Agamir Somoy E-Paper
বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর, ২০২৬
আগামীর সময়
সোয়া লাখ গাছ লাগিয়েছেন রাজ্জাক
বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর, ২০২৬
আগামীর সময়
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • বিচিত্রা
  • চাকরি
  • ছবি
  • সাহিত্য
  • বিবিধ
  • ধর্ম
  • প্রবাস
  • ফ্যাক্টচেক
  • সোশ্যাল মিডিয়া
  • ধন্যবাদ
  • বিশেষ সংখ্যা
  • সর্বজনের গল্প
  • বিশেষ লেখা
EN
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • ইপেপার
  • EN
লোড হচ্ছে…

প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : আবদুস সাত্তার মিয়াজী

সম্পাদক : মোস্তফা মামুন

আগামীর সময়
আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগশর্তাবলিগোপনীয়তাআমরা

ইডিবি ট্রেড সেন্টার (লেভেল-৬ ও ৭), ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ানবাজার, ঢাকা-১২১৫

যোগাযোগ: ০৯৬৬৬ ৭৭১০১০

বিজ্ঞাপন: ০১৭৫৫ ৬৫১১৬৪

[email protected]

স্বত্ব © ২০২৬ | দৈনিক আগামীর সময়

আগামীর সময় জাতীয়

আজ বিশ্ব বাঘ দিবস

সংরক্ষণের চ্যালেঞ্জে সুন্দরবনের বাঘ

  • ২০২৪ থেকে কোনো বাঘের মৃত্যুর খবর পাওয়া যায়নি
  • সম্প্রতি প্রকাশ্যে চলাফেরা করতে দেখা গেছে একাধিক বাঘ
মহিদুল ইসলাম, শরণখোলা (বাগেরহাট)
agamir somoy
প্রকাশ: ২৯ জুলাই ২০২৬, ০৩:১৪
শেয়ার করুন:
সংরক্ষণের চ্যালেঞ্জে সুন্দরবনের বাঘ

সংগৃহীত ছবি

এক সময় সুন্দরবনে বাঘ শিকার ছিল গর্বের বিষয়। কাঁধে বন্দুক নিয়ে দল বেঁধে বাঘ মারতে বনে ঢুকতেন শৌখিন শিকারিরা। বাঘ শিকার করে চামড়া, দাঁত, নখ, অঙ্গপ্রত্যঙ্গ সংগ্রহ করে ফিরতেন তারা। ফিরে এসে মানুষকে শোনাতেন বীরত্বের গল্প। তখনকার সময়ে বনের রাজা বাঘকে অপবাদ দেওয়া হতো মানুষখেকো হিসেবে। আর বাঘশিকারিকে ভূষিত করা হতো রাষ্ট্রীয় বীরত্বপূর্ণ খেতাবেও। গণনার ব্যবস্থা চালু না হওয়ায় তখন জানা ছিল না বাঘের সঠিক

সুন্দরবনবাঘবাঘ শিকারবন্যপ্রাণীসংরক্ষণ
    আগামীর সময় ইপেপার
    শেয়ার করুন:
    কোটি টাকা চাঁদা না পেয়ে শতকোটির কাজ বন্ধ,  এমপি নূরুলের বিরুদ্ধে অভিযোগ

