গান-কবিতায় মুস্তাফা জামান আব্বাসীকে স্মরণ

ছবি: আগামীর সময়
গান, আবৃত্তি ও আলোচনা অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে প্রথম মৃত্যুবার্ষিকীতে স্মরণ করা হলো প্রখ্যাত লোকসংগীতশিল্পী মুস্তাফা জামান আব্বাসীকে। আজ সোমবার সন্ধ্যায় শিল্পকলা একাডেমির জাতীয় চিত্রশালা মিলনায়তনে অনুষ্ঠানের আয়োজন করে কাঠপেন্সিল সাহিত্য সংসদ ও ইন্টেলেকচুয়াল রিসার্চ সেন্টার (আইআরসি)।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে একুশে পদকপ্রাপ্ত সংগীতজ্ঞ শেখ সাদী খান বলেছেন, ‘আব্বাসী ভাই সুফি মানুষ। সুফি বলতে যা বোঝায়, সুফি শুধু নামাজ-কালাম পড়লেই সুফি হয় না। তার জীবনযাপন, চলাফেরা, কথাবার্তা— সব মিলিয়ে তিনি একজন সুফি মানুষ। উনার বাবাও ছিলেন সুফি।’
একুশে পদকজয়ী সংগীতশিল্পী ফাতেমা তুজ জোহরা বললেন, ‘আমরা সংস্কৃতি চর্চা যেভাবে করতাম, সম্মানিত মানুষকে যেভাবে আমরা মহীরুহ হিসেবে ধরে রাখতাম, আদর্শ হিসেবে ধরে রাখতাম— ঠিক সেভাবে আমরা যেন চলি। বিভাজনটা না করি সংস্কৃতি অঙ্গনে। তাহলে সংস্কৃতি কিছুই থাকবে না। আমাদের অস্তিত্বের কোনো পরিচয় থাকবে না। কারণ আমরা যদি হালকা হয়ে যাই, তখন সব বাইরের জিনিস এসে ভিড় করে আমাদের গ্রাস করবে।’
মুস্তাফা জামান আব্বাসীকে নিয়ে স্মৃতিচারণ করলেন গবেষক অনুপম হায়াৎ।
‘আমার ব্যক্তিগত স্মৃতির কথাই একটু বলতে চাই। চলচ্চিত্র নিয়ে কাজ করতে গিয়ে বাংলাদেশের চলচ্চিত্রের যে ইতিহাস, সেখানে ‘চলচ্চিত্রে বাঙালি মুসলমান’ নামে একটা অধ্যায় দিয়েছি। যেখানে আব্বাস উদ্দিনের কথা আছে। এই ধারায় কাজ করতে গিয়েই মুস্তাফা জামান আব্বাসী ভাইয়ের শরণাপন্ন হয়েছিলাম। আব্বাস উদ্দিনকে জানার জন্য। আমরা মুস্তাফা জামান আব্বাসীকে স্মরণ করব নানাভাবে। আমি দাবি জানাব সরকারি উদ্যোগে মুস্তাফা জামান আব্বাসীর নামে যেন একটস একাডেমি’ করা হয়।’
অনুষ্ঠানে আবৃত্তি করেন শরীফ বায়জীদ এবং সীমা ইসলাম। সংগীত পরিবেশন করেন ইয়াসমিন মুশতারী ও আবু বকর সিদ্দিক। সবশেষে গান পরিবেশন করেন ফাতেমা তুজ জোহরা। ইন্টেলেকচুয়াল রিচার্স সেন্টারের সভাপতি মোহাম্মদ জসিম উদ্দিন, কাঠপেন্সিল সাহিত্য সংসদের সভাপতি সীমান্ত আকরামও বক্তব্য দেন।




