সারা দেশে হেড অ্যান্ড নেক ক্যান্সার সচেতনতা সপ্তাহ উদযাপন

সংগৃহীত ছবি
বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়সহ দেশজুড়ে বিভিন্ন স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠান, বিশ্ববিদ্যালয় এবং পেশাজীবী সংগঠনের উদ্যোগে নানা ধরনের সচেতনতামূলক ও শিক্ষামূলক কার্যক্রমের মাধ্যমে হেড অ্যান্ড নেক ক্যান্সার সচেতনতা সপ্তাহ (২১-২৭ জুলাই) পালন করা হয়েছে।
সপ্তাহব্যাপী কর্মসূচির মধ্যে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে সচেতনতামূলক র্যালি, বৈজ্ঞানিক সেমিনার, আলোচনা সভা এবং জনসম্পৃক্ততামূলক কর্মসূচির আয়োজন করা হয়, যার উদ্দেশ্য ছিল হেড অ্যান্ড নেক ক্যান্সারের প্রতিরোধ, প্রাথমিক পর্যায়ে শনাক্তকরণ এবং চিকিৎসা সম্পর্কে জনসচেতনতা বৃদ্ধি করা।
হেড অ্যান্ড নেক ক্যান্সার সচেতনতা সপ্তাহ উপলক্ষে ‘এক বিশ্ব হেড নেক ক্যান্সারের বিরুদ্ধে এক কণ্ঠ’ প্রতিপাদ্য নিয়ে বিএমইউয়ের অটোল্যারিগোলজি হেড নেক সার্জারি বিভাগের হেড নেক সার্জারি ডিভিশনের উদ্যোগে আজ বৃহস্পতিবার একটি বর্ণাঢ্য র্যালি বের হয়। প্রধান অতিথি হিসেবে র্যালির উদ্বোধন করেন বিএমইউয়ের উপ-উপাচার্য (একামেডিক) অধ্যাপক ডা. মো. নজরুল ইসলাম।
র্যালি শেষে সি ব্লকে একটি আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়। বিএমইউয়ের অটোর্যারিগোলজি হেড নেক সার্জারি বিভাগের হেড নেক সার্জারি ডিভিশননের প্রধান অধ্যাপক ডা. মোহাম্মদ আবদুস সাত্তারের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় বক্তব্য দেন অটোর্যারিগোলজি হেড নেক সার্জারি বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ডা. এ আল্লাম চৌধুরী, অধ্যাপক ডা. মো. আজহারুল ইসলাম, নিনমাসের পরিচালক নিউক্লিয়ার মেডিসিন ও থাইরয়েড বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ডা. এ কে এম ফজলুল বারী, বিএমইউয়ের অটোর্যারিগোলজি হেড নেক সার্জারি বিভাগের অধ্যাপক ডা. মো. দেলোয়ার হোসেন, অধ্যাপক ডা. শেখ হাসানুর রহমান, অধ্যাপক ডা. কাজী শামীমুচ্ছালাম প্রমুখ।
আলোচনা সভায় হেড অ্যান্ড নেক ক্যান্সার প্রতিরোধ, প্রাথমিক পর্যায়ে রোগ শনাক্তকরণ, চিকিৎসা সম্পর্কে ও রোগ প্রতিরোধের বিষয়ে জনসচেতনতা বৃদ্ধিতে গুরুত্বারোপ করেন অধ্যাপক ডা. মো. নজরুল ইসলাম।
বিএমইউয়ের অটোর্যারিগোলজি হেড নেক সার্জারি বিভাগের হেড নেক সার্জারি ডিভিশননের প্রধান অধ্যাপক ডা. মোহাম্মদ আবদুস সাত্তার জানান, হেড অ্যান্ড নেক ক্যান্সারের ব্যাপকতা হ্রাস করতে এবং এই রোগ প্রতিরোধের জন্য জনসচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে দেশের শীর্ষস্থানীয় জাতীয় পত্রিকাগুলোতে মন্তব্যধর্মী লেখা ও ফিচার নিবন্ধ প্রকাশিত হয়। এছাড়া টেলিভিশনে সাক্ষাৎকার ও প্যানেল আলোচনা সম্প্রচার করা হয়, যেখানে বিশেষজ্ঞরা জনগণকে রোগটির প্রাথমিক সতর্কতামূলক লক্ষণ শনাক্ত করার গুরুত্ব এবং সময়মতো চিকিৎসা গ্রহণের প্রয়োজনীয়তা সম্পর্কে সচেতন করেন।






