নবম পে-স্কেলে কী কী নতুন
- কেউ পদোন্নতি না পেলেও একই গ্রেডে আট বছর থাকলে স্বয়ংক্রিয়ভাবে পরবর্তী উচ্চতর গ্রেডে বেতন পাবেন

গ্রাফিকস: আগামীর সময়
সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য বহুল প্রতীক্ষিত নবম পে স্কেল কাঠামোয় এসেছে বড় পরিবর্তন ও সুখবর। এতে চিকিৎসা, টিফিন, যাতায়াত এবং বিশেষ অঞ্চলের ভাতাসহ নানা আর্থিক সুবিধা উল্লেখযোগ্য হারে বাড়ানো হয়েছে। এর সঙ্গে প্রথমবারের মতো যোগ হয়েছে মোবাইল ফোন ভাতা ও প্রতিবন্ধী সন্তানদের জন্য বিশেষ ভাতা। আর কেউ পদোন্নতি না পেলেও একই গ্রেডে আট বছর থাকলে, সেই ব্যক্তি স্বয়ংক্রিয়ভাবে পরবর্তী উচ্চতর গ্রেডে বেতন পাবেন। এক্ষেত্রে অবশ্যই সার্ভিস রেকর্ড সন্তোষজনক হতে হবে। বর্তমানে ১০ বছর হওয়ার পর এ সুবিধা ভোগ করেন সংশ্লিষ্টরা। তবে স্বস্তির এই বাতাসের মধ্যে নববর্ষ ভাতা এবং নির্দিষ্ট কিছু এলাকার বাড়ি ভাড়ার হার কিছুটা কমেছে।
এমন বিধান রেখে গতকাল শনিবার চাকরি (বেতন ও ভাতাদি) আদেশ, ২০২৬ শিরোনামে নবম বেতন কাঠামোর প্রজ্ঞাপন জারি করেছে অর্থ মন্ত্রণালয়। কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ২০টি গ্রেডের বাইরে মন্ত্রিপরিষদ সচিব, মুখ্য সচিব, সিনিয়র সচিব ও সমমর্যাদার কর্মকর্তাদের মূল বেতন নির্ধারণ করা হয়েছে আলাদাভাবে। সেখানে মন্ত্রিপরিষদ সচিব, প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব ও সমমর্যাদার পদে বেতন হবে ১ লাখ ৭২ হাজার টাকা (নির্ধারিত)। এতদিন তাদের মূল বেতন ছিল ৮৬ হাজার টাকা (নির্ধারিত)। এ ছাড়া সিনিয়র সচিব ও সমমর্যাদার পদের বেতন হবে ১ লাখ ৬৪ হাজার টাকা (নির্ধারিত)। বর্তমানে তা ৮২ হাজার টাকা (নির্ধারিত)। নতুন বেতন কাঠামোয় গ্রেডভেদে সরকারি চাকরিজীবীদের প্রারম্ভিক মূল বেতন ১০০-১৪২ শতাংশ পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে। এর মধ্যে ১ থেকে ১১ নম্বর গ্রেডে মূল বেতন ১০০ শতাংশ এবং গ্রেড ১২ থেকে ২০ পর্যন্ত বেড়েছে ১১৫-১৪২ শতাংশ।
