Agamir Somoy E-Paper
শনিবার, ৩০ মে, ২০২৬
আগামীর সময়
সুনীল নিজেই ‘ভ্রাম্যমাণ লাইব্রেরি’
শনিবার, ৩০ মে, ২০২৬
আগামীর সময়
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • চট্টগ্রাম
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • বিচিত্রা
  • চাকরি
  • ছবি
  • সাহিত্য
  • বিবিধ
  • ধর্ম
  • প্রবাস
  • ফ্যাক্টচেক
  • সোশ্যাল মিডিয়া
  • ধন্যবাদ
  • বিশেষ সংখ্যা
  • সর্বজনের গল্প
EN
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • চট্টগ্রাম
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • ইপেপার
  • EN
লোড হচ্ছে…

প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : আবদুস সাত্তার মিয়াজী

সম্পাদক : মোস্তফা মামুন

আগামীর সময়
আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগশর্তাবলিগোপনীয়তাআমরা

ইডিবি ট্রেড সেন্টার (লেভেল-৬ ও ৭), ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ানবাজার, ঢাকা-১২১৫

যোগাযোগ: ০৯৬৬৬ ৭৭১০১০

বিজ্ঞাপন: ০১৭৫৫ ৬৫১১৬৪

[email protected]

স্বত্ব © ২০২৬ | দৈনিক আগামীর সময়

advertiseadvertise
আগামীর সময় জাতীয়

চট্টগ্রামে আসার আগে জিয়া কেন ঢাকায় ডেকেছিলেন দুই বিএনপি নেতাকে?

রমেন দাশগুপ্ত, চট্টগ্রাম
agamir somoy
প্রকাশ: ৩০ মে ২০২৬, ০৭:৪৪
চট্টগ্রামে আসার আগে জিয়া কেন ঢাকায় ডেকেছিলেন দুই বিএনপি নেতাকে?

গ্রাফিকস: আগামীর সময়

১৯৮১ সালের ২৯ মে। ঝড়-জলের দিনটিতে চট্টগ্রামে সফরে এসেছিলেন রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান। জীবনের শেষ দিন। চট্টগ্রাম থেকে আর ফিরতে পারেননি নিজ ঘরে প্রিয়জনদের কাছে। ফিরেছিলেন লাশ হয়ে। গভীর রাতে একদল বিপথগামী সেনা সদস্যের হাতে নির্মম খুনের শিকার হয়েছিলেন।

চট্টগ্রামের কাজির দেউড়িতে পাহাড়চূড়ায় ব্রিটিশের নান্দনিক স্থাপত্যশৈলীতে গড়া সার্কিট হাউসে দিনভর অনেকেই জিয়ার কর্মসূচির সঙ্গী হয়েছিলেন। তাদের প্রায় সকলেই কালের স্রোতে বিদায় নিয়েছেন। দুঃসহ স্মৃতি নিয়ে যে ক’জন বেঁচে আছেন, তাদের মধ্যে জাহাঙ্গীর আলম একজন। তিনি তখন বিএনপির চট্টগ্রাম শহর শাখার সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। বছর ঘুরে শোকাবহ দিনটি এলেই জিয়ার শেষ দিনের স্মৃতি হাতড়ে বেড়ান আশি পার করা মানুষটি। আগামীর সময়ের কাছে তুলে ধরেছেন সবিস্তারে।

আলাপে একটি গুরুত্বপূর্ণ তথ্য তুলে ধরলেন জাহাঙ্গীর আলম। জানালেন, প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান চট্টগ্রামে আসার তিন দিন আগে তাকে এবং শহর শাখা বিএনপির সভাপতি সলিমউল্লাহকে ঢাকায় ডেকে পাঠিয়েছিলেন।

কী কথা হয়েছিল জিয়ার সঙ্গে?

