Agamir Somoy E-Paper
বুধবার, ২১ অক্টোবর, ২০২৬
আগামীর সময়
পথশিশুদের জন্য ওমর ফারুকের ১২ বছরের লড়াই
বুধবার, ২১ অক্টোবর, ২০২৬
আগামীর সময়
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • বিচিত্রা
  • চাকরি
  • ছবি
  • সাহিত্য
  • বিবিধ
  • ধর্ম
  • প্রবাস
  • ফ্যাক্টচেক
  • সোশ্যাল মিডিয়া
  • ধন্যবাদ
  • বিশেষ সংখ্যা
  • সর্বজনের গল্প
  • বিশেষ লেখা
EN
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • ইপেপার
  • EN
লোড হচ্ছে…

প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : আবদুস সাত্তার মিয়াজী

সম্পাদক : মোস্তফা মামুন

আগামীর সময়
আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগশর্তাবলিগোপনীয়তাআমরা

ইডিবি ট্রেড সেন্টার (লেভেল-৬ ও ৭), ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ানবাজার, ঢাকা-১২১৫

যোগাযোগ: ০৯৬৬৬ ৭৭১০১০

বিজ্ঞাপন: ০১৭৫৫ ৬৫১১৬৪

[email protected]

স্বত্ব © ২০২৬ | দৈনিক আগামীর সময়

আগামীর সময় রাজধানী

ইশরাকের মন্ত্রিত্ব গেল, সেই ঘুণ্টিঘরের চিত্র কতটা বদলাল?

  • নতুন কৌশলে মাদক কেনাবেচা চলছে সেই আখড়ায়
  • মাদক কারবারিদের পাহারাদার বাধা দিচ্ছে
এমিল ইসলাম শাহীন
এমিল ইসলাম শাহীন
agamir somoy
প্রকাশ: ২১ অক্টোবর ২০২৬, ২১:৩১
ইশরাকের মন্ত্রিত্ব গেল, সেই ঘুণ্টিঘরের চিত্র কতটা বদলাল?

দেওয়ালের ওপাশ থেকে চলছে মাদক কেনাবেচা। ছবি: আগামীর সময়

‘কেন এসেছেন?’- হঠাৎই এই প্রশ্ন। তারপর মোবাইল ফোন কেড়ে নিল; দেখে নিল, কোনো ছবি কিংবা ভিডিও আছে কি না। এই অভিজ্ঞতা হলো পুরান ঢাকার গেণ্ডারিয়া রেলস্টেশন লাগোয়া এলাকায়, যা ঘুণ্টিঘর নামে মাদকের আখড়া হিসেবে এরই মধ্যে পেয়েছে পরিচিতি। স্থানীয়রা জানালেন, প্রশ্নকারী যুবকরা মাদক কেনাবেচায় জড়িত।

এই অভিজ্ঞতা মঙ্গলবারের, তার তিন দিন আগেই সেখানে মাদকবিরোধী অভিযানে গিয়েছিলেন স্থানীয় সংসদ সদস্য ইশরাক হোসেন। তিনি একই সঙ্গে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্বেও ছিলেন। তবে অভিযানের সময় হাতে অস্ত্র নিয়ে বিতর্কের মুখে মন্ত্রিসভা থেকে ইস্তফা দিতে হয়েছে তাকে।

গত সোমবার পুলিশ, এসআরবি এই ঘুণ্টিঘরে অভিযান চালিয়ে মাদক কেনাবেচার অভিযোগে কয়েকজনকে গ্রেপ্তারও করে। কিন্তু দুদিন পর সেখানে গিয়ে দেখা গেল, মাদকচক্রের দৌরাত্ম্য বন্ধ হয়নি, তবে বদলেছে কেনাবেচার কৌশল।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক স্থানীয় এক ব্যক্তি বললেন, ‘কিয়ামতের আগ পর্যন্ত মাদক ধ্বংস হইব না। এইটার শুধু রূপ পরিবর্তন হইব।’

