জেনারেল দত্ত মানবাধিকার আন্দোলনের বাতিঘর: ঐক্য পরিষদ

বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের উদ্যোগে স্মারণ সভা
মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সেক্টর কমান্ডার মেজর জেনারেল (অব.) সি আর দত্ত (বীর উত্তম) বাংলাদেশের মানবাধিকার আন্দোলনের ‘অন্যতম বাতিঘর’ ছিলেন বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের নেতারা।
বুধবার (২৬ আগস্ট) বিকেলে সি আর দত্তের ষষ্ঠ মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে ঢাকার পল্টন টাওয়ারে সংগঠনের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।
বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক মনীন্দ্র কুমার নাথ স্বাক্ষরিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
জেনারেল দত্তকে স্মরণ করে সংগঠনটির নেতারা বলেন, দেশপ্রেম, সততা, ন্যায়নিষ্ঠতা ও মানবিকতার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত হিসেবে জাতি তাকে চিরকাল শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করবে।
ঐক্য পরিষদের অন্যতম সভাপতি নির্মল রোজারিওর সভাপতিত্বে সভা সঞ্চালনা করেন সংগঠনের অন্যতম যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মনীন্দ্র কুমার নাথ। আলোচনায় অংশ নেন সংগঠনের নেতা অ্যাডভোকেট সুব্রত চৌধুরী, কাজল দেবনাথ, মিলন কান্তি দত্ত, জয়ন্তী রায়, ভিক্ষু সুনন্দপ্রিয়, সন্তোষ শর্মা, অধ্যাপক চন্দ্রনাথ পোদ্দার, অ্যাডভোকেট তাপস কুমার পাল, শ্যামল রায়, রবীন্দ্রনাথ বসু, অপূর্ব ভট্টাচার্য, রজত সুর রাজু, মহানগর উত্তরের অতুল চন্দ্র মণ্ডল, মহানগর দক্ষিণের বাবুল দাস, বাংলাদেশ যুব ঐক্য পরিষদের শিমুল সাহা ও বাংলাদেশ ছাত্র ঐক্য পরিষদের উত্তম রায়।
বক্তারা বলেন, মুক্তিযুদ্ধ থেকে শুরু করে দেশের বিভিন্ন গণতান্ত্রিক ও মানবাধিকার আন্দোলনে সি আর দত্তের ভূমিকা ছিল গুরুত্বপূর্ণ। দেশ ও মানুষের প্রতি তার দায়বদ্ধতা, সততা এবং ন্যায়নিষ্ঠা তাঁকে অনন্য মর্যাদায় অধিষ্ঠিত করেছে। জেনারেল দত্ত শুধু একজন বীর মুক্তিযোদ্ধা ও সামরিক কর্মকর্তা ছিলেন না, তিনি ছিলেন অসাম্প্রদায়িক ও মানবিক বাংলাদেশের স্বপ্নের একজন গুরুত্বপূর্ণ ধারক। তার আদর্শ ও কর্ম ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে মানবাধিকার ও ন্যায় প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে অনুপ্রেরণা জোগাবে।
সভায় বক্তারা জেনারেল দত্তের আদর্শ ও কর্মময় জীবন অনুসরণের আহ্বান জানান।
আলোচনা সভার শুরুতে ধর্মীয় সংখ্যালঘু জনগোষ্ঠীর তিন ধর্মের ধর্মগ্রন্থ থেকে পাঠ করা হয়। পরে জেনারেল দত্তের প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে তার প্রতি শ্রদ্ধা জানানো হয়।