বললেন, ‘২৬ মে আমি আর সলিমউল্লাহ সাহেব ঢাকায় গিয়ে প্রেসিডেন্টের সঙ্গে দেখা করি। প্রেসিডেন্ট কড়া নির্দেশ দেন, ২৯ মে চট্টগ্রাম বিমানবন্দর এবং সার্কিট হাউসে আমরা যেন কোনো ধরনের লোকসমাগমের চেষ্টা না করি। আমরা একটু অবাক হই। হঠাৎ এমন নির্দেশনা কেন? শুধু এই কথা বলার জন্য আমাদের ঢাকায় ডাকা হলো?’

জাহাঙ্গীর আলম সেই রহস্যের মীমাংসা এখনো করতে পারেননি। তবে তার ধারণা, হত্যাকাণ্ডের শিকার হওয়ার আগে ‘কিছু একটা’ ষড়যন্ত্রের বিষয় আঁচ করতে পেরেছিলেন জিয়াউর রহমান।

‘তিনি যদি কিছু আঁচ করতে না পারেন, তাহলে তিন দিন আগে আমাদের ঢাকায় ডেকে নিয়ে গেলেন কেন? জনসমাগম করতে মানাই বা করলেন কেন?’

গোয়েন্দা সংস্থা জিয়াকে চট্টগ্রামে আসতে নিষেধ করেছিল, এমন তথ্যও মিলল জাহাঙ্গীরের কাছে, ‘যতটুকু জানি, এসবি-এনএসআই থেকে উনাকে চট্টগ্রামে আসতে মানা করা হয়েছিল। স্ট্রিক্টলি বলা হয়েছিল নট টু গো। উনি শোনেননি। আত্মবিশ্বাসী ছিলেন যে, উনার কেউ ক্ষতি করবে না।’

জাহাঙ্গীর স্বীকার করলেন, সার্কিট হাউসে একজন রাষ্ট্রপতিকে হত্যার মতো ষড়যন্ত্রের ছক আঁকার বিষয়টি চট্টগ্রামের বিএনপি নেতারা ঘুণাক্ষরেও বুঝতে পারেননি। তবে প্রেসিডেন্টের সঙ্গে আসা সামরিক একান্ত সহকারী (পিএস) কর্নেল মাহফুজের আচরণ রহস্যজনক ঠেকেছিল জাহাঙ্গীর আলমের কাছে। বললেন, ‘সার্কিট হাউসে দেখলাম, প্রেসিডেন্টের মিলিটারি পিএস কর্নেল মাহফুজের কাছে বারবার ফোন আসছে। আমি মাহফুজকে বলেছিলাম, আপনার টেলিফোনের জ্বালায় তো আমরা বসতে পারছি না। তিনি বললেন, টেলিফোন এলে আমাকে ওপরে লাইন দিয়ে দিয়েন। এটা আমি অবজার্ভ করেছি, তার কাছে এত টেলিফোন কেন আসছে। এই কর্নেল মাহফুজই হচ্ছে ষড়যন্ত্রের মূল নায়ক। পরে তো তার ফাঁসি হলো।’

হত্যাকাণ্ডের নির্মোহ তদন্ত হলে ষড়যন্ত্রের সঙ্গে জড়িত সবার মুখোশ উন্মোচন হতো বললেন তিনি, ‘এটার পূর্ণাঙ্গ তদন্ত হওয়া উচিত ছিল। আর্মির লোকজন মেরেছে এটা ঠিক আছে। আরও অনেক ফ্যাক্টর নিশ্চয় ছিল। এটার তো বেসামরিক তদন্ত হওয়া দরকার ছিল। কিন্তু করেনি, কেন করেনি সেটা তারাই ভালো জানে।’

