রাজউকের সাবেক চেয়ারম্যান ইকবালসহ আট জনের ১৪ বছরের কারাদণ্ড

রাজউক ভবন। ফাইল ছবি
প্লট বরাদ্দে অনিয়ম ও দুর্নীতির মামলায় রাজউকের সাবেক চেয়ারম্যান ইকবাল হোসেন চৌধুরীসহ আটজনের পৃথক দুই ধারায় সাত বছর করে মোট ১৪ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। তবে উভয় সাজা একত্রে চলবে বিধায় সাত বছরের সাজ ভোগ করতে হবে।
আজ মঙ্গলবার ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৯ এর বিচারক মো. আব্দুস সালাম এ রায় দেন। পাশাপাশি তাদের দুই ধারায় মোট ১৮ লাখ টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরও দুই বছরের সাজা দেয়া হয়েছে।
দুদক প্রসিকিউটর খন্দকার শামীম হোসেন এ তথ্য জানান।
অন্য আসামিরা হলেন- রাজউকের সাবেক সদস্য (উন্নয়ন) এস ডি ফয়েজ, সাবেক সদস্য (পরিকল্পনা) এ কে এম ওয়াহেদুল ইসলাম, সাবেক সদস্য (অর্থ) এস এম জাফর উল্লাহ, সাবেক সদস্য (প্রশাসন ও ভূমি) এইচ এম জহুরুল হক, সাবেক সদস্য (এস্টেট) মো. রেজাউল করিম তরফদার এবং প্লটের বরাদ্দপ্রাপ্ত শওকত আজিজ ও আশফাক আজিজ।
আদালত সূত্রে জানা গেছে, এই মামলায় দণ্ডিত ১৪ আসামি জামিনে ছিলেন। তবে রায় ঘোষণা সময় তারা উপস্থিত ছিলেন না। তাদের অনুপস্থিতিতে বিচার রায় ঘোষণা করেন। রায় ঘোষণা করে তাদের জামিন বাতিল করে সাজাসহ গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়।
মামলার বিবরণে বলা হয়েছে, আসামি ইকবাল উদ্দিন চৌধুরী, এস.ডি, ফয়েজ, এ.কে.এম ওয়াহিদুল ইসলাম, এস এম জাফর উল্লাহ, এইচ এম জহিরুল হক ও রেজাউল করিম তরফদার ২০০১ সালের ২৩ অগাস্ট থেকে ২০১৪ সালের ২৩ অক্টোবর পর্যন্ত সময়ের মধ্যে পরস্পর যোগসাজশে অপরাধজনক বিশ্বাস ভঙ্গ করে, ক্ষমতার অপব্যবহারের মাধ্যমে বৈধ আবেদনকারীদের সুযোগ না দিয়ে আসামি আসফাক আজিজ রুবেল ও শওকত আজিজ রাসেলকে লাভবান করার মানসে অথবা নিজেরা লাভবান হয়ে রাজউক অনুমোদিত ১০ কাঠার দুইটি প্লট বরাদ্দ দেয়।
এ ঘটনায় দুদকের তৎকালীন উপপরিচালক সিলভিয়া ফেরদৌস ২০১৭ সালের ৮ ফেব্রুয়ারী মতিঝিল থানায় মামলা করেন।
মামলার তদন্ত শেষে ৮ জনকে অভিযুক্ত করে ২০১৮ সালের ৪ সেপ্টেম্বর আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেন কমিশনের তৎকালীন উপপরিচালক মির্জা জাহিদুল আলম। ২০১৯ সালের ২৬ অগাস্ট আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেন আদালত। বিচার চলাকালে আদালত ৯ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ করেন।



