নবীনদের বরণ করে নিল জবির জালালাবাদ ছাত্রকল্যাণ পরিষদ

সংগৃহীত ছবি
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে (জবি) বর্ণিল আয়োজনের মধ্য দিয়ে নবীনবরণ ও ১৬তম আবর্তনের শিক্ষার্থীদের বিদায়ী সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত হয়েছে। প্রাইম ব্যাংকের সহযোগিতায় বৃহত্তর সিলেট অঞ্চলের শিক্ষার্থীদের নিয়ে গঠিত সংগঠন ‘জালালাবাদ ছাত্রকল্যাণ পরিষদ’ এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করে। একই সঙ্গে অনুষ্ঠানে ডিনস অ্যাওয়ার্ডপ্রাপ্ত ও নিজ নিজ বিভাগে প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় স্থান অধিকারী সিলেটের শিক্ষার্থীদের হাতে বিশেষ সম্মাননা স্মারক তুলে দেওয়া হয়।
আজ বৃহস্পতিবার বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় অডিটোরিয়ামে কোরআন তেলাওয়াতের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের মূল আনুষ্ঠানিকতা শুরু হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. রইছ উদ্দিন। তিনি জানান, ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে কাজের সময় তিনি জালালাবাদ অ্যাসোসিয়েশন গঠন করেছিলেন এবং জগন্নাথ বিশ্ববদ্যালয়েও এর উদ্যোগে পাশে থেকেছেন। সবাইকে নিয়ে সামনের দিনে জালালাবাদের সুনাম অর্জনে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি।
বিশেষ অতিথি প্রাইম ব্যাংকের ফিন্যান্সিয়াল ইনক্লুশন বিভাগের প্রধান এম. এম. মাহবুব হাসান নবীনদের উদ্দেশে বলেন, শিক্ষার্থীদের বাস্তবমুখী দক্ষতা অর্জন করে বিশ্বমঞ্চে জায়গা করে নিতে হবে। প্রাইম ব্যাংক তরুণদের জন্য দক্ষতা উন্নয়নমূলক কাজ করে যাচ্ছে উল্লেখ করে তিনি সেগুলোতে অংশ নেওয়ার আহ্বান জানান।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন প্রয়াত প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার ব্যক্তিগত সহকারী মো. জিয়াউল ইসলাম মুন্না।
ডিনস অ্যাওয়ার্ডপ্রাপ্ত চার শিক্ষার্থী হলেন— সংগীত বিভাগের ১৩তম আবর্তনের সম্বিতা তালুকদার লতা, ১৪তম আবর্তনের স্বর্ণা রানী তালুকদার, শিক্ষা ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের ১৪তম আবর্তনের কামরুন নাহার লুবনা এবং ড্রয়িং অ্যান্ড পেইন্টিং বিভাগের পায়েল দাস অনীক। এ ছাড়া বিভিন্ন বিভাগে সেরা সাফল্য অর্জনকারীদের মধ্যে গণিত বিভাগে প্রথম হওয়া তনয় কৃষ্ণ দেব ও ড্রয়িং অ্যান্ড পেইন্টিং বিভাগে তৃতীয় হওয়া আবু জাকারিয়া সম্মাননা স্মারক গ্রহণ করেন।
অনুষ্ঠানের স্বাগত বক্তব্যে সংগঠনের সভাপতি মাজহারুল ইসলাম তানভীর অতিথিদের ধন্যবাদ জানিয়ে তুলে ধরেন, সিলেটি সংস্কৃতি সবার মাঝে ছড়িয়ে দিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্যান্য জেলা ছাত্রকল্যাণের প্রতিনিধিদেরও আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। নবীন শিক্ষার্থী পলটু তালুকদার তার উচ্ছ্বাস প্রকাশ করে জানান, এমন আয়োজনের মাধ্যমে নিজের এলাকার স্বজনদের সঙ্গে পরিচয়ের সুযোগ তৈরি হয়েছে।
প্রায় তিন হাজার শিক্ষার্থীর জন্য ছিল মধ্যাহ্নভোজ, বিভিন্ন পদের চা, আকর্ষণীয় উপহার ও লটারির মাধ্যমে শপিং কুপনের মতো ব্যতিক্রমী নানা আয়োজন।
বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাধ্যক্ষ ড. সাবিনা শরমিন, শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক ড. ইমরানুল হকসহ জালালাবাদ ছাত্রকল্যাণ পরিষদের শিক্ষকমণ্ডলী ও উপদেষ্টারা অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন। পুরো আয়োজনে মিডিয়া পার্টনার ছিল দৈনিক আগামীর সময়।