একই প্রসঙ্গে আরও একটি তথ্য সামনে আনলেন জাহাঙ্গীর আলম। বলা হয়ে থাকে, চট্টগ্রামে বিএনপির অভ্যন্তরীণ কোন্দল মেটাতে এসে প্রাণ দিয়েছিলেন জিয়া। এটাকে সম্পূর্ণ মিথ্যাচার বললেন তিনি, ‘টোটালি ফলস। প্রোপাগান্ডা। চট্টগ্রামে এমন কোনো রাজনৈতিক বিরোধ ছিল না, যেটা মেটাতে জিয়াউর রহমানকে আসতে হবে। মিলিটারির যে অংশটা জিয়াকে হত্যা ও ষড়যন্ত্রে যুক্ত ছিল, তারাই এ প্রোপাগান্ডা ছড়িয়েছিল। বাস্তবে প্রেসিডেন্ট এসেছিলেন সরকারি সফরে।’

জিয়াবিহীন বিএনপি থেকে একসময় জাহাঙ্গীর আলমকেও সরে আসতে হয়েছিল। তিনি সরে এসেছিলেন নাকি ইতিহাসের গুরুত্বপূর্ণ সাক্ষী জাহাঙ্গীরকে সরে যেতে বাধ্য করা হয়েছিল, সেই প্রশ্নের সুনির্দিষ্ট জবাব মেলেনি তার কাছ থেকে।

১৯৭৫ সালে বাংলাদেশের রাজনীতিতে নানা পটপরিবর্তনের একপর্যায়ে ক্ষমতায় আসেন তৎকালীন সেনাপ্রধান জিয়াউর রহমান। পরে তিনি রাজনীতিতে এসে প্রথমে জাগদল এবং পরবর্তীতে বিএনপি প্রতিষ্ঠা করেন।

জিয়ার চট্টগ্রাম সফরের দিনটির বর্ণনা মিলল জাহাঙ্গীর আলমের ভাষ্যে, তুমুল বৃষ্টির মধ্যে ১৯৮১ সালের ২৯ মে সকাল ১০টার দিকে প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান সার্কিট হাউসে পৌঁছান। সঙ্গে ছিলেন স্থায়ী কমিটির সদস্য ডা. বদরুদ্দোজা চৌধুরী, ব্যারিস্টার নাজমুল হুদা, মহিবুল হাসান ও একজন নারী নেত্রী।

আগেই প্রেসিডেন্টের মিলিটারি অফিসার ১০ জন বিএনপি নেতার একটি তালিকা পাঠিয়েছিলেন সার্কিট হাউসে প্রেসিডেন্টকে রিসিভ করার জন্য। তালিকা অনুযায়ী সলিমউল্লাহ, আবদুল্লাহ আল নোমান, জাহাঙ্গীর আলম, ব্যারিস্টার আনিসুল ইসলাম মাহমুদসহ (পরবর্তীতে জাতীয় পার্টিতে যোগ দেন) ১০ জন নেতা যান জিয়াকে অভ্যর্থনা জানাতে।

সেদিন চট্টগ্রাম সফরের শুরু থেকেই জিয়াউর রহমান বেশ হাসিখুশি ছিলেন বলে জানালেন তিনি, ‘চা খেতে খেতে আমাদের বললেন, চট্টগ্রামকে আমি খুব বেশি ভালোবাসি। আমি এখানে একটি বাড়ি করব। তোমরা আমার জন্য একটি জায়গা দেখ। আমার দিকে তাকিয়ে বললেন, জাহাঙ্গীর, তোমাকে তো আমি বিএনপিতে রাখতে পারব না ভাই। আমি আইন করেছি, দুই সন্তানের বেশি নয়। তোমার তো তিন ছেলে, দুই মেয়ে। আমি হেসে জবাব দিই, স্যার, আপনি আইন করার আগেই আমার পাঁচ সন্তানের জন্ম হয়েছে।’