নবম জাতীয় বেতন স্কেলের আওতায় আসছেন না সরকারি চাকরিজীবীদের কয়েক শ্রেণির কর্মচারী ও শ্রমিক। নতুন বেতন স্কেলের আদেশে এসব কর্মচারী, শ্রমিক ও অন্যভাবে নিয়োগ পাওয়া ব্যক্তিদের এর আওতার বাইরে রাখা হয়েছে। তাদের জন্য পরে আলাদাভাবে স্কেল ঘোষণা করা হবে। আদেশ অনুযায়ী, বাংলাদেশ জুডিশিয়াল সার্ভিসে কর্মরত এবং প্রতিরক্ষা সার্ভিসে নিয়োজিত কর্মচারীরা এই স্কেলের বাইরে থাকবেন। পুলিশ বাহিনী ও বর্ডার গার্ড বাংলাদেশে (বিজিবি) নিয়োজিত কর্মচারীদের ক্ষেত্রেও একই বিধান রাখা হয়েছে।
এ ছাড়া রাষ্ট্রায়ত্ত শিল্প প্রতিষ্ঠানের শ্রমিক, শিক্ষানবিশ বা প্রশিক্ষণার্থী হিসেবে নিয়োগ পাওয়া ব্যক্তি ও আউটসোর্সিংয়ে কাজ করা কর্মীরাও নবম পে স্কেলের সুবিধা পাবেন না। পাশাপাশি দৈনিক ভিত্তিতে সাময়িক শ্রমিক নিয়োগ নীতিমালা, ২০২৫-এর আওতায় নিয়োগ পাওয়া শ্রমিকদেরও এই বেতন কাঠামোর বাইরে রাখা হয়েছে।
চুক্তিভিত্তিক ও খণ্ডকালীন কর্মীরাও নতুন পে স্কেলের আওতাভুক্ত নন। অর্থাৎ নিয়মিত পদে নিয়োগ পাওয়া সরকারি কর্মচারীদের জন্য যে নতুন বেতন কাঠামো নির্ধারণ করা হচ্ছে, এসব অস্থায়ী, চুক্তিভিত্তিক, প্রশিক্ষণার্থী ও বিশেষ শ্রেণির কর্মীদের ক্ষেত্রে তা সরাসরি প্রযোজ্য হবে না।
ভাতায় যেসব পরিবর্তন: নতুন বেতন কাঠামোয় চিকিৎসা ভাতায় বড় পরিবর্তন আনা হয়েছে। অষ্টম বেতন স্কেলে চিকিৎসা ভাতা মাসিক ১৫০০ টাকা ছিল। সেখান থেকে চাকরিজীবীদের বয়স ৫০ বছর পর্যন্ত মাসিক চিকিৎসা ভাতা ৩ হাজার এবং ৫০ বছরের বেশি বয়সীদের ক্ষেত্রে পিআরএল শেষ হওয়া পর্যন্ত মাসিক ৪ হাজার টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। এ ছাড়া অবসরে থাকা পেনশনভোগীরা ৫০ বছর পর্যন্ত মাসিক ৩ হাজার, ৫০-৬০ বছর পর্যন্ত ৪ হাজার এবং ৬০-৭০ বছর পর্যন্ত ৫ হাজার এবং ৭০ বছরের বেশি হলে সেটি ৬ হাজার টাকা হবে।
কমছে নববর্ষ ভাতা: এখন মূল বেতনের ১৫ শতাংশ হারে প্রতি বছর বাংলা নববর্ষ ভাতা পাবেন। তবে আগে এটি ২০ শতাংশ হারে ছিল। এ ছাড়া মাসিক নিট পেনশনগ্রহণকারী অবসরভোগী ও আজীবন পারিবারিক পেনশনভোগীরা (মূল পেনশনভোগীর প্রাপ্ত নিট পেনশনকে ভিত্তি ধরে) এই ভাতা প্রাপ্য হবেন।
টিফিন ভাতা: ১১তম থেকে ২০তম গ্রেডের কর্মচারীরা মাসিক ৫০০ টাকা টিফিন ভাতা পাবেন। অাগে এ ভাতার অঙ্ক ছিল ২০০ টাকা।
যাতায়াত ভাতা: ১১তম থেকে ২০তম গ্রেডের কর্মচারীর ক্ষেত্রে সিটি করপোরেশন এলাকায় কর্মস্থল হলে মাসিক ৬০০ টাকা হারে যাতায়াত ভাতা পাবেন। এক্ষেত্রে ভাড়া বাড়ছে ৩০০ টাকা।
