Agamir Somoy E-Paper
রবিবার, ২ আগস্ট, ২০২৬
আগামীর সময়
বোরহানের মানবসেবার হাতিয়ার ফেসবুক
রবিবার, ২ আগস্ট, ২০২৬
আগামীর সময়
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • বিচিত্রা
  • চাকরি
  • ছবি
  • সাহিত্য
  • বিবিধ
  • ধর্ম
  • প্রবাস
  • ফ্যাক্টচেক
  • সোশ্যাল মিডিয়া
  • ধন্যবাদ
  • বিশেষ সংখ্যা
  • সর্বজনের গল্প
  • বিশেষ লেখা
EN
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • ইপেপার
  • EN
লোড হচ্ছে…

প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : আবদুস সাত্তার মিয়াজী

সম্পাদক : মোস্তফা মামুন

আগামীর সময়
আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগশর্তাবলিগোপনীয়তাআমরা

ইডিবি ট্রেড সেন্টার (লেভেল-৬ ও ৭), ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ানবাজার, ঢাকা-১২১৫

যোগাযোগ: ০৯৬৬৬ ৭৭১০১০

বিজ্ঞাপন: ০১৭৫৫ ৬৫১১৬৪

[email protected]

স্বত্ব © ২০২৬ | দৈনিক আগামীর সময়

আগামীর সময় কলাম

নিউ অ্যাঙ্গুলেম যেভাবে নিউ ইয়র্ক

শামীম জোয়ার্দার
শামীম জোয়ার্দার
agamir somoy
প্রকাশ: ২৩ এপ্রিল ২০২৬, ০৯:০৭
নিউ অ্যাঙ্গুলেম যেভাবে নিউ ইয়র্ক

গ্রাফিক্স: আগামীর সময়

পৃথিবী নিজেই এক মহাপাণ্ড‍ুলিপি। পাতায় পাতায় ইতিহাস। উপনিবেশ তার কালি। প্রাচীন থেকে আধুনিক; কিংবা সত্যযুগ বাদ দিয়ে ত্রেতা, দ্বাপর, কলি— সব আমলেই ইতিহাসের কলম হয়ে উঠেছিল উপনিবেশ। স্বর্ণ-রুপা, কড়ি-আধুলির মতো হাতবদল হতো জনপদ। কাঠের পালতোলা জাহাজে ভেঁসে বেড়াতেন দিগ্বিজয়ী নাবিকরা। আবিষ্কার করতেন নদী-সাগরের বাঁকে লুকিয়ে থাকা নতুন নতুন বসতি। নোঙর ফেলত সওদাগরের পানসি। বাণিজ্যের ডালা হাতে পা ফেলতেন ভিনদেশি বণিক। শুরু হতো নতুন জয়ের যজ্ঞ। কিনে ফেলতেন পুরো লোকালয়; হয়ে উঠতেন ভূ-স্বামী। রাজা-মহারাজার তখন পোয়াবারো। যোগ হতো আরেক নতুন তালুক।

বলছি নিউ ইয়র্কের কথা। যুক্তরাষ্ট্রের প্রাণভোমরা। বর্তমান বিশ্বের সবচেয়ে ব্যস্ত নগরী। পৈতৃক নামের ভিটেয় ডাকনামের মেলা! পৃথিবীর মুখে মুখে ঘুরে বেড়ানো নিউ ইয়র্কের এ বহুমাত্রিক পরিচয়গুলোও শতবর্ষী। কেউ বলে ‘পৃথিবীর রাজধানী’ (দ্য ক্যাপিটাল অব দ্য ওয়ার্ল্ড),কারও মুখে ‘বাণিজ্যিক প্রাণ ’(ইকোনমিক সেন্টার অব দ্য ইউনিভার্স)। মেয়র রবার্ট এফ ওয়াঙ্গার জুনিয়র (১৯৫৪-৬৫) ডাকতেন ‘মহাবিশ্বের মধ্যমণি’ (দ্য সেন্টার অব দ্য ইউনিভার্স), নাট্যকারদের বিস্ময়ে ‘সৃষ্টির রঙ্গমঞ্চ’ (দ্য থিয়েটারিক্যাল সেন্টার অব দ্য ইউনিভার্স)। ধরিত্রীর ‘অন্নভূমি’ও (দ্য ফুড ক্যাপিটাল অব দ্য ওয়ার্ল্ড) বলেন কেউ কেউ। খ্যাতি-সুখ্যাতির বিশাল ঝুলির ভেতর সবচেয়ে জনপ্রিয় নামটিই হলো— যে শহর ঘুমায় না! কালের ঢেউয়ে ভেসে বেড়ানো এই হাজার তকমার আড়ালে আসল নামটিই ‘হাওয়া’ হয়ে গেছে নিউ ইয়র্কের। নিউ অ্যাঙ্গুলেম— নিউ ইয়র্কের আদি নাম। পরে নিউ আমস্টারডাম। দুই নামের মাঝে শতবর্ষের দূরত্ব। এখানেই শেষ নয়। অর্ধশতাব্দী না যেতেই আবার বাঁকবদল। নিউ ইয়র্ক হয়ে যায় নিউ অরেঞ্জ। বছর ঘুরতেই ফিরে আসে আগের নামে। নিউ ইয়র্ক! হাডসন নদীর তীরঘেঁষা ম্যানহাটন দ্বীপের ওই আদিবাসী পল্লীতে লুকিয়ে থাকা ‘নিউ আমস্টারডাম’ই মূলত নিউ ইয়র্কের সবচেয়ে বড় ইতিহাস!

