রাজধানীতে বাস-ট্রাকে আগুন, যাত্রাবাড়ী ও কমলাপুরে ককটেল বিস্ফোরণ

সংগৃহীত ছবি
রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় শনিবার সন্ধ্যা থেকে রাত পর্যন্ত কয়েকটি বাস ও ট্রাকে অগ্নিসংযোগ এবং ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। মিরপুর, বাড্ডা ও কেরানীগঞ্জে বাস ও ট্রাকে আগুন দেওয়া হয়। এ ছাড়া যাত্রাবাড়ী ও কমলাপুর রেলস্টেশনে ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। এসব ঘটনায় একজন রিকশাচালক আহত হয়েছেন। তবে কমলাপুরের ঘটনায় কেউ হতাহত হয়নি।
শনিবার সন্ধ্যায় মিরপুর ১১ ও মিরপুর ১ এলাকায় পরপর দুটি বাসে আগুন দেওয়া হয়। পুলিশ জানিয়েছে, মিরপুর ১ নম্বরে অভিজাত পরিবহন ও মিরপুর ১১ নম্বরে শিকর পরিবহনের বাসে অগ্নিসংযোগ করা হয়েছে। পরে বাড্ডার ইউলুপের কাছে দাঁড়িয়ে থাকা একটি স্টাফ বাসেও আগুন দেওয়া হয়।
বাড্ডা থানার এসআই হাসানুর জানিয়েছেন, কে বা কারা দাঁড়িয়ে থাকা বাসটিতে আগুন দিয়ে পালিয়ে গেছে, তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।
একই দিন রাত সাড়ে ৯টার দিকে কেরানীগঞ্জ মডেল থানার বিপরীতে দাঁড়িয়ে থাকা একটি ট্রাকে অগ্নিসংযোগ করা হয়। এ ঘটনাটিও তদন্ত করছে সংশ্লিষ্ট থানা পুলিশ।
এদিকে শনিবার সন্ধ্যায় যাত্রাবাড়ী থানার বিপরীতে হাতবোমা বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। যাত্রাবাড়ী থানার ওসি রাজু আহমেদ জানিয়েছেন, সেখানে চারটি হাতবোমার বিস্ফোরণ ঘটানো হয়েছে। এতে বিল্লাল (৩২) নামে এক রিকশাচালক আহত হয়েছেন। তিনি বলেন, ‘কে বা কারা বিস্ফোরণ করেছে, সেটি নিয়ে আমরা কাজ করছি।’
এরপর রাত ১০টা ৩৭ মিনিটে ঢাকা রেলওয়ে স্টেশনের (কমলাপুর রেলস্টেশন) ২ নম্বর প্ল্যাটফর্মে দুটি ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। প্ল্যাটফর্মের ৩০ নম্বর পিলারের সামনে ককটেল দুটি বিস্ফোরিত হয়।
ঢাকা রেলওয়ে স্টেশনের স্টেশন মাস্টার মোহাম্মদ আনোয়ার হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করে জানিয়েছেন, রাত ১০টা ৩৭ মিনিটে ২ নম্বর প্ল্যাটফর্মের ৩০ নম্বর পিলারের সামনে দুটি ককটেল বিস্ফোরিত হয়। তবে এতে কেউ হতাহত হয়নি।
রাত সাড়ে ১১টার দিকে বাংলাদেশ সচিবালয় এলাকায়ও ককটেল বিস্ফোরণের খবর পাওয়া যায়। তবে ঘটনাস্থল নিশ্চিত করতে পারেনি পুলিশ। শাহবাগ থানার ওসি মনিরুজ্জামান জানিয়েছেন, ‘বিকট শব্দ শুনতে পেয়েছি। তবে সেটা কোন স্থানে, তা বলতে পারছি না। আমরা বিষয়টি তদন্ত করছি।’




