Agamir Somoy E-Paper
বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর, ২০২৬
আগামীর সময়
চা শ্রমিকদের ভরসা খাইরুন
বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর, ২০২৬
আগামীর সময়
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • বিচিত্রা
  • চাকরি
  • ছবি
  • সাহিত্য
  • বিবিধ
  • ধর্ম
  • প্রবাস
  • ফ্যাক্টচেক
  • সোশ্যাল মিডিয়া
  • ধন্যবাদ
  • বিশেষ সংখ্যা
  • সর্বজনের গল্প
  • বিশেষ লেখা
EN
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • ইপেপার
  • EN
লোড হচ্ছে…

প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : আবদুস সাত্তার মিয়াজী

সম্পাদক : মোস্তফা মামুন

আগামীর সময়
আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগশর্তাবলিগোপনীয়তাআমরা

ইডিবি ট্রেড সেন্টার (লেভেল-৬ ও ৭), ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ানবাজার, ঢাকা-১২১৫

যোগাযোগ: ০৯৬৬৬ ৭৭১০১০

বিজ্ঞাপন: ০১৭৫৫ ৬৫১১৬৪

[email protected]

স্বত্ব © ২০২৬ | দৈনিক আগামীর সময়

আগামীর সময় জাতীয়

দুর্নীতির শঙ্কায় ফেরত ৪৪৩৬ কোটির প্রকল্প

  • নানা প্রশ্নের উত্তরসহ প্রকল্প সংশোধনের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর
  • দুর্নীতি-অনিয়ম রোধে স্থানীয় মনিটরিং কমিটি গঠনের প্রস্তাব
  • কমিউনিটি ক্লিনিকে অতীতে অপব্যবহার ও ব্যর্থতা ছিল
হামিদ-উজ-জামান
হামিদ-উজ-জামান
agamir somoy
প্রকাশ: ২২ অক্টোবর ২০২৬, ০৮:৩০
দুর্নীতির শঙ্কায় ফেরত ৪৪৩৬ কোটির  প্রকল্প

গ্রাফিকস: আগামীর সময়

যক্ষ্মা, এইচআইভি, ম্যালেরিয়ার সংক্রমণসহ মৃত্যুহার কমাতে নানা কার্যক্রম বাস্তবায়ন করতে একটি প্রকল্পের অনুমোদন চেয়েছিল স্বাস্থ্য বিভাগ। একই সঙ্গে মা, নবজাতক এবং প্রধান অসংক্রামক রোগ-সম্পর্কিত অসুস্থতা ও মৃত্যুর হার কমানো-সংক্রান্ত একটি প্রকল্পেরও অনুমোদন চাওয়া হয়েছিল। গুরুত্বপূর্ণ হলেও স্বাস্থ্য খাতের এ দুটি উন্নয়ন প্রকল্প ফেরত দিয়েছে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক)। আর এর নেপথ্যের কারণ হিসেবে উঠে আসছে দুর্নীতির শঙ্কা এবং প্রকল্প প্রস্তাব নিয়ে নানা প্রশ্ন ওঠার বিষয়গুলো।

একনেকের একটি নির্ভরযোগ্য সূত্র আগামীর সময়কে এসব তথ্য নিশ্চিত করেছে। জানা গেছে, প্রকল্প দুটি বাস্তবায়নে ব্যয় ধরা হয়েছিল ৪ হাজার ৪৩৬ কোটি টাকা। এর মধ্যে সরকারি তহবিলের ৩ হাজার ২৪৪ কোটি ৬৫ লাখ এবং বিদেশি ঋণ ও অনুদান থেকে আসত বাকিটা। জনগুরুত্বপূর্ণ হলেও প্রকল্প দুটিতে দুর্নীতির শঙ্কা থাকায় এবং প্রকল্প প্রস্তাবে নানা প্রশ্নের সৃষ্টি হওয়ায় নেওয়া হয়েছে এমন সিদ্ধান্ত। গত ২৯ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠিত একনেক বৈঠকে নেওয়া সিদ্ধান্তের পর সম্প্রতি প্রস্তাব দুটি সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ে ফেরত দিয়েছে পরিকল্পনা কমিশন। তবে প্রশ্নের জবাবসহ প্রকল্প সংশোধন করে ফের একনেকে উপস্থাপনের নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী ও একনেক চেয়ারম্যান তারেক রহমান।

