Agamir Somoy E-Paper
শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
আগামীর সময়
কেঁচো সারে বগুড়ার লিমার বাজিমাত
শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
আগামীর সময়
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • বিচিত্রা
  • চাকরি
  • ছবি
  • সাহিত্য
  • বিবিধ
  • ধর্ম
  • প্রবাস
  • ফ্যাক্টচেক
  • সোশ্যাল মিডিয়া
  • ধন্যবাদ
  • বিশেষ সংখ্যা
  • সর্বজনের গল্প
  • বিশেষ লেখা
EN
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • ইপেপার
  • EN
লোড হচ্ছে…

প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : আবদুস সাত্তার মিয়াজী

সম্পাদক : মোস্তফা মামুন

আগামীর সময়
আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগশর্তাবলিগোপনীয়তাআমরা

ইডিবি ট্রেড সেন্টার (লেভেল-৬ ও ৭), ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ানবাজার, ঢাকা-১২১৫

যোগাযোগ: ০৯৬৬৬ ৭৭১০১০

বিজ্ঞাপন: ০১৭৫৫ ৬৫১১৬৪

[email protected]

স্বত্ব © ২০২৬ | দৈনিক আগামীর সময়

আগামীর সময় জাতীয়

তনু হত্যা

৩ ডিএনএর রহস্য হাফিজুরকে ঘিরে প্রশ্ন

শহিদুল ইসলাম রাজী
শহিদুল ইসলাম রাজী
agamir somoy
প্রকাশ: ১০ আগস্ট ২০২৬, ০৪:৫৪
৩ ডিএনএর রহস্য হাফিজুরকে ঘিরে প্রশ্ন

দশ বছরেও কাটেনি রহস্যের জট। শরীর ও পোশাকে পাওয়া তিন ব্যক্তির ডিএনএ যেন তনু হত্যার অন্ধকারে জ্বলে থাকা তিনটি অস্পষ্ট চিহ্ন। সেই চিহ্নের সঙ্গে গ্রেপ্তার সাবেক সেনাসদস্য হাফিজুর রহমানের ডিএনএর নমুনা না মেলায় তদন্তে যোগ হয়েছে নতুন রহস্য। আর পলাতক চার সন্দেহভাজনের মধ্যে দুজন দেশের বাইরে থাকায় তাদের ধরতে এখন ইন্টারপোলের সহায়তাও চাইছে পুলিশ।

সেদিন কুমিল্লা সেনানিবাসের ভেতরে টিউশনি করতে বেরিয়েছিলেন সোহাগী জাহান তনু। সেই যাওয়াই ছিল শেষ যাওয়া। ২০১৬ সালের ২০ মার্চ সন্ধ্যার পর নিখোঁজ হন তিনি। পরে সেনানিবাসের পাওয়ার হাউজের কাছে ঝোপের মধ্যে পাওয়া যায় তার নিথর দেহ। এরপর প্রায় এক দশক ধরে ঘুরপাক খাচ্ছে একই প্রশ্ন— কে হত্যা করেছিল তনুকে?

সময়ের সঙ্গে তদন্ত এগিয়েছে, বদলেছে তদন্ত সংস্থা, এসেছে নতুন নতুন তথ্য। কিন্তু হত্যার রহস্যের পর্দা সরেনি। বরং এখন তনুর শরীর ও পোশাকে পাওয়া তিন ব্যক্তির ডিএনএ নতুন করে সেই রহস্যকে আরও ঘনীভূত করেছে।

সিআইডির ফরেনসিক পরীক্ষায় তনুর শরীর ও পোশাক থেকে তিন ব্যক্তির ডিএনএ পাওয়া যায়। তদন্তকারীদের ধারণা, এসব ডিএনএ হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত করার গুরুত্বপূর্ণ সূত্র হতে পারে। সেই সূত্র ধরে সন্দেহভাজনদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে তৎপর হয় পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)।

কিন্তু এখন তদন্তে নতুন ধাক্কা এসেছে গ্রেপ্তার সাবেক সেনাসদস্য হাফিজুর রহমানের ডিএনএ পরীক্ষার প্রতিবেদনে। কারণ, তনুর শরীর ও পোশাকে পাওয়া ডিএনএর সঙ্গে হাফিজুরের ডিএনএর মিল পাওয়া যায়নি।