মোবাইল ফোন ভাতা: পঞ্চম গ্রেড ও তদূর্ধ্ব কর্মকর্তাদের জন্য মাসে ৫০০ এবং ষষ্ঠ থেকে ২০তম গ্রেডের কর্মচারীদের জন্য ১৫০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
হাওর/দ্বীপ/চর ভাতা: হাওর বা চর এলাকায় দায়িত্ব পালনকারীরা সর্বোচ্চ ৫ হাজার টাকা ভাতা পাবেন।
পাহাড়ি ভাতা: পার্বত্য জেলাগুলোর জেলা সদর ও সদর উপজেলায় নিয়োগ পাওয়া সব কর্মচারী মূল বেতনের ২০ শতাংশ হারে সর্বোচ্চ ৫০০০ এবং অন্যান্য উপজেলার জন্য মূল বেতনের ২০ শতাংশ হারে সর্বোচ্চ ৫৫০০ টাকা মাসিক পাহাড়ি ভাতা পাবেন।
প্রতিবন্ধী সন্তানদের ভাতা: কোনো চাকরিজীবীর সন্তান প্রতিবন্ধী হলে মাসিক ৩ হাজার টাকা ভাতা পাবেন। এটি সর্বোচ্চ দুই সন্তানের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে।
এ ছাড়া স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি), আনসার, ফায়ার সার্ভিস, কোস্ট গার্ড, দুদক ও কারাগারের মতো ঝুঁকিপূর্ণ সেবায় নিয়োজিত নির্দিষ্ট পদের কর্মীদের জন্য আগের স্কেলের স্মারক অনুযায়ী ঝুঁকি ভাতা ও বিশেষ সুবিধা বহাল রাখা হয়েছে।
এনএসআই, ডিজিএফআই, এসএসএফ ও পিজিআরসহ বিশেষ সংস্থায় নিয়োজিত কর্মচারীদের জন্য আগের ভাতার পরিমাণের ওপর অতিরিক্ত ২০ শতাংশ যোগ করে দেওয়ার বিধান রাখা হয়েছে।
বাড়ি ভাড়া কমছে: ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশন এলাকায় চাকরি করা গ্রেড ২০-এর সর্বনিম্ন ধাপ থেকে গ্রেড ১৬-এর সর্বোচ্চ ধাপ পর্যন্ত বেতন পাওয়া চাকরিজীবীরা মূল বেতনের ৬০ শতাংশ হারে বাড়ি ভাড়া পাবেন। এটি আগে ছিল ৬৫ শতাংশ। এ ছাড়া গ্রেড ১৫-এর সর্বনিম্ন ধাপ থেকে গ্রেড ১০-এর সর্বোচ্চ ধাপ পর্যন্ত বেতন পাওয়া চাকরিজীবীরা পাবেন ৫০ শতাংশ। আগে পেতেন ৫৫ শতাংশ। গ্রেড ৯-এর সর্বনিম্ন ধাপ থেকে গ্রেড ৫-এর সর্বোচ্চ ধাপ পর্যন্ত বেতন পাওয়া চাকরিজীবীরা আগের মতো পাবেন ৪৫ শতাংশ। আর গ্রেড ৪-এর সর্বনিম্ন ধাপ থেকে গ্রেড ১ ও তদূর্ধ্ব গ্রেডের চাকরিজীবীরা ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশন এলাকায় মূল বেতনের ৪০ শতাংশ হারে বাড়ি ভাড়া পাবেন, যা আগে একই ছিল।