নতুন কৌশলে বিক্রি

গেণ্ডারিয়া রেলস্টেশনের কাছেই ঘুণ্টিঘর নামে পরিচিত জায়গাটি। তবে স্টেশন থেকে দয়াগঞ্জ লেভেল ক্রসিং পর্যন্ত পুরো এলাকাতেই চলে মাদক কেনাবেচা। রেললাইনের দুই পাশে গড়ে ওঠা ছোট ছোট ঝুপড়ি ঘরে মাদক সেবন চলে। ঘরগুলোর আশপাশে পাহারায় থাকে মাদক কারবারিদের নিয়োজিত ব্যক্তিরা।

মঙ্গলবার গিয়ে দেখা যায়, রেললাইনের ওপরে বসে এবং তার দুইপাশে থাকা দেয়ালের ধারে বসে মাদক সেবন এবং বেচাকেনা করছে অনেকেই।

স্টেশন থেকে লেভেল ক্রসিং পর্যন্ত রেললাইনের দুই পাশের দেয়ালের ধারে দাঁড়িয়ে বা একটা অস্থায়ী ঘর তৈরি করে মাদক বিক্রি হতো বলে স্থানীয়রা জানান।

তবে অভিযানের পর পাল্টেছে বিক্রির চিত্র। এখন রেললাইনের পাশেই থাকা বিভিন্ন বাড়ির দেয়াল বা রেললাইনের দেয়ালে বসে চলছে কেনাবেচা।

সরেজমিন দেখা যায়, রেললাইনের দেয়ালের ওপরে একটি নির্দিষ্ট জায়গায় বসে আছেন কয়েকজন। তাদের কাছে অর্থ দিলেই মেলে ইয়াবা, হেরোইন, গাঁজা। তবে তারা সঙ্গে মাদক রাখেন না। টাকা দিলে চাহিদা অনুযায়ী মাদক দেয়ালের ওপাশের কোনো ঘর থেকে নিয়ে আসেন।

মূল মাদক বিক্রেতারা ধরাছোঁয়ার বাইরে থাকেন। পুলিশের অভিযান তার পর্যন্ত পৌঁছায় না। পুলিশ আসার খবর আগেই পেয়ে যান তারা, ফলে সহজেই পালিয়ে যেতে পারেন।

স্থানীয়রা জানায়, ফলে পুলিশ যাদের ধরতে পারে তারা শুধু মাদকের বাহক। মূল কারবারিরা ধরাছোঁয়ার বাইরেই থেকে যায়।

মাদক কারবারে কোনো পরিবর্তন আসেনি। ছবি: আগামীর সময়

কারবারির লোকজন পাহারায়

রেললাইনের পাশে আবার মাদক কারবারিদের লোকজন পাহারা দিচ্ছে। এমন কয়েকজন যুবক এই প্রতিবেদকসহ তার সহকর্মীদের আটকান।

রেললাইন ধরে মাদক কেনাবেচার চিত্র দেখতে দেখতে হাঁটার সময় ওই যুবকরা এসে প্রথমেই নানা প্রশ্ন শুরু করেন। এই প্রতিবেদকের হাতে থাকা মোবাইল ফোন নিয়ে লক খুলতে বলেন। লক খুলে দেওয়ার পর তল্লাশি করে দেখেন, এখানকার কোনো ছবি-ভিডিও আছে কি না?

পরে ফোন ফেরত দিয়ে দ্রুত চলে যেতে বলেন। রেললাইন ধরে কিছু দূর যাওয়ার পর আবার ফিরে আসতে দেখলে আবার আটকে দেয় ওই যুবকরা। গেণ্ডারিয়া মসজিদে যাওয়ার কথা বললে তারা সোজা স্টেশনের দিকে চলে যেতে বলে।

স্থানীয়দের অভিযোগ

মাদক কারবারিদের নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দাদের কেউ কথা বলতে চাইছিলেন না। তারা ভয় পাচ্ছিলেন। দু-একজন মুখ খুললেও কথা বলেছেন নাম প্রকাশ না করার শর্তে।

