রাসায়নিক দুর্ঘটনা মোকাবিলায় চিকিৎসক-নার্সদের প্রশিক্ষণ

রাসায়নিক দুর্ঘটনা মোকাবিলায় চিকিৎসক ও নার্সদের দেওয়া হয়েছে বিশেষ প্রশিক্ষণ। ছবি: সংগৃহীত
রাসায়নিক দুর্ঘটনায় হতাহতদের দ্রুত ও নিরাপদ চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করতে সরকারি হাসপাতালের চিকিৎসক ও নার্সদের সক্ষমতা বাড়াতে অনুষ্ঠিত হয়েছে দুই দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ। রবিবার ও সোমবার (৩০ ও ৩১ আগস্ট) এ প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত হয়।
বাংলাদেশে রাসায়নিক শিল্পাঞ্চলের নিকটবর্তী সরকারি হাসপাতালের চিকিৎসক ও নার্সদের রাসায়নিক দুর্ঘটনা মোকাবিলায় দক্ষতা বাড়াতে ‘কেমিক্যাল ইনসিডেন্ট প্রিপেয়ার্ডনেস ফর হসপিটালস (হসপ্রেপ)’ শীর্ষক এ প্রশিক্ষণের আয়োজন করা হয়। বাংলাদেশ জাতীয় কর্তৃপক্ষ, রাসায়নিক অস্ত্র কনভেনশনের (বিএনএসিডব্লিউসি) তত্ত্বাবধানে এবং সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের অধীন সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালের (সিএমএইচ) ব্যবস্থাপনায় অনুষ্ঠিত হয় প্রশিক্ষণটি।
প্রশিক্ষণের মূল উদ্দেশ্য ছিল রাসায়নিক দুর্যোগ বা দুর্ঘটনায় আহত ব্যক্তিদের চিকিৎসাসেবা দিতে সংশ্লিষ্ট হাসপাতালগুলোর প্রস্তুতি ও সক্ষমতা বাড়ানো। এতে অংশ নেন হাসপাতালের চিকিৎসা ব্যবস্থাপনার সঙ্গে সম্পৃক্ত বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক, নার্স এবং স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাসহ মোট ৭৬ জন।
প্রশিক্ষণে রাসায়নিক দুর্ঘটনার পর জরুরি হাসপাতাল ব্যবস্থাপনা পরিকল্পনা, হতাহতদের রাসায়নিক দূষণমুক্তকরণ এবং আহতদের চিকিৎসা ব্যবস্থাপনার বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা ও প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়। পাশাপাশি দুর্ঘটনায় আক্রান্ত ব্যক্তিদের চিকিৎসা দিতে গিয়ে চিকিৎসক, নার্স ও অন্যান্য স্বাস্থ্যকর্মীরা যাতে নিজেরাই রাসায়নিক দূষণের শিকার না হন, সে বিষয়েও গুরুত্ব দেওয়া হয়। এ ক্ষেত্রে ‘সেকেন্ডারি কন্টামিনেশন’ বা দ্বিতীয় পর্যায়ের দূষণ প্রতিরোধের কৌশল প্রশিক্ষণের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বিষয় ছিল।
সংশ্লিষ্টদের মত, রাসায়নিক শিল্পাঞ্চলের আশপাশের সরকারি হাসপাতালগুলোতে এ ধরনের প্রশিক্ষণের মাধ্যমে রাসায়নিক দুর্ঘটনায় জরুরি চিকিৎসাসেবা দেওয়ার প্রস্তুতি ও সক্ষমতা আরও বাড়বে। ভবিষ্যতে পর্যায়ক্রমে অন্যান্য হাসপাতালের চিকিৎসাসংশ্লিষ্টদেরও এ ধরনের প্রশিক্ষণের আওতায় আনার উদ্যোগ নেওয়া হতে পারে।








