অভিজ্ঞ শিক্ষকদের ভরাডুবি, এমসিকিউতে ফেল ৭১ শতাংশ প্রার্থী

গ্রাফিক্স: আগামীর সময়
দেশের বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রধান (অধ্যক্ষ, উপাধ্যক্ষ, প্রধান শিক্ষক ও সুপার) নিয়োগে প্রথমবারের মতো প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার উদ্যোগ নেয় সরকার। সেই ধারাবাহিকতায় সম্প্রতি এমসিকিউ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। প্রকাশিত ফলাফলে দেখা গেছে, অভিজ্ঞ শিক্ষকদের বড় একটি অংশ এ পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে পারেননি।
বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ (এনটিআরসিএ) জানায়, পরীক্ষায় পাসের হার মাত্র ২৮ দশমিক ৯১ শতাংশ। অর্থাৎ অংশগ্রহণকারী প্রার্থীদের প্রায় ৭১ শতাংশ এমসিকিউ পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে ব্যর্থ হয়েছেন।
সারাদেশে ১২ হাজারের বেশি শূন্য পদের বিপরীতে আবেদন করেন ৫৩ হাজার ৬৯ জন। এর মধ্যে গত ১৮ এপ্রিল অনুষ্ঠিত পরীক্ষায় অংশ নেন ৪৮ হাজার ১৪৬ জন। পাস করেন ১৪ হাজার ৯৪২ জন। হিসাব অনুযায়ী প্রতি ১০০ জনে প্রায় ২৮ জনের কিছু বেশি প্রার্থী উত্তীর্ণ হয়েছেন, আর বাকি অধিকাংশই কাঙ্ক্ষিত নম্বর পাননি।
এ পরীক্ষায় অংশ নেওয়া অধিকাংশ প্রার্থীই বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কমপক্ষে ১৮ বছরের বেশি সময় ধরে কর্মরত। দীর্ঘ অভিজ্ঞতা থাকা সত্ত্বেও বিপুলসংখ্যক প্রার্থী অনুত্তীর্ণ হয়েছে।
ফলাফলের বিশ্লেষণে আরও দেখা গেছে, মোট আবেদনকারীর মধ্যে ৪ হাজার ৯২৩ জন পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেননি। যা মোটের প্রায় ৯ দশমিক ২৭ শতাংশ।
এনটিআরসিএ জানিয়েছে, উত্তীর্ণ প্রার্থীদের রোল নম্বর তাদের অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে (https://ntrca.gov.bd) প্রকাশ করা হয়েছে। পাশাপাশি টেলিটক বাংলাদেশ লিমিটেডের মাধ্যমে এসএমএসের মাধ্যমেও ফল জানানো হচ্ছে।
সংস্থাটি আরও জানায়, এমসিকিউ পরীক্ষায় উত্তীর্ণ প্রার্থীদের জন্য পরবর্তী ধাপে মৌখিক পরীক্ষার সময়সূচী শিগগিরই তাদের ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হবে।



