Agamir Somoy E-Paper
বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
আগামীর সময়
গরিবের চিকিৎসায় নিবেদিত হাফিজুর
বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
আগামীর সময়
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • বিচিত্রা
  • চাকরি
  • ছবি
  • সাহিত্য
  • বিবিধ
  • ধর্ম
  • প্রবাস
  • ফ্যাক্টচেক
  • সোশ্যাল মিডিয়া
  • ধন্যবাদ
  • বিশেষ সংখ্যা
  • সর্বজনের গল্প
  • বিশেষ লেখা
EN
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • ইপেপার
  • EN
লোড হচ্ছে…

প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : আবদুস সাত্তার মিয়াজী

সম্পাদক : মোস্তফা মামুন

আগামীর সময়
আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগশর্তাবলিগোপনীয়তাআমরা

ইডিবি ট্রেড সেন্টার (লেভেল-৬ ও ৭), ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ানবাজার, ঢাকা-১২১৫

যোগাযোগ: ০৯৬৬৬ ৭৭১০১০

বিজ্ঞাপন: ০১৭৫৫ ৬৫১১৬৪

[email protected]

স্বত্ব © ২০২৬ | দৈনিক আগামীর সময়

আগামীর সময় রাজধানী

সাক্ষাৎকারে ডিএমপি কমিশনার

পুলিশের ওপর চড়াও হলে বরদাশত করা হবে না

  • আইনশৃঙ্খলা স্বাভাবিকের পাশাপাশি বাহিনীর মনোবল ফেরাতে চেষ্টা করে যাচ্ছেন ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি) কমিশনার মোসলেহ উদ্দীন আহমেদ। এ নিয়ে গত মঙ্গলবার খোলাখুলি কথা বললেন আগামীর সময়ের সঙ্গে।
সাখাওয়াত কাওসার
সাখাওয়াত কাওসার
agamir somoy
প্রকাশ: ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০:৪৭
পুলিশের ওপর চড়াও হলে বরদাশত করা হবে না

মোসলেহ উদ্দীন আহমেদ

আগামীর সময়: আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি পুরোপুরি স্বাভাবিক করতে আপনার কী বিশেষ কোনো পরিকল্পনা রয়েছে?

ডিএমপি কমিশনার: গণঅভ্যুত্থানের পর আমরা অনেক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করেছি। এখনো করছি। হয়তো সামনে আরও চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে হবে। ডিএমপির মতো মেগাসিটিতে প্রায় আড়াই কোটি মানুষের জন্য কাজ করছে মাত্র ৩২ হাজার পুলিশ। বর্তমানে বহুমাত্রিক সাইবার অপরাধ বেড়ে যাওয়ায় আমাদের অতিরিক্ত নজরদারি করতে হচ্ছে। মাদকও আমাদের জন্য বড় একটি চ্যালেঞ্জ। আমরা দেখেছি ধর্ষণ, খুন, শ্লীলতাহানির মতো সামাজিক অপরাধের সঙ্গে জড়িতদের বড় একটি অংশ ইয়াবার সঙ্গে সম্পৃক্ত। অপরাধ নিয়ন্ত্রণে রাখতে আমরা নিয়মিত পরিসংখ্যান বিশ্লেষণ করছি। গত মাসে কী হয়েছে, তার আগের মাসে কী হয়েছে, তিন মাসে আগে এমনকি আগের বছরে কী হয়েছিল— এসবের সঙ্গে তুলনা করি। আমি দায়িত্ব নেওয়ার পর প্রথম চার মাসের সঙ্গে আগের চার মাসের তুলনা করে দেখেছি, অপরাধ পরিসংখ্যানের সূচকে অনেক উন্নতি হয়েছে।

আগামীর সময়: রাজধানীতে চাঁদাবাজির এখনো বিস্তর অভিযোগ। শীর্ষ সন্ত্রাসী এমনকি কিশোর গ্যাংয়ের নামেও চাঁদা আদায়ের অভিযোগ পাওয়া যায়। কী ব্যবস্থা নিচ্ছেন?

