পুলিশের এসআই হত্যায় রিমান্ডে আরও ৮ আসামি

এসআই আলতাফ হোসেন—সংগৃহীত ছবি
সাভারের আমিন বাজারে পুলিশের বিশেষ শাখার (এসবি) এসআই আলতাফ হোসেনকে পিটিয়ে হত্যা মামলায় আরও ছয় আসামির পাঁচ দিন ও দুই আসামির তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত।
মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) শুনানী শেষে এ আদেশ দেন ঢাকার সিনিয়র জুডিসসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মো. তাজুল ইসলাম সোহাগ।
রিমান্ডে যাওয়া আসামিরা হলেন— মো. আলাউদ্দিন, মো. আপন, মো. জিহাদ, ইমরান হোসেন, নূর মোহাম্মদ রুদ্র, মো. গোলাম রাব্বি, বিল্লাল ও দেলোয়ার। এদের মধ্যে বিল্লাল ও দেলোয়ার তিন দিনের রিমান্ড এবং অপর ৬ আসামি পাঁচ দিনের রিমান্ড দেওয়া হয়েছে।
এদিন আসামিদের আদালতে হাজির করে ১০ দিনের রিমান্ড চেয়ে আবেদন করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ও আমিনবাজার পুলিশ ক্যাম্পের এসআই মো. জাকির আল আহসান। এসময় রিমান্ড বাতিল ও জামিন চেয়ে আবেদন করেন আসামি পক্ষের আইনজীবীরা। আর জামিনের বিরোধিতা করে রাষ্ট্রপক্ষ। উভয়পক্ষের শুনানি শেষে জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে রিমান্ডের আদেশ দেন আদালত।
এর আগে গতকাল সোমবার মামলার প্রধান আসামি জহুরুল ইসলামের পাঁচ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন আদালত।
মামলার বিবরণে বলা হয়েছে, গত ৫ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে সাভারের বরদেশী পশ্চিমপাড়ায় আবুল কালাম আজাদের অটোগ্যারেজের সামনে এক ব্যক্তির অটো রাখাকে কেন্দ্র করে তর্ক-বিতর্ক হয়। সেই তর্ক থামাতে গিয়ে আসামিদের তোপের মুখে পড়েন পুলিশ কর্মকর্তা মো. আলতাব হোসেন।
পরে প্রাণ বাঁচাতে তিনি তার ছেলের ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ‘গ্র্যান্ড ফ্যাশন’-এ আশ্রয় নিলে রাত ৮টা ১০ মিনিটের দিকে আসামিরা দেশীয় অস্ত্র নিয়ে সেখানে হামলা চালায়। আসামিরা আলতাব হোসেনকে রড, পাইপ, হাতুড়ি ও লাঠি দিয়ে এলোপাতাড়ি পিটিয়ে গুরুতর জখম করে। তাকে বাঁচাতে এলে তার ছেলে আরিফুল ইসলামকেও ধারাল অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে আহত করা হয়।
পরে আহতদের উদ্ধার করে শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক আলতাফ হোসেনকে মৃত ঘোষণা করেন। ওই ঘটনায় নিহতের স্ত্রী মোছা. শিউলী পারভীন বাদী হয়ে ১৫ জনকে আসামি করে সাভার মডেল থানায় হত্যা মামলা করেছেন।