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে— খুলনা, রাজশাহী, চট্টগ্রাম, সিলেট, বরিশাল, নারায়ণগঞ্জ, কুমিল্লা, রংপুর, গাজীপুর, ময়মনসিংহ ও বগুড়া সিটি করপোরেশন এবং সাভার ও কক্সবাজার পৌর এলাকার জন্য বাড়ি ভাড়ার হার কিছুটা কম। এসব এলাকায় গ্রেড ২০-এর সর্বনিম্ন ধাপ থেকে গ্রেড ১৬-এর সর্বোচ্চ ধাপ পর্যন্ত বেতন পাওয়া চাকরিজীবীরা মূল বেতনের ৫০ শতাংশ হারে বাড়ি ভাড়া পাবেন। এখানে ৫ শতাংশ কমানো হয়েছে।
একই এলাকায় গ্রেড ১৫-এর সর্বনিম্ন ধাপ থেকে গ্রেড ১০-এর সর্বোচ্চ ধাপ পর্যন্ত বেতন পাওয়া চাকরিজীবীরা পাবেন ৪০ শতাংশ, আগে পেতেন ৪৫ শতাংশ। গ্রেড ৯-এর সর্বনিম্ন ধাপ থেকে গ্রেড ৫-এর সর্বোচ্চ ধাপ পর্যন্ত বেতন পাওয়া চাকরিজীবীরা পাবেন ৩৫ শতাংশ এবং গ্রেড ৪-এর সর্বনিম্ন ধাপ থেকে গ্রেড ১ ও তদূর্ধ্ব গ্রেডের চাকরিজীবীরা পাবেন মূল বেতনের ৩০ শতাংশ হারে বাড়ি ভাড়া।
অন্যান্য এলাকার জন্য গ্রেড ২০-এর সর্বনিম্ন ধাপ থেকে গ্রেড ১৬-এর সর্বোচ্চ ধাপ পর্যন্ত বেতন পাওয়া চাকরিজীবীরা মূল বেতনের ৪৫ শতাংশ হারে বাড়ি ভাড়া পাবেন। অাগে পেতেন ৫০ শতাংশ। গ্রেড ১৫-এর সর্বনিম্ন ধাপ থেকে গ্রেড ১০-এর সর্বোচ্চ ধাপ পর্যন্ত বেতন পাওয়া চাকরিজীবীরা পাবেন ৩৫ শতাংশ হারে। আগে পেতেন ৪০ শতাংশ। এখানে ৫ শতাংশ কমছে।
এ ছাড়া গ্রেড ৯-এর সর্বনিম্ন ধাপ থেকে গ্রেড ৫-এর সর্বোচ্চ ধাপ পর্যন্ত বেতন পাওয়া চাকরিজীবীরা ৩০ শতাংশ এবং গ্রেড ৪-এর সর্বনিম্ন ধাপ থেকে গ্রেড ১ ও তদূর্ধ্ব গ্রেডের চাকরিজীবীরা মূল বেতনের ২৫ শতাংশ হারে বাড়ি ভাড়া পাবেন বলে প্রজ্ঞাপনে জানানো হয়েছে।
নতুন বেতন কাঠামো গত ১ জুলাই থেকে ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত প্রথম ধাপ কার্যকর হবে। সেখানে নবম ও তদূর্ধ্ব গ্রেডের কর্মকর্তারা মূল বেতনের ৪০ শতাংশ এবং ১০-২০তম গ্রেডের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা ৫০ শতাংশ হারে পাবেন। গত ৩০ জুন আহরিত বা প্রাপ্য বেতনের সঙ্গে তা যুক্ত হবে।