ডিএমপি কমিশনার: অপরাধীর পরিচয় সে অপরাধী। চাঁদাবাজির অভিযোগ পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই আমরা ব্যবস্থা নিচ্ছি। গোয়েন্দা তথ্যের মাধ্যমে হোক, সাধারণ জনগণের কাছ থেকে হোক অথবা থানায় কেউ অভিযোগ দিলে আমরা ব্যবস্থা নেব। এক্ষেত্রে জনগণকেও এগিয়ে আসতে হবে।

আগামীর সময়: মাদক কারবারে শিশুদের নিরাপত্তার ঢাল হিসেবেও ব্যবহার করা হচ্ছে। এ বিষয়টি ঠেকাতে কোনো বিশেষ নির্দেশনা দিয়েছেন?

ডিএমপি কমিশনার: মাদকে শিশুদের ব্যবহার ঠেকাতে কমিউনিটি পুলিশ এবং বিট পুলিশকে বিশেষ নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। কেউ যেন তাদের ঢাল হিসেবে ব্যবহার করতে না পারে, সেদিকে আমরা সতর্ক দৃষ্টি রাখছি। মাদক নিয়ন্ত্রণেও বিশেষ অভিযান চলছে। তবে সব মাদক আমরা আটকাতে পারছি এটা বলা যাবে না। ঢাকায় প্রবেশ ও বের হওয়ার পয়েন্টগুলোতে আমাদের ১১টি চেকপোস্ট ২৪ ঘণ্টা, সাত দিনই চালু থাকে। ইয়াবা মূলত মিয়ানমারের সীমান্তবর্তী এলাকা থেকে আসে। সীমান্তে বিজিবি ও অন্যান্য বাহিনী কাজ করছে। ভেতরে কাজ করে পুলিশ। তবে সীমান্তবর্তী পার হয়ে যাতে মাদক ঢুকতে না পারে, সেদিকেও আমাদের নজর দিতে হবে।

গণঅভ্যুত্থানের পর আমরা অনেক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করেছি। এখনো করছি
মোসলেহ উদ্দীন আহমেদ

আগামীর সময়: কিশোর গ্যাং এখনো রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় আতঙ্কের কারণ। নিয়ন্ত্রণে কী করছেন? 

ডিএমপি কমিশনার: কিশোর গ্যাংয়ের বিরুদ্ধে সাঁড়াশি অভিযান চলছে। আমরা কমিউনিটি পুলিশ ও বিট পুলিশকে শক্তিশালী করছি। জনগণকে বলছি, অপরাধীদের তথ্য দিন। পরিচয় গোপন রাখা হবে। আগে অনেকে তথ্য দিতে ভয় পেতেন। সে ভয় দূর করার চেষ্টা করছি। অনেকাংশে সফলও হয়েছি। মানুষ যখন দেখছে তথ্য দেওয়ার পর সেটি গোপন থাকছে এবং অপরাধীর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে, তখন পুলিশের ওপর তাদের আস্থা বাড়ছে। একটা বিষয় উঠে এসেছে, কিশোর গ্যাং ও মাদকসংশ্লিষ্টরা অনেক সময় রাতে রিকশার গ্যারেজে আড্ডা দেয়। গ্যারেজ মালিক রাতে চলে যাওয়ার পর বহিরাগতরা সেখানে অবস্থান করে। তাই রিকশার গ্যারেজগুলোতে রাতে অভিযান শুরু করেছি।

আগামীর সময়: সম্প্রতি উত্তরাসহ রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় অটোরিকশাচালকদের পুলিশের ওপর হামলার ঘটনা ঘটছে। পুলিশের মনোবল ফেরানো এবং মাঠপর্যায়ের সদস্যদের আরও সক্ষম করতে কী ব্যবস্থা নিচ্ছেন?

ডিএমপি কমিশনার: কেউ পুলিশের ওপর চড়াও হলে অবশ্যই তাকে আইনের আওতায় আনা হবে। সেটি কোনোভাবেই বরদাশত করা হবে না। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যের গায়ে হাত দিয়ে কেউ যদি আইনের আওতায় না আসে, তাহলে ধীরে ধীরে আইন ভাঙার প্রবণতা আরও বাড়বে। আমরা এটি কোনোভাবেই মেনে নেব না।

আগামীর সময়: বর্তমানে আপনাকে মাঠপর্যায়ে বেশি দেখা যাচ্ছে। পুলিশ সদস্যদের মনোবল বাড়ানো ও তাদের আরও আত্মবিশ্বাসী করতে এটি কি আপনার বিশেষ কৌশল?

