আমি আহ্লাদে গদগদ। মেজাজ খারাপ থাকলে নাক দিয়ে গম্ভীর স্বরে ‘হুম’ শব্দ তুলে বলেন, ‘ধুর! কিছুই হয়নি।’ আমি আশাহত।

তখন সবে গরমের সিজন শুরু। রায়েরবাজার থেকে যেতে হয় গুলশান অ্যাভিনিউ। অনেকটা পথ। রাস্তায় প্রচণ্ড জ্যাম। তার ওপর একটাই মাত্র বাস। আলিফ পরিবহন। বাসা থেকে দুই তিন ভাগে এসে বাস ধরি শিয়া মসজিদ থেকে। প্যাসেঞ্জারে ঠাসাঠাসি। বাসে বসে বসে ঘামি। সিটে পেলে এয়ার ফোন গুজে গান শুনি। বব ডিলান, লিও সায়ার থেকে মান্না দে-হেমন্ত হয়ে মৌসুমী ভৌমিক। ফাঁকে মোবাইলের নোটপ্যাডে মাথায় যা আসে লিখে রাখি। এভাবে জমতে থাকে ভাবনা। সম্পাদকের কাছে সেগুলো আর পৌঁছে না। এভাবেই আমার ঘাম ঝরানো (আক্ষরিক অর্থেই বাসে ঘামতাম) আইডিয়াগুলো জুয়েল ভাইয়ের টেবিলে কাগজের স্তূপে চিড়াচ্যাপ্টা হয়। একবার ভাবলাম, সব প্রিন্ট নিয়ে বেনামে কুরিয়ার করে সম্পাদক বরাবর পাঠিয়ে দেব।
এর মধ্যেই ক্যাম্প অফিস শেষে সবাই চলে আসি কারওয়ান বাজারের মূল অফিসে। তখনও অনেকই জয়েন করেননি। টুকটাক কাজ। এপ্রিলের প্রথম দিন অফিস ভরে যায়। প্রায় সবাই নতুন কলিগ। ব্যস্ত হয়ে উঠি কাজে। একদিন আচমকা ঘটে এক ঘটনা। অফিসে ঢুকেই চোখে পড়ে একটি বড় কাগজের বক্স। তার গায়ে লেখা ‘আইডিয়া দিতে টাকা লাগে না’। ইনোভেটিভ আইডিয়া ফ্রম এডিটর। এই চান্স কী করে হারাই? সেই বক্সে কাগজ ফেলতে থাকি চিঠি যুগের মতো।

মামুন ভাই আমাদের সঙ্গে বসেন। বিভিন্ন এক্সক্লুসিভ টিপস দেন। স্বপ্নময় কথা শেয়ার করেন। নিজে হাসতে ও অন্যকে হাসাতে ভীষণ ভালোবাসেন। হাসতে হাসতে খুব জটিল ও সিরিয়াস কথা বলেন। রসিকতার লেভেল খুবই হাই। এমন পার্সোনালিটি সম্পন্ন sharp-witted মানুষ এই প্রথম দেখা। মন্ত্রমুগ্ধ হয়ে তার কথা শোনা যায় ঘণ্টার পর ঘণ্টা। বোরিং তো লাগেই না, বরং পেটে খিল ধরে। দিন দিন আরও বেশি own করতে থাকি অফিস। সেই স্বপ্নের সঙ্গী হতে নতুন উদ্যোমে আরও ভাবনা জমা দিতে থাকি আইডিয়া বাক্সে। এর মধ্যে অনেকগুলো মিটিং করেন সম্পাদক। কিন্তু কারো কোনো আইডিয়া নিয়ে কথা ওঠে না। তার মানে আবারও গেল!