১৬২৪ সাল। আজ থেকে ঠিক ৪০০ বছর আগে। সম্রাট জুলিয়াস সিজারের দিনপঞ্জি ফেলে দেয়ালে ঝুলছে গ্রেগরিয়ান ক্যালেন্ডার (পোপ ত্রয়োদশ গ্রেগরি)। যুক্তরাষ্ট্র তখনো আজকের ‘আমেরিকা’ হয়ে ওঠেনি। বিশাল ব্রিটিশ সাম্রাজ্যের ছোট্ট একটি লেজ মাত্র। ডাচদের (নেদারল্যান্ডস) সে সময় স্বর্ণযুগ। স্পেনের ৮০ বছরের ঔপনিবেশিক শেকল ভেঙে এক ছাতায় আসছে নেদারল্যান্ডসের সাত প্রদেশ (১৬৪৮ সালে পূর্ণাঙ্গ স্বাধীনতা)।

নিউ অ্যাঙ্গুলেম
১৫২৪ সালের ১৭ জানুয়ারি । নতুন আবিষ্কারের নেশায় জাহাজ ‘লা দোফিন’ নিয়ে মাঝ সমুদ্রে ইতালীয় নাবিক জিওভান্নি দা ভেরাজ্জানো। ভাসতে ভাসতে একসময় নিউ ইয়র্ক হারবারে (উপসাগর)। হাডসন নদীর মুখে। দূরের একটি চরাঞ্চল (বন্দরসদৃশ) দেখে মুগ্ধ হয়ে পড়েন ভেরাজ্জানো। আরও কাছে নিয়ে যান তার উৎসুক জাহাজ। ফরাসি রাজা প্রথম ফ্রাঁসোয়ার নামানুসারে ভেরাজ্জানো ওই অঞ্চলের নাম দেন নিউ অ্যাঙ্গুলেম। প্রথম ফ্রাঁসোয়া (১৪৯৪-১৫৪৭) রাজা হওয়ার আগে আঙ্গুলেমের কাউন্ট ছিলেন। ভেরাজ্জানোই ওই অঞ্চলে প্রবেশকারী প্রথম ইউরোপীয়। দূরপ্রাচ্যে যাওয়ার সমুদ্রপথ আবিষ্কারে তার এ ভ্রমণের পৃষ্ঠপোষকতা করেছিলেন রাজা নিজেই। চলতি পথে পেয়ে যান আজকের ‘নিউ ইয়র্ক’। ফ্রান্স অবশ্য কখনো উপনিবেশ গড়তে যায়নি সেখানে।
নিউ ইয়র্ক মানচিত্র সোসাইটির মতে, নিজের প্রতিবেদনে বন্দরটির একটি সুন্দর বর্ণনা করেন ভেরাজ্জানো। লেখেন, ‘দুটি ছোট কিন্তু উঁচু পাহাড়ের মাঝখানে অবস্থিত একটি অত্যন্ত মনোরম স্থান। যার মাঝ দিয়ে সমুদ্রে নেমে গেছে একটি বড় নদী, যার মোহনা গভীর। সমুদ্র থেকে দূর পাহাড় পর্যন্ত বিস্তৃত। জোয়ারের সময় (যা আমরা আট ফুট পেয়েছিলাম) যেকোনো বোঝাই জাহাজ সহজেই প্রবেশ করতে পারত।’ অ্যাঙ্গুলেম নামটি প্রথম যে মানচিত্রে দেখা যায়, তা আঁকেন আরেক ইতালীয় জিয়াকোমো গাস্তালদি। জিওভান্নি দা ভেরাজ্জানোর ভাই জিরোলামোর কাছ থেকে তথ্য পেয়েছিলেন। জিরোলামো সেই ভ্রমণে ছিলেন। পুরো যাত্রার একটি বিস্তারিত বিবরণ তৈরি করেছিলেন। মানচিত্রটি ১৫৪৮ সালে প্রকাশিত হয় ভেনিসে। এতে বর্তমান ক্যারোলিনা অঞ্চল থেকে ল্যাব্রাডর পর্যন্ত উত্তর আমেরিকার উত্তর-পূর্ব উপকূল দেখানো হয়েছে। বর্তমান নিউ ইয়র্ক হিসেবে পরিচিত যে স্বতন্ত্র প্রাকৃতিক বন্দরটি, সেটিকে স্পষ্টভাবে ‘অ্যাঙ্গুলেম’ নামে চিহ্নিত করা হয়েছে। ১৫৬৫ ও ১৬০৬ সালে মানচিত্রটি পুনর্মুদ্রণ করা হলেও, নামের কোনো পরিবর্তন করা হয়নি।