ডিএমপি কমিশনার: আমি যোগদানের পর থেকেই মাঠে যাচ্ছি। থানাগুলোতে যাচ্ছি। পুলিশ লাইনসগুলো পরিদর্শন করেছি। সব পর্যায়ের কর্মকর্তার সঙ্গে সভা করেছি। ট্রাফিক নিয়েও বেশ কয়েকবার মাঠে গেছি। পুলিশ সদস্যদের মনোবল বাড়াতে আমার জায়গা থেকে সর্বোচ্চ চেষ্টা করছি। আইনশৃঙ্খলা-সংক্রান্ত যে সভা হয়, সেটি আমরা প্রথম শুরু করেছি মোহাম্মদপুর দিয়ে। পর্যায়ক্রমে বিভিন্ন এলাকায় এ ধরনের সভা করব।

আগামীর সময়: যানজটে রাজধানীবাসীর কর্মঘণ্টার বড় একটি অংশ নষ্ট হচ্ছে। ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা ও রিকশার অনিয়ন্ত্রিত চলাচলও বড় সমস্যা। প্রধান সড়ক, ফ্লাইওভার এমনকি নিষিদ্ধ সড়কেও এগুলো ঢুকে পড়ছে। উত্তরণ কীভাবে?

ডিএমপি কমিশনার: অটোরিকশার বিষয়টি সমন্বিত উদ্যোগের মাধ্যমে সমাধান করা হবে। বর্তমান সরকার সে কাজটিই করছে। সিটি করপোরেশন ও স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয় এ বিষয়ে কাজ করছে। ঢাকাকে আটটি জোনে ভাগ করার পরিকল্পনা রয়েছে। প্রতিটি জোনের জন্য আলাদা রঙ থাকবে। প্রতিটি জোনে নির্দিষ্টসংখ্যক অটোরিকশা চলবে। সিটি করপোরেশন থেকে সেগুলোর নিবন্ধন করা হবে। এ ব্যবস্থা চালু হলে নিবন্ধনবিহীন ও অবৈধ অটোরিকশার বিরুদ্ধে আমরা কঠোর ব্যবস্থা নিতে পারব। আমার বিশ্বাস, এখন যারা অবৈধ অটোরিকশা চালাচ্ছেন বা মালিক, তারাও বৈধ ব্যবস্থার মধ্যে আসার সুযোগ পাবেন।

আগামীর সময়: সড়কে সিসিটিভি ও এআই ক্যামেরা স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা আরও আধুনিক করতে সামনে কী পরিকল্পনা রয়েছে?

ডিএমপি কমিশনার: ঢাকা শহরে অপরাধ নিয়ন্ত্রণে ৭০০-এর বেশি সিসিটিভি ক্যামেরা রয়েছে। ট্রাফিক ও রেড ক্যামেরাসহ মোট সংখ্যা প্রায় দুই হাজারের মতো। এ ছাড়া ট্রাফিক ব্যবস্থাপনায় ৩১টি সিগন্যালে এআইভিত্তিক ক্যামেরা স্থাপনের কাজ চলছে। যেসব সিগন্যালে আগে এআই ক্যামেরা ছিল না, সেখানেও বসানো হচ্ছে। দ্রুতই ৩১টি সিগন্যালকে পূর্ণাঙ্গ স্বয়ংক্রিয় ব্যবস্থায় নেওয়া হবে। এর বাইরে উত্তর সিটি করপোরেশনের ২৮টি এবং দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের ২২টি— মোট ৫০টি ট্রাফিক সিগন্যাল স্থাপনের কাজ চলছে। আগামী তিন থেকে চার মাসের মধ্যে এসব সিগন্যাল স্থাপন হলে সেখানেও এআই ক্যামেরা বসানো হবে। তাহলে এআইভিত্তিক সিগন্যালের সংখ্যা প্রায় ৮১টিতে দাঁড়াবে। সব চালু হলে ঢাকা শহরের ট্রাফিক ব্যবস্থাপনায় আরও উন্নতি হবে বলে আমরা আশা করছি।

আগামীর সময়: বিভিন্ন সময় পুলিশ সদস্যদের মাদক গ্রহণ ও কারবারের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগ ওঠে। বাহিনীর ভেতরে মাদকের প্রবণতা ঠেকাতে কী পদক্ষেপ নিচ্ছেন? 

