দুই পা বিচ্ছিন্ন করে রাখা হয়েছিল ট্রাভেল ব্যাগে
- যুবক গ্রেপ্তার
- হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত ধারালো চাপাতি উদ্ধার

ছবি: আগামীর সময়
কুড়িগ্রামের উলিপুরে মোকছেদ আলী ওরফে বাচ্চু মিয়া (৬০) হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদ্ঘাটনের দাবি করেছে পুলিশ। হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে রায়হান কবীর রাব্বী (২০) নামে এক যুবককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত ধারালো চাপাতি উদ্ধার করেছে পুলিশ।
বুধবার (২১ অক্টোবর) দুপুরে উলিপুর থানা কার্যালয়ে আয়োজিত এক প্রেস ব্রিফিংয়ে এসব তথ্য জানান অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (উলিপুর সার্কেলের অতিরিক্ত দায়িত্বে) মো. মাসুদ রানা।
পুলিশের প্রাথমিক তদন্ত অনুযায়ী, জমিজমা নিয়ে দীর্ঘদিনের বিরোধের জেরে পরিকল্পিতভাবে বাচ্চু মিয়াকে হত্যা করা হয়ে থাকতে পারে। পরে ঘটনা আড়াল করার উদ্দেশ্যে তার মরদেহের দুই পা বিচ্ছিন্ন করে একটি সবুজ ট্রাভেলিং ব্যাগে রাখা হয়েছিল বলে পুলিশের দাবি।
গ্রেপ্তার রায়হান কবীর রাব্বী একই গ্রামের মিঠু মিয়ার ছেলে এবং নিহত মোকছেদ আলী ওরফে বাচ্চু মিয়ার আপন ভাতিজার ছেলে নাতি।
পুলিশের দাবি, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে রাব্বী হত্যাকাণ্ডে নিজের সম্পৃক্ততার কথা স্বীকার করেছেন। পরে তার দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, ধরনীবাড়ী ইউনিয়নের আহসান হাবিবের বাড়ির পূর্ব পাশে একটি পুকুর থেকে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত ধারালো চাপাতি উদ্ধার করা হয়।
প্রেস ব্রিফিংয়ে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. মাসুদ রানা জানান, এ ঘটনায় অন্য কেউ জড়িত রয়েছেন কি না, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ। অন্য জড়িতদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। গ্রেপ্তার আসামিকে আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে পাঠানো হয়েছে।
উল্লেখ্য, উপজেলার ধরণীবাড়ি ইউনিয়নের কিশামত মধুপুর খামার গ্রামের পণ্ডিতপাড়া এলাকায় ভাতিজার বাড়ির একটি শয়নকক্ষ থেকে মঙ্গলবার ভোরে মোকসেদ আলী ওরফে বাচ্চু মিয়ার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। নিহত বাচ্চু মিয়া রংপুরের মাহিগঞ্জ থানার নব্দীগঞ্জ কলাবাড়ি এলাকার মৃত সজর উদ্দিন সরকারের ছেলে। তিনি রংপুর থেকে গ্রামের বাড়িতে বেড়াতে এসে ভাতিজা মিঠু মিয়ার বাড়িতে অবস্থান করছিলেন। সেই রাতে নিহতের ভাতিজার ছেলে রাব্বি মিয়া তাকে হত্যা করে পালিয়ে যান।