৩১ পরিবারের ছোট্ট একটি দল (সাকল্যে ১২০ জন) নিয়ে জাহাজ আসে উত্তর আমেরিকার আদিবাসী (স্থানীয় নাম লেন্নি লেনাপে) অধ্যুষিত ম্যানহাটন দ্বীপের ঘাটে। মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ‘পদ্মা নদীর মাঝি’ হোসেন মিঞার সেই ‘ময়না দ্বীপ’র মতো। নতুন জীবনের লোভ দেখিয়ে সমতল অসহায়দের নিয়ে যেত মাঝ দরিয়ায় ভেসে ওঠা অনুর্বর ময়না দ্বীপে।

হাডসনের জলপথ
১৬০৯ সাল। ডাচ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির পক্ষে উত্তর আমেরিকার মধ্য দিয়ে একটি জলপথ খোঁজার দায়িত্ব দেওয়া হয় নাবিক হেনরি হাডসনকে। হাফ মুন নামের জাহাজে ভেসে হাডসনের অনুসন্ধানী ভ্রমণ তাকে নিয়ে আসে নিউ ইয়র্ক হারবারে। আটলান্টিক সাগরের একটি মুখ এসে মিশেছে সেখানে। নিজের নামানুসারে হাডসন তার নাম দেন ‘হাডসন রিভার’।

