সিউলে বাংলাদেশ দূতাবাসে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালিত

বাংলাদেশের জাতীয় ইতিহাসে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ ‘জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস ২০২৬’ যথাযোগ্য মর্যাদায় পালন করেছে দক্ষিণ কোরিয়ার সিউলস্থ বাংলাদেশ দূতাবাস। ৭ নভেম্বর (শনিবার) দিবসটি উপলক্ষে দূতাবাসের সভাকক্ষে এক বিশেষ আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়।
দক্ষিণ কোরিয়ায় নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত তৌফিক ইসলাম শাতিল, এনডিসি-এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের প্রধানমন্ত্রীর জনপ্রশাসন বিষয়ক উপদেষ্টা (মন্ত্রী পদমর্যাদা) মোঃ ইসমাইল জবিউল্লাহ। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে অংশগ্রহণ করেন ময়মনসিংহ জেলা পরিষদের প্রশাসক ও বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) যুগ্ম মহাসচিব সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্স। এছাড়া দূতাবাসের সর্বস্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং কোরিয়ায় অবস্থানরত প্রবাসী বাংলাদেশিরা এতে স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশ নেন।
পবিত্র কোরআন তেলাওয়াতের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের সূচনা হয় এবং পরবর্তীতে দিবসটি উপলক্ষে মহামান্য রাষ্ট্রপতি ও মাননীয় প্রধানমন্ত্রী কর্তৃক প্রদত্ত বাণী পাঠ করে শোনানো হয়। আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রীর জনপ্রশাসন বিষয়ক উপদেষ্টা মোঃ ইসমাইল জবিউল্লাহ ১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বরের ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট তুলে ধরে বলেন, জাতীয় ঐক্য, সংহতি ও সমৃদ্ধ দেশ গঠনে দল-মত নির্বিশেষে সম্মিলিত প্রচেষ্টার কোনো বিকল্প নেই। অন্যান্য বক্তারাও দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষা, গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ এবং রাষ্ট্রীয় অগ্রযাত্রায় দিবসটির গুরুত্বের ওপর বিস্তারিত আলোকপাত করেন।
সভাপতির বক্তব্যে রাষ্ট্রদূত তৌফিক ইসলাম শাতিল, এনডিসি শহিদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করেন। তিনি মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে দেশের সামগ্রিক উন্নয়ন, সমৃদ্ধি ও অগ্রযাত্রায় ইতিবাচক অবদান রাখার জন্য প্রবাসী বাংলাদেশিদের প্রতি আহ্বান জানান। একই সাথে প্রবাসে দেশের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করতে সকলকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার অনুরোধ করেন তিনি। অনুষ্ঠানের শেষ পর্যায়ে মহান মুক্তিযুদ্ধের সকল শহিদ এবং জুলাই গণঅভ্যুত্থানে আত্মদানকারী শহিদদের আত্মার মাগফেরাত, দেশের গণতান্ত্রিক ধারা বজায় রাখা ও উত্তরোত্তর সমৃদ্ধি কামনা করে বিশেষ মোনাজাত পরিচালনা করা হয়।