তিন ডিএনএ, পাঁচ সন্দেহভাজন: তদন্ত কর্মকর্তার আবেদনের পর আদালত চার সাবেক সেনাসদস্য ও এক বেসামরিক ব্যক্তির ডিএনএ পরীক্ষার নির্দেশ দেন। তাদের মধ্যে রয়েছেন সেনাবাহিনীর সাবেক সিনিয়র ওয়ারেন্ট অফিসার হাফিজুর রহমান, সাবেক সার্জেন্ট জাহিদুজ্জামান জাহিদ, সাবেক সেনাসদস্য
শাহীন আলম ও কুমিল্লার রাজাপাড়া এলাকার বাসিন্দা ফয়সাল আহমেদ রাব্বি। আরেক সেনাসদস্যের নাম তদন্তের স্বার্থে প্রকাশ করেনি পিবিআই।

এই পাঁচজনের মধ্যে এখন পর্যন্ত শুধু হাফিজুর রহমান গ্রেপ্তার হয়েছেন। বাকি চারজনের মধ্যে কয়েকজন দেশের বাইরে পালিয়ে গেছেন বলে তদন্ত সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।

তদন্ত সংশ্লিষ্টদের ভাষ্য, সেনাসদস্য জাহিদুজ্জামান জাহিদ, শাহীন আলম ও ফয়সাল আহমেদ রাব্বির বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া গেছে। জাহিদ ও শাহীনের সর্বশেষ অবস্থান হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর বলে জানা গেছে। তাদের দেশে ফেরাতে এবং গ্রেপ্তারে আন্তর্জাতিক পুলিশ সংস্থা ইন্টারপোলের সহযোগিতা চেয়েছে পিবিআই।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ও পিবিআই পরিদর্শক মো. তারিকুল ইসলাম বলেছেন, জাহিদ ও শাহীন দেশে নেই— এ তথ্য নিশ্চিত হওয়ার পর তাদের গ্রেপ্তারে ইন্টারপোলের সহায়তা চাওয়া হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে রেড নোটিস জারির আবেদন করা হয়েছে বলেও জানিয়েছেন তিনি।

ডিএনএ মেলেনি হাফিজুরের: তনুর শরীর ও পোশাক থেকে পাওয়া ডিএনএর সঙ্গে হাফিজুর রহমানের ডিএনএর মিল না পাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন তার আইনজীবী মুসলিম উদ্দিন ভূঁইয়া। তার ভাষ্য, সিআইডির ফরেনসিক প্রতিবেদনে হাফিজুরের ডিএনএর সঙ্গে তনুর শরীরে পাওয়া ডিএনএর মিল না থাকার বিষয়টি উল্লেখ রয়েছে। পুলিশ ওই প্রতিবেদন আদালতে জমা দিয়েছে। গত ১৭ জুন সিআইডির ফরেনসিক বিভাগ প্রতিবেদনটি দেয়। পরে ১৮ জুন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা মো. তারিকুল ইসলাম আদালতে প্রতিবেদনটি জমা দেন।

তবে ডিএনএ না মেলার পরও হাফিজুরকে কেন সন্দেহের তালিকায় রাখা হয়েছিল, সেটিও এখন তদন্তের গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন হয়ে দাঁড়িয়েছে।

তদন্ত সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, তনু হত্যার দুদিন আগে ১৮ মার্চ হাফিজুর রহমানের সঙ্গে মোবাইল ফোনে কথা হয়েছিল তনুর। এই যোগাযোগের সূত্র ধরেই প্রথমে তার বিষয়ে সন্দেহ তৈরি হয়েছে। এরপর তাকে একাধিকবার জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়।

জিজ্ঞাসাবাদে হাফিজুর তদন্ত কর্মকর্তাদের জানিয়েছেন, তনু সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। ক্যান্টনমেন্টের একটি অফিসিয়াল অনুষ্ঠানে তাকে পারফর্ম করার জন্য আমন্ত্রণ জানাতে ফোন করেছিলেন তিনি। কিন্তু তনু অনুষ্ঠানে অংশ নেননি। তাই ফোন করে অনুষ্ঠানে না আসার কারণ জানতে চেয়েছিলেন। তনু তাকে জানিয়েছিলেন, কিশোরগঞ্জে একটি অনুষ্ঠানে থাকার কারণে তিনি সেখানে যেতে পারেননি।