একজন বললেন, ‘মাদকের ছড়াছড়ির অবস্থা এখন ধরি মাছ না ছুঁই পানির মতো।’

মাদকবিরোধী অভিযানের পর মাদক কারবারিদের আনাগোনা কমেছে কিনা- প্রশ্নে তিনি বলেন, ‘তেমন উন্নতি হয়নি। অভিযানের আগের অবস্থাকে যদি শতভাগ ধরি, তাহলে বর্তমান অবস্থাকে ৯০ ভাগ ধরব। এই ১০ ভাগই কমেছে বলে মনে হয়।’

একই কথা বললেন সেখানকার এক দোকানি। তার ভাষ্য, ‘পুলিশ অভিযান চালালে এক দিন ঠিক থাকে, পরে আবার আগের মতোই হয়ে যায়।’

‘ঘুণ্টিঘর রেলগেট একদম পুরো মাদকের আস্তানা হয়ে গেছে। আমরা চাই, আমার এলাকা থেকে শুরু করে পুরো দেশেই মাদক একেবারে নির্মূল হয়ে যাক।’

স্থানীয় বাসিন্দা একজন নারী বললেন, ‘পুলিশ কয়েকজনকে ধরে নিয়ে যায়, কিছুদিন পরই দেখি আবার ফিরে এসেছে। পুলিশ কাউকে ধরার পর সে থানা থেকে ফিরে এলে মনে হয় পিএইচডি করে ফিরে এলো। আগের যেসব ভুলে হাজতে যায়, ফিরে এসে সেই ভুল আর করে না। ফলে তারা আরও বেপরোয়া হয়ে যায়।’

প্রকাশ্যেই চলে মাদক কারবার। ছবি: আগামীর সময়

মাদকচক্রে নারীরাও জড়িয়ে পড়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, ‘আমার বাসার সামনে থেকেই বিভিন্ন মাদকের কারবার হয়। ইদানীং এর বেশিরভাগই করছে নারীরা। কারণ তারাও জানে নারীদের পুলিশ সহজে আটকাতে পারবে না।’

‘আমি পুলিশকে কয়েকবার জানিয়েছি। পুলিশ গ্রেপ্তারও করেছে। কিন্তু পরিবার-পরিজনের ভয়ে এখন আর কাউকে জানাই না,’ বলেন এই নারী।

এই এলাকায় মাদক নির্মূল করতে হলে প্রশাসনের বড় ধরনের পদক্ষেপ লাগবে, বললেন আরেকজন। সেক্ষেত্রে স্থানীয়দের সহায়তা লাগবে বলেও মনে করেন তিনি।

পুলিশ যা বলছে

সরেজমিনে কেনাবেচা দেখা গেলেও পুুলিশের দাবি ভিন্ন। গেণ্ডারিয়া থানার ওসি মনিরুজ্জামান বললেন, ‘ঘুণ্টিঘর এলাকায় এখন আর কেনাবেচার লোকজন নাই। যারা আছেন তারা ভিখারি।’

সেখানে গিয়ে ভিন্ন চিত্র দেখার কথা জানালে তিনি বলেন, ‘আমাদের টহল টিম সেখানে আছে। এখন আর সেখানে মাদক কারবারি নেই।’

পূজার পর ঘুণ্টিঘর এলাকায় আরও পুলিশ মোতায়েন করা হবে এবং সার্বক্ষণিক নজরে রাখার ব্যবস্থা করা হবে বলে জানান ওসি।

অন্যদিকে ইশরাক হোসেন প্রতিমন্ত্রীর পদ ছাড়লেও তার নির্বাচনী এলাকায় (ঢাকা-৬) মাদকবিরোধী অভিযান চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দিয়ে রেখেছেন।

ইশরাক হোসেনঘুণ্টিঘরমাদক
    আগামীর সময় ইপেপার
    শেয়ার করুন:
    সৌদিতে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হওয়া সুইটির বাড়ি টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে

