‘মানহানি’ অন্তর্ভুক্তিতে অংশীজনের মতামত নেবে সরকার

সংগৃহীত ছবি
সাইবার সুরক্ষা আইনে গুজব, অপতথ্য ও মানহানির বিষয় অন্তর্ভুক্তিসহ সংশোধন করতে স্টেকহোল্ডারের (অংশীজন) মতামত নেবে সরকার। এজন্য ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়কে প্রধান করে সমন্বিত কমিটি গঠনের নির্দেশ দিয়েছে মন্ত্রিসভা। এতে আরও থাকছে স্বরাষ্ট্র; আইন, বিচার ও সংসদ; তথ্য ও সম্প্রচার এবং পররাস্ট্র মন্ত্রণালয়ের একজন করে প্রতিনিধি। সম্প্রতি আইনটির সংশোধনীর খসড়া অনুমোদনের জন্য তোলা হলে এই নির্দেশনা আসে বলে জানিয়েছে কয়েকটি সূত্র।
গত ১৯ জুন ‘ফিরছে পুরনো আমলের মানহানি!’ শিরোনামে সংবাদ প্রকাশ করে আগামীর সময়। প্রতিবেদনে বলা হয়, দুই মাসের মাথায় সংশোধন হচ্ছে সাইবার সুরক্ষা আইন-২০২৬। এর খসড়ায় যোগ করা হয়েছে আওয়ামী আমলের ‘মানহানিকর তথ্য’ বা মানহানির বিষয়টি। জাতিসংঘ ও দেশি-বিদেশি বিভিন্ন মানবাধিকার সংস্থার অনুরোধে সেটি বাদ দিয়ে অধ্যাদেশ করেছিল অন্তর্বর্তী সরকার। বিএনপি নেতৃত্বাধীন সরকার ক্ষমতায় আসার পর তা হুবহু বিল আকারে তোলা হয় জাতীয় সংসদে। পাস হয় গত ১০ এপ্রিল। এত অল্প সময়ে গুরুত্বপূর্ণ আইনটি সংশোধনের উদ্যোগ নেওয়ায় নানা শঙ্কার কথা বলছেন সংশ্লিষ্টরা।
তাদের মত, অপব্যবহার হতে পারে নতুন বিধানটির। রয়েছে মতপ্রকাশের স্বাধীনতা খর্বের শঙ্কাও।
সংশোধনীর খসড়ায় উল্লেখ আছে, সাইবার স্পেসে গুজব, অপতথ্য ও মানহানিকর তথ্য প্রকাশ বা প্রচার করলে তা অপরাধ। আর জড়িত ব্যক্তির সাত বছরের জেল বা গুনতে হবে ২৫ লাখ টাকা জরিমানা। পাশাপাশি বাধ্য করা যাবে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ক্ষতিকর ও মানহানিকর কনটেন্ট অপসারণে।