পরিকল্পনা সচিব এস এম শাকিল আকতারও আগামীর সময়কে প্রকল্প দুটির বিষয়ে বললেন। তার ভাষ্য, ‘অনেক ক্ষেত্রে বেশি ব্যয় ধরা হয়েছে। আবার বর্তমান কৌশলপত্রের সঙ্গে মিল ছিল কম। এসব কারণে প্রকল্প দুটি অনুমোদন দেওয়া হয়নি। তবে একনেকের নির্দেশনা ও পরামর্শ অনুযায়ী, ডিপিপি (উন্নয়ন প্রকল্প প্রস্তাব) সংশোধন করে পাঠালে ফের একনেকে উপস্থাপন করা হবে। এটুকু বলতে পারি, জনগুরুত্বের কথা চিন্তা করে অবশ্যই অনুমোদন দেওয়া হবে।’

একনেকে উপস্থাপন করা একটি প্রকল্প হলো, ‘ইন্টিগ্রেটেড হেলথ সিস্টেম রেসপন্স টু ফাইট এগেইনস্ট টিবি, এইচআইভি/এইডস অ্যান্ড ম্যালেরিয়া ইন বাংলাদেশ’। এটির মোট ব্যয় ধরা হয় ৪ হাজার ৩৯ কোটি ৬ লাখ টাকা। এর মধ্যে সরকারি তহবিলের ৩ হাজার ১৬৮ কোটি ৮৮ লাখ এবং দ্য গ্লোবাল ফান্ডের অনুদান থেকে ৮৭০ কোটি ১৭ লাখ টাকা ব্যয় করার লক্ষ্য ধরা হয়। অনুমোদন পেলে চলতি বছর থেকে ২০২৯ সালের জুনের মধ্যে এটি বাস্তবায়নের কথা ছিল স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের। প্রকল্পের মূল উদ্দেশ্য ছিল স্বাস্থ্য ব্যবস্থাপনার টেকসই উন্নয়নের মাধ্যমে যক্ষ্মা, এইচআইভি এবং ম্যালেরিয়া রোগের সংক্রমণ ও মৃত্যুহার কমাতে নানা কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা। এ ছাড়া প্রকল্পের প্রধান কার্যক্রমের মধ্যে ছিল জন্মনিয়ন্ত্রণ সামগ্রী কেনা, চিকিৎসা ও শল্যচিকিৎসা সামগ্রী কেনা, ওষুধ ও  ভ্যাকসিন কেনা, ৮ লাখ ৩৫ হাজার ৬৮০ জনকে পুষ্টি সহায়তা দেওয়া।

একনেক বৈঠকে ছিলেন এমন এক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, বৈঠকে প্রকল্পের বিষয়ে কথা বলেছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী ড. আবদুল মঈন খান। তিনি বললেন, ‘আলোচ্য প্রকল্পে অর্থ বরাদ্দ প্রায় ১০ গুণ বেশি হলেও এর আওতাভুক্ত জনগোষ্ঠী তুলনামূলকভাবে সীমিত। শুধু তিনটি রোগে আক্রান্ত জনগোষ্ঠীর চিকিৎসার জন্য প্রকল্পটি প্রস্তাব করা হয়েছে। লক্ষ্যমাত্রাভুক্ত জনগোষ্ঠীর বিবেচনায় প্রকল্পের ব্যয় বেশি বলে মনে হচ্ছে।’

বৈঠকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বললেন, ‘সেন্ট্রাল মেডিকেল সাপ্লাই ডিপোর কিছু কর্মকর্তার বিরুদ্ধে দুর্নীত দমন কমিশনের অনুসন্ধান চলছে। প্রকল্প থেকে যেন সিএমএসডি অযৌক্তিক লাভ না করতে পারে, সে বিষয়ে সতর্ক থাকতে হবে।’

অতীতে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বা অন্যান্য ফান্ডের আওতায় দেওয়া উন্নতমানের গাড়ি ও দামি সরঞ্জাম বহু হাসপাতালে অব্যবহৃত অবস্থায় পড়ে থাকার অভিযোগ করে তিনি এগুলো সুষ্ঠু ব্যবহার নিশ্চিত করার তাগিদ দেন। ম্যালেরিয়া ও টিবি নিয়ন্ত্রণের সুবিধা নির্দিষ্ট এলাকায় সীমাবদ্ধ না রেখে ৬৪টি জেলায় রেশনালাইজ করে পুরো দেশে সমানভাবে কার্যক্রম পরিচালনার প্রস্তাবও ছিল তার।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বললেন, ‘দেশে যক্ষ্মা ও এইচআইভি রোগীর সংখ্যা আশঙ্কাজনকভাবে বাড়ছে, যা চিকিৎসায় সরকারের দীর্ঘমেয়াদি সহায়তা প্রয়োজন। স্বাস্থ্য খাতে প্রকিউরমেন্ট বা কেনাকাটা শুধু (কেন্দ্রীয় ঔষধাগার) করে না, বরং স্বাস্থ্য অধিদপ্তর, জেলা হাসপাতাল ও উপজেলা লেভেলে স্বাধীনভাবে কেনাকাটা হয়। এ ছাড়া উপজেলা লেভেলের কমিটিতে সংসদ সদস্য, ডাক্তার ও গণ্যমান্য ব্যক্তিরা রয়েছেন; স্থানীয় জনগণের অংশগ্রহণ বাড়াতে প্রয়োজনে সরকারি সার্কুলার পরিবর্তন করা যেতে পারে।’

