Agamir Somoy E-Paper
শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর, ২০২৬
আগামীর সময়
মানবকল্যাণে নিবেদিতপ্রাণ খোরশেদ
শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর, ২০২৬
আগামীর সময়
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • বিচিত্রা
  • চাকরি
  • ছবি
  • সাহিত্য
  • বিবিধ
  • ধর্ম
  • প্রবাস
  • ফ্যাক্টচেক
  • সোশ্যাল মিডিয়া
  • ধন্যবাদ
  • বিশেষ সংখ্যা
  • সর্বজনের গল্প
  • বিশেষ লেখা
EN
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • ইপেপার
  • EN
লোড হচ্ছে…

প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : আবদুস সাত্তার মিয়াজী

সম্পাদক : মোস্তফা মামুন

আগামীর সময়
আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগশর্তাবলিগোপনীয়তাআমরা

ইডিবি ট্রেড সেন্টার (লেভেল-৬ ও ৭), ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ানবাজার, ঢাকা-১২১৫

যোগাযোগ: ০৯৬৬৬ ৭৭১০১০

বিজ্ঞাপন: ০১৭৫৫ ৬৫১১৬৪

[email protected]

স্বত্ব © ২০২৬ | দৈনিক আগামীর সময়

আগামীর সময় সম্পাদকীয়

সম্পাদকীয়

যে বিচারে অবিচার

agamir somoy
প্রকাশ: ২৬ আগস্ট ২০২৬, ০৪:২৯
যে বিচারে অবিচার

গ্রাফিকস: আগামীর সময়

অপরাধীর কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করা যেমন বিচার বিভাগের আমানত, তেমনি নিরপরাধ মানুষকে সাজা দেওয়া চরমভাবে নীতিবিরুদ্ধ কাজ। ফেনীর সোনাগাজীর মাদ্রাসাছাত্রী নুসরাত জাহান রাফি হত্যা মামলার রায় এবং বিনা বিচারে আটকে রাখার বিষয়ে হিউম্যান রাইটস ওয়াচ (এইচআরডব্লিউ)-এর প্রতিবেদন দেশের বিচারব্যবস্থার এক ভয়াবহ চেহারা উন্মোচিত করেছে।

নুসরাত হত্যা মামলায় নিম্ন আদালতের বিচারক যেভাবে হত্যাকাণ্ডে সম্পৃক্ততা না থাকা মানুষকে মৃত্যুদণ্ডের মতো চূড়ান্ত দণ্ড দিয়ে কনডেম সেলে পাঠিয়েছেন, তা কোনো স্বাভাবিক বিচারিক ভুল নয়— বরং এটি আইনি প্রক্রিয়ার ছদ্মবেশে এক প্রাতিষ্ঠানিক নির্যাতন। বিচারকের এহেন কাজকে আপিল বিভাগ ‘বিবেকহীন ও দায়িত্বজ্ঞানহীন’ বলে পর্যবেক্ষণে উল্লেখ করেছেন। আপিল বিভাগ নিম্ন আদালতের সেই বিচারকের বিচারিক ক্ষমতা কেড়ে নেওয়ার নির্দেশ দিলেও প্রশ্ন থেকে যায়— যে নিদারুণ মানসিক যন্ত্রণা, সামাজিক লাঞ্ছনা ও কনডেম সেলের নির্মম অন্ধকার নিরপরাধ এই মানুষগুলোকে তিলে তিলে সইতে হলো, তার হিসাব কে দেবে? রাষ্ট্র কি তাদের উপযুক্ত ক্ষতিপূরণ প্রদান নিশ্চিত করবে? বিচারব্যবস্থা যদি জনতুষ্টির হাতিয়ারে পরিণত হয়, তবে তা রাষ্ট্রের মেরুদণ্ড ভেঙে দেয়।

অন্যদিকে, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পর নতুন সরকার ক্ষমতায় এসে সংস্কার ও সুবিচারের বড় বড় কথা বললেও বাস্তবচিত্র ছিল সম্পূর্ণ ভিন্ন। বুলি আওড়ানো সেই অন্তর্বর্তী সরকার বিদায় নিয়ে নির্বাচিত সরকার ক্ষমতায় এসেছে। কিন্তু রাজনৈতিক প্রতিপক্ষকে বিনা বিচারে অনির্দিষ্টকাল আটকে রেখে নির্যাতন করার পুরনো ব্যাধি থেকে মুক্তি মেলেনি। আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা এইচআরডব্লিউর প্রতিবেদন বলছে, কোনো নির্দিষ্ট অপরাধের প্রমাণ ছাড়াই শুধু রাজনৈতিক পরিচয়ের কারণে শত শত মানুষকে মাসের পর মাস কারারুদ্ধ করে রাখা হয়েছে। অশীতিপর বৃদ্ধ, মারাত্মক অসুস্থ রাজনৈতিক নেতাকর্মী ও সাবেক জনপ্রতিনিধি— কোনো অভিযোগ গঠন ছাড়াই ২২-২৩ মাস ধরে কারাগারে। ৮৫ বছর বয়সী রমেশ চন্দ্র সেন কিংবা ৬৫ বছর বয়সী জিয়াউল হক যখন জামিন ও চিকিৎসার সুযোগ না পেয়ে কারাগারের অন্ধকার প্রকোষ্ঠেই মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন, তখন সেই মৃত্যুকে রাষ্ট্রীয় হত্যাকাণ্ড ছাড়া আর কী বলা যায়!