তদন্ত সংশ্লিষ্টদের মতে, তনুর বাবা কুমিল্লা সেনানিবাসে চাকরি করতেন। সে কারণে সেনানিবাসে তনুকে অনেকেই চিনতেন। বিভিন্ন অনুষ্ঠানেও তিনি অংশ নিতেন। আর ওয়ারেন্ট অফিসার হিসেবে হাফিজুরও এসব অনুষ্ঠান আয়োজন ও পরিচালনার কিছু দায়িত্ব পালন করতেন। সেই সূত্রে তনুর সঙ্গে তার যোগাযোগ থাকা অস্বাভাবিক ছিল না।

জামিন, স্থগিতাদেশ, আবার গ্রেপ্তার: হাফিজুর রহমানকে নিয়ে তদন্তের পাশাপাশি তার গ্রেপ্তার ও জামিন ঘিরেও ঘটেছে একাধিক ঘটনা। এর আগে গত ২১ এপ্রিল ঢাকার কেরানীগঞ্জের বাসা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে পিবিআই। পরদিন তার ডিএনএ নমুনা সংগ্রহের পর আদালতে হাজির করা হলে তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর হয়। জিজ্ঞাসাবাদ শেষে ২৫ এপ্রিল তাকে কারাগারে পাঠানো হয়। পরে ২ আগস্ট হাইকোর্ট থেকে ছয় মাসের অন্তর্বর্তীকালীন জামিন পান তিনি। ৪ আগস্ট কুমিল্লা কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে মুক্তি পান। এরপর হাইকোর্টের দেওয়া জামিন স্থগিত চেয়ে রাষ্ট্রপক্ষ আপিল বিভাগের চেম্বার আদালতে আবেদন করে। শুনানি শেষে চেম্বার বিচারপতি মো. রেজাউল হক জামিন স্থগিত করে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে হাফিজুর রহমানকে আত্মসমর্পণের নির্দেশ দেন। কিন্তু নির্ধারিত সময়ে তিনি আত্মসমর্পণ করেননি। পরে আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী তাকে আবার গ্রেপ্তার করে পিবিআই।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা মো. তারিকুল ইসলাম বললেন, আপিল বিভাগের চেম্বার আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী ৭ জুলাই সন্ধ্যা ৬টার মধ্যে হাফিজুর রহমানের কুমিল্লার আদালতে আত্মসমর্পণের কথা ছিল। তিনি তা না করায় আদালতের নির্দেশনার কপি হাতে পাওয়ার পর শনিবার সকালে কেরানীগঞ্জের বাসা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। কুমিল্লার আদালতে হাজির করা হলে তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়।

এক দশকেও উত্তর মেলেনি: ২০১৬ সালের ২০ মার্চ সন্ধ্যায় কুমিল্লা সেনানিবাসের একটি বাসায় টিউশনি করতে গিয়ে নিখোঁজ হন সোহাগী জাহান তনু। পরে পাওয়ার হাউজের কাছে ঝোপের মধ্যে তার মরদেহ পাওয়া যায়। পরদিন তনুর বাবা ইয়ার হোসেন কুমিল্লার কোতোয়ালি মডেল থানায় অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তিদের আসামি করে হত্যা মামলা করেন। তিনি তখন ক্যান্টনমেন্ট বোর্ডের অফিস সহায়ক হিসেবে কর্মরত ছিলেন।

হত্যার কারণ জানতে ২০১৬ সালের ৪ এপ্রিল ও ১২ জুন দুই দফা ময়নাতদন্ত করা হয়। কিন্তু কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ফরেনসিক বিভাগ তনুর মৃত্যুর সুনির্দিষ্ট কারণ জানাতে পারেনি।