সবার কথা শুনে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান প্রকল্পটিতে বিজ্ঞাপন, কনফারেন্স এবং সেমিনার খাতে ব্যয়ের প্রস্তাব যৌক্তিকভাবে নির্ধারণ করা হয়েছে কি না, সে বিষয়ে প্রশ্ন তোলেন। উত্থাপিত সব প্রশ্নের উত্তর, কেনাকাটার অসংগতি দূর ও মনিটরিং ব্যবস্থা পুনর্নির্ধারণ করে পরবর্তী মিটিংয়ে ফের প্রকল্পটি উপস্থাপনের নির্দেশ দেন।

অন্য প্রস্তাবিত প্রকল্পটি হলো, ‘হেলথ সিস্টেম স্ট্রেনদেনিং থ্রো এমএনসিএইচ সার্ভিস ইমপ্রুভমেন্ট অ্যান্ড এনসিডিএস কন্ট্রোল’। এটি বাস্তবায়নে মোট ব্যয় ধরা হয়েছে ৩৯৬ কোটি ৮১ লাখ টাকা। এর মধ্যে সরকারি তহবিলের ৭৫ কোটি ৭৭ লাখ এবং জাপান আন্তর্জাতিক সহযোগিতা সংস্থার (জাইকা) ঋণ রয়েছে ৩২১ কোটি টাকা। অনুমোদন পেলে চলতি বছর থেকে ২০২৮ সালের জুনের মধ্যে এটি বাস্তবায়নের কথা স্বাস্থ্য অধিদপ্তর ও কমিউনিটি ক্লিনিক স্বাস্থ্যসহায়তা ট্রাস্টের। প্রকল্পের উদ্দেশ্য হলো— মা, নবজাতক এবং শিশু স্বাস্থ্যসেবা-সম্পর্কিত পরিষেবাগুলো এবং অসংক্রামক রোগ নিয়ন্ত্রণ উন্নত করার মাধ্যমে দেশের প্রাথমিক ও মাধ্যমিক স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থাকে শক্তিশালী করা— যাতে মা, নবজাতক এবং প্রধান অসংক্রামক রোগ-সম্পর্কিত অসুস্থতা ও মৃত্যুর হার কমে যায়।

একনেক বৈঠকে স্থানীয় সরকারমন্ত্রী ড. আবদুল মঈন খান এ প্রকল্পের বিষয়ে বললেন, ‘সরকারি স্বাস্থ্যসেবার প্রতি সাধারণ মানুষের আস্থার অভাব রয়েছে। ফলে মানুষ সামর্থ্যের বাইরে হলেও বেসরকারি হাসপাতাল বা বিদেশে চিকিৎসা নিতে বাধ্য হয়। প্রকল্পটি দরিদ্র জনগণের তৃণমূল পর্যায়ে স্বাস্থ্যসেবা দিতে খুবই গুরুত্বপূর্ণ। অতীতে কমিউনিটি ক্লিনিক ব্যবস্থার অপব্যবহার ও ব্যর্থতা বিবেচনা করে এবার সঠিকভাবে কার্যক্রম বাস্তবায়ন ও জনগণের আস্থা ফিরিয়ে আনা জরুরি।’

এ পরিপ্রেক্ষিতে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী বললেন, ‘প্রকল্পের ক্রয় কার্যক্রম, প্রশিক্ষণ ও ওষুধ সরবরাহে দুর্নীতি ও অনিয়ম রোধে স্থানীয় মনিটরিং এবং নিয়ন্ত্রণ কমিটি গঠন করা যেতে পারে। ইউনিয়ন পর্যায়ে ফ্যামিলি ওয়েলবিং সেন্টার স্থাপনের মাধ্যমে বাড়ি বাড়ি স্বাস্থ্য পরীক্ষার কার্যক্রম শুরু করা হবে।’

সমাজকল্যাণমন্ত্রী ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন অভিযোগ করে বললেন, ‘বিদ্যমান কমিউনিটি ক্লিনিকে দক্ষ ডাক্তারের অভাব রয়েছে এবং বিগত দিনে এসব ক্লিনিকে প্রশিক্ষিত জনবল নিয়োগের পরিবর্তে শুধু দলীয় লোক নিয়োগ দেওয়া হয়েছে, ফলে জনগণ কাঙ্ক্ষিত সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে।’

