জন্মদিনে আবুল কাসেম ফজলুল হককে স্মরণ

ছবি: আগামীর সময়
মুক্ত চিন্তার বাতিঘর অধ্যাপক আবুল কাসেম ফজলুল হকের ৮৭তম জন্মদিন উপলক্ষে আলাপ-আলোচনায় তাকে স্মরণ করেছেন স্বজন, সহকর্মী ও গুণগ্রাহীরা। তার জ্ঞান, চিন্তা, মানবতাবাদী দর্শন ও শিক্ষকতার বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন। একই সঙ্গে তার রচনাবলি সংগ্রহ করে প্রকাশের উদ্যোগ নেওয়ার আহ্বানও জানান আলোচকেরা।
জন্মদিন উপলক্ষে আজ বুধবার বাংলা একাডেমির কবি শামসুর রাহমান সেমিনার কক্ষে স্বজনদের আয়োজনে এ আলোচনাসভা অনুষ্ঠিত হয়।
মুক্ত চিন্তার বাতিঘর অধ্যাপক আবুল কাসেম ফজলুল হকের ৮৭তম জন্মদিন উপলক্ষে আলাপ-আলোচনায় তাকে স্মরণ করেছেন স্বজন, সহকর্মী ও গুণগ্রাহীরা। তার জ্ঞান, চিন্তা, মানবতাবাদী দর্শন ও শিক্ষকতার বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন। একই সঙ্গে তার রচনাবলি সংগ্রহ করে প্রকাশের উদ্যোগ নেওয়ার আহ্বানও জানান আলোচকেরা।
জন্মদিন উপলক্ষে আজ বুধবার বাংলা একাডেমির কবি শামসুর রাহমান সেমিনার কক্ষে স্বজনদের আয়োজনে এ আলোচনাসভা অনুষ্ঠিত হয়।
আবুল কাসেম ফজলুল হকের পুত্রবধূ রাজিয়া রহমান বলেন, তাকে ছাড়া এবারের জন্মদিনটি ‘বিষণ্ন’ কেটেছে। তিনি বলেন, গত বছর যখন বাবাকে সঙ্গে নিয়ে তার জন্মদিন পালন করেছিলাম, বাবা খুব আনন্দিত ছিলেন। আজকে সারা দিন খুব বিষণ্ন কেটেছে যে, আজকে তাকে ছাড়া প্রথম জন্মদিন। আজকে বাংলা একাডেমিতে সভা হবে আর তিনি ছবি হয়ে থাকবেন, এটা মানতে পারছি না।
তিনি আরও বলেন, বাবার যে জ্ঞান, যে গভীরতা, সেটা যদি আমরা হৃদয়ঙ্গম করতে পারি, সেটাই হবে তাকে উদযাপন। উনি চাইতেন শিক্ষার মধ্য দিয়ে শিশুরা জীবন গড়ুক। তিনি তার যে দর্শন ও জ্ঞান ছড়িয়ে দিতে চাইতেন, সেই কাজ এখন আমাদের এগিয়ে নিতে হবে।
বাংলা একাডেমির মহাপরিচালক অধ্যাপক মোহাম্মদ আজম বলেন, স্যারের সঙ্গে আমার যে সম্পর্ক, তা ছিল খুব গভীর। তিনি বাংলা একাডেমির সভাপতি থাকাকালীন প্রায়ই আমার কক্ষে আসতেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়েও স্যারের সঙ্গে অনেক স্মৃতি। তার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য হিসেবে যা দেখতে পাই, সেটা হলো—তিনি ব্যক্তিত্বসম্পন্ন মানুষ ও চিন্তক ছিলেন। তিনি উদারনৈতিক ও মানবতাবাদী মানুষ হিসেবে অধিষ্ঠিত ছিলেন।
বাংলাদেশ জাগরণী শান্তি সংঘের সভাপতি মো. শফিকুল ইসলাম বলেন, বাংলাদেশের হাজার বছরের যে বৌদ্ধিক ধারা, এই ধারায় একটা ঋজু অবস্থান নিয়ে আবুল কাসেম ফজলুল হক আছেন। তিনি খুব স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করতেন তাকে চিন্তক বলতে। তার সাধনার মূলে ছিল মানবজাতি, বাঙালি জাতি।
স্বদেশ চিন্তা সংঘের সাধারণ সম্পাদক কবি হাসান ফকরি বলেন, বিরুদ্ধমত নিয়েও স্যারের সঙ্গে তর্ক করা যেত। স্যারকে কখনো দেখিনি এগুলো নিয়ে রাগ করতে। তিনি বিরুদ্ধমতকেও সম্মান করতেন। স্যারকে হারিয়ে আমরা অনেক কিছু হারিয়ে ফেললাম।
ড. হালিম দাদ খান বলেন, তার অনেক গুণ রয়েছে। তবে তাকে সবচেয়ে যে গুণে বিশেষায়িত করা যায়, সেটি হলো তিনি ছিলেন অসাধারণ শিক্ষক। তিনি শিক্ষক পরিবার থেকে উঠে এসেছেন।
