বাংলাদেশ মার্কেটিং ডে
‘মার্কেটিং ইন দ্য এজ অব এআই’

সংগৃহীত ছবি
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার যুগে বিপণন খাতের নতুন সম্ভাবনা, উদ্ভাবন, পরিবর্তন ও ভবিষ্যৎ নেতৃত্বের নানা দিক নিয়ে অনুষ্ঠিত হয়েছে নবম বাংলাদেশ মার্কেটিং ডে ২০২৬। ‘মার্কেটিং ইন দ্য এজ অব এআই’ প্রতিপাদ্যে মার্কেটার্স ইনস্টিটিউট বাংলাদেশ (এমআইবি) এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।
গতকাল শুক্রবার রাজধানীর বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমিতে দিনব্যাপী অনুষ্ঠান উদ্বোধনের পর মূল প্রবন্ধ উপস্থাপনা, প্যানেল আলোচনা ও সাংস্কৃতিক পরিবেশনার আয়োজন করা হয়। এতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তানির্ভর বিপণনের ভবিষ্যৎ, ব্যবসায়িক প্রবৃদ্ধি, সৃজনশীলতা, ডিজিটাল রূপান্তর এবং আগামী দিনের বিপণন নেতৃত্ব নিয়ে আলোচনা করেন সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা।
অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন প্রধান অতিথি আকিজ ইনসাফ গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক শেখ জামিল উদ্দিন। বক্তব্যে তিনি ব্যবসা ও বিপণন খাতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ব্যবহার, সম্ভাবনা এবং চ্যালেঞ্জ তুলে ধরেন। তিনি বলেছেন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ব্যবহার বিপণন কার্যক্রমকে সহজ ও সাশ্রয়ী করলেও অনেক ক্ষেত্রে কাজের মান এবং সামঞ্জস্য বজায় রাখা কঠিন হয়ে পড়ে। বিভিন্ন ব্র্যান্ডের বিজ্ঞাপন নির্মাণ, পোশাকশিল্পের কাঁচামাল, তেলের মূল্য বিশ্লেষণসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে এআইয়ের ব্যবহার এবং এর ইতিবাচক ও নেতিবাচক দিক নিয়েও আলোচনা করেন তিনি।
এআইয়ের ভালো-মন্দ দুই দিক তুলে ধরে জামিল উদ্দিন বললেন, এটি হাতের ছুরির মতো। ছুরি দিয়ে ভালো কাজও করা যায়, আবার খারাপ কাজও করা যায়। বিষয়টি নির্ভর করে ব্যবহারকারীর উদ্দেশ্যের ওপর। একইভাবে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাও ভালো কাজে ব্যবহার করা উচিত, কোনো খারাপ উদ্দেশ্যে নয়।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন এমআইবির আহ্বায়ক ও ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. সৈয়দ ফরহাত আনোয়ার। তিনি বলছিলেন, বিশ্বের বড় দেশগুলোর তুলনায় বাংলাদেশ অত্যন্ত ঘনবসতিপূর্ণ হওয়ায় এখানে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা নিয়ে কাজ করার ব্যাপক সুযোগ রয়েছে। বাংলাদেশ থেকে এআইভিত্তিক নতুন উদ্ভাবন ও পরীক্ষামূলক উদ্যোগ সফল করে তা বিশ্বে ছড়িয়ে দেওয়া সম্ভব।
দিনব্যাপী আয়োজনে এমআইবির সাধারণ সম্পাদক এবং মার্কটেল কনসালটিং গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ড. শরিফুল ইসলাম দুলুসহ দেশের শীর্ষস্থানীয় করপোরেট ব্যক্তিত্ব, বিপণন বিশেষজ্ঞ, পেশাজীবী, উদ্যোক্তা, শিক্ষাবিদ ও তরুণ বিপণনকর্মীরা অংশ নেন।