দিনভর দফায় দফায় প্রশাসনের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা ও পেশাজীবীদের সঙ্গে বৈঠক করেন প্রেসিডেন্ট জিয়া। পেশাজীবীদের সঙ্গে সন্ধ্যায় বৈঠক শুরুর পর শেষ করতে রাত হয়ে যায়। রাত সাড়ে ১১টা থেকে তিনি বিএনপি নেতাদের পৃথকভাবে একজন করে ভেতরে ডেকে চট্টগ্রামের সাংগঠনিক পরিস্থিতি জানলেন। রাত সাড়ে ১২টায় ভিআইপি কক্ষে ঢুকে যান। হঠাৎ আবার বের হয়ে জেলা প্রশাসককে নির্দেশ দিলেন, সলিমউল্লাহ ও জাহাঙ্গীর আলমকে গাড়িতে করে বাসায় পাঠানোর ব্যবস্থা করেন। ঝড়বৃষ্টির মধ্যে তাদের বাসায় পৌঁছাতে রাত ২টা বেজে যায়।

ভোররাতের দিকে টেলিফোনের শব্দে বিছানা থেকে ধড়মড়িয়ে ওঠেন জাহাঙ্গীর আলম, ‘আমাদের বিএনপি নেত্রী রোজি কবিরের ফোন। চট্টগ্রামের ভাষায় বললেন, বদ্দা, সার্কিট হাউসত বলে গোলাগুলি অর (বড়ভাই, সার্কিট হাউসে নাকি গোলাগুলি হচ্ছে)। আমি কী করব, কী বলব বুঝতে পারছিলাম না। রোজির ফোন রাখতে না রাখতেই আবার ফোন এল। বাগমনিরাম ওয়ার্ডের তৎকালীন কমিশনার আব্দুল মান্নান (প্রয়াত) ফোন করে একই কথা জানালেন, সার্কিট হাউসে গোলাগুলি হচ্ছে। সার্কিট হাউস থেকে তার বাসার দূরত্ব ৫০০ গজ।’

এরপর বাকলিয়ার বাড়ি থেকে একটি ট্যাক্সি ডেকে পৌঁছান পুরাতন গির্জা এলাকায় সলিমউল্লাহর বাসায়। তাকে ট্যাক্সিতে তুলে রওনা দিচ্ছিলেন। এমন সময় যুবদল নেতা একরামুল করিম এসে তাদের সঙ্গে ট্যাক্সিতে ওঠেন।

সার্কিট হাউসের অদূরে কাজির দেউড়ির মোড়ে পৌঁছার পর পুলিশ তাদের আটকে দেয় বলে জানালেন জাহাঙ্গীর। বললেন, ‘ট্রাফিক সার্জেন্ট কোথায় যাচ্ছি জানতে চাইলেন। আমরা সার্কিট হাউসে যাওয়ার কথা বললাম। সার্জেন্ট বললেন, ওখানে যেতে পারবেন না, প্রেসিডেন্ট শাহাদাত বরণ করেছেন। আর্মির লোকজন এসেছে, লাশ নিয়ে যাবে একটু পর।’

‘আমরা কিছু বলতে পারছিলাম না। বুঝতেও পারছিলাম না। রাতের মধ্যে কী হয়ে গেল! সারা শহর তখন থমথমে। খুনি জেনারেল মঞ্জুরের সমর্থক আর্মি সারা শহরে ঘুরছে। আমরা আত্মগোপনে চলে যাই।’

শুধু হত্যা করেই ক্ষান্ত নয়, জিয়ার লাশ গুমের চেষ্টাও হয়েছিল বললেন জাহাঙ্গীর আলম, ‘আর্মি সার্কিট হাউস থেকে লাশ নিয়ে যায়। আমরা কেউই জানতাম না লাশ কোথায়? তিন দিন পর জানা গেল, রাঙ্গুনিয়ায় পাহাড়ি জঙ্গলের ভেতর লাশ পাওয়া গেছে। তখন ব্রিগেডিয়ার হান্নান শাহ গিয়ে জিয়াউর রহমানের লাশ উদ্ধার করলেন। ক্যান্টনমেন্টে লাশের গোসল দিয়ে সেটা ঢাকায় পাঠিয়ে দেওয়া হলো।’

শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান
    শেয়ার করুন:
    ৪০ গরু কোরবানি দিয়ে অস্বচ্ছল নেতাকর্মীদের দিলেন মীর হেলাল

