শান্তি ও সম্প্রীতির বার্তা নিয়ে বাংলাদেশ–জার্মানির যৌথ কবিতা সন্ধ্যা

সংগৃহীত ছবি
শান্তি, সম্প্রীতি ও মানবিক সহমর্মিতার বার্তা ছড়িয়ে দিতে ধানমন্ডির গোয়েথে-ইন্সটিটিউট মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হলো বিশেষ কবিতা পাঠের আয়োজন ‘পিস অ্যান্ড এমপ্যাথি: জার্মান-বেঙ্গলি পোয়েটিক হারমনি’।
গোয়েথে-ইন্সটিটিউট বাংলাদেশ ও ‘অতঃপর শব্দায়ন’-এর যৌথ উদ্যোগে এবং আন্তর্জাতিক কবিতা প্ল্যাটফর্ম ‘লিরিক-লাইন’-এর সহযোগিতায় গতকাল মঙ্গলবার সন্ধ্যায় এ আয়োজন অনুষ্ঠিত হয়।
অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্যে গোয়েথে-ইন্সটিটিউট বাংলাদেশের ইন্সটিটিউট ডিরেক্টর ফ্র্যাঙ্ক ভের্নার বলেন, ‘বিশ্বের বর্তমান প্রেক্ষাপটে মানবিক সহমর্মিতা ও শান্তি ছড়িয়ে দিতে কবিতার বিকল্প নেই। এ ধরনের যৌথ উদ্যোগ দুই সংস্কৃতির মেলবন্ধন ও আন্তর্জাতিক বন্ধুত্বকে আরও সুদৃঢ় করবে।’
অনুষ্ঠানে কবিতা পাঠ করেন কবি গোলাম কিবরিয়া পিনু, ঝর্ণা রহমান, শাহেদ কায়েস এবং অভিনেত্রী ও আবৃত্তিশিল্পী অপি করিম। জার্মানি থেকে অনলাইনে সরাসরি যুক্ত হয়ে কবিতা পাঠ ও আলোচনায় অংশ নেন জার্মান কবি টিম হল্যান্ড, আনিয়া কাম্পমান এবং ওজান জাকারিয়া কেসকিনকিলিস।
জার্মানি ও বাংলাদেশের কবিতার সাংস্কৃতিক সংলাপ, কবিতা, দর্শন, প্রয়োগ ও পারস্পরিক প্রভাব তুলে ধরেন শিক্ষাবিদ ও নাট্যজন অধ্যাপক আবদুস সেলিম। এছাড়াও প্রতিটি কবিতা পাঠের সঙ্গে লাইভ মিউজিক পরিচালনা করেন কবি ও সঙ্গীতশিল্পী শিবু কুমার শীল, সুত্রধর অর্জুন, মো. রাজিব ও মো. আশিকুল ইসলাম। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন সাদাব হাশমি ও মার্শিয়া শাওন।
অতঃপর শব্দায়নের চিফ ভিশনারি অফিসার যোবায়ের শাওন বলেন, ‘অস্থির এই পৃথিবীতে কবিতার কাছে নির্দ্বিধায় আশ্রয় নেওয়া যায়, শোষণের বিরুদ্ধে আর সহমর্মী সমাজের আকাঙ্ক্ষা করা যায়। এমন নানামুখী উদ্যোগ হয়তো বৈশ্বিক সম্প্রীতি বৃদ্ধিতে ভূমিকা রাখতেও পারে।’
অনুষ্ঠান শেষে আমন্ত্রিত অতিথিদের অংশগ্রহণে মুক্ত আলোচনা ও কবিতা পাঠের আয়োজন করা হয়। আমন্ত্রিত অতিথিদের মধ্যে কবি ফারুক মাহমুদ, নিশাত জাহান রানা, তুষার প্রসুন, রবু শেঠ, থিওটোনিয়াস গমেজ, নাহিদ কায়সার, সুমন পাটোয়ারী, গোলাম মুক্তাদিরসহ অন্যরা উপস্থিত ছিলেন।
অতঃপর শব্দায়ন ও গোয়েথে-ইন্সটিটিউট বাংলাদেশের এই যৌথ উদ্যোগের মূল লক্ষ্য হলো ভাষাগত ও ভৌগোলিক সীমানা অতিক্রম করে দুই দেশের মধ্যে সাংস্কৃতিক বন্ধন দৃঢ় করা এবং বিশ্বশান্তি ও সহমর্মিতার বার্তা ছড়িয়ে দেওয়া।