প্রধানমন্ত্রী প্রকল্পটিতে সব উপজেলা অন্তর্ভুক্ত না করা এবং অন্যান্য পরিবারকল্যাণ কর্মসূচির সঙ্গে দ্বৈততার বিষয় তুলে ধরে এটিকে ফের মূল্যায়ন করে কার্যক্রম পুনর্বিন্যাসের নির্দেশ দেন। তিনি বললেন, ‘প্রকল্পটিতে অর্থ ব্যয়ের সুফল যেন জনগণ পুরোপুরি পেতে পারে, তা নিশ্চিত করতে হবে। এজন্য  প্রস্তাবিত প্রকল্পটি অনুমোদন না দিয়ে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে আলোচনা করে প্রকল্পটি অধিকতর পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে পুনর্গঠন করা প্রয়োজন।’

যক্ষ্মাএইচআইভিম্যালেরিয়াদুর্নীতিপ্রধানমন্ত্রী
    আগামীর সময় ইপেপার
    শেয়ার করুন:
    স্বরাষ্ট্রের ক্ষমতায় পররাষ্ট্রের বাগড়া

    স্বরাষ্ট্রের ক্ষমতায় পররাষ্ট্রের বাগড়া

    হাত মিলিয়ে প্রধানমন্ত্রীর দিকে এগিয়ে যাওয়া রাজশাহীর বিভাগীয় কমিশনারকে স্ট্যান্ড রিলিজ

    হাত মিলিয়ে প্রধানমন্ত্রীর দিকে এগিয়ে যাওয়া রাজশাহীর বিভাগীয় কমিশনারকে স্ট্যান্ড রিলিজ

    পূজা শেষে বাড়ি ফিরছিলেন চার নারী, পথে স্বর্ণালংকার ছিনিয়ে নিল ডাকাতরা

    পূজা শেষে বাড়ি ফিরছিলেন চার নারী, পথে স্বর্ণালংকার ছিনিয়ে নিল ডাকাতরা

    ‘সবচেয়ে বেশি জাহান্নামে যাবে মিডিয়া কর্মী’ ফেসবুকে লিখলেন চিকিৎসক

    ‘সবচেয়ে বেশি জাহান্নামে যাবে মিডিয়া কর্মী’ ফেসবুকে লিখলেন চিকিৎসক

    দুই পা বিচ্ছিন্ন করে রাখা হয়েছিল ট্রাভেল ব্যাগে

    দুই পা বিচ্ছিন্ন করে রাখা হয়েছিল ট্রাভেল ব্যাগে

    নানাবাড়ি বেড়াতে গিয়ে পুকুরে ডুবে প্রাণ গেল শিশু হামজার

    নানাবাড়ি বেড়াতে গিয়ে পুকুরে ডুবে প্রাণ গেল শিশু হামজার

    ইশরাকের মন্ত্রিত্ব গেল, সেই ঘুণ্টিঘরের চিত্র কতটা বদলাল?

    ইশরাকের মন্ত্রিত্ব গেল, সেই ঘুণ্টিঘরের চিত্র কতটা বদলাল?

    সেই রমিজের বিরুদ্ধে এবার সাড়ে ৮ লাখ টাকা নেওয়ার অভিযোগ

    সেই রমিজের বিরুদ্ধে এবার সাড়ে ৮ লাখ টাকা নেওয়ার অভিযোগ

    গন্তব্যে পৌঁছানো হলো না মা–মেয়ের, পথেই সব শেষ

    গন্তব্যে পৌঁছানো হলো না মা–মেয়ের, পথেই সব শেষ

    দিনলিপি

    দিনলিপি

    ৩ বছরে সৌদিতে ৩৬৩ বিদেশির মৃত্যুদণ্ড কার্যকর, বাংলাদেশি কত?

    ৩ বছরে সৌদিতে ৩৬৩ বিদেশির মৃত্যুদণ্ড কার্যকর, বাংলাদেশি কত?

    প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য ধরে হাসনাতের পোস্টের কড়া জবাব স্নিগ্ধের

    প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য ধরে হাসনাতের পোস্টের কড়া জবাব স্নিগ্ধের

    নবীনগরে বল তুলতে পুকুরে নেমে প্রাণ গেল জমজ দুই ভাইয়ের

    নবীনগরে বল তুলতে পুকুরে নেমে প্রাণ গেল জমজ দুই ভাইয়ের

    ভারত যাওয়ার সময় যুব মহিলা লীগ নেত্রী আটক

    ভারত যাওয়ার সময় যুব মহিলা লীগ নেত্রী আটক

    পথশিশুদের জন্য ওমর ফারুকের ১২ বছরের লড়াই

    পথশিশুদের জন্য ওমর ফারুকের ১২ বছরের লড়াই