    ৪০ গরু কোরবানি দিয়ে অস্বচ্ছল নেতাকর্মীদের দিলেন মীর হেলাল

    ২৯ মে ২০২৬, ২২:৪৭

    ঢাকা সিটির ৬ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

    ঢাকা সিটির ৬ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

    ২৯ মে ২০২৬, ২২:৫১

    ব্রাশফায়ারে ঝাঁঝরা রাষ্ট্রপতি, ২০০ গজ দূরে আমি

    ব্রাশফায়ারে ঝাঁঝরা রাষ্ট্রপতি, ২০০ গজ দূরে আমি

    ৩০ মে ২০২৬, ০৭:৪৯

    মেসি জানে কোন পজিশন থাকতে হবে

    মেসি জানে কোন পজিশন থাকতে হবে

    ৩০ মে ২০২৬, ০০:২৩

    ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ‘বনলতা এক্সপ্রেস’ প্রদর্শনে আপত্তি কেন, নেপথ্যে কী?

    ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ‘বনলতা এক্সপ্রেস’ প্রদর্শনে আপত্তি কেন, নেপথ্যে কী?

    ২৯ মে ২০২৬, ২৩:০৩

    জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদাতবার্ষিকী আজ

    জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদাতবার্ষিকী আজ

    ৩০ মে ২০২৬, ০১:৪২

    নতুন প্রজন্মের তরুণীরাই পথ দেখাচ্ছে : ড. ইউনূস

    নতুন প্রজন্মের তরুণীরাই পথ দেখাচ্ছে : ড. ইউনূস

    ২৯ মে ২০২৬, ২৩:২৮

    সাংস্কৃতিক স্বাধীনতায় হুমকি হিসেবে দেখছে ঢাবি চলচ্চিত্র সংসদ

    সাংস্কৃতিক স্বাধীনতায় হুমকি হিসেবে দেখছে ঢাবি চলচ্চিত্র সংসদ

    ৩০ মে ২০২৬, ০০:০৭

    একক চীনা বাজারে নির্ভরতা, ডুবছে চামড়া খাত

    একক চীনা বাজারে নির্ভরতা, ডুবছে চামড়া খাত

    ২৯ মে ২০২৬, ২০:৩৯

    সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম তৃতীয় কোনো দেশে দেবে না ইরান

    সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম তৃতীয় কোনো দেশে দেবে না ইরান

    ৩০ মে ২০২৬, ০১:৫২

    মেঘনার চরে ঘুরতে গিয়ে দেড়শ পর্যটক আটকা

    মেঘনার চরে ঘুরতে গিয়ে দেড়শ পর্যটক আটকা

    ৩০ মে ২০২৬, ০০:৪৫

    গুপ্ত শব্দ প্রত্যাখ্যান করেছে জনগণ : ছাত্রশিবির সভাপতি

    গুপ্ত শব্দ প্রত্যাখ্যান করেছে জনগণ : ছাত্রশিবির সভাপতি

    ৩০ মে ২০২৬, ০০:২৬

    রেকর্ডের মালা সূর্যবংশীর তবে নায়ক গিল

    রেকর্ডের মালা সূর্যবংশীর তবে নায়ক গিল

    ৩০ মে ২০২৬, ০০:৩৭

    যুক্তরাষ্ট্র থেকে ৫০ হাজার কোটি ডলারের পণ্য কেনার প্রতিশ্রুতি নিয়ে চাপে ভারত

    যুক্তরাষ্ট্র থেকে ৫০ হাজার কোটি ডলারের পণ্য কেনার প্রতিশ্রুতি নিয়ে চাপে ভারত

    ৩০ মে ২০২৬, ০৩:৫৫

    ইরান চুক্তি নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবেন ট্রাম্প

    ইরান চুক্তি নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবেন ট্রাম্প

    ২৯ মে ২০২৬, ২২:৪০

    advertiseadvertise