আসিয়ানের আরও ঘনিষ্ঠ হতে চায় ঢাকা

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান- রয়টার্স
আসিয়ানের সঙ্গে আরও ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক চায় বাংলাদেশ। জোটটির সেক্টোরাল ডায়ালগ পার্টনার হতে চায় ঢাকা। সম্প্রতি মালয়েশিয়া সফরে এমনই জানালেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। মালয়েশিয়ার রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা বের্নামার প্রতিবেদনে উঠে এসেছে বিষয়টি।
আজ সোমবার মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিমের সঙ্গে যৌথ সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য রাখছিলেন তারেক রহমান। বলেছিলেন, বাংলাদেশ রিজিওনাল কমপ্রিহেনসিভ ইকোনমিক পার্টনারশিপ বা আরসিইপিতেও যোগ দিতে আগ্রহী।
প্রধানমন্ত্রী আরও বললেন, ‘আঞ্চলিক একীভূতকরণের ক্ষেত্রে বাংলাদেশের প্রচেষ্টায় মালয়েশিয়ার যে সমর্থন রয়েছে, তার জন্য আমি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি।’
এর আগে, উভয় নেতা সংস্কৃতি বিষয়ক সহযোগিতার ওপর একটি সমঝোতা স্মারক এবং সন্ত্রাসবাদ বিরোধী গবেষণা এবং বিনিয়োগ বাড়ানো ও সহজ করা সংক্রান্ত দুটি নোট বিনিময় করেন।
তারেক রহমান জানান, বাংলাদেশ পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়ে মালয়েশিয়ার সঙ্গে ধারাবাহিক ও ঘনিষ্ঠ সহযোগিতার অপেক্ষায়। এই সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর ও বিনিময় দুই দেশের সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় করবে এবং বজায় রাখবে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের ইতিবাচক ধারা।
‘আমরা পারস্পরিক সমৃদ্ধি, আঞ্চলিক শান্তি এবং আরও অন্তর্ভুক্তিমূলক আন্তর্জাতিক ব্যবস্থার লক্ষ্যে একসঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করার প্রত্যাশা করি,’ যোগ করেন সরকারপ্রধান।
তারেক রহমান মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিম ও তার স্ত্রীকে বাংলাদেশ সফরের জন্য ব্যক্তিগত আমন্ত্রণ জানিয়েছেন।
২০২৫ সালে মালয়েশিয়া ও বাংলাদেশের মধ্যে মোট বাণিজ্য ছিল ২.৮৪ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। বাংলাদেশে মালয়েশিয়ার মোট রপ্তানির পরিমাণ ছিল ২.৩৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। যার মধ্যে প্রধান রপ্তানি পণ্য ছিল পেট্রলিয়াম বা জ্বালানি পণ্য।
অন্যদিকে বাংলাদেশ থেকে আমদানির পরিমাণ ছিল ৫০০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার। যার প্রধান অংশজুড়ে ছিল তৈরি পোশাক, টেক্সটাইল এবং জুতা।
বিশ্বজুড়ে মালয়েশিয়ার ২৮তম বৃহত্তম বাণিজ্য অংশীদার বাংলাদেশ। মোট বাণিজ্যের পরিমাণ ১২.১৮ বিলিয়ন রিঙ্গিত। এছাড়া দক্ষিণ এশিয়া অঞ্চলে ভারতের পর বাংলাদেশ হলো মালয়েশিয়ার দ্বিতীয় বৃহত্তম বাণিজ্য অংশীদার, রপ্তানি গন্তব্য এবং আমদানির উৎস।






