সরকারি-বেসরকারি অংশীদারত্বে পর্যটন খাত এগিয়ে নেওয়ার তাগিদ

বক্তব্য দিচ্ছেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রী আফরোজা খানম
বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রী আফরোজা খানম বলেছেন, ‘বাংলাদেশকে ট্যুরিজম হাব হিসেবে প্রতিষ্ঠা করার জন্য কাজ করে যাচ্ছে বর্তমান সরকার। এটা সরকারের নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি এবং সরকার এ লক্ষ্যে কাজ করছে। বর্তমান সরকার মাত্র পাঁচ মাসেই পর্যটন খাতের উন্নয়নে বেশ কিছু উদ্যোগ নিয়েছে।’
আজ বুধবার রাজধানীর পর্যটন ভবনে বাংলাদেশ ট্যুরিজম বোর্ড আয়োজিত ‘ইকো-ট্যুরিজম প্রসারে সরকারি বেসরকারি খাতের অংশীদারিত্ব ও সচেতনতা বৃদ্ধি’ শীর্ষক সেমিনারে এসব কথা বলেন আফরোজা খানম।
অনুষ্ঠানে গেস্ট অব অনার ছিলেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন সচিব ফাহমিদা আখতার ও বিশেষ অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশনের চেয়ারম্যান মো. সামীমুজ্জামান। সেমিনারে সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ ট্যুরিজম বোর্ডের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (অতিরিক্ত দায়িত্ব) মো আব্দুর রউফ।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী বলেন, ‘যেকোনো উন্নয়নের ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার যাচাই করতে হবে। সেজন্য প্রতিমাসেই বেসরকারি অংশীজনদের নিয়ে বসা প্রয়োজন যাতে সরকারি প্রতিষ্ঠান এবং বেসরকারি খাতের মধ্যে তথ্যের ঘাটতি না থাকে।’
আফরোজা খানম বলেন, টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি) অর্জনের লক্ষ্যে প্রধানমন্ত্রীর উদ্বোধনকৃত ‘এসডিজি ভিলেজ’ রাঙামাটির কাপ্তাই উপজেলার মিতিঙ্গাছড়ি গ্রাম, খুলনার দাকোপ উপজেলার পানখালী গ্রাম এবং দিনাজপুরের বোচাগঞ্জ উপজেলার নাফানগর গ্রামসহ আরো কয়েকটি গ্রাম নিয়ে পর্যটন স্পট তৈরির কথা আমরা ভাবছি। এভাবে পুরো বাংলাদেশের ৬৪টি জেলার পর্যটন সম্ভাব্য স্থানগুলো চিহ্নিত করে দেশকে আন্তর্জাতিক মানের পর্যটন গন্তব্যে হিসেবে প্রতিষ্ঠার কাজ এগিয়ে যেতে চায় বর্তমান সরকার।’
এ সময় সচিব ফাহমিদা আখতার জানান, পর্যটন খাতের উন্নয়নে তথ্যের ঘাটতি দূর করতে সরকার ট্যুরিজম সেটেলাইট একাউন্ট-এর কাজ শুরু করেছে। তাছাড়া চলছে ইকো-ট্যুরিজম নীতিমালা তৈরির কাজ।
সেমিনারে বাংলাদেশে ইকো-ট্যুরিজমের গুরুত্ব, বর্তমান অবস্থান, ইকো-ট্যুরিজমের উন্নয়নে চ্যালেঞ্জ, উন্নয়ন কর্ম পরিকল্পনা এবং করণীয় বিষয়ে আলোচনা হয়। অনুষ্ঠানে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফরেস্ট্রি অ্যান্ড উড টেকনোলজি বিভাগের অধ্যাপক ড. মো ওয়াসিউল ইসলাম।