নিউ আমস্টারডাম
১৬২৪ সাল। আজ থেকে ঠিক ৪০০ বছর আগে। সম্রাট জুলিয়াস সিজারের দিনপঞ্জি ফেলে দেয়ালে ঝুলছে গ্রেগরিয়ান ক্যালেন্ডার (পোপ ত্রয়োদশ গ্রেগরি)। যুক্তরাষ্ট্র তখনো আজকের ‘আমেরিকা’ হয়ে ওঠেনি। বিশাল ব্রিটিশ সাম্রাজ্যের ছোট্ট একটি লেজ মাত্র। ডাচদের (নেদারল্যান্ডস) সে সময় স্বর্ণযুগ। স্পেনের ৮০ বছরের ঔপনিবেশিক শেকল ভেঙে এক ছাতায় আসছে নেদারল্যান্ডসের সাত প্রদেশ (১৬৪৮ সালে পূর্ণাঙ্গ স্বাধীনতা)। দেশে দেশে তখন ফ্রান্স, স্পেন, ব্রিটেনের ঔপনিবেশিক রাজত্ব। বাণিজ্য প্রসারে সে পথেই পা বাড়ায় ডাচরাও। ‘ডাচ ওয়েস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি’র হাল ধরে বেরিয়ে পড়ে নতুন বসতি স্থাপনে। ৩১ পরিবারের ছোট্ট একটি দল (সাকল্যে ১২০ জন) নিয়ে জাহাজ আসে উত্তর আমেরিকার আদিবাসী (স্থানীয় নাম লেন্নি লেনাপে) অধ্যুষিত ম্যানহাটন দ্বীপের ঘাটে। মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ‘পদ্মা নদীর মাঝি’ হোসেন মিঞার সেই ‘ময়না দ্বীপ’র মতো। নতুন জীবনের লোভ দেখিয়ে সমতল অসহায়দের নিয়ে যেত মাঝ দরিয়ায় ভেসে ওঠা অনুর্বর ময়না দ্বীপে। বছর দুয়েক পর, ডাচ বসতিরা ততদিনে মিশে গেছে। ভূখণ্ড দখলের এ সুবর্ণ সুযোগ লুফে নিতে তিল-বিলম্ব করেনি ‘উনিশ জেন্টলম্যান’ বা ‘হীরেন ১৯’ পরিচালিত ডাচ শাসকগোষ্ঠী। ম্যানহাটনে ‘নতুন উপনিবেশ’ প্রতিষ্ঠার ভার দেন কোম্পানির বিচক্ষণ ও দায়িত্বশীল কর্তাব্যক্তি পিটার মিনুইটকে। ১৬২৬ সালের মে মাসের এক উজ্জ্বল দিনে নয়া বাণিজ্যের পসরা নিয়ে ম্যানহাটনে পৌঁছান মিনুইট। মাত্র ৬০ ডাচ গিল্ডার বা ২৪ ডলারের সমমূল্যের পুঁতি ও ছোটখাটো জিনিসের বিনিময়ে কিনে নেন ম্যানহাটন দ্বীপটি। রাজধানীর নামানুসারে নিজেদের নতুন ভূখণ্ডের নাম দেন নিউ আমস্টারডাম। তিনিই হন প্রথম গভর্নর। টানা চার বছর ছিলেন এ দায়িত্বে। ধীরে ধীরে উত্তর আমেরিকা, ক্যারিবীয় অঞ্চল এবং ইউরোপের বাণিজ্যিক কেন্দ্র হয়ে ওঠে নিউ আমস্টারডাম। ভৌগোলিক অবস্থানের কারণেও অন্যতম জনপ্রিয় গন্তব্যে পরিণত হয় বণিকদের। ডাচ, ডেনিশ, ইংরেজ, ফ্লেমিশ (বেলজিয়াম), ফরাসি, জার্মান, আইরিশ, ইতালীয়, নরওয়েজীয়, পোলিশ, পর্তুগিজ, স্কটিশ, সুইডিশ, ওয়ালুন এবং বোহেমিয়ান। দ্বীপে তখন প্রায় ১৮টি ভাষাভাষীর বিভিন্ন জাতিগোষ্ঠী। দূরদর্শী শাসন কৌশলে আদিবাসীদের বন্ধু হয়ে উঠেছিলেন গভর্নর মিনুইট। ছিলেন সতর্কও। কেউ যুদ্ধংদেহী; বিদ্রোহ দমনে কোম্পানির প্রকৌশলী ক্রাইন ফ্রেডরিককে নিয়ে একটি দুর্ভেদ্য দুর্গ নির্মাণ করান। দ্বীপের যেখানে পশম-ব্যবসায়ীদের ঘেরা কাঠামোটি ছিল; সেখানেই নির্মাণ করেন কেল্লা। নাম দেন ফোর্ট আমস্টারডাম। দেবদারু কাঠের বেষ্টনী দিয়ে ঘেরা বড় দুর্গ। এত বড় ছিল যে, বিপদে দ্বীপে সব মানুষ আশ্রয় নিতে পারত সেখানে । দুর্গের ভেতরে ছিল গভর্নরের বাড়ি। প্রাচীরের বাইরে পশম রাখার গুদামঘর। ছিল ঘোড়ার শক্তিতে চালিত কল। দ্বিতীয় তলায় একটি বড় ঘর, যা গির্জা হিসেবে ব্যবহৃত হতো। দ্বীপের নিচের জমিগুলোকে ভাগ করে দেন বিভিন্ন খামারে । যেগুলো তখন ‘বাউয়েরি’ নামে পরিচিত ছিল। খামারগুলোর মধ্য দিয়ে যে রাস্তা গিয়েছিল, তার নাম রাখা হয় বাউয়েরি লেন। আজ সেই একই রাস্তা ‘দ্য বাউয়েরি’ নামে পরিচিত। ১৬৪০ সালে বিশ্বের প্রথম ইহুদি উপাসনালয়ও নির্মিত হয় নিউ আমস্টারডামে।