নতুন বেতন কাঠামোর দ্বিতীয় ধাপ কার্যকর হবে ২০২৭ সালের ১ জানুয়ারি থেকে ৩০ জুন পর্যন্ত সময়ে। ওই সময় নবম ও তদূর্ধ্ব গ্রেডের কর্মকর্তারা নতুন বেতন কাঠামোয় বাড়তি মূল বেতনের ৭০ এবং ১০-২০তম গ্রেডের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা ৭৫ শতাংশ হারে পাবেন। আর সর্বশেষ ২০২৭ সালের ১ জুলাই থেকে বেতন বৃদ্ধির শতভাগ কার্যকর হবে। গত ১ জুলাই থেকে যেহেতু নতুন বেতন কাঠামো কার্যকর হয়েছে, তাই বকেয়া বেতনও পাবেন কর্মকর্তা-কর্মচারীরা।
এ ছাড়া ২০২৮ সালের ১ জানুয়ারি নতুন বেতন কাঠামোর অন্য সব ভাতা পাওয়া শুরু করবেন সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীরা। একইভাবে পেনশন সুবিধাভোগীরাও নতুন বেতন কাঠামোর সব সুবিধা পাবেন।
নতুন বেতন কাঠামোতে প্রথম থেকে দশম গ্রেড পর্যন্ত কর্মকর্তাদের মূল বেতন ১০০ শতাংশ পর্যন্ত বাড়বে। আর ১১তম থেকে ২০তম গ্রেডের সরকারি চাকরিজীবীদের মূল বেতন বাড়বে ১৪২ শতাংশ পর্যন্ত। আনুপাতিক হারে বিভিন্ন ধরনের ভাতাও বাড়বে।
নতুন বেতন কাঠামোর ২০টি গ্রেড: গ্রেড ১-এ প্রারম্ভিক মূল বেতন ৭৮ হাজার থেকে বেড়ে ১ লাখ ৫৬ হাজার; গ্রেড ২-এ ৬৬ হাজার থেকে বেড়ে ১ লাখ ৩২ হাজার; গ্রেড ৩-এ ৫৬ হাজার ৫০০ থেকে বেড়ে ১ লাখ ১৩ হাজার এবং গ্রেড ৪-এ ৫০ হাজার থেকে বাড়িয়ে ১ লাখ টাকা করা হয়েছে।
এভাবে ২০টি গ্রেডে বেতন নির্ধারণ করা হয়েছে নতুন বেতন কাঠামোয়। এর মধ্যে গ্রেড ৫-এ ৪৩ হাজার থেকে বেড়ে ৮৬ হাজার; গ্রেড ৬-এ ৩৫ হাজার ৫০০ থেকে বেড়ে ৭১ হাজার, গ্রেড ৭-এ ২৯ হাজার থেকে বেড়ে ৫৮ হাজার; গ্রেড ৮-এ ২৩ হাজার থেকে বেড়ে ৪৬ হাজার; গ্রেড ৯-এ ২২ হাজার থেকে বেড়ে ৪৪ হাজার এবং গ্রেড ১০-এ ১৬ হাজার থেকে বেড়ে ৩২ হাজার টাকা করা হয়েছে।
গ্রেড ১১-এ প্রারম্ভিক মূল বেতন ১২ হাজার ৫০০ থেকে দ্বিগুণ হয়ে ২৫ হাজার টাকা করা হয়েছে। গ্রেড ১২-এ ১১ হাজার ৩০০ থেকে বেড়ে ২৪ হাজার ৩০০; গ্রেড ১৩-এ ১১ হাজার থেকে বেড়ে ২৪ হাজার; গ্রেড ১৪-এ ১০ হাজার ২০০ থেকে বেড়ে ২৩ হাজার ৫০০ এবং গ্রেড ১৫-এ ৯ হাজার ৭০০ থেকে বেড়ে ২২ হাজার ৮০০ টাকা করা হয়েছে।
এ ছাড়া গ্রেড ১৬-এ ৯ হাজার ৩০০ থেকে ২১ হাজার ৯০০, গ্রেড ১৭-এ ৯ হাজার থেকে ২১ হাজার ৪০০; গ্রেড ১৮-এ ৮ হাজার ৮০০ থেকে ২১ হাজার; গ্রেড ১৯-এ ৮ হাজার ৫০০ থেকে ২০ হাজার ৫০০ এবং গ্রেড ২০-এ ৮ হাজার ২৫০ থেকে ২০ হাজার টাকা করা হয়েছে।