ডিএমপি কমিশনার: আমার কড়া নির্দেশ দেওয়া আছে, কারও বিরুদ্ধে মাদক গ্রহণের অভিযোগ এলে তাকে যেন ডোপ টেস্টের মুখোমুখি করা হয়। ২০২৫ সাল থেকে এ পর্যন্ত ১৭ পুলিশ সদস্য ডোপ টেস্টে পজিটিভ হয়েছেন। তাদের মধ্যে একজন সহকারী উপপরিদর্শক, একজন নায়েক এবং ১৫ জন কনস্টেবল। তাদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

 

চ্যালেঞ্জআইনশৃঙ্খলাডিএমপিমেগাসিটিনজরদারি
    আগামীর সময় ইপেপার
    শেয়ার করুন:
    বিদেশি ফার্নিচার ও কর্মকর্তাদের সম্মানী নিয়ে ক্ষোভ ঝাড়লেন প্রধানমন্ত্রী

    বিদেশি ফার্নিচার ও কর্মকর্তাদের সম্মানী নিয়ে ক্ষোভ ঝাড়লেন প্রধানমন্ত্রী

    সৌদিতে হুতিদের হামলা, পাকিস্তান কোথায়

    সৌদিতে হুতিদের হামলা, পাকিস্তান কোথায়

    ‘হেসে কথা বলল, পরদিন শুনি আইসিইউতে’

    ‘হেসে কথা বলল, পরদিন শুনি আইসিইউতে’

    নতুন দুজনকে গ্রেপ্তার করে র‌্যাবের দাবি উল্টে দিল ডিবি

    নতুন দুজনকে গ্রেপ্তার করে র‌্যাবের দাবি উল্টে দিল ডিবি

    প্রতিদিন কোটি টাকার কলা বিক্রি হয় যে হাটে

    প্রতিদিন কোটি টাকার কলা বিক্রি হয় যে হাটে

    বদলে যাচ্ছে জাতীয় ক্রিকেট লিগ

    বদলে যাচ্ছে জাতীয় ক্রিকেট লিগ

    গেটে জং ধরা তালা, কাঁটাতার সরিয়ে স্বাস্থ্যকেন্দ্রে এমপি

    গেটে জং ধরা তালা, কাঁটাতার সরিয়ে স্বাস্থ্যকেন্দ্রে এমপি

    নিগারের ঘোষণায় অস্থিরতা তারপরও ক্রিকেটে চোখ

    নিগারের ঘোষণায় অস্থিরতা তারপরও ক্রিকেটে চোখ

    গ্যাসে সাময়িক স্বস্তি, বেড়েছে লোডশেডিং

    গ্যাসে সাময়িক স্বস্তি, বেড়েছে লোডশেডিং

    ৩৬ বছর ধরে মাটিতে স্বপ্ন আঁকছেন কিশোর

    ৩৬ বছর ধরে মাটিতে স্বপ্ন আঁকছেন কিশোর

    গ্যাস বাড়তেই শিল্পে উৎপাদন ৭০ শতাংশ

    গ্যাস বাড়তেই শিল্পে উৎপাদন ৭০ শতাংশ

    হামের ধকল থেকে অপুষ্টির কবলে ৭ মাসের আয়ান

    হামের ধকল থেকে অপুষ্টির কবলে ৭ মাসের আয়ান

    জিপিএ ৫ পেয়েও কলেজে মনোনয়ন পায়নি ২২০৫ শিক্ষার্থী

    জিপিএ ৫ পেয়েও কলেজে মনোনয়ন পায়নি ২২০৫ শিক্ষার্থী

    মোবাইল ফোনের মুঠোয় বন্দি হবেন না

    মোবাইল ফোনের মুঠোয় বন্দি হবেন না

    গরিবের চিকিৎসায় নিবেদিত হাফিজুর

    গরিবের চিকিৎসায় নিবেদিত হাফিজুর