ইতিহাসের পাতায় নিউ ইয়র্ক
নিউ আমস্টারডামের তখন রমরমা দিন। ডাচদের নিউ নেদারল্যান্ডসের রাজধানী। সমকালীন যুক্তরাষ্ট্রের নিউ ইয়র্ক, নিউ জার্সি, পেনসিলভানিয়া, মেরিল্যান্ড, কানেকটিকাট ও ডেলাওয়্যার নিয়ে গঠিত। নিউ আমস্টারডামের গভর্নর (ষষ্ঠ ডিরেক্টর জেনারেল) পিটার স্ট‍ুইভেসান্ট (১৬৪৭-৬৪)। ডাচ ওয়েস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির একনিষ্ঠ কর্মচারী। এক নৌযুদ্ধে পা হারানোয় তার একটি রুপায় বাধা কাঠের কৃত্রিম পা ছিল। যার কারণে ডাকনাম হয়েছিল ‘পেগ-লেগ পিট’ বা ওল্ড সিলভার ব্যান্ডস। শুধু বাণিজ্য নয়, ইহুদি ধর্মেরও সম্প্রসারণ ঘটতে থাকে তার সময়ে। অজান্তেই একটি বহুসাংস্কৃতিক সমাজ সৃষ্টি করেছিলেন তিনি। যেখানে শান্তিপূর্ণভাবে ব্যবসা পরিচালনার জন্য উপযুক্ত পরিবেশ ছিল। আত্মকেন্দ্রিক হয়ে ওঠেন অতিসুখে দিশেহারা বাসিন্দারা। কেউই তার কথা শুনছিল না। এসবের মধ্যেও নিউ নেদারল্যান্ডসকে আকর্ষণীয় করে তোলেন স্ট‍ুইভেসান্ট। চারদিকে ডাচদের জয়-জয়কার। রীতিমতো চক্ষুশূল হয়ে উঠল ব্রিটেনের। ১৬৬৪ সালের মার্চ মাস। রাজা দ্বিতীয় চার্লসের কাছে ডাচদের কাছ থেকে ডেলাওয়্যার এবং কানেকটিকাট নদীর মাঝের ভূমি দখল অনুমতি চান জেমস স্ট‍ুয়ার্ট। ডিউক অব ইয়র্ক। রাজার ছোট ভাই। রাজা সম্মতি দেন। তবে শর্ত ছিল, যথাযথ খাজনা দেবেন স্ট‍ুয়ার্ট। অভিযানের অর্থও সংগ্রহ করবেন নিজেই। তা-ই করেন স্ট‍ুয়ার্ট। ৪ রণতরী ও ১২০০ স্বর্ণের বিরাট বহর নিয়ে আটলান্টিক পাড়ি দিয়ে আগস্টে নোঙর করেন নিউ আমস্টারডামের কাছে। ৮ সেপ্টেম্বর সকাল ৮টায় বিনা রক্তপাতে দখল করে নেন নিউ আমস্টারডাম। নামানো হয় ডাচ পতাকা। ডিউক অব ইয়র্কের নামানুসারে হয় দ্বীপের নতুন নাম ‘নিউ ইয়র্ক’।

নিউ অরেঞ্জ
৯ আগস্ট, ১৬৭৩। তৃতীয় অ্যাংলো-ডাচ যুদ্ধের সময় নিউ ইয়র্ক পুনর্দখল করে নেয় নেদারল্যান্ডস। উইলিয়াম তৃতীয় অব অরেঞ্জের সম্মানে নতুন নাম হয় ‘নিউ অরেঞ্জ’। ২১ রণতরীর এক বিরাট ডাচ নৌবহর ইংরেজদের কাছ থেকে শহরটি দখল করে। নেতৃত্বে ছিলেন অ্যাডমিরাল কর্নেলিস এভার্টসেন দ্য ইয়াংগেস্ট এবং জ্যাকব বিনকেস। ১৬৭৪ সালে অবশ্য অঞ্চলটি আবার ইংল্যান্ডকে ফিরিয়ে দেয় ডাচরা।