    কোটি টাকা চাঁদা না পেয়ে শতকোটির কাজ বন্ধ, এমপি নূরুলের বিরুদ্ধে অভিযোগ

    ‘জয় বাংলা’ স্লোগান নিয়ে মতপার্থক্য সিপিবিতে

    ‘জয় বাংলা’ স্লোগান নিয়ে মতপার্থক্য সিপিবিতে

    আইইডিসিআরের পরিচালককে মারধর : ডা. জাহিদের ড্যাবের সদস্যপদ স্থগিত

    আইইডিসিআরের পরিচালককে মারধর : ডা. জাহিদের ড্যাবের সদস্যপদ স্থগিত

    আমাদের এক কৃষ্ণকুমারী ছিল

    আমাদের এক কৃষ্ণকুমারী ছিল

    পার্কওয়ে প্যাকেজিংয়ের আইপিও আবেদন

    পার্কওয়ে প্যাকেজিংয়ের আইপিও আবেদন

    ১৯ দিন নিখোঁজ, ফিরে এসে দুই তরুণী জানালেন সংঘবদ্ধ ধর্ষণের কথা

    ১৯ দিন নিখোঁজ, ফিরে এসে দুই তরুণী জানালেন সংঘবদ্ধ ধর্ষণের কথা

    বিদেশে অপরাধের অর্থ কৌশলে দেশের শেয়ারবাজারে

    বিদেশে অপরাধের অর্থ কৌশলে দেশের শেয়ারবাজারে

    লাইসেন্স লাগবে না অটোরিকশাচালকের

    লাইসেন্স লাগবে না অটোরিকশাচালকের

    চাপের মুখে গ্রাম ছাড়ার পর টিকটকার মাসুদ দিলেন শ্যালিকার সঙ্গে ডিভোর্সের খবর

    চাপের মুখে গ্রাম ছাড়ার পর টিকটকার মাসুদ দিলেন শ্যালিকার সঙ্গে ডিভোর্সের খবর

    ‘সংস্কার-সংস্কার’ রবের উদ্দেশ্য বিএনপিকে বেকায়দায় ফেলা

    ‘সংস্কার-সংস্কার’ রবের উদ্দেশ্য বিএনপিকে বেকায়দায় ফেলা

    কক্ষে ঢুকে আইইডিসিআরের পরিচালককে মারধর

    কক্ষে ঢুকে আইইডিসিআরের পরিচালককে মারধর

    আইজিপিকে নিয়ে নরম সুর স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর

    আইজিপিকে নিয়ে নরম সুর স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর

    টেড হিউজ: প্রান্তর ও ছায়ার মাঝখানে একটি জীবন

    টেড হিউজ: প্রান্তর ও ছায়ার মাঝখানে একটি জীবন

    একসঙ্গে পথচলা, স্বামীর মৃত্যুর পরই স্ত্রীর মৃত্যু

    একসঙ্গে পথচলা, স্বামীর মৃত্যুর পরই স্ত্রীর মৃত্যু

    মেট্রোরেলে নজীবুর রহমানের মৃত্যু, প্রশ্নের মুখে যাত্রীদের ‘কমনসেন্স’

    মেট্রোরেলে নজীবুর রহমানের মৃত্যু, প্রশ্নের মুখে যাত্রীদের ‘কমনসেন্স’

    সংখ্যা।
    তবে
    সুন্দরবনে
    তখন
    বর্তমানের
    চেয়ে
    বাঘের
    সংখ্যা
    যে
    বহুগুণ
    বেশি
    ছিল
    ,
    তা
    নিশ্চিত
    করে
    বলা
    যায়।

    যখন বাঘ শিকার ছিল গর্বের: গত শতাব্দীর ৫০ থেকে ৭০-এর দশক পর্যন্ত বাঘ শিকার ছিল এক ধরনের গৌরবের বিষয়। বনজীবীদের নিরাপত্তার নামে হত্যা করা হয়েছে বহু বাঘ। সে সময়ে সাতক্ষীরা জেলার শ্যামনগর উপজেলার গাবুরা গ্রামের পচাব্দী গাজী ওরফে আব্দুল হামিদ গাজীর নাম রয়েছে বাঘ শিকারির তালিকায় ইতিহাসের শীর্ষে।

    স্বাধীতার পর হয় আইন: ১৯৭৩ সালে বাংলাদেশ বন্যপ্রাণী (সংরক্ষণ) আদেশ জারির মাধ্যমে সুন্দরবনের বাঘ শিকার আইনগতভাবে নিষিদ্ধ করা হয়। পরে ২০১২ সালে আইন সংশোধন (সংরক্ষণ ও নিরাপত্তা) করে বাঘ শিকার, হত্যা, পাচার ও অবৈধ ব্যবসার বিরুদ্ধে আরও কঠোর শাস্তির বিধান করা হয়। ফলে বন বিভাগ আইনি ভিত্তিতে বাঘসহ বন্যপ্রাণী সংরক্ষণে আরও কঠোর কার্যক্রম পরিচালনা শুরু করে।

