গুলশানে মিছিল, সাবেক মেয়রসহ কারাগারে ২ আসামি

ফাইল ছবি
রাজধানীর গুলশানে সরকারবিরোধী মিছিলের মামলায় গ্রেপ্তার কার্যক্রম নিষিদ্ধ পটুয়াখালী জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও বাউফল পৌরসভার সাবেক মেয়র জিয়াউল হক জুয়েল এবং নাটোরের সিংড়া উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক হারুন বাসারকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আওলাদ হোসাইন মুহাম্মদ জোনাইদ এ আদেশ দেন।
এদিন আসামিদের আদালতে হাজির করে কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ও গুলশান থানার উপপরিদর্শক মো. রুহুল আমিন। আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে কারাগারে পাঠানো হয় তাদের।
গত ১১ সেপ্টেম্বর গুলশানে একটি ঝটিকা মিছিল বের করেন আওয়ামী লীগের সমর্থকরা। সেই মিছিলে দেড়শ থেকে দুইশ জন অংশ নেন বলে গুলশান থানার ওসি মো. দাউদ হোসেন জানিয়েছিলেন। ওই সময় ধাওয়া করে ও রাবার বুলেট ছুড়ে মিছিলকারীদের ছত্রভঙ্গ করে দেয় পুলিশ। পরে মিছিল থেকে হাতবোমা ছোড়া হয়েছিল বলে পুলিশ জানায়।
মিছিলের ঘটনায় গুলশান থানার এসআই মো. মাহবুব হোসাইন বাদী হয়ে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলাটি করেন। এতে ১১৮ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতনামা ৮০/১০০ জনকে আসামি করা হয়েছে।
মামলায় অভিযোগ করা হয়েছে, সরকারের ভাবমূর্তি নস্যাৎ করাসহ সরকারবিরোধী এজেন্ডা বাস্তবায়ন ও সরকারকে বেকায়দায় ফেলার লক্ষ্যে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের বিভিন্ন সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মী এবং নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা গুলশানে সমবেত হয়েছিলেন। তারা সরকার ও রাষ্ট্রবিরোধী স্লোগান দিয়ে বিশৃঙ্খলা করার লক্ষ্যে সমাবেশের আয়োজন করেন।
মিছিলকারীরা ঘটনাস্থল ও আশপাশের এলাকায় ককটেল বিস্ফোরণ ঘটিয়ে জনমনে আতঙ্ক সৃষ্টি করেন বলে দাবি করা হয় মামলার এজহারে। এতে বলা হয়, পুলিশ তাদের ছত্রভঙ্গ করতে গেলে আতঙ্ক সৃষ্টি করতে পুলিশকে লক্ষ্য করেও ককটেল ছোড়া হয়েছিল। পুলিশ পাঁচটি ককটেল জব্দও করে।