১৭ মে, রবিবার। পরের দিন পত্রিকা বাজারে আসবে। দম ফেলার ফুরসত নেই কারো। বিকাল ৪টায় সবাইকে এক ফ্লোরে ডাকলেন সম্পাদক। পত্রিকার প্রকাশের আগে একবার টিমের সঙ্গে কথা বলবেন। আগেই ঘোষণা ছিল সে কথা। কাজের মূল্যায়নে পুরস্কারও দেবেন। মনে মনে ধরে নিয়েছি, আমার কোন কলিগ পুরস্কারটি পাচ্ছেন। যাই হোক, সেদিন মামুন ভাইয়ের গলায় নার্ভাসনেস। কাগজ বের হতে যাচ্ছে। হাত কাঁপছে তার। এক হাতে চেপে ধরেন আরেক হাত। মাথায় পত্রিকার চিন্তা। দ্রুত লয়ে কিন্তু স্পষ্টভাবে কথা বলা সেই সহজাত হাস্যরসের কিছুটা ঘাটতি। তবে চেষ্টা অব্যাহত। টিমকে উদ্দীপ্ত করা কিছু বক্তব্য। এরপরই পুরস্কার ঘোষণার পালা। মামুন ভাইয়ের ঘাম দেওয়া হাস্যোজ্জ্বল মুখ। কিছু ভূমিকা। সাসপেন্স। আরও কিছুটা প্রিফেস। থ্রিল। কৌন বানেগা অজ্ঞাতপতি? এ যেন ফুটবল বিশ্বকাপ ফাইনালের টান টান ম্যাচ। দুই পক্ষের এক এক গোল। সময় বাকি মাত্র পাঁচ মিনিট। গ্যালারিতে দম আটকানো উত্তেজনা। প্রথমেই আমার নাম। মানে কী? ঠিক শুনলাম তো? জোরে ডাকলেন মামুন ভাই। তখনও ঘোর কাটেনি।

প্রথম প্রশ্নেই বিব্রতকর অবস্থা, ‘এত আইডিয়া কেন? এর পেছনে আসল কারণটা কী, একটু খুলে বলো তো দেখি? বলো, বলো, যা বলবে জোরে বলবে।’

এ যেন ক্রিকেটার ইনজামাম-উল-হককে ইংলিশে প্রশ্ন করার পর সিচ্যুয়েশন। নার্ভাসে দুই-একটা কথা বললাম। আসল প্রশ্নেরই উত্তর দিতে ভুলে গেলাম। হাতে খাম তুলে দিলেন সম্পাদক। ছবি ও হাততালি। খাম পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে মনে পড়ে যায় বাক্সের গায়ে লেখা পুরো লাইন। ‘আইডিয়া দিতে টাকা লাগে না, আইডিয়া দিলে টাকা মেলে।’ আয়োজন শেষে আড়ালে খাম খুললাম। সত্যিই সেখানে এক হাজার টাকার একাধিক নোট। আনন্দ ও বিস্ময়ে মাখামাখি অবস্থা। মুহূর্তেই চোখে ভেসে ওঠে ট্রফিতে ম্যারাডোনার চুমু খাওয়ার ভিউ কার্ড। আমার কাছে ছিয়াশির সেই বিশ্বকাপ জয়ের চেয়ে এটি কম কীসে? সহকর্মীরা বায়না ধরলেন, ‘মিষ্টি খাওয়াতে হবে দাদা।’ তাদের সেই আবদার কি ফেলা যায়?

পরিশিষ্ট : আমার ভাবনায় যিনি পুরস্কার পাবেন বলে মনে মনে ধরে রেখেছিলাম, কান্ট্রি টিমের সেই লিডার আবুল হাসান হৃদয় ভাই পুরস্কার পেয়ে আমার সেই ভাবনাও সত্যি করলেন।

আগামীর সময়
    শেয়ার করুন:
    Advertisement
    নারীদের জন্য সড়কে গোলাপি বাস নামছে মঙ্গলবার