১০ নভেম্বর ওয়েস্টমিনস্টার চুক্তির মাধ্যমে ইংরেজ নিয়ন্ত্রণে চলে আসে নিউ অরেঞ্জ। নাম বদলে আবার ফিরে আসে পুরাতনে— নিউ ইয়র্ক। পরে ১৭৮৩ সালে যুক্তরাষ্ট্র ও গ্রেট ব্রিটেনের মধ্যে একটি চুক্তি সই হয়। আনুষ্ঠানিকভাবে সমাপ্তি ঘটে আমেরিকান বিপ্লবের। স্বাধীনতা পায় যুক্তরাষ্ট্র। এর ফলে যুক্তরাষ্ট্রের প্রথম রাজধানী শহরে পরিণত হয় নিউ ইয়র্ক। পরে ১৯৮৭ সালে ১১তম অঙ্গরাজ্যের স্বীকৃতি পায় নিউ ইয়র্ক।

যুক্তরাষ্ট্রনিউ ইয়র্কইতিহাসস্পেশাল-১
    শেয়ার করুন:
    advertisement
    advertisement
    শিবির নেতার কক্ষে দুই শিক্ষার্থী আটক, যা বললেন সর্বমিত্র চাকমা

    শিবির নেতার কক্ষে দুই শিক্ষার্থী আটক, যা বললেন সর্বমিত্র চাকমা

    ০২ আগস্ট ২০২৬, ০০:০৭

    ইরাকে মার্কিন নাগরিকদের সতর্কবার্তা যুক্তরাষ্ট্রের

    ইরাকে মার্কিন নাগরিকদের সতর্কবার্তা যুক্তরাষ্ট্রের

    ০২ আগস্ট ২০২৬, ০০:১৮

    বড় ভাইয়ের হাতে খুন ছোট ভাই

    বড় ভাইয়ের হাতে খুন ছোট ভাই

    ০২ আগস্ট ২০২৬, ০১:২৫

    লন্ডনে প্রথমবার আরবি সংগীত উৎসব

    লন্ডনে প্রথমবার আরবি সংগীত উৎসব

    ০২ আগস্ট ২০২৬, ০১:২৯

    অনেক দিন পর গানে...

    অনেক দিন পর গানে...

    ০২ আগস্ট ২০২৬, ০১:২৬

    ইরানে পারমাণবিক স্থাপনায় হামলার পরিকল্পনা যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের

    ইরানে পারমাণবিক স্থাপনায় হামলার পরিকল্পনা যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের

    ০২ আগস্ট ২০২৬, ০২:০১

    প্রধানমন্ত্রীকে নিয়ে কটূক্তিকারীদের জনগণই শায়েস্তা করবে : যুবদল সভাপতি

    প্রধানমন্ত্রীকে নিয়ে কটূক্তিকারীদের জনগণই শায়েস্তা করবে : যুবদল সভাপতি

    ০২ আগস্ট ২০২৬, ০১:৫৭

    ইউরোপীয় কমিশনের পিআইসি নিবন্ধন পেল কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়

    ইউরোপীয় কমিশনের পিআইসি নিবন্ধন পেল কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়

    ০২ আগস্ট ২০২৬, ০২:৩৪

    আলুচাষিদের জন্য কৃষক কার্ড চায় বিসিএসএ

    আলুচাষিদের জন্য কৃষক কার্ড চায় বিসিএসএ

    ০২ আগস্ট ২০২৬, ০২:৫১

    হাসপাতালে কাতরাচ্ছে দুই শিশু, জানে না মারা গেছে মা

    হাসপাতালে কাতরাচ্ছে দুই শিশু, জানে না মারা গেছে মা

    ০২ আগস্ট ২০২৬, ০৩:১২

    অন্তর্বর্তী সরকার তরুণদের ভুল পথে ‘গাইড’ করেছে

    অন্তর্বর্তী সরকার তরুণদের ভুল পথে ‘গাইড’ করেছে

    ০২ আগস্ট ২০২৬, ০৩:০৬

    ভিটামিন ডি-এর গুরুত্ব

    ভিটামিন ডি-এর গুরুত্ব

    ০২ আগস্ট ২০২৬, ০৩:০৮

    মর্নিং স্টার

    মর্নিং স্টার

    ০২ আগস্ট ২০২৬, ০৩:২১

    ‘আমি ইরানের মুদ্রার মান ধ্বংস করছি’

    ‘আমি ইরানের মুদ্রার মান ধ্বংস করছি’

    ০২ আগস্ট ২০২৬, ০৪:০৪

    মাস্টারপ্ল্যানের ৮০ ভাগ হয়নি বাস্তবায়ন

    মাস্টারপ্ল্যানের ৮০ ভাগ হয়নি বাস্তবায়ন

    ০২ আগস্ট ২০২৬, ০৩:৫৪

    advertiseadvertise