আলোচনায় আবুল কাসেম ফজলুল হকের রচনাবলি সংগ্রহ করে গ্রন্থাকারে প্রকাশের আহ্বান জানান বক্তারা। বাংলা একাডেমির মহাপরিচালক জানান, তাকে নিয়ে একটি স্মারকগ্রন্থ প্রকাশ করা হবে। তাঁর রচনাবলি, চিন্তা ও কাজ নিয়ে আরও কাজ করা হবে।
আলোচনায় আরও বক্তব্য দেন লেখক ও গবেষক সৈয়দ আবুল কালাম এবং বিজ্ঞানবিষয়ক লেখক সৈয়দ জিয়াউল হক। আবুল কাসেম ফজলুল হক নিজের এক জন্মদিনে একটি লেখা লিখেছিলেন। সেই লেখা পাঠ করে শোনান তার কন্যা শুচিতা শারমিন।
আবুল কাসেম ফজলুল হকের পুত্রবধূ রাজিয়া রহমান বলেন, তাকে ছাড়া এবারের জন্মদিনটি ‘বিষণ্ন’ কেটেছে। তিনি বলেন, গত বছর যখন বাবাকে সঙ্গে নিয়ে তার জন্মদিন পালন করেছিলাম, বাবা খুব আনন্দিত ছিলেন। আজকে সারা দিন খুব বিষণ্ন কেটেছে যে, আজকে তাকে ছাড়া প্রথম জন্মদিন। আজকে বাংলা একাডেমিতে সভা হবে আর তিনি ছবি হয়ে থাকবেন, এটা মানতে পারছি না।
তিনি আরও বলেন, বাবার যে জ্ঞান, যে গভীরতা, সেটা যদি আমরা হৃদয়ঙ্গম করতে পারি, সেটাই হবে তাকে উদযাপন। উনি চাইতেন শিক্ষার মধ্য দিয়ে শিশুরা জীবন গড়ুক। তিনি তার যে দর্শন ও জ্ঞান ছড়িয়ে দিতে চাইতেন, সেই কাজ এখন আমাদের এগিয়ে নিতে হবে।
বাংলা একাডেমির মহাপরিচালক অধ্যাপক মোহাম্মদ আজম বলেন, স্যারের সঙ্গে আমার যে সম্পর্ক, তা ছিল খুব গভীর। তিনি বাংলা একাডেমির সভাপতি থাকাকালীন প্রায়ই আমার কক্ষে আসতেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়েও স্যারের সঙ্গে অনেক স্মৃতি। তার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য হিসেবে যা দেখতে পাই, সেটা হলো—তিনি ব্যক্তিত্বসম্পন্ন মানুষ ও চিন্তক ছিলেন। তিনি উদারনৈতিক ও মানবতাবাদী মানুষ হিসেবে অধিষ্ঠিত ছিলেন।
বাংলাদেশ জাগরণী শান্তি সংঘের সভাপতি মো. শফিকুল ইসলাম বলেন, বাংলাদেশের হাজার বছরের যে বৌদ্ধিক ধারা, এই ধারায় একটা ঋজু অবস্থান নিয়ে আবুল কাসেম ফজলুল হক আছেন। তিনি খুব স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করতেন তাকে চিন্তক বলতে। তার সাধনার মূলে ছিল মানবজাতি, বাঙালি জাতি।
স্বদেশ চিন্তা সংঘের সাধারণ সম্পাদক কবি হাসান ফকরি বলেন, বিরুদ্ধমত নিয়েও স্যারের সঙ্গে তর্ক করা যেত। স্যারকে কখনো দেখিনি এগুলো নিয়ে রাগ করতে। তিনি বিরুদ্ধমতকেও সম্মান করতেন। স্যারকে হারিয়ে আমরা অনেক কিছু হারিয়ে ফেললাম।
ড. হালিম দাদ খান বলেন, তার অনেক গুণ রয়েছে। তবে তাকে সবচেয়ে যে গুণে বিশেষায়িত করা যায়, সেটি হলো তিনি ছিলেন অসাধারণ শিক্ষক। তিনি শিক্ষক পরিবার থেকে উঠে এসেছেন।
আলোচনায় আবুল কাসেম ফজলুল হকের রচনাবলি সংগ্রহ করে গ্রন্থাকারে প্রকাশের আহ্বান জানান বক্তারা। বাংলা একাডেমির মহাপরিচালক জানান, তাকে নিয়ে একটি স্মারকগ্রন্থ প্রকাশ করা হবে। তাঁর রচনাবলি, চিন্তা ও কাজ নিয়ে আরও কাজ করা হবে।
আলোচনায় আরও বক্তব্য দেন লেখক ও গবেষক সৈয়দ আবুল কালাম এবং বিজ্ঞানবিষয়ক লেখক সৈয়দ জিয়াউল হক। আবুল কাসেম ফজলুল হক নিজের এক জন্মদিনে একটি লেখা লিখেছিলেন। সেই লেখা পাঠ করে শোনান তার কন্যা শুচিতা শারমিন।