    নারীদের জন্য সড়কে গোলাপি বাস নামছে মঙ্গলবার

    ১৬ আগস্ট ২০২৬, ১৯:২৯

    বিদ্যুৎ সংকট মোকাবিলায় ১০ বছরের পরিকল্পনা সংসদে তুলে ধরা হবে

    বিদ্যুৎ সংকট মোকাবিলায় ১০ বছরের পরিকল্পনা সংসদে তুলে ধরা হবে

    ১৬ আগস্ট ২০২৬, ১৬:২৪

    শোলাকিয়া মাঠে ১৭ কোটি টাকার উন্নয়ন প্রকল্প

    শোলাকিয়া মাঠে ১৭ কোটি টাকার উন্নয়ন প্রকল্প

    ১৬ আগস্ট ২০২৬, ২২:৫১

    নতুন পে-স্কেল চূড়ান্ত, যেকোনো সময় ঘোষণা : প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব

    নতুন পে-স্কেল চূড়ান্ত, যেকোনো সময় ঘোষণা : প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব

    ১৬ আগস্ট ২০২৬, ১৬:২৮

    ‘হাসিনা ইস্যুতে’ আটকে গেল প্রধানমন্ত্রীর দিল্লি সফর!

    ‘হাসিনা ইস্যুতে’ আটকে গেল প্রধানমন্ত্রীর দিল্লি সফর!

    ১৬ আগস্ট ২০২৬, ২৩:০০

    বাংলাদেশ আমাদের উড়িয়ে দিয়েছে

    বাংলাদেশ আমাদের উড়িয়ে দিয়েছে

    ১৬ আগস্ট ২০২৬, ১৭:৪১

    যুক্তরাষ্ট্রের স্টুডেন্ট ভিসায় বড় পরিবর্তন

    যুক্তরাষ্ট্রের স্টুডেন্ট ভিসায় বড় পরিবর্তন

    ১৬ আগস্ট ২০২৬, ২২:২৭

    প্রতিবন্ধীদের ভরসা হোসনা আক্তার

    প্রতিবন্ধীদের ভরসা হোসনা আক্তার

    ১৭ আগস্ট ২০২৬, ০৪:১৭

    কলকাতা চলচ্চিত্র উৎসবে ডাক না পেয়ে মিঠুনের খোঁচা, ‘আমি তো তুচ্ছ শিল্পী’

    কলকাতা চলচ্চিত্র উৎসবে ডাক না পেয়ে মিঠুনের খোঁচা, ‘আমি তো তুচ্ছ শিল্পী’

    ১৭ আগস্ট ২০২৬, ১০:৫২

    শেখ হাসিনার বিলম্ব মওকুফের সুযোগ নেই: প্রসিকিউটর

    শেখ হাসিনার বিলম্ব মওকুফের সুযোগ নেই: প্রসিকিউটর

    ১৬ আগস্ট ২০২৬, ২২:৫২

    ঢাবির এফএইচ হলের প্রভোস্ট অবরুদ্ধ

    ঢাবির এফএইচ হলের প্রভোস্ট অবরুদ্ধ

    ১৬ আগস্ট ২০২৬, ২২:৫৮

    গ্যাস দুর্যোগই বড় চ্যালেঞ্জ

    গ্যাস দুর্যোগই বড় চ্যালেঞ্জ

    ১৭ আগস্ট ২০২৬, ০৭:২৩

    ইতালির জাদুঘর থেকে রেনেসাঁ যুগের ৪ শিল্পকর্ম চুরি

    ইতালির জাদুঘর থেকে রেনেসাঁ যুগের ৪ শিল্পকর্ম চুরি

    ১৭ আগস্ট ২০২৬, ১০:৫১

    মুনাফা করেও ৭ মিউচুয়াল ফান্ডে লভ্যাংশ নেই

    মুনাফা করেও ৭ মিউচুয়াল ফান্ডে লভ্যাংশ নেই

    ১৭ আগস্ট ২০২৬, ১০:৫৩

    পে-স্কেলে আশা, কাটেনি অস্থিরতা

    পে-স্কেলে আশা, কাটেনি অস্থিরতা

    ১৭ আগস্ট ২০২৬, ০৯:৪১

    advertiseadvertise