সিউলে কে-মিয়ংদং ফেস্টায় প্রশংসিত দুই বাংলাদেশি শিল্পী

মিয়ংদং থিয়েটার স্কোয়ারে স্থানীয়দের সঙ্গে দুই বাংলাদেশি মূকাভিনয় শিল্পী। ছবি: সংগৃহীত
দক্ষিণ কোরিয়ার রাজধানী সিউলে চার দিনব্যাপী ‘২য় কে-মিয়ংদং ফেস্টা’য় মূকাভিনয় পরিবেশন করে প্রশংসা পেয়েছেন দুই বাংলাদেশি শিল্পী। মিয়ংদং থিয়েটার স্কোয়ারে আয়োজিত উৎসবটিতে চার দিনই একক ও বিশেষ পরিবেশনায় অংশ নেন আন্তর্জাতিক মূকাভিনয় শিল্পী মীর লোকমান। শেষ দুই দিন তার সঙ্গে মূল মঞ্চে যুক্ত হন দক্ষিণ কোরিয়ায় বসবাসরত বাংলাদেশি শিল্পী ও সংগঠক মাহবুব আলম।
‘ইউনাইটেড মিয়ংদং’ আয়োজিত উৎসবটি গত ১৭ সেপ্টেম্বর শুরু হয়ে ২০ সেপ্টেম্বর শেষ হয়। গ্রীষ্মকালীন পর্যটন মৌসুমকে কেন্দ্র করে আয়োজিত এ উৎসবে প্রতিদিন বিপুলসংখ্যক দেশি-বিদেশি পর্যটক ও স্থানীয় দর্শকের সমাগম ঘটে।
মিয়ংদং তথা সিউলের প্রাচীন আচার, সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যকে বিশ্ববাসীর কাছে তুলে ধরাই ছিল উৎসবের অন্যতম উদ্দেশ্য। চার দিনের আয়োজনে উন্মুক্ত মঞ্চ ও পথনাট্যের মঞ্চে বিভিন্ন সাংস্কৃতিক পরিবেশনা তুলে ধরা হয়। দক্ষিণ কোরিয়ার ঐতিহ্যবাহী খাবার, হস্তশিল্প, মৃৎ ও সিরামিক পণ্যের নানা স্টলও ছিল উৎসবের আকর্ষণ। পাশাপাশি ঐতিহ্যবাহী নাচ, গান, থিয়েটার ও মূকাভিনয়ের পরিবেশনা দর্শকদের নজর কাড়ে।
মীর লোকমানের একক মূকাভিনয়ের পাশাপাশি শেষ দুই দিনে মাহবুব আলমের সঙ্গে তার যৌথ পরিবেশনাও দর্শকদের প্রশংসা পায়। তাদের মূকাভিনয়ের শৈলী, অভিব্যক্তি ও বৈচিত্র্যময় বিষয়বস্তু উৎসবের আয়োজক কমিটির সদস্যদের পাশাপাশি আকৃষ্ট করে কোরিয়ান ও বিদেশি দর্শকদেরও।
দক্ষিণ কোরিয়ায় আয়োজিত আন্তর্জাতিক এ উৎসবে দুই বাংলাদেশি শিল্পীর অংশগ্রহণের মাধ্যমে বাংলাদেশের মূকাভিনয় ও সংস্কৃতির পরিচয় তুলে ধরার সুযোগ তৈরি হয়েছে বলে জানিয়েছেন আয়োজক ও প্রবাসী বাংলাদেশিরা।




