Agamir Somoy E-Paper
বুধবার, ১৯ আগস্ট, ২০২৬
আগামীর সময়
রোগীর জন্য রক্ত সংগ্রহে ছোটেন আইয়ুব
বুধবার, ১৯ আগস্ট, ২০২৬
আগামীর সময়
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • বিচিত্রা
  • চাকরি
  • ছবি
  • সাহিত্য
  • বিবিধ
  • ধর্ম
  • প্রবাস
  • ফ্যাক্টচেক
  • সোশ্যাল মিডিয়া
  • ধন্যবাদ
  • বিশেষ সংখ্যা
  • সর্বজনের গল্প
  • বিশেষ লেখা
EN
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • ইপেপার
  • EN
লোড হচ্ছে…

প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : আবদুস সাত্তার মিয়াজী

সম্পাদক : মোস্তফা মামুন

আগামীর সময়
আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগশর্তাবলিগোপনীয়তাআমরা

ইডিবি ট্রেড সেন্টার (লেভেল-৬ ও ৭), ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ানবাজার, ঢাকা-১২১৫

যোগাযোগ: ০৯৬৬৬ ৭৭১০১০

বিজ্ঞাপন: ০১৭৫৫ ৬৫১১৬৪

[email protected]

স্বত্ব © ২০২৬ | দৈনিক আগামীর সময়

advertiseadvertise
আগামীর সময় বিদেশ

আপস না ফের যুদ্ধ?

ডন
agamir somoy
প্রকাশ: ২২ এপ্রিল ২০২৬, ১৮:০৪
আপস না ফের যুদ্ধ?

প্রতীকী ছবি

যুক্তরাষ্ট্র-ইরান আলোচনার দ্বিতীয় দফা আয়োজনের সব প্রস্তুতি সম্পন্ন ইসলামাবাদে। কিন্তু কোটি টাকার প্রশ্ন— আদৌ হবে কি এই বৈঠক? এখনো ইরানের অংশগ্রহণ নিয়ে কাটেনি অনিশ্চয়তা। তেহরানের পক্ষ থেকে নেই নিশ্চিত সংকেত। মনে হচ্ছে, যুক্তরাষ্ট্র যদি ইরানের বন্দরগুলোয় আরোপিত অবরোধ না তোলে, তবে ইরানি প্রতিনিধিরা আসবেন না পাকিস্তানে।

অন্যদিকে, পরিস্থিতি শান্ত করতে বা সদিচ্ছার বার্তা দিতে যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে দেখা যায়নি অবরোধ তুলে নেওয়ার কোনো ইঙ্গিত। বরং ডোনাল্ড ট্রাম্প বলছেন, তার সামরিক বাহিনী ‘প্রস্তুত’। এমন প্রেক্ষাপটে ইরান জানিয়েছে, তারা ‘হুমকির মধ্যে’ কোনো আলোচনা করবে না।

ইরানের পক্ষ থেকে হরমুজ প্রণালিতে অবরোধের কারণে বড় ধরনের অস্থিরতা তৈরি হয়েছে বিশ্ব অর্থনীতিতে। আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় আহ্বান জানাচ্ছে, দ্রুত গুরুত্বপূর্ণ এই নৌপথ খুলে দিতে। তবে সংঘাতের সূচনা করেছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল— বলা হচ্ছে এমনটাই। তাই পরিস্থিতি স্বাভাবিক করার দায়িত্বও মূলত তাদের।

বর্তমান যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্ব হয়তো এই যুদ্ধ শুরুর ভুল স্বীকার করতে অনাগ্রহী। তবু আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক শান্তির স্বার্থে তাদের কঠোর অবস্থান থেকে সরে এসে ইরানের ওপর বন্দর অবরোধ তুলে নেওয়া উচিত। এর প্রতিদানে তেহরানের উচিত হরমুজ প্রণালি দিয়ে জাহাজ চলাচল স্বাভাবিক করা। একই সঙ্গে লেবাননে ইসরায়েলি হামলা বন্ধ না হলে টিকিয়ে রাখা কঠিন হবে শান্তি প্রক্রিয়া।

এখন সামনে দুটি পথ— উভয়পক্ষ আপস করে যুদ্ধবিরতি বাড়াবে এবং সমঝোতার খসড়া তৈরি করবে ইসলামাবাদে বসে। অথবা যুদ্ধে ফিরে যাবে আবারও। এর বাইরে কার্যত আর কোনো বিকল্প নেই।

ইরানের পারমাণবিক ইস্যু নিয়ে বারবার কথা বলছে যুক্তরাষ্ট্র। মনে রাখতে হবে, এই সমস্যা অনেকটাই সমাধান হয়েছিল জয়েন্ট কমপ্রিহেনসিভ প্ল্যান অব অ্যাকশন বা জেসিপিওএর মাধ্যমে, যেটি ট্রাম্প তার প্রথম মেয়াদে বাতিল করেন। এমনকি সাম্প্রতিক সময়েও পারমাণবিক আলোচনায় অগ্রগতি হচ্ছিল, যুদ্ধ শুরুর আগে। তাই যুক্তরাষ্ট্র চাইলে শান্তিপূর্ণ উপায়ে এই সমস্যার সমাধান সম্ভব। কিন্তু যদি তারা হুমকি ও অবস্থান বদলের রাজনীতি চালিয়ে যায়, তবে একইভাবে প্রতিক্রিয়া জানাবে ইরানও।

ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের কিছু ধর্মীয় ডানপন্থি গোষ্ঠী ছাড়া আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় এই সংকটের শান্তিপূর্ণ সমাধান চায়। ট্রাম্পের উচিত হবে ইরানকে বোঝানো— যুক্তরাষ্ট্র আপস ও সমঝোতার জন্য প্রস্তুত। অন্যথায়, যদি তিনি আরও আগ্রাসী অবস্থান নেন, তবে যে বিশৃঙ্খলা তৈরি হবে, তার প্রধান দায়ভার বর্তাবে তারই ওপর।

মধ্যপ্রাচ্যপাকিস্তান
১
উগান্ডায় শিম্পাঞ্জিদের গৃহযুদ্ধ, শেষ হবে কবে?

উগান্ডায় শিম্পাঞ্জিদের গৃহযুদ্ধ, শেষ হবে কবে?

​উগান্ডার কিবালে ন্যাশনাল পার্কের গহীন জঙ্গলে এক সময় শিম্পাঞ্জিরা রাজত্ব করত মিলেমিশে। কিন্তু হঠাৎ করেই বদলে গেছে সেই চেনা দৃশ্য। বিশ বছর ধরে একসাথে থাকা শিম্পাঞ্জিরা এখন হয়ে দাঁড়িয়েছে একে অপরের জানের দুশমন। গবেষক অ্যারন স্যান্ডেল ২০১৫ সালের এক দুপুরে প্রথম লক্ষ্য করেন যে, শিম্পাঞ্জিরা একে অপরকে দেখ...

বিস্তারিত পড়ুন...

    শেয়ার করুন:
    Advertisement
    advertiseadvertise