নিম্ন আদালত থেকে শুরু করে উচ্চ আদালত পর্যন্ত পদে পদে জামিন আটকানোর যে মরিয়া অপচেষ্টা, তা রাষ্ট্রযন্ত্রের চরম অমানবিকতাকেই প্রকাশ করে। এক মামলায় জামিন পেলে তৎক্ষণাৎ অন্য ভুয়া মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে মুক্তি ঠেকানোর খেলা বহু বছর ধরে চলমান। কোনো অভিযোগ ছাড়া মানুষকে আটকে রাখা, বিচার শুরুর আগেই তাদের কারাগারে রাখা শুধু সর্বজনীন আইনি নীতিকেই বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখায় না, বরং গোটা বিচারব্যবস্থাকে রাজনৈতিক প্রতিহিংসার ক্ষেত্র করে তোলে।

নুসরাত হত্যা মামলায় নিম্ন আদালতের রায়ে নিরপরাধ থেকে কনডেম সেলে দিন কাটানো ব্যক্তিদের যেমন পূর্ণ ক্ষতিপূরণ ও পুনর্বাসনের বন্দোবস্ত করা জরুরি, তেমনি বিচার বিভাগীয় সংস্কারের অংশ হিসেবে কোনো সুনির্দিষ্ট অভিযোগ ছাড়াই বিনা বিচারে আটক বন্দিদের আইনি অধিকার ফিরিয়ে দিতে হবে। বিনা বিচারে কারাগারে যাদের মৃত্যু হয়েছে এবং যারা আইনি নির্যাতনের শিকার হয়েছেন, তাদের পরিবারকে উপযুক্ত ক্ষতিপূরণ দেওয়া রাষ্ট্রের নৈতিক দায়িত্ব। বর্তমান ক্ষমতাসীন সরকারের অনেকেই বিচারিক প্রতিহিংসার মুখে পড়েছিলেন। ফলে মানুষ আশা করে যে, তারা বিচারিক অবিচারের এ সংস্কৃতি থেকে দেশকে মুক্তি দেবেন। ক্ষমতার পালাবদলে যদি শুধু নির্যাতকের চেহারা বদলায় আর নির্যাতিত হওয়ার নিয়ম একই থাকে, তবে সংস্কার ও সুবিচার শুধুই এক পরিহাস।

এইচআরডব্লিউহিউম্যান রাইটস ওয়াচবিচারহত্যাকাণ্ডআদালত
    আগামীর সময় ইপেপার
    শেয়ার করুন:
    তারেক রহমানের নির্দেশে যুক্তরাষ্ট্রে ড. ইউনূসের জন্য বিশেষ নিরাপত্তা

    তারেক রহমানের নির্দেশে যুক্তরাষ্ট্রে ড. ইউনূসের জন্য বিশেষ নিরাপত্তা

    বলিউডে জনপ্রিয়, তবু ভারতীয় নাগরিক নন যেসব তারকা

    বলিউডে জনপ্রিয়, তবু ভারতীয় নাগরিক নন যেসব তারকা

    সাংবাদিকের বিরুদ্ধে অপপ্রচার ও চাঁদা দাবির অভিযোগ, সাইবার ট্রাইব্যুনালে মামলা

    সাংবাদিকের বিরুদ্ধে অপপ্রচার ও চাঁদা দাবির অভিযোগ, সাইবার ট্রাইব্যুনালে মামলা

    অনৈতিক কর্মকাণ্ড : সৌদি আরবে ২ বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড কার্যকর

    অনৈতিক কর্মকাণ্ড : সৌদি আরবে ২ বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড কার্যকর

    কমিটি গঠনে তাড়াহুড়ো করবে না বিএনপি

    কমিটি গঠনে তাড়াহুড়ো করবে না বিএনপি

    এআই ভিডিও প্রসঙ্গে যা বললেন মেহজাবীন

    এআই ভিডিও প্রসঙ্গে যা বললেন মেহজাবীন

    মানবকল্যাণে নিবেদিতপ্রাণ খোরশেদ

    মানবকল্যাণে নিবেদিতপ্রাণ খোরশেদ

    ১২ মাসে মবের হাতে নিভেছে ২৪৯ প্রাণ

    ১২ মাসে মবের হাতে নিভেছে ২৪৯ প্রাণ

    যে রাতে নাটক দেখার আনন্দ পরিণত হয়েছিল বিষাদে

    যে রাতে নাটক দেখার আনন্দ পরিণত হয়েছিল বিষাদে

    মৃত স্ত্রীর জন্মদিনে জাহের আলভীর পোস্ট, ‘পারলে মাফ করে দিও’

    মৃত স্ত্রীর জন্মদিনে জাহের আলভীর পোস্ট, ‘পারলে মাফ করে দিও’

    হাসপাতাল থেকে আবার সার্কিট হাউজে ফিরলেন চুয়েট উপাচার্য

    হাসপাতাল থেকে আবার সার্কিট হাউজে ফিরলেন চুয়েট উপাচার্য

    আগে সংস্কার, তারপর ঋণ, বার্তা আইএমএফের

    আগে সংস্কার, তারপর ঋণ, বার্তা আইএমএফের

    ছাদভিত্তিক সৌরবিদ্যুৎ সক্ষমতা ১১০ মেগাওয়াটে নিতে চায় মেঘনা গ্রুপ

    ছাদভিত্তিক সৌরবিদ্যুৎ সক্ষমতা ১১০ মেগাওয়াটে নিতে চায় মেঘনা গ্রুপ

    রবীন্দ্রনাথের ‘আমার সোনার বাংলা’ মুসলমানদের বিরুদ্ধে, দাবি হেফাজত নেতার

    রবীন্দ্রনাথের ‘আমার সোনার বাংলা’ মুসলমানদের বিরুদ্ধে, দাবি হেফাজত নেতার

    পাটুরিয়া ফেরিঘাটের বদলে যাওয়া সময়ের গল্প আলোকচিত্রে

    পাটুরিয়া ফেরিঘাটের বদলে যাওয়া সময়ের গল্প আলোকচিত্রে