    মানুষ-বাঘে দ্বন্দ্ব: খাদ্যের সন্ধানে বা প্রাকৃতিক নানা কারণে লোকালয়ে ঢুকে পড়লে মানুষ দলবদ্ধভাবে পিটিয়ে হত্যা করত এ রাজসিক প্রাণীকে। ২০০১ সাল থেকে আড়াই দশকে পূর্ব সুন্দরবনে ৩০টিসহ মোট ৯১টি বাঘের মৃত্যুর রেকর্ড রয়েছে বন বিভাগের কাছে। এর মধ্যে পাচারকারী ও চোরা শিকারিদের হাতে ২৬টি, গ্রামবাসীর পিটুনিতে ১৪টি, বনদস্যুদের হাতে ১৮টি, বার্ধক্যজনিত কারণে ২১টি এবং প্রাকৃতিক দুর্যোগে ৩টি বাঘের মৃত্যু হয়েছে। ধারণা করা হয়, এর বাইরেও হত্যার শিকার হয়েছে আরও বাঘ। অন্যদিকে বাঘের অক্রমণে প্রাণ হারিয়েছে ৪২৫ জন এবং আহত হয়েছেন ৯৫ জন। 

    সফলতা: সবচেয়ে ইতিবাচক দিন হলো, ২০২৪ সালের পর একটি বাঘও হত্যা বা মৃত্যুর খবর পাওয়া যায়নি সুন্দরবনে। তবে চলতি বছরের ৩ জানুয়ারি পূর্ব সুন্দরবনের চাঁদপাই রেঞ্জের শরকির খাল এলাকায় শিকারিদের পেতে রাখা ছিটকা ফাঁদে আটকা পড়েছিল একটি বাঘিনী। পরে বন বিভাগ বাঘটি উদ্ধারের পর ছয় মাস চিকিৎসা দিয়ে সুস্থ করে তোলে। সেই বাঘিনীটি ১২ জুলাই অবমুক্ত করা হয় সুন্দরবনে। বাঘিনীর চলাচল পর্যবেক্ষণে বনের ৮ কিলোমিটার এলাকায় বসানো হয় স্বয়ংক্রিয় ২০টি ট্র্যাপ-ক্যামেরা।

    বাঘ সংরক্ষণে উদ্যোগ: আইনের প্রয়োগ, আধুনিক প্রযুক্তির মাধ্যমে টহল ও নজরদারি বৃদ্ধি, বনজীবীদের সচেতনতা এবং স্থানীয় জনগণের অংশগ্রহণের ফলে সম্প্রতি কমেছে মানুষ-বাঘের দ্বন্দ্ব-সংঘাত।

    পূর্ব সুন্দরবন বিভাগ বাগেরহাটের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা (ডিএফও) মো. রেজাউল করিম চৌধুরী বলেছেন, সুন্দরবনের বাঘ সংরক্ষণে বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে সরকার। বন বিভাগ এ ব্যাপারে কঠোর অবস্থানে। স্মার্ট প্যাট্রলিং, ড্রোনের ব্যবহার এবং ফুট েট্রলিংয়ের মাধ্যমে নিয়মিত অভিযান ও টহল কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। ফলে ২০২৪ সালের পর থেকে এখন পর্যন্ত একটি বাঘের মৃত্যুর ঘটনা ঘটেনি। বাঘ সুরক্ষায় লোকালয়-সংলগ্ন এলাকায় ৭৫ কিলোমিটার জুড়ে বেড়া নির্মাণ, সুপেয় পানির পুকুর খনন, আশ্রয়ের জন্য টিলা নির্মাণ, ভরাট হওয়া ভোলা নদী খননসহ নানা উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

    বিশেষজ্ঞরা যা বলছেন: বাঘ ও বন্যপ্রাণী বিশেষজ্ঞ এবং জাহাঙ্গীর বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণিবিদ্যা বিভাগের প্রফেসর ড. এম এ আজিজ বললেন, ‘বাঘ রক্ষা করতে হলে আগে হরিণ শিকার বন্ধ করতে হবে। কারণ বাঘের প্রধানত খাদ্য হরিণ। খাদ্যশৃঙ্খল ভেঙে পড়লে বাঘের টিকে থাকা মুশকিল। তাই চোরাশিকারিদের দমন জরুরি।’