    সৌদিতে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হওয়া সুইটির বাড়ি টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে

    স্বরাষ্ট্রের ক্ষমতায় পররাষ্ট্রের বাগড়া

    স্বরাষ্ট্রের ক্ষমতায় পররাষ্ট্রের বাগড়া

    সৌদিতে সুইটি আক্তারের শিরশ্ছেদে মৃত্যুর খবর জানতো না পরিবার

    সৌদিতে সুইটি আক্তারের শিরশ্ছেদে মৃত্যুর খবর জানতো না পরিবার

    সৌদিতে শিরশ্ছেদ, গ্রেপ্তারের আগে ফেসবুকে যা লিখেছিলেন নজরুল

    সৌদিতে শিরশ্ছেদ, গ্রেপ্তারের আগে ফেসবুকে যা লিখেছিলেন নজরুল

    হাত মিলিয়ে প্রধানমন্ত্রীর দিকে এগিয়ে যাওয়া রাজশাহীর বিভাগীয় কমিশনারকে স্ট্যান্ড রিলিজ

    হাত মিলিয়ে প্রধানমন্ত্রীর দিকে এগিয়ে যাওয়া রাজশাহীর বিভাগীয় কমিশনারকে স্ট্যান্ড রিলিজ

    ইশরাক ইস্যুর মধ্যেই পুলিশকে না জানিয়ে ববি হাজ্জাজের নামে মাদকবিরোধী অভিযান

    ইশরাক ইস্যুর মধ্যেই পুলিশকে না জানিয়ে ববি হাজ্জাজের নামে মাদকবিরোধী অভিযান

    ৯৭ শতাংশ কাজ হয়ে যাওয়ার পর বাতিল হচ্ছে বিআরটি প্রকল্প

    ৯৭ শতাংশ কাজ হয়ে যাওয়ার পর বাতিল হচ্ছে বিআরটি প্রকল্প

    বিএনপির এমপি চাঁদ নিলেন আখচাষির প্রণোদনা

    বিএনপির এমপি চাঁদ নিলেন আখচাষির প্রণোদনা

    পূজা শেষে বাড়ি ফিরছিলেন চার নারী, পথে স্বর্ণালংকার ছিনিয়ে নিল ডাকাতরা

    পূজা শেষে বাড়ি ফিরছিলেন চার নারী, পথে স্বর্ণালংকার ছিনিয়ে নিল ডাকাতরা

    সৌদিতে মৃত্যুদণ্ড : ধন্দ নিয়েই শোকাতুর টাঙ্গাইলের সুইটির পরিবার

    সৌদিতে মৃত্যুদণ্ড : ধন্দ নিয়েই শোকাতুর টাঙ্গাইলের সুইটির পরিবার

    বহিষ্কার হলেন পদ দেওয়ার কথা বলে টাকা-খাসি নেওয়া সেই বিএনপি নেতা

    বহিষ্কার হলেন পদ দেওয়ার কথা বলে টাকা-খাসি নেওয়া সেই বিএনপি নেতা

    পদ দেওয়ার কথা বলে ১ লাখ টাকা ও ৩ খাসি নেওয়ার অভিযোগ বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে

    পদ দেওয়ার কথা বলে ১ লাখ টাকা ও ৩ খাসি নেওয়ার অভিযোগ বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে

    যাঁরা ভবিষ্যৎ গড়েন, তাঁরা কোথায়?

    যাঁরা ভবিষ্যৎ গড়েন, তাঁরা কোথায়?

    অতিরিক্ত ডিআইজির বাড়িতে অভিযান, আটক ৮৫

    অতিরিক্ত ডিআইজির বাড়িতে অভিযান, আটক ৮৫

    ‘সবচেয়ে বেশি জাহান্নামে যাবে মিডিয়া কর্মী’ ফেসবুকে লিখলেন চিকিৎসক

    ‘সবচেয়ে বেশি জাহান্নামে যাবে মিডিয়া কর্মী’ ফেসবুকে লিখলেন চিকিৎসক