এরপর বছর গড়িয়েছে। তদন্তের দায়িত্ব বদলেছে। এসেছে নতুন তথ্য, নতুন সন্দেহভাজন। তনুর শরীর ও পোশাকে পাওয়া তিনটি ডিএনএ এখন তদন্তের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সূত্রগুলোর একটি হয়ে উঠেছে। কিন্তু সেই ডিএনএ কার— তার উত্তর এখনো অজানা। আর হাফিজুর রহমানের ডিএনএ যখন সেই নমুনার সঙ্গে মেলেনি, তখন রহস্য আরও একধাপ গভীর হয়েছে। তনুর বাবা ইয়ার হোসেনের বিশ্বাস, মামলাটির সঠিক তদন্ত হলে এতদিনে হত্যার রহস্য উদঘাটিত হতো। সন্দেহভাজনদের গ্রেপ্তার করে জিজ্ঞাসাবাদ করা গেলে হত্যার নেপথ্যের সবকিছুই বেরিয়ে আসবে বলে আশা তার।

কুমিল্লাতনু হত্যা
    আগামীর সময় ইপেপার
    শেয়ার করুন:
    সিজারের পর নারীর মৃত্যু, অবহেলার অভিযোগ পরিবারের

    সিজারের পর নারীর মৃত্যু, অবহেলার অভিযোগ পরিবারের

    চূড়ান্ত সুপারিশের পরও নিয়োগপত্র পাননি রাজবাড়ীর ১০ প্রার্থী

    চূড়ান্ত সুপারিশের পরও নিয়োগপত্র পাননি রাজবাড়ীর ১০ প্রার্থী

    হাসিনার বিষয়ে আলোচনার মাধ্যমে সিদ্ধান্তে পৌঁছাবে বাংলাদেশ-ভারত, আশা যুক্তরাষ্ট্রের

    হাসিনার বিষয়ে আলোচনার মাধ্যমে সিদ্ধান্তে পৌঁছাবে বাংলাদেশ-ভারত, আশা যুক্তরাষ্ট্রের

    রেলওয়ের ৬ কোটি টাকার গোপন দর ফাঁস, কাজ সেই আফসারের হাতে

    রেলওয়ের ৬ কোটি টাকার গোপন দর ফাঁস, কাজ সেই আফসারের হাতে

    মা হারানো ছেলেটি হাসপাতাল থেকে বাসায় ফিরেছে

    মা হারানো ছেলেটি হাসপাতাল থেকে বাসায় ফিরেছে

    নবীনবরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হত্যাচেষ্টা মামলার আসামি, ক্ষোভ

    নবীনবরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হত্যাচেষ্টা মামলার আসামি, ক্ষোভ

    ১১ বোয়িং কেনার চুক্তি, বাংলাদেশকে নিয়ে ট্রাম্পের পোস্ট

    ১১ বোয়িং কেনার চুক্তি, বাংলাদেশকে নিয়ে ট্রাম্পের পোস্ট

    বেকারদের ‘শেষ আশ্রয়েও’ ভেরিফিকেশন বাধা, হতাশায় হাজারো তরুণ

    বেকারদের ‘শেষ আশ্রয়েও’ ভেরিফিকেশন বাধা, হতাশায় হাজারো তরুণ

    মাধবপুরে আ. লীগ নেতা গ্রেপ্তার, বৈষম্যবিরোধী মামলায় কারাগারে

    মাধবপুরে আ. লীগ নেতা গ্রেপ্তার, বৈষম্যবিরোধী মামলায় কারাগারে

    মারণাস্ত্র নয়, বিশ্ব বদলাবে মানবতায়

    মারণাস্ত্র নয়, বিশ্ব বদলাবে মানবতায়

    আমার শরীরে ৭০-৮০টি ইনজেকশন পুশ করা হয়েছে : গাজী সালাউদ্দিন

    আমার শরীরে ৭০-৮০টি ইনজেকশন পুশ করা হয়েছে : গাজী সালাউদ্দিন

    শেয়ার পার্কিং সফটওয়্যারে কারসাজি

    শেয়ার পার্কিং সফটওয়্যারে কারসাজি

    বিশ্বযুদ্ধের ছাই থেকে যেভাবে জাতিসংঘের জন্ম

    বিশ্বযুদ্ধের ছাই থেকে যেভাবে জাতিসংঘের জন্ম

    প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগে ভেরিফিকেশনের নামে হয়রানি করছে সরকার, অভিযোগ নাহিদের

    প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগে ভেরিফিকেশনের নামে হয়রানি করছে সরকার, অভিযোগ নাহিদের

    বরিশাল নগরীতে বালু সরবরাহের পাইপ অপসারণের নির্দেশ

    বরিশাল নগরীতে বালু সরবরাহের পাইপ অপসারণের নির্দেশ